Error404 Technologies
Error404Technologies Bangladesh's largest online shop for Fashion, Electronics, Mobile Phones, and
21/04/2022
ফ্রিলান্সারের প্লান B:
আপনি যদি ফ্রিলান্সার হন, মাসে যদি মোটামুটি নিদিষ্ট একটা ইনকাম করছেন, তবে বোঝা যায় আপনার প্লান A সফল হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আপনার প্লান B কি রেডি আছে? যদি থাকে খুবই ভাল কথা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আমাদের বেশিরভাগ ফ্রিলান্সারেরই কোন প্লান B নেই। কারন আমরা ধরেই নেই এভাবেই মনে হয় আমাদের বাকি জীবন চলতে থাকবে। আসলে এর থেকে ভুল ধারনা আর কিছু হতে পারে না। অনলাইন জগৎ প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। যারা স্কিল ডেভেলপ করে তাল মিলাতে পারবে, একমাত্র তারাই টিকতে পারবে। বাকিরা ঝড়ে পড়ে যাবে। তাই আপনার প্লান B রেডি থাকতে হবে, যেন প্লান A যদি কোন কারনে ব্যর্থও হয়, তার পরেও যেন আপনি ভাল করে টিকে থাকতে পারেন।
অসংখ্য উদাহরণ দিতে পারি, একসময় অনেকেই খুবই সফল ফ্রিলান্সার ছিলেন, কিন্তু এখন তাঁরা বার্থ। ইনাকামের বিকল্প কোন সোর্স রেডি না করতে পেরে তাঁরা এখন সবার করুনা আর উপহাসের পাত্র। নাম না উল্লেখ করে কিছু বাস্তব উদাহরণ দেই
১. Elance মার্কেটপ্লসে কাজ করত একজন সফল ফ্রিলান্সার। হাতে গোনা কয়েকজন বায়ার দিয়ে খুবই ভাল কাজ করত। তার বড় একটা টিম ছিল। Elance, oDesk এর সাথে মিলে যাবার পর তার কাজে ধ্বস নামে। প্রায় সব বায়ার হাতছাড়া হয়ে যায়। প্রায় ০৬ মাস তাঁরা কর্মীদের প্রায় বসিয়ে বসিয়ে বেতন দিয়ে, চালাতে না পেরে সবাইকে বিদায় করে। এখন নিজে নিজে কাজ করে, কোন মতে কাজ টিকে আছে।
২. পরিচিত একজন, Fiverr এ খুবই ভাল কাজ করত। খুব সুন্দর একটা অফিসে প্রায় ১২ জনের একটা টিম নিয়ে কাজ করত। প্রায় ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে শুধু অফিস ডেকারেশন করেছিল। বেশ কয়েকটা বিদেশি একাউন্ট ছিল VPN, প্রক্সি দিয়ে চলাত। একে একে সব ব্যান হয়ে যায়। এখন নামে মাত্র অফিসে থাকলেও, তার মূল ব্যাবসা হচ্ছে ফিলান্সিং টিউশনি, মানে মানুষের বাসায় যেয়ে ফ্রিলান্সিং শেখানো। টিকে থাকার জন্য আসলে সে এই ধান্দাবাজি করছে, অধঃপতন আর কাকে বলে :(
৩. কয়েকদিন আগের ঘটনা, একজনের সাথে কথা হচ্ছিল। সে শুধু ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভের কাজ করেই Upwork থেকে গত কয়েক বছর ধরে ভাল ইনকাম করছিল। এর বাহিরে সে কিছু জানে না, শেখার চেষ্টাও করেনি। কোন কারনে তার একাউন্ট সাসপেন্ড। এখন Fiverr এ এসেছে। অনেক চেষ্টা করেও কোন অর্ডার পাচ্ছে না। খুবই হতাশ।
৪. একজন ফ্রিলান্সার লোভে পড়ে, তার ইনকামের পুরো ৫৬ লক্ষ টাকা, শেয়ার বাজারে ইনভেস্ট করে প্রায় পুরটাই খুইয়েছে। যে কাজে ফ্রিন্সান্সিং করত তার চাহিদা কমে গেছে, আর সে নিজেকে আপডেট করতে পারেনি। এখন চাকরীর জন্য বিভিন্ন অফিসে ট্রাই করছে।
৫. বছর তিনেক আগে একজন ফ্রিলান্সার , গ্রুপে ইনকামের স্ক্রিনশট দিয়েছিল সেটা তার এক মাসের ইনকাম ১ হাজার ডলারের স্কিনশট ছিল! পোষ্টের হেডিং ছিল পারলে ঠেকা :) আসলে তাকে ঠেকানোর কোন সুযোগই এখন নেই, কারন সেই লোক এখন আর ফ্রিলান্সিংই করে না :D
৬. আমার পরিচিত এক ছোট ভাই কাজ করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়ল। হঠাৎ একদিন তার ব্রেন স্ট্রোক করল। প্রায় ০৭ দিন হাসপাতালে ভর্তি থেকে এবং মাস ছয় বেড রেস্টে থেকে এখন কিছুটা সুস্থ। ফ্রিলান্সিং তার মাথায় উঠেছে :(
আসলে লিখতে গেলে এই রকম গল্প অনেক বলা যাবে। তাই আর লিখছি না,
সবাইকে বলব সময় থাকতে সাবধান হোন। আপনার প্লান B রেডি করে ফেলেন। কোন কারনে যদি আপনার একাউন্ট চলে যায়, বা ইনকামের সোর্স নষ্ট হয়ে যায়, তার পরেও যেন ভাল করে টিকে থাকতে পারেন। টিকে থাকার জন্য আপনি কি কি করতে পারেন সেই ব্যাপারে আমার কিছু মতামত দিচ্ছি। আপনার কোন আইডিয়া থাকলে কমেন্টে দিতে পারেন।
১. আপনার প্রথম ইনকাম চালু হবার সাথে সাথে ব্যাংকে একটা DPS খুলে ফেলেন সামর্থ্য অনুযায়ী। বিশ্বাস করেন,এটা একসময় আপনার বিপদের বন্ধু হিসেবে কাজে দেবে।
২. আপনি যে কাজ করেন সেটা আপনার খুব ঘনিস্ট কেউ, যেমন ভাই, বোন, স্ত্রীকে মোটামুটি শিখিয়ে দেন। যেন আপনার অবর্তমানে সে চালিয়ে নিতে পারে। ব্যাক্তিগত কারনে আমার একাউণ্ট প্রায় দেড় মাস বন্ধ রেখেছিলাম। তাখন এটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি।
৩. চীনাদের মত মাসিক সঞ্চয় করুন। তাদের নীতি হচ্ছে আগে সঞ্চয় করতে হবে। এর পরে যদি কিছু বাচে, তবে সেটা খরচ করতে হবে। আমরা করি উল্টা, খরচের পর যদি কিছু থাকে তবে সঞ্চয় করি। এটা উচিৎ না। ব্যাংকে কত টাকা জমাবেন সেটা টার্গেট করেন। সেটা অর্জন না করা পর্যন্ত লেগে থাকেন।
৪. ইনকামের আরেকটা সোর্স চালু করেন। Fiverr পাশাপাশি অন্য মারকেটপ্লেস ট্রাই করেন। যেন Fiverr এর প্রফাইল চলে গেলেও টিকতে পারেন।
৫.রেগুলার পারমানেন্ট বায়ার তৈরি করেন। একসময় হয়ত আর মার্কেটপ্লেসে কাজ নাও করা লাগতে পারে।
৬. জমিতে বিনিয়োগ করেন। জমির বিনিয়োগ লাভজনক। হতে মোটামুটি টাকা হলেই জমি কিনে রেখে দেবেন। আমার পরিচিত যারা এইধরনের বিনিয়োগ করেছেন তাঁরা প্রায় সবাই লাভবান হয়েছেন। শহরে থাকলে ফ্লাটে বিনিয়োগ করতে পারেন। এটাও লাভজনক।
৭. কৃষিতে বিনিয়োগ করতে পারেন। এটা এখন খুবই লাভজনক ব্যাবসা। ফিশারিজ, পোল্ট্রি এখন অনেক লাভ জনক। ইকমার্স এর ব্যাবসাও ভাল করছে। সামনে ঈদ, এটা নিয়ে এগুতে পারেন। ভাল লাভ থাকবে।
৮.ভুলেও শেয়ার বাজার বা কোন MLM ব্যাবসায় যাবেন না, এমনকি পরিচিত কেউ যদি এসব ব্যাবসা করে তবে তার থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। কারন আর নাইবা বললাম :)
৯. আপনি যে সার্ভিস দেন সেটার উপর একটা সার্ভিস সাইট করে রাখেন। একদিন এটা আপনার সম্পদে পরিণত হবে।
১০. রেন্ট এ কারে বিনিয়োগ করতে পারেন। ভাল লোক পেলে আপনার ইনভেস্ট লাভ সহ উঠে আসবে। নিজের কাছের কেউ ভাল ড্রাইভিং জানলে এটা নিয়ে এগোতে পারেন।
১১. ডিলারশিপের ব্যাবসা করতে পারেন। ভাল কোম্পানির ডিলারশিপ অনেক নিরাপদ ব্যাবসা।
আমি বলব, নিজেকে নিজেই মোটিভেট করেন। নিদিষ্ট একটা সময় নির্ধারণ করেন যে, এই সময়ের মধ্যে আপনি কি কি অর্জন করবেন। সেটা কাগজে লিখে ফেলেন, সেগুলো অর্জন করার চেষ্টা করেন। প্রতিটা অর্জনে নিজেকে পুরস্কৃত করেন। এই ব্যাপারে আরও ভাল আইডিয়া পেতে চাইলে, আপনার কাছের কেউ যদি ব্যাংকে চাকরী করে, তবে তার পরামর্শ নিতে পারেন। কারন বৈষয়িক ব্যাপারে আমার মতে, তাদের মত ভাল কেউ জানে না। দেখবেন বেশির ভাগ ব্যাংকার বয়স ৪০ হবার আগেই তার জীবন গুছিয়ে ফেলে, ভবিষ্যতে কি কি করবে সব কিছু তার কাছে ফিলিপস বাত্তির মত পরিস্কার :) তাদের থেকে অনেক ভাল ভাল পরামর্শ পাবেন।
অনেক ইয়াং ফ্রিলান্সার আছে অল্প বয়সে ভাল ইনকাম করে, সেই টাকার চূড়ান্ত অপচয় করে। অনেকেই দামি মোটরবাইক কিনে ফেসবুকে পোষ্ট দিয়ে শো অফ করে। আইফোন, মাকবুক কিনে টাকার শ্রাদ্ধ করে! (যদি কাজের খাতিরে দরকার হয় তবে সেটা ভিন্ন কথা) টাকা আজে বাজে কাজে খরচ করে। এসব করা উচিৎ না। টাকা সঞ্চয় করা শেখা উচিৎ।
আমাদের দেশে অধিকাংশই ৪০ বছর পার হবার পর পরই জীবনের হিসেব মেলানো শুরু করে দেয়। কি চাইলাম আর কি পেলাম, এসব বলে হা হুতাশ করতে থাকে :( তাই জীবনে যেন হা হুতাশ না করতে হয়, এই জন্য যা কিছু করার ৪০ এর আগেই করে ফেলা উচিৎ। এর পরে আপনার অর্জনগুলো শুধু উপভোগ করবেন। অনেকে মনে করতে পারেন ৪০ আসতে অনেক বাকি। ঠিক আছে আপনি ৩০ এর মধ্যেই সব কিছু করে ফেলেন। আপনাকে কে ঠেকাচ্ছে :)
একটা সাফল্যের গল্প দিয়ে লেখা শেষ করব। সেদিন কোন এক গ্রুপে একজনের ফ্রিলান্সারের পোষ্ট দেখলাম। সে আগামী আড়াই বছরের জন্য বিশ্ব ভ্রমনে বের হচ্ছে। ভ্রমনের প্লান রেডি। মানে আগামী আড়াই বছর সে বিশ্বের সম্ভব সব যায়গা ভ্রমন করবে। কারন সে এই ইয়াং বায়সেই সবকিছু সুন্দর ভাবে গুছিয়ে নিয়েছে। একটু চোখ বন্ধ করে তার যায়গায় নিজেকে কল্পনা করেন। দেখেন কেমন লাগে :)
তাই বলব হাতে এখনো সময় আছে। আপনার প্লান B রেডি করে ফেলেন।
ধন্যবাদ!
ছেলেরা সাধারনত এতটা ভাগ্যবান হয়না যে তারা তার জীবনের প্রথম ভালোবাসা পাবে। বেশিরভাগ ছেলেরাই তাদের জীবনে প্রথম ভালোবাসা পাওয়ার আগেই হারিয়ে বসে থাকে। প্রথম প্রেমে পড়া ছেলেটা আগা গোড়াই বোকা থাকে। অনুভূতির ভাষা প্রকাশের কোন ধারনাই তার মধ্যে থাকেনা। কি করলে মেয়েটার মন পাওয়া যাবে ছেলেটা বুঝে উঠতে পারেনা। ফুল দিলে মেয়েটা খুশি হবে নাকি নোজপিন? টেডি বিয়ার, আংটি নাকি কাঁচের চুঁড়ি। আচ্ছা একটা শাড়ি দিলে কেমন হয়?
ছেলেটা বোকার মত মেয়েটার স্কুল কিংবা কলেজের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। কয়েক কদম হেঁটে গিয়ে কথা বলার সাহস হয়না। পিচ ঢালা রাস্তায় পা যেন শক্ত হয়ে জমে যায়। একটুও নড়ার শক্তি পায়না। এক পলক মেয়েটাকে দেখবে বলে মেয়েটার বাসার সামনে কত শত ঘন্টা পায়চারি করে সে খবর শুধু ছেলেটার বন্ধুরা জানে। মেয়েটা যখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যায় পাড়ার সবচেয়ে সাহসী ছেলেটাও লজ্জায় দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয়। বন্ধুদের কটাক্ষ শোনার ভয়ে পালিয়ে বাঁচে। মেয়েটা যদি মনের ভুলে ছেলেটার দিকে এক পলক তাকায়ও সেদিন পাড়ায় দোকানে বন্ধুদের আনলিমিটেড পেট ভরে খাওয়ানোর উৎসব চলে।
যদিবা কোন দৈব বলে মেয়েটা ছেলেটার দিকে তাকিয়ে একটু মুচকি হাসি দেয় তাহলে পুরো পৃথিবী তন্ন তন্ন করে ১০৮ টা নীল পদ্ম খুঁজে আনতেও ছেলেটা এক মুহুর্তের জন্যে হলেও ক্লান্ত হবেনা। কিন্তু এই ভালোবাসাটা কেন যেন ওদের কখনো পাওয়া হয়ে ওঠেনা। পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা জিনিস হল ছেলেদের ভালোবাসা। এই সস্তা জিনিসের প্রতি কেন যেন মেয়েদের কোন মোহ কিংবা আগ্রহ কাজ করেনা। যেই পাড়ার দোকানে বসে মেয়েটা ছেলেটার দিকে তাকানো নিয়ে বন্ধুদের পেট খাওয়ানোর উৎসব করেছিল সেই একই দোকানে বসেই ছেলেটা কাঁপাকাঁপা হাতে জীবনের প্রথম সিগারেট টি ধরায় মেয়েটাকে না পাওয়ার হাহাকার থেকে। সিগারেটের প্রথম টানে কাশতে কাশতে হৃদয়ের সমস্ত ভালোবাসা উগড়ে দিতে চাইলেও তা সম্ভব হয়না। বুকের বাম পাশে কিসে যেন আরো জোরে খামচে ধরে রাখে। পৃথিবীতে সব কিছু ভুলে থাকা যায় কিন্তু প্রথম ভালোবাসার অনভূতি কখনো ভুলে থাকা সম্ভব হয়না।
তারপর ছেলেটার জীবনে দ্বিতীয় তৃতীয় অনেক প্রেমই হয়তো আসে কিন্তু কোন প্রেমই প্রথম ছেলেটাকে প্রথম প্রেমের আবেগ, অনুভূতি ফিরিয়ে দিতে পারেনা। কেউবা সব ভুলে নতুন করে জীবন শুরু করে। কিন্তু বিধাতা তখনও বুঝি বোকা ছেলেটার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে। পড়াশুনা শেষ করা, ক্যারিয়ার গোছানো, পরিবারের দায়িত্ব নিতে নিতে ছেলেটা যখন ব্যস্ত সময় কাটায় ততদিনে মেয়েটা কেঁদে কেঁদে বলে, তুমি তো এখনো ভালো কিছু করছো না। আমার পক্ষে আর অপেক্ষা করা সম্ভব হবেনা। বাবা মা কিছুতেই আমাদের সম্পর্ক মেনে নিবে না। ছেলেটা তখন এক পাহাড় সমান অভিমান বুকে নিয়ে হাসিমুখে তার ভালোবাসার মানুষটিকে বিদায় জানায়। ছেলেটা যখন মোটামুটিভাবে ক্যারিয়ার গুছিয়ে নেয় ততদিনে তার ভালোবাসার মানুষটা এক/দুই বাচ্চার মা ও হয়ে যায়।
ততদিনে ছেলেটার জীবনে প্রেম ভালোবাসার প্রতি এক ধরনের বিতৃষ্ণা চলে আসে। কোন এক অজানা আশংকা কিংবা ভয় থেকে তার আর প্রেম ভালোবাসা করার সময় হয়ে ওঠেনা। কারন কেউ কখনো এই বোকা ছেলেগুলার মনের গভীরে প্রবেশ করে দেখেনা কতটা অপূর্নতা নিয়ে, প্রত্যাশার চাপ নিয়ে একটা মানুষ কিভাবে হাসিমুখে বেঁচে থাকতে পারে। তাই বলেতো বয়সটাও তো আর থেমে থাকে না। প্রতিনিয়ত পরিবারের চাপে পড়ে বিয়ে করবে বলে সিদ্ধান্ত নিলেও বিধাতা আরো একবার তার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে। ছেলেটা জীবনে কিছু পাক আর না পাক কিন্তু শান্তি জিনিস টা কেন যেন তার আর পাওয়া হয়ে ওঠেনা।
আপনারা একই সাথে স্ট্যাবলিশড ছেলে চান। যাকে টল এবং হ্যান্ডসাম দুটোই হতে হবে। মোটামুটি টাকা-পয়সা, বাড়ি, গাড়ি সবই থাকতে হবে। আবার একই সাথে সে মানুষটা রোম্যান্টিকও হতে হবে। আপনারা গাছেরটাও চান আবার গাছের নিচের টাও কুড়িয়ে খেতে চান। আপনারা সিম্পল একজন হাজব্যান্ড চান। আবার সিম্পলের মাঝে গর্জিয়াস একজন প্রেমিক পুরুষ ও চান। যে আপনার সমস্ত শখ আহ্লাদ পূরন করবে। আপনাকে কখনো কোন অভাব বুঝতে দিবেনা। আফসোসের বিষয় আপনারা সবকিছু চাইলেও পৃথিবীর সমস্ত কিছুর বিনিময়ে যে মানুষটি আপনাকে ভালোবাসবে শুধুমাত্র সে ভালোবাসার মানুষটিকেই আপনারা আপনাদের জীবনে চান না...
09/12/2017
টিস্প্রিং কি? এবং কেন? আপনারা নিশ্চই ইতিমধ্যে টিস্প্রিং সমন্ধ্যে অল্পবিস্তর অবগত হয়েছেন। হয়ত কারো মুখে এর নাম শুনেছেন। অথবা ধরে নিলাম ?...
শেখার মাঝে রয়েছে নিজেকে খুঁজে পাবার আনন্দ।
-শেখার কোন বয়স নেই।
- প্রতি মুহূর্তে যে নতুন করে শিখে, সে নিজেকেই চ্যালেঞ্জ করে বদলে যাবার,
বদলে দেবার। সফলতা তো তারই হাতের মুঠোয়।
আজকের সফলতার গল্প বিশ্বাসের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াবার। বিশ্বাস নিজেকে কাজের মাঝে ফিরে পাবার। বিশ্বাস না হারবার, বিশ্বাস সময়কে হার মানাবার।
18/09/2017
মজাদার Google পর্ব ১ হ্যাকিং / তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বাংলা ব্লগ।
ERROR 404 TECHNOLOGIES পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।
Payoneer মাস্টার কার্ড এক্টিভ করুন এখনই!
যারা মার্কেটপ্লেস এর ডলারের অভাবে Payoneer কার্ড এক্টিভ করতে পারছেন না তারা আমার সাথে যোগাযোগ করুন।
সরাসরি Marketplace থেকে ডলার লোড করে কার্ড Active করে দেওয়া হবে।
প্রতি ডলারঃ ৮৫ টাকা
মিনিমামঃ ৫০ ডলার
(বিঃদ্রঃ ফার্স্ট টাইম ১০০ ডলার লোড করলে ২৫ ডলার বোনাস পাবেন)
Payment way: bank,bkash & rocket.
Contact us:
Hotline: +8801717943434,01911399626
E-mail: [email protected]
Interested person contact us.
Thank you.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Badda
1212