Jotne Rakhi
Home nursing services for personalized care. Experienced nurses & caregivers. Safe care at home.
16/03/2023
এই ছোট ছোট ভুলেই মুখের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, লক্ষণ জেনে সতর্ক হন
মাউথ ক্যানসার এখন সমস্যার অপর নাম। পুরুষের মধ্যে রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। এছাড়াও কাদের এই রোগের ঝুঁকি বেশি? কী কী লক্ষণ থাকে? চিকিৎসা কী? আসুন জানা যাক।
ওরাল ক্যানসার, মাউথ ক্যানসার বা মুখের ক্যানসার- যাই নামে ডাকুন না কেন, এই অসুখে আক্রান্তের সংখ্যা কিন্তু বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সবথেকে বড় কথা, এই অসুখে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকেই চিকিৎসকের কাছে আসেন না। রোগটির গুরুত্ব বুঝতে বুঝতেই অনেকটা সময় কাটিয়ে দেন।
আসলে ওরাল ক্যানসারকে নিয়ে সচেতনতা খুবই কম। বিশেষত, আমাদের মতো দেশে এই রোগের লক্ষণ সম্পর্কে বেশিরভাগেরই কোনও সচেতনতা নেই। ফলে অসুখ অনেকটা গড়িয়ে যাওয়ার পর রোগী চিকিৎসকের কাছে আসছেন।
মাউথ ক্যানসার প্রসঙ্গে ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক জানাচ্ছে, মুখের ভিতরে হয় মাউথ ক্যানসার। এক্ষেত্রে ঠোঁট থেকে শুরু করে মুখগহ্বরের যে কোনও ধরনের ক্যানসারকে বলা হয় মুখের ক্যানসার। ঠিক সময়ে চিকিৎসা হলে প্রাণ বাঁচে।
তাই এই ক্যানসার নিয়ে সচেতন হওয়া ছাড়া কোনও গতি নেই। এক্ষেত্রে রোগের কারণ, লক্ষণ ইত্যাদি বিশদে জানা যাক।
১. রোগের লক্ষণ কী কী?
এই লক্ষণগুলি থাকতে পারে-
১. কোনও ঘা যা শুকাতে চাইছে না
২. সাদা বা লাল রঙের কোনও প্যাচ
৩. দাঁত আলগা হয়ে যাওয়া
৪. মুখের ভিতর কোনও মাংসপিণ্ড ফুলে ওঠা
৫. কানে ব্যথা
৬. গিলতে গেলে খুব ব্যথা ইত্যাদি।
এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে সোজা চিকিৎসকের কাছে যান। তবেই রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারবেন।
২. কাদের ঝুঁকি বেশি?
মেয়ো ক্লিনিক জানাচ্ছে, মাউথ ক্যানসার যে কারও হতে পারে। তবে কিছু মানুষের ঝুঁকি থাকে বেশি-
১. গুটকা, বিড়ি, সিগারেট সহ যে কোনও ধরনের তামাক সেবন করার জন্য মুখের ক্যানসার হতে পারে
২. প্রচণ্ড মদ্যপান যাঁরা করেন তাঁদের এই ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি
৩. বেশিক্ষণ রোদে থাকলে জিভে ক্যানসার হতে পারে
৪. হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের দরুন এই রোগ হতে পারে
৫. ইমিউনিটি দুর্বল হলে অবশ্যই সমস্যা হতে পারে।
মুখের যে কোনও অংশে হতে পারে মাউথ ক্যানসার। তবে দেখা গিয়েছে, এই অংশগুলির রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি-
১. জিভ
২. মাড়ি
৩. গালের ভিতরের দিকে
৪. জিভের নীচের দিকে
৫. তালুতে
৬. শেষের দিকের দাঁতের পিছনের অংশে ইত্যাদি।
তাই অংশগুলিতে কোনও সমস্যা বেশকিছুদিন স্থায়ী হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
কী ভাবে রোগ নির্ণয়? চিকিৎসা কী?
চিকিৎসক প্রথমে সমস্যার জায়গাটি দেখতে পারেন। হাত দিয়ে ধরেও পরীক্ষা করতে পারেন। এছাড়া করা যেতে পারে ব্রাশ বায়োপসি বা স্ক্র্যাপ বায়োপসি। এই দুই বায়োপসির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব।
রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সার্জারি, কেমো বা রেডিয়েশনের সাহায্য নিতে হয়। রোগীর অবস্থা বুঝে তারপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাই দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই বললেই চলে।
৬. রোগ প্রতিরোধ করুন
মাউথ ক্যানসার প্রতিরোধ করা যায়। সেক্ষেত্রে এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করুন-
১. ধূমপান বন্ধ
২. তামাক জাতীয় কোনও কিছু চিবাবেন না
৩. মদ্যপান ছেড়ে দিন
৪. এইচপিভি ভাইরাসের টিকা নিন।
এই কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে পারলেই অনায়াসে রোগ দূরে থাকে।
15/03/2023
মুখেও দেখা দিতে পারে ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ, আপনি অবহেলা করছেন না তো?
ফ্যাটি লিভার ডিজিজে আক্রান্তের শরীরের বিভিন্ন অংশে রোগ লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এমনকী মুখেও দেখা দিতে পারে উপসর্গ। তাই সচেতন থাকা ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই।
ফ্যাটি লিভার একটি গুরুতর অসুখ। এই রোগে আক্রান্তের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকী হতে পারে লিভার সিরোসিস। তাই বিশেষজ্ঞরা বারবার এই রোগের লক্ষণ সম্পর্কে জেনে সচেতন হতে বলেন। এক্ষেত্রে ফ্যাটি লিভারের উপসর্গ মুখে ফুটে উঠতে পারে।
আসলে লিভারে কিছুটা ফ্যাট গচ্ছিত থাকে। তবে ফ্যাটের পরিমাণ বাড়লেই সমস্যা। তখন এই অঙ্গটি নিজের কাজ ঠিকমতো করে উঠতে পারে না। শরীরের বহু কাজ সঠিকভাবে হয় না। এই পরিস্থিতিতে সাবধান হওয়া ছাড়া গতি নেই।
ফ্যাটি লিভার দুই ধরনের হয়- অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ ও নন অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ। অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজের কারণ হল মদ্যপান। অপরদিকে নন অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজের পিছনে থাকে জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাস।
এই অসুখের লক্ষণ প্রথমেই চিনে নিতে পারলে চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার বদলের মাধ্যমে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন। তাই এই কয়েকটি উপসর্গ দেখলে সাবধান হন-
ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ মুখে
ফ্যাটি লিভার রোগটিতে আক্রান্ত হলে মুখেও এই কয়েকটি লক্ষণ দেখা দিতে পারে বলে জানাচ্ছে হেলথলাইন-
১. মুখ ফুলে যেতে পারে
২. ঘাড়ের নীচের দিকের অংশ কালচে হতে পারে
৩. মুখের ত্বক লাল হয়ে যেতে পারে
৪. মুখে Rash বের হতে পারে
৫. মুখের ত্বক চুলকাতে পারে
৬. ত্বক হলুদ হয়ে যেতে পারে।
তাই এখন থেকে মুখে এই কয়েকটি লক্ষণ দেখা দিলে আর অপেক্ষা করা নয়।
ফ্যাটি লিভারের অন্যান্য উপসর্গ
ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ সম্পর্কে জানাচ্ছে-
১. পেটে ব্যথা হতে পারে
২. বমি বমি ভাব
৩. বমি হওয়া
৪. খিদে না থাকা
৫. ওজন দ্রুত কমা
৬. পা ও শরীরের অন্যান্য অংশে জল জমা
৭. প্রচণ্ড দুর্বলতা
৮. বিভ্রান্তি ইত্যাদি।
কী ভাবে রোগ নির্ণয়?
এই অসুখ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে প্রথমে দেওয়া হয় লিভার এনজাইম টেস্ট। এই টেস্টেই খুব সহজে রোগটি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা যায়। এছাড়া চিকিৎসক আলট্রা সাউন্ড করে দেখতে পারেন। পাশাপাশি রোগটি সম্পর্কে গভীরে জানাতে দেওয়া যেতে পারেন লিভার বায়োপসি ও ফাইব্রোস্ক্যান। এই দুটি টেস্টের মাধ্যমেই অনায়াসে রোগের পর্যায় সম্পর্কে জানা যায়। তাই দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই বললেই চলে।
রোগের চিকিৎসা কী?
এই অসুখের চিকিৎসার ক্ষেত্রে কয়েকটি ওষুধ ব্যবহার করা হয়। সেই ওষুধগুলি দারুণ কাজ করে। তবে এর পাশাপাশি ডায়েট ও জীবনযাত্রায় কিছু বদল আনতে হয়। তাই এই কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা হল সবথেকে জরুরি-
১. মদ্যপান করবেন না
২. ওজন কমান
৩. ডায়াবিটিস, কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইডস কমান
৪. শাক-সবজি বেশি করে খান।
ব্যায়াম করুন নিয়মিত
এই অসুখ থেকে রক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যায়াম করুন। সপ্তাহে ৫ দিন ৩০ মিনিট করে এক্সারসাইজ করুন। এক্ষেত্রে সবথেকে ভালো হয় সাঁতার, সাইকেল চালানো, দৌড়, হাঁটার মতো এরোবিকস এক্সারসাইজ করতে পারলে। তবেই রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আপনি ভালো থাকবেন।
14/03/2023
সকালবেলায় ব্রাশ না করে খালি পেটে জলপান করুন, হাজার হাজার উপকারিতা নিমেষেই
সকাল সকাল খালি পেটে উঠে জলপান করলে শরীর ভাল থাকে, হজম শক্তি থেকে চামড়া সমস্ত কিছুই ভাল থাকে
জল ছাড়া কোনও একট মুহূর্তও চলতে পারেনা কখনও কেননা জলের অপর নাম জীবন ৷ সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠে তারপরে রাতে শুতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত পরিমাণ মত জলপান করা উচিৎ ৷
যাঁরা প্রয়োজনের তুলনায় জল কম খান তাঁদের ত্বক জনিত সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় ৷ দিনে ১০ থেকে ১২ গ্লাস জলপান করতে হবে সুস্থ থাকতে
বাড়ির বড়রা বলে থাকেন খালি পেটে জলপান করা উচিৎ তারপরেই ব্রাশ করার পরামর্শ দেন ৷ কেন এমন হতে থাকে ৷
সকালবেলায় খালি পেটে ব্রাশ করার আগে জল খেলে শরীর থেকে নির্গত হয় টক্সিন ৷ এটি জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ৷
সকালবেলায় খালি ব্রাশ করার আগে জল খেলে বাড়বে পাচন শক্তি, মজবুত হবে ৷ একই ভাবে মুখে ব্যাকটেরিয়া জমা হওয়া বন্ধ হতে পারে ৷
খালি পেটে ব্রাশ করার আগে জলপান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে থাকে ৷ শীতকালে যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত আছে তাঁরা জলপান করতে পারবে ৷
সকাল সকাল খালি পেটে ব্রাশ করার আগে পান করলে ইমিউনিটি বৃদ্ধি পেতে পারে ৷ যাঁদের ঠান্ডা লেগে সর্দিকাশির ধাত থাকে তাঁরা বিশেষত ঋথু পরিবর্তনের সময়ে এই অভ্যাস থাকলে প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে উঠবে ৷
যাঁদের হাই ব্লাডপ্রেশার বা মধুমেহ থাকে তাঁদের জলপান করা উচিৎ সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ব্রাশ করলে শরীরে ফ্যাট কম জমা হয় ৷
13/03/2023
রান্নার সময় পদ্ধতিগত কিছু ভুল সকলেই করে থাকেন। এই ভুল এড়িয়ে চলতে পারলেই কিন্তু খাবার হবে সুস্বাদু, সঙ্গে শরীরও থাকবে ভাল
রান্না করা তো রোজকারের ব্যাপার। নুন, তেল, হলুদ আর যথাথ পরিমাণে মশলা মিশিয়ে নিলেই হল। এবার গ্যাস কমিয়ে কখনও ফোটাও, কখনও ভাজ! ব্যাস তাহলেই রেডি কষা মাংসের ঝোল থেকে মাছের মাথা দেওয়া মুগের ডাল। তবে জানেন কি, এইভাবে রান্না করলে শরীরের কতখানি ক্ষতি হয়। রান্না করার সময় বেশিরভাগ রাঁধুনিই পদ্ধতিগত কিছু ভুল করে থাকেন। আর যে কারণেই শরীর খারাপ হয়। আসে পেটের সমস্যাও। হজনের সমস্যা তো লেগেই রয়েছে ঘরে-ঘরে। হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং-এ একটি নিবন্ধ প্রকাশ করা হয়। যেখানে স্বাস্থ্যকর উপায়ে রান্না করার কৌশল আলোচলা করা হয়েছে। রেড মিট এখন অনেকেই খান না, হৃদরোগ, হাই প্রেশার, কোলেস্টেরল ইত্যাদির প্রকোপ বাড়তে পারে এই রেড মিট থেকে।
খাবার রান্না করলে কিছুটা হলেও পুষ্টিগুণ কমে, সে আপনি যেভাবেই রান্না করুন না কেন৷ তবে টমেটো, গাজর, মিষ্টি আলু, পালং, লঙ্কা এগুলি সাধারণত কাঁচা খাওয়া হয়। সে জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই কাঁচা শাক–সবজি–ডিম ইত্যাদি খাওয়ার চল আছে৷ সেদ্ধ খাবার স্বাস্থ্যকর হলেও দিনের পর দিন মুখে রুচবে না। আবার ভুল পদ্ধতিতে সিদ্ধ করলে পুষ্টিও মাঠে মারা যাবে৷ তেল-মশলা বা ভাজাভুজি জাতীয় খাবার কেমন করে তৈরি করলে তা স্বাস্থ্যকর হয়ে উঠতে পারে, রইল টিপস-
ভাজা খাবারেরও বেশকিছু উপকারিতা রয়েছে
13/03/2023
জল খাওয়ার সময় এই ৩ ভুল বাড়িয়ে দিতে পারে একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা
জল পান করার সময় কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। তা না হলে নানা স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক জল পান করার সময় কী কী বিষয় খেয়াল রাখতে হবে...
জল পান করার সময় কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।
তা না হলে নানা স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
শরীরের ৬০ শতাংশ উপকারিতা জল দিয়ে তৈরি। জল হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা আমাদের শরীরের জন্য দিনে অন্তত প্রতি ২-৩ ঘন্টার মধ্যে প্রয়োজন হয়। জল ছাড়া আমাদের শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেমন খাবার হজম, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা থেকে পুষ্টি পরিবহণ ব্যহত হতে পারে।
তৃষ্ণা অনুভব করা মস্তিষ্কের একটি ক্রিয়া যা আপনাকে বলে দেয় যে, আপনি ডিহাইড্রেটেড হচ্ছেন। আপনার শরীরের সঠিকভাবে কাজ করার জন্য প্রতিদিন সঠিক মাত্রায় জলের প্রয়োজন। কিন্তু জল পান করার সময় কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। তা না হলে নানা স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক জল পান করার সময় কী কী বিষয় খেয়াল রাখতে হবে
জল পান করার সময় এই ৩টি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন:
সকালে জল পান করুন:
• সকালে উঠে খালি পেটে সর্বদা ২ গ্লাস জল পান করে আপনার দিন শুরু করুন। কারণ, সকালে খালি পেটে জল পান করলে সারাদিন শরীর হাইড্রেট থাকে। তাই আপনার দিনটি সবসময় জল পান করে শুরু করা উচিত।
খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জল পান করা এড়িয়ে চলুন:
• খাবারের সঙ্গে বা খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জল পান করা উচিত নয়। কারণ খাবারের সঙ্গে জল পান করলে পাচনতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে। এর কারণে গ্যাস, বুকজ্বালার মতো সমস্যাও শুরু হয়। তাই খাবার খাওয়ার পরপরই জল পান এড়িয়ে চলতে হবে।শুধু তাই নয়, খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জল পান করলে তা শরীরে পুষ্টি সরবরাহ করে না, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে এবং আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে।
দাঁড়িয়ে, মুখ উঁচু করে জল পান করা বিপজ্জনক:
• বেশির ভাগ মানুষ দাঁড়িয়ে মুখ উঁচু করে ঢক ঢক করে জল পান করেন। কিন্তু এই পদ্ধতিতে জল পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক! কারণ, দাঁড়িয়ে জল পান করলে হাড় দুর্বল হয়ে যায়, অতিরিক্ত চাপ পড়ে হার্টে। তাই সবসময় বসে চুমুক দিয়ে ধীরে ধীরে জল পান করুন।
13/03/2023
রোজ সকালে খান সারা রাত ভেজানো এই ৫ জিনিস, অনেক রোগ দূরে পালাবে
এমন কিছু খাবার আছে যা সারা রাত ভিজিয়ে,পরের দিন খেলে তার উপকারিতা দ্বিগুণ হয়। এগুলির পুষ্টিগুণ বৃদ্ধির পাশাপাশি সহজে হজম হয়।
এমন অনেক খাবার রয়েছে যা শরীর সুস্থ রাখতে খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়। এই সমস্ত খাবার অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এমন কিছু খাবার আছে যা সারা রাত ভিজিয়ে,পরের দিন খেলে তার উপকারিতা দ্বিগুণ হয়। এগুলির পুষ্টিগুণ বৃদ্ধির পাশাপাশি সহজে হজম হয়। জানুন সুস্থ থাকতে, কোন খাবারগুলি ভিজিয়ে খেতে পারেন।
* মেথি
মেথিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার পাওয়া যায়। এটি আমাদের অন্ত্র পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগা মানুষদের জন্য মেথি একটি খুব ভাল প্রতিকার হিসেবে প্রমাণিত। প্রতিদিন মেথি খেলে আপনার হজমশক্তি ঠিক থাকে। মেথি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আশীর্বাদের চেয়ে কম নয়। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সারা রাত জলে মেথি ভিজিয়ে রাখলে পিরিয়ডের ব্যথা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
* পোস্ত
পোস্ত বিপাক বৃদ্ধিতে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। সারা রাত ভিজিয়ে রাখা পোস্ত খেলে তা আরও অনেক বেশী উপকারী। এর ফলে শরীরে চর্বি জমে না।
* তিসি
তিসিতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়। যারা মাছ খান না, তাদের জন্য তিসি খুবই উপকারী। জলে ভিজিয়ে রাখা তিসি উচ্চ কোলেস্টেরলে ভুগছেন এমন লোকদের জন্য খুব ভাল। এটি শরীরের জন্য ভাল এবং খারাপ কোলেস্টেরল থেকে দূরে রাখে। তিসিতে ডায়েটারি ফাইবারও রয়েছে যা, হজমের জন্যও ভাল।
* কিশমিশ
কিশমিশে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং আয়রন পাওয়া যায়। প্রতিদিন রাতে ভিজিয়ে রাখা কিশমিশ সকালে খেলে শরীরে বেড়ে ওঠা ক্যান্সার কোষ প্রতিরোধ করা যায়। ভেজানো কিশমিশ খেলে ত্বকও সুস্থ ও দাগহীন থাকে। আপনি যদি রক্তশূন্যতা বা কিডনিতে পাথরের সমস্যায় পড়েন, তাহলে ভেজানো কিশমিশ আপনার সমস্যার সমাধান করতে পারে।
* সবুজ মুগ
ভেজানো সবুজ মুগ ডাল প্রোটিন, ফাইবার এবং ভিটামিন বি সমৃদ্ধ। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য উপকারী প্রমাণিত হয়। মুগে অ্যান্টি- অক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি, যা ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ইত্যাদির মতো দুরারোগ্য রোগের ঝুঁকি কমায়।
তবে মনে রাখতে হবে কোনও কিছুই অত্যাধিক পরিমাণে খাওয়া ভাল না। এতে উপকারের চেয়ে অপকার বেশী হতে পারে। তাই উপরে উল্লেখিত খাবারগুলি আপনার জন্যেও উপকারী নাকি হতে পারে ক্ষতি, তা জানতে পরামর্শ করুন বিশেষজ্ঞর সঙ্গে।
09/03/2023
09/03/2023
08/03/2023
সারাদিনের ক্লান্তি আর রক্তশর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘুমতে যাওয়ার আগে বজ্রাসন করুন
ডায়াবেটিসের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। যত তাড়াতাড়ি এই রোগ নির্ণয় করা যায় এবং চিকিৎসা শুরু করা যায় ততই ভাল। নিঃশব্দ ঘাতকের মতই বিশ্বজুড়ে থাবা বসাচ্ছে ডায়াবেটিস। ছোট থেকে বড় সকলেই আক্রান্ত হচ্ছেন এখন এই রোগে। ডায়াবেটিসের সঠিক কোনও চিকিৎসা নেই এবং কেন হয় তারও সঠিক কোনও ব্যখ্যা নেই। অগেন্যাশয় থেকে ইনসুলিন হরমোনের ক্ষরণ হয়। আর সেই হরমন যখন কম পরিমাণে ক্ষরিত হয় বা একেবারেই হয় না তখনই রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে থাকে। ডায়াবেটিস ২ রকম। টাইপ ১ আর টাইপ ২। মূলত পারিবারিক ইতিহাসে ডায়াবেটিস থাকলে সেখান থেকে আসে এই টাইপ ১ ডায়াবেটিসের সমস্যা। আর নিয়মিত ভাবে বেশি ক্যালোরির খাবার খেলে, ওবেসিটির সমস্যা থাকলে, কোনও রকম মানসিক সমস্যা থাকলে এবং শরীরচর্চা না করলে সুগার বাড়বেই। আর তাই নিয়মিত ভাবে সুগার চেক করে রাখা, শরীরচর্চা, খাদ্যাভ্যাস এসবের দিকে নজর দিতে হবে।
সারাদিন সকলকেই প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়। তার মানে এই নয় যে পেট ভরে নিশ্চিন্তে খেয়ে নিলেই রক্ত শর্করা থাকবে নিয়ন্ত্রণে। যদিও তা হয় না। সুগার খুব বেড়ে যাওয়া যেমন ঠিক নয় তেমনই বেড়ে যাওয়াটাও কাম্য নয়। সুগারের মাত্রা যাতে একেবারে ঠিক থাকে সেদিকেই বিশেষ নজর দিতে হবে। সুগারের সমস্যা থাকলে রাতে ভাল ঘুম হওয়াটাও জরুরি। ঘুম ভাল হলে সুগারও কিন্তু কমে। সেই সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ তো খাবেন। এছাড়াও আরও যা কিছু মেনে চলবেন-
ক্যামোমাইল চা- ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে ঘুমনোর আগে এক কাপ ক্যামোমাইল চা খেতে পারেন। এছাড়াও এই চায়ের মধ্যে থাকে শক্তিশালী অ্যাস্ট্রিনজেন্ট, আছে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য। যা আমাদের রক্তশর্করা রাখে নিয়ন্ত্রণে।
ঘুমোতে যাওয়ার আগে রোজ ৪ টে করে আমন্ড খেতে পারেন। বাদামের মধ্যে থাকে ট্রিপটোফ্যান, ম্যাগনেশিয়াম। যা ঘুম ভাল করে। সেই সঙ্গে রাতের খিদে নিয়ন্ত্রণ করে। সেই সঙ্গে মিষ্টি খাওয়ার লোভটাও কমে।
ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে মেথি খুব ভাল কাজ করে। রোজ সকালে খালিপেটে মেথি ভেজানো জল খেতে পারলে খুবই ভাল। এছাড়াও শুকনো খোলায় মেথি নেড়ে নিয়ে গুঁড়ো করে রাখতে পারেন। এক টামচ মেথি গুঁড়ো আর এক গ্লাস গরম জল খেলেও কিন্তু অনেক উপকার হয়।
সারাদিনের ক্লান্তি আর রক্তশর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘুমতে যাওয়ার আগে বজ্রাসন করুন। ১৫ মিনিট বজ্রাসন করলে ঘুম যেমন ভাল হবে তেমনই শরীরে রক্ত প্রবাহও ঠিক থাকবে।
অধিকাংশই ঘুমোতে যাওয়ার আগে মোবাইলের স্ক্রিনে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকেন। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য একেবারে ঠিক নয়। এর ফলে স্নায়ুর সমস্যা, ঘন ঘন তেষ্টা পাওয়া, বার বার প্রস্রাব পাওয়া, খিদে সবই পেতে থাকে।
08/03/2023
থাইরয়েডের রোগীদের একটি জিনিস মাথায় রাখতে হবে। সকালে থাইরয়েডের ওষুধ খাওয়ার এক ঘন্টা পর ধনেপাতা খাবেন
রান্নাঘরে রাখা সব মশলার একাধিক গুণাগুণও রয়েছে। সেই সব মশলাকে তাই কায়দা করে ব্যবহার করলে অনেক উপকারও পাওয়া যায়। শরীরের অনেক কাজে লাগে। তেমনই একটি উপাদান হল ধনেপাতা। অ্যাসিডিটি, মাইগ্রেন, মাথাব্যথা, অতিরিক্ত তেষ্টা, থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলের সমস্যায় খুব ভাল কাজ করে ধনেপাতা। ফ্যাটি লিভার, ওবেসিটি, বদহজমের মত সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। সেই রোগ প্রতিরোধ করতে এবং হরমোনের মধ্যেকার ভারসাম্য বজায় রাখতে খুব ভাল কাজ করে ধনে। ধনে আমাদের অভ্যন্তরীন অঙ্গগুলোকে ভিতর থেকে পরিষ্কার রাখে। সেই সঙ্গে ভাত, পিত্ত, কফের মধ্যে ভারসাম্যও বজায় রাখে। আর তাই রান্নায় নিয়ম করে ধনে ব্যবহার করতে পারলে অনেক রকম ফল পাবেন।
ডায়াবেটিস, থাইরয়েড এবং ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় খুব ভাল কাজ করে ধনের চা। মৌরি, জিরে, ঝনে একসঙ্গে মিশিয়ে ফুটিয়ে ছেঁকে চা বানিয়ে খান। এতে হজমের সমস্যা হবে না। যাদের ফ্যাটি লিভার রয়েছে তারা নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি এই সব চা বানিয়েও খেতে পারেন।
থাইরয়েডের রোগীদের ক্ষেত্রেও খুব কার্যকরী হল ধনে। একগ্লাস জলে এক চামচ ধনে নিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন সকালে সেই জল খুব ভাল করে ফুটিয়ে নিন। এক্লাস জল ফুটিয়ে হাফ গ্লাস হবে। এবার তা ছেঁকে নিয়ে খান। এতে বিপাক ভাল হবে। সেই সঙ্গে মন ভাল থাকবে। ধনের সঙ্গে কারিপাতা আর গোলাপের শুকনো পাপড়ি ফেলে ফুটিয়েও খেতে পারেন।
তবে থাইরয়েডের রোগীদের একটি জিনিস মাথায় রাখতে হবে। সকালে থাইরয়েডের ওষুধ খাওয়ার এক ঘন্টা পর ধনেপাতা খাবেন। অথবা ধনের এই জল খাবেন। একঘন্টা কিছু না খাওয়াই ভাল। খুব প্রয়োজন হলে একটু জল চলতে পারে।
যাদের অ্যাসিডিটি, আলসারের মত সমস্যা রয়েছে তারা ধনে খান এই ভাবে। ২৫ গ্রাম ধনে বীজ একটা পাত্রে জল দিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। ৮ ঘন্টা এভাবে রাখবেন। পরদিন সকালে এই জল ছেঁকে নিয়ে এর সঙ্গে সামান্য মিছরি মিশিয়ে খেলেই উপকার পাবেন। তবে টানা এক মাস খেলে তবেই কিছু ফল পাবেন।