D Creation
Is the page created especially for Advertising / Digital Marketing related posts
11/03/2023
The five steps of the marketing process are:
1. Marketing Analysis: This step involves researching the market, understanding customer needs and wants, and analyzing the competition.
2. Marketing Goals: This step involves setting measurable goals that can be used to track progress and measure success.
3. Marketing Strategy: This step involves creating a plan for achieving the marketing goals, including activities such as product development and promotion.
4. Marketing Mix: This step involves developing the right mix of activities, such as pricing, distribution, and advertising, to reach the target market.
5. Marketing Implementation: This step involves executing the marketing plan and tracking progress to ensure that it is meeting the goals.
Activate to view larger image,
02/12/2022
LinkedIn কিভাবে ব্যবহার করবেন?
ব্যক্তিগত প্রোফাইল তৈরিঃ
অন্যান্য নেটওয়ার্ক সিস্টেম থেকে লিংকড-ইন এর সিস্টেম আলাদা হলেও এটি ব্যবহার করা জটিল নয়। লিংকড-ইন ব্যবহারের জন্য প্রথমেই আপনাকে আপনার একাউন্ট তৈরি করতে হবে। তারপর আপনার প্রোফাইল সাজাতে হবে। মনে রাখতে হবে এটি প্রফেশনাল। তাই এটি সাজাতে হবে প্রফেশনাল ভাবে।
নিজস্ব নেটওয়ার্ক তৈরিঃ
লিংকড-ইন ব্যবহার করে উপকৃত হওয়ার জন্য প্রোফাইল তৈরি করে বসে থাকলেই হবে না। সেই সাথে নিজস্ব নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে। এই নেটওয়ার্কে আপনার সহ-পেশাদার এবং আপনার পরিচিত ইউজারদের এড করে নিতে পারেন। এখানে নেটওয়ার্ক তৈরি করার জন্য আপনাকে আপনার ক্যাটাগরি অনুযায়ী কোম্পানির একাউন্ট বা কোম্পানির উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাকে follow করে নিতে হবে। সেই সাথে বিভিন্ন সেমিনার, ওয়ার্কশপ, সেলস, মার্কেটিং ইভেন্ট, নেটওয়ার্কিং ইভেন্ট ইত্যাদি তে অংশ নিতে হবে।
জব খুঁজে নেওয়াঃ
আপনি যদি ফ্রেসার হন তাহলে আপনি লিংকড-ইনে আপনার ক্যাটাগরি সম্পৃক্ত জব খুঁজতে পারবেন। এখানে আপনি আপনার কাংখিত প্রতিষ্ঠানটি রিসার্চ করতে পারবেন। আপনি এখানে চাকরি অনুসন্ধান করে সরাসরি আবেদন করে পারবেন।
কনভারসেশনে অংশগ্রহণঃ
লিংকড-ইনে আপনি খুন সহজে কনভারসনে অংশ নিতে পারবেন। এই কনভারসন গুলোতে অংশ নেওয়া মাধ্যমে আপনার পেশা সম্পর্কে সমস্যা সমূহ আলোচনা করতে পারবেন। লিংকড-ইনের আর্টিকেল গুলোতে লাইক বা কমেন্ট করা যায়। শুধু মাত্র লাইক কমেন্ট ই না ফেইসবুকের মত লিংকড-ইনে LinkedIn reaction ব্যবহার করে সহজেই কমিনিউকেট করতে পারবেন।
©️
02/12/2022
LinkedIn কি?
ফেইসবুক বা ইনস্টাগ্রামের মতই একটি social networking site হচ্ছে LinkedIn । যেটি মূলত পেশাজীবিদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। লিংকড-ইন মাইক্রোসফট এর অধীনস্থ সামাজিক যোগাযোগের ন্যায় একটি ওয়েবসাইট। ২০০ টি দেশের প্রায় ৭৪০ মিলিয়নেরও বেশি পেশাদারদের তাদের কর্মজীবন ও ব্যবসায় বিকাশের জন্য লিংকডিন ব্যবহার করে।
বর্তমানে পেশাজীবিদের জন্য সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় নেটওয়ার্কিং সাইট হিসেবে LinkedIn পরিচিত। অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট গুলো ইচ্ছা মত ব্যবহার করা গেলেও লিংকড-ইন সম্পূর্ণ পেশাজীবিদের জন্য যা কিনা আপনার কর্মজীবনকে প্রেজেন্ট করে। এখানে সিভি এর মত আপনার ক্যারিয়ার অবজেক্ট, এডুকেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড, ফ্লিড অব ইন্টারনেট, এক্সপেরিয়েন্স সব ই দেওয়া যায়।
এছাড়া এখন বেশিরভাগ ন্যাশনাল / ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠানগুলো LinkedIn থেকে রিক্রূট করে। যখন তারা কোনো জব সার্কুলার পোষ্ট করবে, তা আপনার ওয়াল থেকে আপনি জানতে পারবেন যদি আপনি তাদের follow করে রাখেন এছাড়াও, যেহেতু এটা প্রফেশনালদের একটা প্লাটফর্ম, এখানে আপনি প্রচুর প্রফেশনাল সাজেশন পাবেন যা আপনার ক্যারিয়ারকে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করবে।আপনি বিভিন্ন গ্রুপে জয়েন করতে পারবেন যারা আপনাকে বিভিন্ন নিউজ এবং ইনফরমেশন পেতে সাহায্য করবে। আপনি বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানিকে follow করতে পারবেন যারা তাদের জব সার্কুলার কেবল এখানেই দিয়ে থাকে।
এখন আপনি যদি স্টুডেন্টও হন, যার এখনই চাকরির প্রয়োজন নেই, তা সত্বেও আপনার LinkedIn প্রোফাইল এখনই বানানো প্রয়োজন। কেননা, যখন আপনার প্রোফাইল আপনি আগে থেকেই তৈরী করে রাখবেন এবং আপনার সেক্টরের বিভিন্ন মানুষ কিংবা প্রতিষ্ঠানের সাথে কানেক্ট থাকবেন, তখন জব মার্কেটে যুদ্ধ শুরু করার আগেই আপনি এর সম্পর্কে একটা ধারনা এবং বিভিন্ন নিউজ পেয়ে যাবেন। এখানে আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বড় পদের মানুষের সাথে খুব সহজেই কানেক্ট হতে পারবেন যাদের ফেসবুক ফ্রেন্ডলিস্টে আপনি কখনোই এড হতে পারবেন না।
©️
29/11/2022
হ্যাশট্যাগ এর উপকারিতা | হ্যাশ ট্যাগ করে লাভ কি?
হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করার অনেক গুলো উপকারিতা রয়েছে। সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো –
১. ব্যাক্তিগত ব্যবহার বা ব্যবসার প্রসার বৃদ্ধি করার জন্য হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে যেকোনো বিষয় সহজে খুঁজে বের করা যায়। হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করার ফলে একসাথে অনেক গুলো পোষ্টের বিষয় জানতে পারবেন।
২. কোনো ব্যবহারকারী যখন হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে তার আগ্রহের পোষ্ট দেখেন, তখন তারা একই সাথে অন্যান্য পোষ্ট গুলোও দেখতে পারে। এভাবে জনগণ বারবার দেখার পরে ধীরে ধীরে পোষ্ট ভাইরাল হয়ে যায়।
৩. স্বতন্ত্র হ্যাশট্যাগ গুলো সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহারকারীদের জন্য যেকোনো তথ্য খোঁজা সহজ করে তুলে। তাছাড়া, hashtag গুলো ব্যবহারকারীদের আকর্ষনীয় করে তুলে এবং অনেক মূল্যবান বলে মনে হয়।
৪. হ্যাশট্যাগ সব সময় উন্নত হয়ে থাকে। যে কারণে বিভিন্ন প্লাটফর্ম গুলোতে অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে আপনার পছন্দের তথ্য একসাথে অন্যান্য প্লাটফর্মে তুলে ধরতে পারবেন।
Tag মানে কি?
ট্যাগ মানে হলো জুড়ে দেওয়া। আপনার কোনে বন্ধু তার কোনো পিকচার বা স্ট্যাটাস পাবলিশ করার সময় আপনাকে ট্যাগ করে।
এর মানে হলো আপনার সাথে সেটা জুড়ে বা যুক্ত করে দেওয়া হলো। আপনার সোশাল মিডিয়া প্রাফাইলে সেটা যুক্ত হলো। তখন আপনার বন্ধুরা সেটা দেখতে পাবে।
©️
29/11/2022
হ্যাশট্যাগ কি?
Hashtag কি জানার আগে আমাদের জানতে হবে হ্যাশট্যাগ দেখতে কেমন? হ্যাশট্যাগ দেখতে “ #” এবং এই # চিহ্নকে বলা হয় হ্যাশট্যাগ।
হ্যাশট্যাগ একটি শব্দ বা অ-ব্যবধানযুক্ত শব্দ গুচ্ছের সামনে যুক্ত হ্যাশ চিহ্ন ( #)। এটা মেটাডাটা ট্যাগের একটি ফর্ম।
সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম যেমন ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদিতে কোনো শব্দ লেখার পূর্বে স্পেস না দিয়ে হ্যাশ ( #) চিহ্ন যুক্ত করলে উক্ত লেখাটি নীল কালারে ধারণ করে এবং এটা আলদা একটি ওয়েব লিংকে রুপান্তরিত হয়।
পরবর্তী সময়ে এই লিংকে ক্লিক করলে ফেসবুকের যে সব স্থানে এই শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো নতুন ওয়েব পৃষ্ঠায় চলে আসে।
হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করার ফলে কোনো সম্পর্কিত লেখা অনেক দ্রুত খুঁজে বের করা যায় এবং এজন্য হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করা হয়।
হ্যাশ ট্যাগ হলো সকলের মতামত এক করার একটি উদ্যেগ। তবে, হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করার সময় অবশ্যই নজর দিতে হবে হ্যাশট্যাগের পরে আপনি যেটা লিখবেন সেটার সাথে কোনো স্পেস ব্যবহার করা যাবে না।
হ্যাশট্যাগ কিভাবে করতে হয়?
হ্যাশট্যাগ লেখার নিদিষ্ট একটি পদ্ধতি আছে। এই পদ্ধতি অনুসারণ করে না চললে আপনি কখনো আপনার লেখা শব্দ হাইপারলিংক বা ওয়েব লিংক তৈরি করতে পারবেন না।
তাই, হ্যাশট্যাগ লেখার জন্য নিচের পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করুন।
১. হ্যাশ ( #) ট্যাগ চিহ্ন সব সময় যে শব্দকে আপনি লিংক করতে চাচ্ছেন সেটার আগে বসাবেন। আর হ্যাশট্যাগ চিহ্ন এবং শব্দের গুলোর মধ্যে কোনো স্পেস দিবেন না।
২. আপনি যদি একাধিক শব্দ ব্যবহার করেন তাহলেও শব্দ গুলোর মধ্যে কোনো স্পেস দেওয়া যাবে না। যে শব্দের গায়ে # চিহ্ন লেগে থাকবে সেটা লিংক হবে কিন্ত বাকি গুলো হবে না।
৩. হ্যাশট্যাগের মধ্যে কোনো স্পেস ছাড়াই শব্দ গুলো লিখতে হবে। যেমন- #ডিজিটালমার্কেটিং।
৪. আপনি হ্যাশট্যাগের মধ্যে কোনো চিহ্ন ব্যবহার করতে পারবেন না। যেমন-!,*,। তবে এই(_) চিহ্ন দ্বারা হ্যাশট্যাগে লেখা যাবে।
৫. আপনি যদি শুধুমাত্র সংখ্যা ব্যবহার করে হ্যাশট্যাগ তৈরি করতে চান তাহলে সেটা হবে না। এজন্য সংখ্যার সাথে অবশ্যই অক্ষর ব্যবহার করতে হবে।
৬. যখন আপনার লেখা গুলো নীল রঙের হয়ে যাবে তখন বুঝবেন আপনার তৈরি করা হ্যাশট্যাগ সফল হয়েছে।
©️
28/11/2022
Facebok Restriction.
এই সমস্যা থেকে বাচঁতে হলে ফেসবুকের add policy মেনে চলতে হবে। নিজেরাই content তৈরি করুন। পেজ Quality এবং add Quality দুটো ভিন্ন জিনিস। পেজ Quality ভাল থাকলেও শুধু ফেসবুকের add policy ভঙ্গ করার কারণেই আপনার পেজ টা add Restricted হতে পারে।
কেন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট Restricted হয়??
পেজের যদি add boost করতে গিয়ে যদি বাব বার এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ হয় তাহলে ফেসবুক ঐ পেজ কে add Restricted করে দেয়। ফেক আইডির এডমিনঃ পেজের মধ্যে যদি একাধিক ফেক id এর admin থাকে এবং Verify করার সময় যদি সে গুলো ধরা পড়ে তখন ফেসবুক ঐ পেজ কে এড Restricted করে দেয়।
কিভাবে রেস্ট্রিক্টেড অ্যাকাউন্ট ঠিক করবেন???
যাদের Official Documents (NID, Passport) এর সাথে নিজের অ্যাকাউন্টের Name / Birthday Date মিল নেই দ্রুত ঠিক করে নিন। অ্যাকাউন্টের নাম এবং জন্ম সালগুলো NID, Passport এর মতো হুবহু আপডেট করে নিন। আর যাদের এখনও NID, Passport হয়নি, তারা Birthday Certificate এর সাথে মিল রেখেই Name এবং Birthday আপডেট করে নিন।
তারপরেও যদি ডিজেবল হয় তাহলে Official Documents ( NID, Passport ) এর সাথে আপনার নাম এবং জন্ম সাল মিলে তাহলে Appeal এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে আনতে পারবেন।
©️
26/11/2022
বিষয় টা পড়েন,আর ভাবেন,অনেক কিছুই শিখার আছে,
বুঝার আছে,গভীর ভাবে,বিষয় টা চিন্তা করে দেখেন,,,,
🔺বাম পাশ থেকে.....
(1) প্রথম জন টাকা উপার্জন করতে ... করতে পৃথিবীর কোনো সৌন্দর্যই দেখতে পাচ্ছেন না☺️
(2) দ্বিতীয়জন শুধু শিক্ষা অর্জন ✍️করতে...করতে পরিপূর্ণ সৌন্দর্যটা দেখতেছেন না😊
(3) তৃতীয়জন শিক্ষা ও অর্থ উপার্জন ✌️দুটোই একসাথে করতেছেন . তাই পৃথিবীর আসল সৌন্দর্যইটা তিনিউপোভোগ করতে পারতেছেন😊
(4) ৪র্থজন শিক্ষা ✍️এবং অর্থ কিছুই না থাকার কারণে পুরো পৃথিবী টা তার কাছে অন্ধের মতো।🙂
এটাই হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ট বাস্তবতা।,🥰🥰
আসুন আমরা সবাই সময় থাকতে সময়কে কাজে লাগাই।
বেকার মুক্ত দেশ গড়ি
নিজের ক্যারিয়ার ডেভলপ করি।
#বেকারমুক্তদেশগড়ি #নিজেকেদক্ষকরেতুলি
Collected,❤️
25/11/2022
ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম:
এখনকার অধিকাংশ মানুষ, বিশেষত তরুণ প্রজন্ম ইউটিউব প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে পরিচিত। বিশ্বজুড়ে ইউটিউব হয়ে উঠেছে অনেক বেশি জনপ্রিয়। ইউটিউব এমন এক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রচুর পরিমাণে ভিডিও পাওয়া যায়।
অনেকের মনেই প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক যে, কীভাবে একটি ইউটিউব চ্যানেল খোলা যায়?
মোবাইল ফোনে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম:
ইউটিউব চ্যানেল খোলার ক্ষেত্রে প্রথমেই যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন বা স্মার্টফোন। বর্তমানে প্রায় সবার হাতেই রয়েছে একটি স্মার্টফোন। নিজেকে একজন ভালো ইউটিউবার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আপনি চাইলে ঘরে বসেই আপনার ব্যবহৃত ফোনটি দিয়ে খুলতে পারবেন ইউটিউব অ্যাকাউন্ট বা ইউটিউব চ্যানেল।
* মোবাইল দিয়ে ইউটিউবে চ্যানেল খুলতে হলে আপনার মোবাইল ফোনে প্রথমে ইউটিউব অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে হবে।
* ইউটিউব অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোডের পর তা ওপেন করুন। এরপর ডান দিকের কোনায় ইউটিউব অ্যাকাউন্টে একটি জিমেইল আইডি যুক্ত করে ফেলুন। মনে রাখবেন, ইউটিউব অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে অবশ্যই একটি জিমেইল আইডি খোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিমেইল আইডি অ্যাড করে এরপর আপনাকে সাইন ইন করে ইউটিউবে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।
* তারপর আপনাকে সাইন ইন অপশন থেকে আপনার নাম, জন্মতারিখ, লৈঙ্গিক পরিচয়, মোবাইল নম্বরসহ দরকারি তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্টটি খুলতে হবে।
* এরপর দেখবেন ইউটিউব চ্যানেল নামে একটি অপশন আছে। খেয়াল করলে দেখবেন, আপনার ই-মেইলে যে নাম ব্যবহার করেছেন, সে নাম অনুযায়ী YouTube Channel খোলা হয়ে গেছে।
* আপনি চাইলে আপনার ইচ্ছেমতো নাম নির্বাচন করে অটোজেনারেটেড নামটি পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।
* এরপর আপনাকে বাছাই করতে হবে, আপনি কী ধরনের ভিডিও আপলোড করতে আগ্রহী। সঙ্গে আপনার লোকেশনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করার মাধ্যমে আপনি ইউটিউবে অ্যাকাউন্ট খুলতে সক্ষম হবেন। এভাবেই আপনি চাইলে খুব সহজে একটি YouTube Channel খুলে নিতে পারেন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে।
কম্পিউটার দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম:
শুধু মোবাইল ফোন দিয়েই নয়, আপনি চাইলে কম্পিউটার দিয়েও খুলে নিতে পারেন একটি ইউটিউব চ্যানেল। আসুন তবে জেনে নিই কীভাবে কম্পিউটারের মাধ্যমে ইউটিউব খুলতে হয়—
* প্রথমে আপনাকে যেতে হবে ইউটিউব ব্রাউজারে। সেখানে আপনার জিমেইল আইডি ব্যবহার করে ইউটিউবে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।
* ইউটিউবে অ্যাকাউন্ট খোলা শেষে জিমেইলের দেওয়া নাম অনুযায়ী আপনার নিজের ইউটিউব চ্যানেলটি খুলে নিতে পারবেন।
* আরেকটি চমৎকার বিষয় হচ্ছে, আপনি চাইলে কাস্টমাইজ করে নিজের মতো একটি চ্যানেল খুলে নিতে পারেন। একটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে আপনি একসঙ্গে অনেকগুলো ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারবেন।
* চ্যানেল খোলার পর আপনাকে প্রোফাইল পিকচার অ্যাড করতে হবে।
* প্রথমে পিকচার বড় করে আপনার চ্যানেলের ধরন নির্বাচন করুন। এর সঙ্গে সবগুলো সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে আপনার অ্যাকাউন্টের বা পেজের লিংক দিয়ে দিন।
এভাবে খুব সহজেই আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারবেন এবং এর মাধ্যমে প্রচুর টাকা ইনকামও করতে পারবেন।
24/11/2022
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় কিছু সার্চ ইঞ্জিনের নাম:
*Microsoft Bing জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন
*Yahoo জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন
*Baidu জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন
*Yandex জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন
*DuckDuckGo জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন
*Ask.com জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন
*Swisscows.com জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন
*Startpage.com জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন
*Searchencrypt.com জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন
*Excite.com জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন
উপরের অংশে যে সার্চ ইঞ্জিনগুলো দেখতে পারছেন সেগুলো গুগোল এর বাহিরেও এগুলো অনেক জনপ্রিয় হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সময়ে।
23/11/2022
কিওয়ার্ড কি?
আমরা অনলাইনে এসে যা নিয়ে লিখি সার্চ ইঞ্জিন মানে google.com, Yahoo, duck, bing, go বা youtube.com এছাড়া আরো অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করি।
মোট কথা আমরা যে কোন সার্চ ইঞ্জিনে যে বিষয় নিয়ে সার্চ করি তাকেই কিওয়ার্ড বলে।
কি-ওয়ার্ড কত প্রকার ?
নিচে কয়েকটি কিওয়ার্ড টাইপ উল্লেখ করা হলো:
লং টেইল কি–ওয়ার্ড
শর্ট টেইল কি–ওয়ার্ড
এলএসআই টাইপ কি–ওয়ার্ড
কিওয়ার্ড রিসার্চ কেন গুরুত্বপূর্ণ??
অন পেজ এসইও এর মূল হলো কিওয়ার্ড রিসার্চ। আপনি ব্লগিং করবেন বা একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে ট্রাফিক নিয়ে আসবেন। এগুলোর প্রথম শর্তে থাকে ভালো কোয়ালিটির কিওয়ার্ড রিসার্চ করা।
আপনি আর্টিকেল লেখার সময় যদি না জানেন যে, মানুষ কোন বিষয়ে নিয়ে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে। তাহলে কিন্তু আপনি আর্টিকেল কোন ভাবেই রেঙ্ক করাতে পারবেন না।
তাই একটি আর্টিকেল লেখার আগে আপনাকে অবশ্যই কিওয়ার্ড রিসার্চ করে নিতে হবে।
ফ্রিতে কিওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করতে হয় ?
আপনি যদি কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে চান? কিন্তু টাকা খরচ করার মতো সামর্থ নেই। চিন্তার কোনো কারন নেই, অনলাইনে ফ্রিতে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য অনেক টুলস ও ব্রাউজার এক্সটেনশন আছে।
সব থেকে বড় কথা হলো এ গুলো অনেক কার্যকরী যদিও একটু কম তথ্য পাওয়া যায়। তার কারণ হলো এগুলোতে কিওয়ার্ড ম্যোনুয়ালি চেক করতে হয়।
কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলসঃ
Google Keyword Planner
Keyword Surfer
whatsmysrap
Ubersuggest Tool
উক্ত টুলস গুলো ছাড়া আরো অনেক টুলস আছে। যা আপনি সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে জেনে নিতে পারবেন।
পেইড কিওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করতে হয় ?
আপনি যদি টাকা খরচ করে পেইড ভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে চান? তাহলে সেই অপশন রয়েছে। বর্তমান সময়ে পেইড কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস এর অভাব নেই।
আসুন কিছু পেইড কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলসের নাম জানা যাকঃ
Keyword Everywhere
KW Finder
Long Tail Pro
MOZ Keyword Explorer
SEMRush
Ahrefs
এই টুলস গুলো ছাড়াও আরো অনেক টুলস আছে। যেগুলো ব্যবহার করে আপনি সঠিক কিওয়ার্ড গুলো রিসার্চ করে ওয়েবসাইট আর্টিকেল লিখতে পারবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Akhaura, Brahmanbaria
Akhaura
3450