Fz Rabbi
"নিজের পথ নিজেই গড়ি।
ব্যর্থতা আমার শিক্ষক, আর স্বপ্ন আমার গন্তব্য"
08/05/2026
বর্তমানে আমরা কোনো ভালো কাজ করার চেয়ে সেটা ক্যামেরাবন্দি করে মানুষকে দেখাতে বেশি পছন্দ করি। কিন্তু প্রকৃত সাহায্য সেটিই যা নিঃস্বার্থভাবে করা হয়।
"ভালো কাজ করুন সদিচ্ছা থেকে, লোক দেখানোর জন্য নয়।"
মানুষের অভাব বা অসহায়ত্ব আমাদের সস্তা জনপ্রিয়তার মাধ্যম হওয়া উচিত নয়। যখন আমরা এক হাতে দান করি, অন্য হাত যেন তা জানতে না পারে—এই নীতিই হওয়া উচিত প্রকৃত মানবিকতা। আসুন, আমরা লোক দেখানো দয়ার চেয়ে সত্যিকারের সহানুভূতিকে গুরুত্ব দেই।
06/05/2026
আপনি রাস্তায় গাড়ি চালানোর জন্য বছরে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা ট্যাক্স দেন। আর ভুলেও যদি পার্কিং করছেন তাহলে লাগাও ২০ হাজারের মামলা। সেই আপনার ট্যাক্সের টাকয় নির্মিত রাস্তারই মাঝখানে দাগ দিয়ে হকার কার্ড বিলাচ্ছে সরকার।
এই ব্রেইন নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চালানো সম্ভব না, অথচ আপনারা দেশ চালাচ্ছেন। তাজ্জব ব্যাপার🙂
জিন্নাহকে সেলাম। ভারতের হিন্দুত্ববাদ থেকে আমাদেরকে আলাদা করার জন্য৷
শেরে বাংলা একে ফজলুল হককে সেলাম। লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করার জন্য।
আল্লামা ইকবালকে সেলাম। সাহিত্যের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও ইসলামের তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য।
19/04/2026
সত্যিকার অর্থে "ইনসাফ" বা ন্যায়বিচার ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে বড় অন্তরায় এটাই।
যখন তোমার শত্রুর বিরুদ্ধে রায় আসে তুমি বলো, "আলহামদুলিল্লাহ, বিচার হইছে।"
যখন তোমার পক্ষের লোকের বিরুদ্ধে রায় আসে তুমি বলো, "এইটা ষড়যন্ত্র।"
একই আদালত।
একই আইন।
কিন্তু "ন্যায়বিচার"- এর সংজ্ঞা পালটে যায়, শুধু নিজের অবস্থান বদলানোর সাথে সাথে।
আমরা আসলে justice চাই না।
চাই victory।
ধর্মের নামে হোক, দলের নামে হোক, পরিবারের নামে হোক
আমার জন যদি দোষী হয়, তাহলে সিস্টেম দোষী।
আমার শত্রু যদি বেকসুর খালাস পায়, তাহলে টাকা খাইছে।
এই মানসিকতা যতদিন থাকবে ।
হাজার টা আদালত বানাইলেও বিচার হবে না এই দেশে।
যেদিন মাথা উচু করে বলতে পারবেন, আমি আমার শত্রুর সাথেও ইনসাফ চাই।
সেদিনই আসবে "ইনসাফ" বা এই ন্যায়বিচার ।
ন্যায়বিচারের প্রথম শর্ত হলো,
নিজের বিরুদ্ধে গেলেও মাথা নত করার সৎ সাহস।
কিন্তু, সেই সাহস কি আমাদের আছে?
ভয় কর হে নফস!🥺
18/04/2026
২০১৪ সালের ১২ এপ্রিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় তখন পয়লা বৈশাখের আবহ। আনন্দ আর বন্ধুত্বের টানে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (AUST) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের একঝাঁক প্রাণোচ্ছল তরুণ পাড়ি জমিয়েছিলেন নীল জলরাশির টানে— কক্সবাজার আর সেন্ট মার্টিনে। কিন্তু কে জানত, প্রকৃতির সেই অপার সৌন্দর্যই তাঁদের জন্য এক বিষাদময় ট্র্যাজেডিতে রূপ নেবে!
সেন্ট মার্টিনের নীল জলরাশিতে ভেসে বেড়ানোর আনন্দ নিমেষেই বিষাদে ঢেকে গেল, যখন জোয়ারের উত্তাল ঢেউ কেড়ে নিল বেশ কয়েকজন মেধাবী প্রাণ। দীর্ঘ উদ্ধার অভিযান শেষে জানা গেল, ৫ থেকে ৬ জন ছাত্র আর কখনোই ফিরে আসবেন না।
সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিল শিক্ষার্থী সাব্বির হাসানের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস। সফরের ঠিক আগে তিনি লিখেছিলেন: “বিদায় বন্ধুরা! নেটওয়ার্কের বাইরে যাচ্ছি।” সেই থেকেই হয়তো 'নেটওয়ার্কের বাইরে' নামটির এক গভীর আর করুণ তাৎপর্য তৈরি হয়েছে।
বাকিদের নিথর দেহ খুঁজে পাওয়া গেলেও, সমুদ্রের বিশালতা সাব্বিরকে আর ফিরিয়ে দেয়নি। তিনি রয়ে গেছেন সেই অসীম জলরাশির বুকেই। সেদিন চিরতরে 'নেটওয়ার্কের বাইরে' চলে গিয়েছিলেন ছয়টি উজ্জ্বল নক্ষত্র:
১. ইভান
২. সাব্বির
৩. অঙ্কুর
৪. ইশতিয়াক
৫. নোমান
৬. বাপ্পী
এক যুগ পার হয়ে গেলেও সেই বিকেলের বিষাদ আজও অমলিন। এই ছয় বন্ধুর স্মৃতি আজও প্রিয়জনদের মনে এক নিরব হাহাকার হয়ে বাজে। 😢
16/04/2026
পর্যায়ক্রমে ব্যাটিং কার্ড,বোলিং কার্ড,ফিল্ডিং কার্ড, ডটবাবা কার্ড আরোও কিছু কার্ড যুক্ত হবে 🐸
14/04/2026
13/04/2026
তুরস্কের সবচেয়ে সুন্দরী নারীকে চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান
দাবি না মানলে কঠোর পদক্ষেপ এর হুশিয়ারি
12/04/2026
কুষ্টিয়ায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ‘কথিত’ পীরকে পিটিয়ে হ/ত্যা; দরবারে অগ্নিসংযোগ
11/04/2026
চাঁদ জয় করে ঘরে ফেরা! 🌏
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে পৃথিবীতে ফিরে এলেন আর্টেমিস ২ (Artemis II) মিশনের চার দুঃসাহসী অভিযাত্রী—রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোচ এবং জেরেমি হ্যানসেন। চাঁদের কক্ষপথে ঐতিহাসিক ১০ দিনের মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করে তাদের বহনকারী মহাকাশযানটি বাংলাদেশ সময় আজ সকাল ৬:০৭ মিনিটে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে।
মিশনের কিছু বিশেষ দিক:
ঐতিহাসিক যাত্রা: গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর এই প্রথম কোনো মানববাহী মহাকাশযান চাঁদের এত কাছে পৌঁছালো।
ভবিষ্যতের পথচলা: এই মিশনের সাফল্যই মূলত ২০২৬ সালের 'আর্টেমিস ৩' মিশনের মাধ্যমে চাঁদে পুনরায় মানুষের পদচিহ্ন রাখার পথ প্রশস্ত করল।
সাফল্যের ল্যান্ডিং: পরিকল্পিত সময়েই তারা নিরাপদে সমুদ্রে অবতরণ (Splashdown) করেন, যেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল নাসার উদ্ধারকারী দল।
নাসার এই ঐতিহাসিক মাইলফলক মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। আমাদের নীল গ্রহে আপনাদের স্বাগতম! 🚀✨
📸 নাসা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka