Imperial Science Club -ISC

Imperial Science Club -ISC

Share

Imperial Science Club is the science club of Dhaka Imperial College which was established in 1995. Join in our Discord community
https://discord.gg/ASTqpD2JY9

Photos from Imperial Science Club -ISC's post 17/05/2026

For our latest Science Club session, we had the pleasure of welcoming representatives from the English, Debate, and Business Clubs for a productive and insightful discussion on how we can collectively make the Dhaka Imperial College Innovation & Science Carnival a successful and impactful event. The session highlighted the importance of collaboration, leadership, creativity, and teamwork across different fields.
We would like to extend our sincere appreciation to:

• Fazle Ràbbi General Secretary, Business Club
• Md Rifat Associate General Secretary, Business Club
• Fahmid Zarif Information Secretary, Debate Club
• Ruhsafi Vice President, English Club
• Yesrat Jahan Ananna Publication Secretary, English Club

Thank you all for sharing your valuable thoughts, experiences, and constructive ideas with our members. Your inspiring speeches and guidance greatly enriched the discussion and motivated everyone to work together toward a common goal.

This collaborative session truly reflected the spirit of unity and innovation, and we believe it marks the beginning of a stronger partnership in making the DIC Innovation & Science Carnival a remarkable success.

17/05/2026

কোটি কোটি আলোকবর্ষ দূরের নক্ষত্রে মুহূর্তের মধ্যে পৌঁছানো কি সত্যিই সম্ভব? মহাবিশ্বে এমন একটি তাত্ত্বিক পথের ধারণা রয়েছে, যার নাম ওয়ার্মহোল (Wormhole)। ১৯৩৫ সালে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন এবং নাথান রোজেন এই ধারণাটি প্রথম গাণিতিকভাবে উপস্থাপন করেন, যার কারণে একে 'আইনস্টাইন-রোজেন ব্রিজ'ও বলা হয়।

ওয়ার্মহোলকে সহজভাবে "মহাকাশের সুড়ঙ্গপথ" বলা চলে। সাধারণ জ্যামিতিতে, দুটি দূরবর্তী বিন্দুর মধ্যে সবচেয়ে কম পথ হলো সরলরেখা। কিন্তু ওয়ার্মহোল এই ধারণাকে বদলে দিয়ে একটি শর্টকাট তৈরি করে। সাধারণ অর্থে, এটি মহাকাশ বা স্পেস-টাইমের (Space-time) দুটি ভিন্ন বিন্দুকে সংযুক্তকারী একটি সংক্ষিপ্ত সুড়ঙ্গ বা শর্টকাট।

ওয়ার্মহোলকে সহজে বোঝার জন্য একটি কাগজের কথা কল্পনা করুন। কাগজের দুই প্রান্তের দূরত্ব যদি অনেক বেশি হয়, তবে কাগজটিকে ভাঁজ করলে দুই প্রান্ত খুব কাছাকাছি চলে আসে। তখন একটি সুঁই দিয়ে ছিদ্র করলে দুই প্রান্তের মধ্যে যেমন সংযোগ তৈরি হয়, ওয়ার্মহোল ঠিক সেভাবেই কাজ করে। এর মাধ্যমে কোটি কোটি আলোকবর্ষ দূরের পথও মুহূর্তের মধ্যে পাড়ি দেওয়া তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব।

তত্ত্ব অনুযায়ী, এই মহাজাগতিক সুড়ঙ্গের দুটি মুখ থাকে, যা একটি "গলা" (Throat) নামক পথ দ্বারা সংযুক্ত। কিন্তু এখানেই প্রধান সমস্যা। বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের মতে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট যেকোনো ওয়ার্মহোল অত্যন্ত অস্থিতিশীল। এটি তৈরি হওয়ার মুহূর্তেই নিজের ভেতরে ধসে পড়ে বা বন্ধ হয়ে যায়। এটিকে খোলা ও স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজন "নেগেটিভ এনার্জি" বা "এক্সোটিক ম্যাটার" (Exotic Matter) নামের এক রহস্যময় উপাদানের, যা পদার্থবিজ্ঞানের প্রচলিত নিয়মকে অস্বীকার করে। এই ধরনের শক্তি (Energy) এখনও আবিষ্কৃত হয়নি ।

ওয়ার্মহোল কেবল দূরত্বের শর্টকাট নয়, এটি সময় ভ্রমণের (Time Travel) পথ হিসেবেও বিজ্ঞানীদের মধ্যে জনপ্রিয়। যদিও বর্তমানে এটি কেবল সায়েন্স ফিকশন বা গণিতের পাতায় সীমাবদ্ধ, তবে ভবিষ্যতে মহাকাশ গবেষণায় এটি হতে পারে মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় বিস্ময়।
✒️ কৌশিক, আবিদ, তাহসিন

10/05/2026

S***m Whale বা শুক্রাণু তিমি হলো বিশ্বের বৃহত্তম দাঁতযুক্ত তিমি এবং সবচেয়ে বড় দাঁতযুক্ত শিকারি প্রাণী। এদের বিশালাকার মাথা এবং সমুদ্রের গভীরে ডুব দেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতার জন্য এরা পরিচিত।
মূল বৈশিষ্ট্য

* আকার ও ওজন: পূর্ণবয়স্ক পুরুষ তিমি প্রায় ২০ মিটার (৬৬ ফুট) লম্বা এবং ৫৭ টন পর্যন্ত ওজনের হতে পারে।
* বিশাল মস্তিষ্ক: প্রাণীজগতের মধ্যে এদের মস্তিষ্ক সবচেয়ে বড়।
* মাথার গঠন: এদের মাথা দেহের মোট দৈর্ঘ্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
* দাঁত: এদের শুধু নিচের চোয়ালে সারিবদ্ধ দাঁত থাকে, যা মূলত শিকার ধরতে সাহায্য করে।

নামের উৎস ও স্পার্মাসেটি তেল
এই তিমির মাথার ভেতরে স্পার্মাসেটি (S***maceti) নামক এক ধরণের সাদা তৈলাক্ত পদার্থ থাকে। প্রাচীনকালে তিমি শিকারিরা এই তরলটিকে ভুলবশত তিমির বীর্য বা "স্পার্ম" মনে করেছিল, আর সেই থেকেই এর নাম হয়েছে "স্পার্ম হোয়েল"। এই তেল একসময় মোমবাতি, সাবান এবং লুব্রিকেন্ট তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো।

জীবনযাত্রা ও খাদ্য

গভীর সমুদ্রের ডুবুরি: এরা খাবারের খোঁজে সমুদ্রের প্রায় ২,০০০ মিটার (৬,৬০০ ফুট) গভীরে ডুব দিতে পারে এবং ৯০ মিনিট পর্যন্ত পানির নিচে থাকতে পারে।
প্রধান খাদ্য: এদের প্রিয় খাবার হলো জায়ান্ট স্কুইড। সমুদ্রের গভীরে এই দুই দানবীয় প্রাণীর মধ্যে প্রায়ই ভয়াবহ লড়াই হয়।
* শব্দ তৈরি: এরা ক্লিকিং বা 'কোডা' নামক উচ্চমাত্রার শব্দ তৈরি করে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে এবং শিকার খুঁজে বের করে।

স্পার্ম তিমির অন্ত্রে অ্যাম্বারগ্রিস নামক একটি মূল্যবান মোমজাতীয় পদার্থ তৈরি হয়। এটি সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে এর দাম অনেক বেশি।

বিখ্যাত ইংরেজি উপন্যাস 'মবি ডিক' (Moby Dick)-এর সেই দানবীয় সাদা তিমিটি আসলে একটি স্পার্ম হোয়েল ছিল।

প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের গড় দৈর্ঘ্য 16 মিটার (52 ফুট ), কিন্তু তারা 20.5 মিটার (67 ফুট) পর্যন্ত হতে পারে, যার মাথা পশুর দৈর্ঘ্যের এক-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী। অ্যাম্বার তিমিরা প্রধানত দৈত্যাকার স্কুইড এবং বিশাল স্কুইড খায় এবং সেগুলি পাওয়ার জন্য তারা সমুদ্রের গভীরে ডুব দেয় এবং তারা জলের পৃষ্ঠের নীচে 3 কিলোমিটার (9,800 ফুট) গভীরে ডুব দিতে পারে এবং এইভাবে তারা গভীরতম ডাইভিং স্তন্যপায়ী। শুক্রাণু তিমিরা তাদের নির্গত ফাটলগুলির প্রতিধ্বনি করে যোগাযোগ করে, এবং তাদের কণ্ঠস্বর উচ্চ, এর তীব্রতা জলের পৃষ্ঠের নীচে 230 ডেসিবেলে পৌঁছাতে পারে, এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠের সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর চেয়ে এটির কণ্ঠস্বর উচ্চতর। এটিতে সমস্ত প্রাণীর মধ্যে সবচেয়ে বড় মস্তিষ্ক রয়েছে এবং এর ওজন মানুষের মস্তিষ্কের ওজনের প্রায় পাঁচ গুণ বেশি।

শুক্রাণু তিমি একটি বিশ্বব্যাপী প্রাণী, যার অর্থ এটি ছোট দলে বিশ্বের মহাসাগর এবং সমুদ্র জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। মহিলা এবং তাদের বাচ্চারা প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের থেকে দূরে ছোট দলে বাস করে এবং তারা অল্পবয়সিদের যত্ন, সুরক্ষা এবং পরিচর্যা করতে একে অপরের সাথে সহযোগিতা করে। মহিলা প্রতি চার থেকে বিশ বছরে একটি বাচ্চার জন্ম দেয় এবং প্রায় দশ বছর ধরে তার নবজাতকের যত্ন নেয়। শুক্রাণু তিমি 70 বছর পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ের জন্য বেঁচে থাকে এবং একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের কোন প্রাকৃতিক শিকারী নেই। অল্পবয়সী বা অসুস্থ তিমিদের জন্য, তারা হত্যাকারী তিমি (হত্যাকারী বা অরকা) শিকার হতে পারে।

এই তিমিগুলি অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম দিক থেকে বিংশ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত শিকারীদের জন্য একটি প্রধান লক্ষ্য ছিল, কারণ তাদের মাথায় অ্যাম্বারের উচ্চ চাহিদা ছিল, যা গুঁড়ো, মলম, মোম এবং বাতি তেলের জন্য কারখানাগুলিতে প্রয়োজন ছিল। অ্যাম্বারের চাহিদা ছাড়াও তার পাচনতন্ত্র পাওয়া যায়, যা একটি সুগন্ধি স্থিরকারী হিসাবে ব্যবহৃত হয়। অ্যাম্বার তিমিগুলি প্রায়ই জেলেদের বর্শার মাধ্যমে বহন করা হত এবং তাদের বড় আকারের কারণে তাদের পদে এবং তাদের জাহাজে ভারী ক্ষতির প্রত্যাশিত ছিল৷ এটি তাদের সম্পর্কে কিছু কিংবদন্তি এবং গল্পের আবির্ভাব ঘটিয়েছে, যেমন উপন্যাস " মবি ডিক" ” শুক্রাণু তিমি বর্তমানে সম্পূর্ণ আইনি সুরক্ষা উপভোগ করছে, এবং বেশ কয়েকটি দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি জারি করা হয়েছিল যার অধীনে তাদের আঞ্চলিক জলে এই তিমিদের শিকার বন্ধ করা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক আইনগুলি ছাড়াও যা উচ্চ সমুদ্রে তাদের শিকারে বাধা দেয়। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার শুক্রাণু তিমিকে ন্যূনতম হুমকির মধ্যে শ্রেণীবদ্ধ করেছে।

✒️Jannatul Sumaiya, Tafrida Sarker Mysha, Farhana Mitu

Photos from Imperial Science Club -ISC's post 09/05/2026

The Imperial Science Club successfully hosted The Space Talk Series: Artemis II, an engaging and inspiring session that brought together passionate young minds to explore the future of space exploration through knowledge, creativity, and public speaking.

The event witnessed enthusiastic participation from students, making it a memorable and intellectually enriching experience for everyone present. We sincerely thank all participants and attendees for making the program a success.

🏆 Best Speakers Ranking

1. Araf Patwary
2. Sanzid Islam Shuvo
3. Yeamin Hasan Sayem
4. Kazi Rafayel Ahmed
5. Farzana Mitu

Congratulations to all the winners and participants for their outstanding performances. The Imperial Science Club looks forward to organizing more inspiring events in the future.

Photos from Imperial Science Club -ISC's post 06/05/2026

We are proud to announce that Hasibur Rahman, a member of Imperial Science Club, has achieved remarkable success at Beyond The Classroom: National Science & Creative Carnival 2026, organised by DACSU. He secured 3rd Position in the Project Display (Mechanical) category.

This achievement reflects his dedication, innovation, and hard work. We extend our heartfelt congratulations to him and wish him continued success in the future.

Photos from Imperial Science Club -ISC's post 28/04/2026

The members of the Imperial Science Club-ISC proudly represented Dhaka Imperial College at the NDC Annual Science Festival 2025 and the 35th GKC, achieving notable success across multiple segments.

🏆 Champion – Wall Magazine

Team: Stealth Technology

Members: Abid Hasan and Koushik Das Prio

🥈 1st Runner-Up – Public Quiz
Ratul Islam

The event proved to be an enriching and intellectually stimulating experience for all participants. It offered a valuable platform for learning, critical thinking, and exploring the depths of scientific knowledge.

ISC remains committed to fostering curiosity, innovation, and excellence in the field of science, and we look forward to building on these achievements in the future.

22/02/2026

পাওয়ার প্ল্যান্ট: কাঠামো, কার্যপ্রণালী ও জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা

আধুনিক সভ্যতার মেরুদণ্ড হলো বিদ্যুৎ। শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিটি খাত বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল। এই বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল অবকাঠামো হলো পাওয়ার প্ল্যান্ট। একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং জীবনযাত্রার মান অনেকাংশেই নির্ভর করে তার বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার উপর।

পাওয়ার প্ল্যান্ট কী?
পাওয়ার প্ল্যান্ট হলো এমন একটি প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প স্থাপনা যেখানে প্রাথমিক শক্তি (Primary Energy) কে রূপান্তর করে বিদ্যুৎ শক্তিতে (Electrical Energy) পরিণত করা হয়। এই প্রাথমিক শক্তির উৎস হতে পারে:
জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস),
জলবিদ্যুৎ,
পারমাণবিক শক্তি,
সৌর শক্তি,
বায়ু শক্তি।

মূল লক্ষ্য:
Energy Conversion with Maximum Efficiency and Minimum Environmental Impact.

পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রকারভেদ (সংক্ষেপে)
১. তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র (Thermal Power Plant),
২. জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র (Hydroelectric Power Plant),
৩. পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (Nuclear Power Plant)।

Cooling System (কুলিং সিস্টেম):
কুলিং টাওয়ার বা নদীর পানি ব্যবহার করে সিস্টেম ঠান্ডা রাখা হয়। উচ্চ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Transformer & Transmission Line
উৎপাদিত বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে ভোল্টেজ বৃদ্ধি করা হয়। উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ দূরবর্তী স্থানে প্রেরণ করা হয়। পরে সাবস্টেশনে ভোল্টেজ কমিয়ে ব্যবহারযোগ্য করা হয়।

পরিবেশগত প্রভাব ও টেকসই উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ:
কার্বন নিঃসরণ,
বায়ু দূষণ,
তাপ দূষণ।

সমাধান:
নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার,
কার্বন ক্যাপচার প্রযুক্তি,
উচ্চ দক্ষতার টারবাইন।

পাওয়ার প্ল্যান্ট শুধুমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্র নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির ভিত্তি। দক্ষ, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা ভবিষ্যৎ উন্নয়নের চাবিকাঠি।

📝 আবদুল্লাহ ইউশা, আবরার ইউনুস, রাইয়ান তাজেম

21/02/2026

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’

একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও জাতীয় শহীদ দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবময় ও বেদনাবিধুর দিন।

এই দিনে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

18/02/2026

আগামীকাল ইনশা’আল্লাহ পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে যাচ্ছে।
ইমপিরিয়াল সাইন্স ক্লাবের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই পবিত্র রমজানের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

এই রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাসে আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলের গুনাহ মাফ করে দিন, নেক আমল করার তাওফিক দান করুন এবং আমাদের জীবনকে হেদায়েতের আলোয় আলোকিত করুন।
রমজান হোক আত্মশুদ্ধির, ধৈর্যের ও তাকওয়া অর্জনের মাস।
রমজান মোবারক 🌙✨️

Want your school to be the top-listed School/college in Badda?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Badda