Jubaer Rafi
Entrepreneur
20/01/2024
আসসালামুআলাইকুম। একটা সত্যি পরামর্শ দেই। সার্বিয়া যতটা সোজা মনে করেন ততটা না। যে সকল ভাই রোমানিয়া, লিথুনিয়া এইসব দেশে রিজেক্ট খেয়েসেন তারা ভুলেও সার্বিয়া জমা দিবেন না। কারণ সার্বিয়া এর ভিসা এর কোনও বাপ মা নাই। সার্বিয়া এর পারমিট বের হয় কোম্পানির হাত থেকে। এটা আসলে কোনও পারমিট ই না । ওদের ওয়েবসাইট এ একটা ফরম্যাট আছে সেটা জাস্ট পূরণ করে কোম্পানি সিল দিয়ে দিবে । কোনও কোম্পানি ভারীফিকেশন নাই কিছুই নাই, সার্বিয়া সরকার নিজেই জানে না কে পারমিট দিল কাকে। এরপর অনলাইন করার পর পুলিশ কল দিলে তারপর হয় আসল খেলা, কোম্পানি আপনাকে যে সব ডকুমেন্টস দিছে সেগুলা জমা দিবে সাথে তাদের ডকুমেন্টস। এরপর ভেরিফিকেশন হলে দেখা যাবে ৯০% কোম্পানির ই লোক নেওয়ার সক্ষমতা নেই। কোম্পানির সাথে সাথে আপনিও রিজেক্ট। ১০% ও অ্যাপ্রভালের দেখা পাবে কিনা আল্লাহ মালুম । যদি আপনার হাতে ১ বছর সময় থাকে তাহলে সার্বিয়া আপনার জন্য ভালো অপশন।২-৩ বার রিজেক্ট খেলেও যে কোনও একটা কোম্পানিতে এপ্রভালের দেখা পাবেন। কিন্তু অন্যদেশে রিজেক্ট খেয়ে যদি ভাবেন ৩ মাসে সার্বিয়া যাবেন তাহলে আপনি এখনও কিছুই বুঝেন না এই দেশের সম্পর্কে💔। সবার জন্য শুভকামনা
Thank you H.E. Daud Ali Sir নিরলস প্রচেষ্টার জন্য বিশেষ করে রোমানিয়ার কনসুলার টিম পূনরায় ঢাকা আনার প্রচেষ্টা অব্যহত রাখার জন্য সাথে সংশিলষ্ট সকল ঢাকা, পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় থেকে।
পরামর্শ আবেদনকারীদের জন্য: রোমানিয়া সেনজেন এরিয়া প্রবেশ পক্রিয়া এ আছে এবং তারা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মাইগ্রেশন পলিসির বাহিরে কিছু করতে পারবে না।
যেহেতু ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন মাইগ্রেশন ডাটাবেজ ভিসা ইস্যু থেকে শুরু করে, পাসপোর্ট এর তথ্য এবং রেসিডেন্ট পারমিট এর সকল তথ্য মার্চ ২০২৩ থেকে রিয়েল টাইম এ সকল মেম্বার স্টেট দেখতে পারে অতএব রোমানিয়া থেকে পালিয়েও বেশী সুবিধা করতে পারবেন না, যদি মনে করেন বাংলাদেশী মিশন ইউরোপ এ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী আপনাকে পাসপোর্ট পূনরায় ইস্যু করবে কিন্তু ইউরোপিয়ান মাইগ্রেশন আইনগত দিক থেকে যথেষ্ট গেরাকলে আটকে যাবেন আর সেই আইনটি হচ্ছে ২০২০ সালে ইরেগুলার অভিবাসী নিয়ন্ত্রণ এ ইউরোপিয়ান কমিশন একটি আইন পাশ করে নাম হচ্ছে *মাইগ্রেশন প্যাক্ট ২০২০ * যার মধ্যে সকল গাইডলাইন আছে কিভাবে তারা ইরেগুলা অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করবে এবং সুইডিশ প্রেসিডেন্সী থাকা অবস্থায় বেশিরভাগ মেম্বার স্টেট এই আইনে ফলো করবে তাই শেষ কথা:
বৈধ পথে অভিবাসী হউন কাজ শিখে দক্ষ হয়ে পর্যাপ্ত ইনকাম করুন।😁
শুভ রাত্রী
✍️Mahfujur Rahman
আসসালামুয়ালাইকুম সবাই কেমন আছেন? আশাকরি আগামী মঙ্গলবার আমরা একটি বিজ্ঞপ্তি পেতে পারি ইনশাআল্লাহ। আপনারা যারা রোমানিয়া বিষয় নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় আছেন আপনারা দয়া করে ধৈর্য্য ধারণ করেন এবং যে গাছগুলি ধীরে ধীরে বাড়ে, সেই গাছ গুলি থেকে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। আল্লাহ'তালা আপনাদের সকলের রোমানিয়ার সপ্ন পূরণ করুক আমিন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নে অবৈধ অনুপ্রবেশের পর উদ্বাস্তু হিসেবে স্বীকৃতি পেতে বাংলাদেশিরা মূলত ইতালি এবং ফ্রান্সকেই বেছে নিচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান ব্যুরো ইউরোস্টাট জানাচ্ছে ২০২২ সালে ইতালিতে এসাইলাম কেইস করা নন-ইইউ দেশের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করে বাংলাদেশিরা (১৪ হাজার ৫৯০)। বাংলাদেশের পরের ৪ দেশ পাকিস্তান (১১ হাজার ৩৭০), মিশর (৮ হাজার ৮৩৫), তিউনিসিয়া (৫ হাজার ৩৬৫) এবং জর্জিয়া (৩ হাজার ২৪০)। ইতালিতে অন্যসব দেশ মিলে ৩৩ হাজার ৮০৫। প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্সে ২০২২ সালে আশ্রয় প্রার্থী নন-ইইউ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ শীর্ষস্থান দখল করতে না পারলেও ২য় স্থানে আছে। ফ্রান্সে গত বছর ২২ হাজার ৫৮৫ জন আফগান আশ্রয় প্রার্থনা করে, তালিকায় যার পরেই আছে ১০ হাজার ৫৫৫ জন বাংলাদেশি। পরের ৩ অবস্থানে তুরস্ক (১০ হাজার ৫), জর্জিয়া (৮ হাজার ৯০৫) এবং কঙ্গো (৬ হাজার ৭৬০)। ফ্রান্সে অন্যসব দেশ মিলে ৭৮ হাজার ৬৯৫। ইতালি ও ফ্রান্সের বাইরে বাংলাদেশের নাগরিকরা রোমানিয়ায় ১ হাজার ৩৬০, স্লোভেনিয়ায় ৮২৫, মাল্টায় ৭৫ এবং স্লোভাকিয়ায় ৫৫ জন আশ্রয় প্রার্থনা করে।
ইউরোস্টাট পরিসংখ্যানে ২০২১ এবং ২০২২ দুই বছরে সমগ্র ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয় প্রার্থনা করা নন-ইইউ দেশের তালিকায় বাংলাদেশকে দেখা যাচ্ছে ৭ম স্থানে। বাংলাদেশের আগে ১ থেকে ৬ নাম্বার দেশ যথাক্রমে সিরিয়া, আফগানিস্তান, ভেনিজুয়েলা, তুরস্ক, কলম্বিয়া ও পাকিস্তান। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের স্থান এই তালিকায় বাংলাদেশের পরে। নন-ইইউ সব দেশ মিলিয়ে শুধুমাত্র ২০২২ সালে ৯ লাখ ৬২ হাজার ১৬০ জনের আবেদন জমা হয় ইইউ ভুক্ত সকল দেশ। এর মধ্যে আবেদন গৃহীত হয় ৩ লাখ ৮৪ হাজার ২৪৫ জনের। কেইস এক্সেপ্ট যাদের হয়েছে তাদের ৪৪% পলিটিক্যাল এসাইলাম (রাজনৈতিক আশ্রয়), ৩১% সাবসিডিয়ারি প্রটেকশন (সহায়ক আশ্রয়) এবং ২৫% হিউম্যানিটারিয়ান প্রটেকশন (মানবিক আশ্রয়)। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আশ্রয়প্রাপ্ত উদ্বাস্তুদের দেশের তালিকার প্রথম দশে নেই বাংলাদেশের নাম। প্রথম ১০ দেশ যথাক্রমে সিরিয়া (১ লাখ ৯ হাজার ৮১৫), আফগানিস্তান (৮৭ হাজার ৫৩০), ভেনিজুয়েলা (২২ হাজার ৩৫০), ইরাক (১৩ হাজার ৩৫), সোমালিয়া (১১ হাজার ৭৪০), তুরস্ক (১০ হাজার ৭৫০), ইউক্রেন (৯ হাজার ৪৪৫), নাইজেরিয়া (৯ হাজার ৪১৫), মালি (৮ হাজার ৫৬০) এবং ইরিত্রিয়া (৮ হাজার ১৪৫)।
জার্মানিতে সবচাইতে বেশি আবেদন মঞ্জুর হয়েছে উদ্বাস্তু হিসেবে ২০২২ সালে। ইউরোস্টাটের হিসেবের খাতায় এই সংখ্যাটি ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৬৫, যা ইইউ'র সকল দেশে মোট আশ্রয়প্রাপ্ত উদ্বাস্তুের ৪১%। জার্মানির পরের তিনটি দেশ হচ্ছে ফ্রান্স (৪৯ হাজার ৯৯০), ইতালি (৩৯ হাজার ৬৬০) ও স্পেন (৩৫ হাজার ৭৬৫)। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে ইতালি ও ফ্রান্সে ২০২১ ও ২০২২ সালে উদ্বাস্তু হিসেবে আশ্রয় আবেদন করা অধিকাংশ বাংলাদেশির কেইস ঝুলে আছে চরম অনিশ্চিত অবস্থায়। একটা বড় অংশের আবেদন ইতোমধ্যে প্রত্যাখ্যাত (রিজেক্ট) হয়েছে। এর নেপথ্যে যে বিষয়গুলো কাজ করছে তার মধ্যে প্রধান হচ্ছে ইউরোপীয় প্রশাসনের কাছে বাংলাদেশ যুদ্ধবিধ্বস্ত কিংবা দুর্ভিক্ষপীড়িত কোন রাষ্ট্র নয়। কারণ হিসেবে আরও যোগ হয়েছে বাংলাদেশি পাসপোর্ট কেলেংকারি অর্থাৎ বয়স কম দেখিয়ে নিজেদেরকে অপ্রাপ্তবয়স্ক দাবি করে আন্ডার এইজ কিন্ডার (বাম্বিনো) কেইস করার পর তার সাথে মিল রেখে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে চাহিদা মাফিক নতুন পাসপোর্ট পেতে বিড়ম্বনা। সবমিলিয়ে খুব একটা ভালো নেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে উদ্বাস্তু হতে আগ্রহী তথা আশ্রয়প্রার্থী বাংলাদেশের নাগরিকরা।
কপি
29/04/2023
বাংলাদেশ সহ যেসব নন-ইইউ দেশে দৃশ্যমান গৃহযুদ্ধ কিংবা দুর্ভিক্ষ কোনটাই নেই সেসব দেশ থেকে লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগরে গেইম দিয়ে কিংবা রোমানিয়ার ক্রয়কৃত জব ভিসায় এসে সেখান থেকে পালিয়ে বাই রোডে ডাংকি মেরে ইতালিতে এসে এতোদিন যে সুবিধা পেয়ে এসেছে অর্থনৈতিক উদ্বাস্তুরা, তা বন্ধ করতে নতুন আইন জারি করতে যাচ্ছে ইতালি সরকার। কঠোর বিধিমালা সম্বলিত 'দেক্রেতো কুত্রো' গেলো সপ্তাহে ইতালীয় জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ সিনেটে অনুমোদন হয়েছে। সংসদের উভয় কক্ষে ক্ষমতাসীন ডানপন্থী জোটের নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মে'র নয় তারিখের আগেই সংসদের নিম্নকক্ষেও অনুমোদন হবার মাধ্যমে নতুন এই ডিক্রি আইন হিসেবে কার্যকর হচ্ছে। এদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে আশ্রয় আবেদনের সুযোগ সীমিত করছে সরকার।
ইতালীয় সিনিটে পাশ হওয়া ডিক্রিতে এদেশে যে তিন ধরনের আশ্রয় প্রার্থনা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে তার মধ্যে তৃতীয় যে ক্যাটাগরি রয়েছে অর্থাৎ স্পেশাল প্রটেকশন (Protezione Speciale) কঠোরভাবে সীমিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যারা লিবিয়া রোমানিয়া ইরান তুরান বলকান হয়ে গেইম কিংবা ডাংকিতে বিগত দিনে ইতালিতে অবৈধ অনুপ্রবেশ করেছে তারা মূলত উক্ত স্পেশাল প্রটেকশন ক্যাটাগরিতেই আশ্রয় আবেদনের কেইস মেরে এসেছে। এতে প্রাথমিকভাবে দুই বছরের স্পেশাল স্টে পারমিট দেয়া হতো এবং যা এতোদিন ধরে সুযোগ ছিলো নর্মাল স্টে পারমিট হিসেবে কনভার্ট করে নেয়ার। নতুন ডিক্রি অনুসারে স্পেশাল স্টে পারমিট শুধুমাত্র ছয় মাসের জন্য কেবল একবার নবায়ন করা হবে শর্ত সাপেক্ষে। স্পেশাল স্টে পারমিট কনভার্ট করার সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছে নতুন ডিক্রিতে। ফলে কপাল পুড়েছে বাংলাদেশিদের।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইতালিতে আশ্রয় আবেদনের প্রধান দুই ক্যাটাগরি হচ্ছে পলিটিক্যাল এসাইলাম এবং সাবসিডিয়ারি প্রটেকশন, যার কোনটিই এদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য নয় বললেই চলে। জাতিগত, ধর্মীয় কিংবা গোত্রীয় দাঙ্গা বাংলাদেশে না থাকার পাশাপাশি বাংলাদেশ যেহেতু যুদ্ধবিধ্বস্ত কিংবা দুর্ভিক্ষপীড়িত কোন রাষ্ট্র নয় এবং আশ্রয়প্রার্থী বাংলাদেশিদের যেহেতু সুযোগ নেই এমন দাবি করার যে তাদের নিজ দেশে ফিরে গেলে নিশ্চিত মৃত্যুদন্ডের মুখোমুখি হতে হবে, তাই শুধুমাত্র মানবিক বিবেচনার আবেদন নির্ভর স্পেশাল প্রটেকশনের কেইস মারার পথ ধরেই আজ অবধি হেঁটেছে অধিকাংশরা। যাদের বয়স বিশ বাইশ থেকে ত্রিশ বত্রিশের মধ্যে শুধু তারা নিজেকে অপ্রাপ্তবয়স্ক দাবি করে কিন্ডার (বাম্বিনো) কেইস ঠুকে সুযোগ নিয়েছে। সিনেটে পাশ হওয়া ডিক্রিতে ডিপোর্ট ক্যাম্পে সর্বোচ্চ পঁয়তাল্লিশ দিন রেখে যার যার অরিজিন দেশে পাঠিয়ে দেয়ার এবং মানবপাচার অপরাধের শাস্তি ত্রিশ বছর কারাভোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে সময় এখন ইতালিতে মারাত্মক প্রতিকূলে।
#লিবিয়া #সৌদিআরর #ইতালির_পথে_প্রান্তরে_সর্বশেষ_খবরা_ #মদিনা
29/04/2023
ধৈর্য ধরতে পারলে খুশি হন, কারন হাদিসে আছে-
ধৈর্যের চেয়ে বেশি কল্যানকর প্রাচুর্যপুর্ণ কোন সম্পদ কাওকে দেয়া হয়নি! 💚
(তিরমিযি, ২০২৪)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Address
Al Nahda 2
Dubai
1213