Syef Seraz
Nothing much to add. Internet Nomad.
কয়েকটা পয়েন্ট বলি।
১। ইস্যু বিকল্প দেখান।
গণশত্রু পলাতক খুনিটার ব্যাপারে এটা সবচেয়ে বলা হইতো।
খুনি ট্রেইটরটা পালানোর পর দেখা গেলো প্রচুর ভালো বিকল্প আছে।
প্রথম আলো, ডেইলি স্টার এর মত ট্রেইটর অর্গানাইজেশন, যারা আসলে কালেক্টিভ সেন্সে ইন্ডিয়ান স্পাই, এরা এখনো অস্তিত্ব ধরে রাখতে পারসে কারন মানুষ এদের বেলাতেও একই চিন্তা করে।
বিকল্প দেখান।
ওরা আসলে কোনদিক থেকে কি এমন যে ওদের বিকল্প হতে পারেনা ?
পেজ আউটলুক, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ভার্সন, ই পেপার আর্কাইভ ওদের এসব স্ট্যান্ডার্ড।
তো পয়সা খরচ করলে এগুলা কি আসলে খুব কঠিন ?
যেকোন পত্রিকাই পারবে।
বাংলাদেশের পক্ষে থাকবেন, কোন বিশিষ্ট, সুশীল, গুণীজন খেতাব বিতরণ করবেন না কাউকে।
এভরি ভয়েস ইজ ইম্পর্ট্যান্ট।
রোজার ঈদ আমাদের মূল উৎসব, পহেলা বৈশাখ একটা সাইড ফেস্টিভাল, স্রেফ এটা মেলা, তাও পালনযোগ্য এইসব মঙ্গল শোভাযাত্রা ফাতরা বাদ দিলে।
নন মুসলিম বাংলাদেশীদের ব্যাপারে হারমোনিয়াস মেসেজ রাখবেন।
কিন্তু যেটা অবশ্যই মেইনটেইন করবেন - বাংলাদেশের কালচার ডমিন্যান্টলি বাংলাদেশী মুসলিম কালচার।
৭১ কাভার করবেন গনযুদ্ধ হিসাবে।
৪৭'এর আগে উপমহাদেশের মুসলিমদের সাথে কি করা হইসিলো সেগুলো কাভার করবেন।
৭২-৭৫ কাভার করবেন অকপটে।
জিয়াউর রহমানের ভুলত্রুটি থাকলে সেগুলো নিয়েও সমালোচনা হবে।
এরশাদ পিরিয়ড, ২০০৯ - ২০২৪ পর্যন্ত গণশত্রুদের খুন, গণহত্যা, গুম, ওদের অর্থ পাচার লুটপাট কাভার করবেন কোন নামধামের রাখডাক ছাড়া।
মধ্যবিত্ত আর একেবারে খেটেখাওয়া মানুষের অ্যাস্পিরেশন হাইলাইট করবেন সবসময়।
সায়েন্স, টেকনোলজি, এঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যাথ, আমেরিকায় যেটাকে বলে স্টেম এডুকেশন, এগুলোর জন্য আলাদা পেজ রাখবেন।
ইসলামিক ফিলোসফির জন্য আলাদা পেজ রাখবেন।
পত্রিকার নামটা হতে পারে ফিউচারিস্টিক কসমোপলিটান টোনের কিছু একটা।
দৈনিক সোনালী দিন, দৈনিক সবার কণ্ঠ, দৈনিক দেশ প্রত্যাশা অথবা আরও ভালো কিছু।
২। সিটিসেল নাকি আবার ফিরে আসতে চাইতেসে।
দেশ ছাড়ার আগে আমি নিজেও একটা সিটিসেল নাম্বার ব্যবহার করতাম।
সিটিসেল ফিরে আসুক, তবে মোরশেদ খানের কিংবা তার পরিবারের মালিকানায় না।
অন্য কারো মালিকানায় হলে সাপোর্ট করি।
৩। ইদানীং বেশী সুশীলতা দেখা যাইতেসে।
মব জাস্টিস, সমন্বয়কদেরকে পুলিশ নিরাপত্তা দিবে ক্যানো, ৫ কোটি টাকায় শহীদ স্মরণে সভা ক্যানো ইত্যাদি ইত্যাদি।
সমন্বয়কদেরকে পুলিশ নিরাপত্তা দেয়ায় কিছু দুষিত হয় নাই।
ওরাই বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিসে এবং ওদের স্ট্রংলি মাঠে থেকে নিয়মিত ছাত্র জনতার সাথে জনসংযোগ রক্ষা করা আমি সমর্থন করি।
মব জাস্টিস ইস্যু।
জানে মেরে না ফেললেই হইলো।
কিন্তু ধরা পড়া মাত্র গনধোলাই এই গণশত্রুদের অতিপ্রাপ্য।
ধোলাই দিয়ে পুলিশে দাও।
খুনিটা গন অনশনের কারনে পালায় নাই।
পাবলিক আইতেসে বানের পানির লাহান, ঐ ভয়ে পালাইসে।
সুতরাং সুশীলতা কম করো।
পুলিশ ফোর্সটাকে এখনো পুরো বিশ্বাস করা যায়না।
নানা জায়গায় ছাত্রলীগের সব সাবেক সন্ত্রাসী মাস্তান নানা পজিশনে লুকায়া আছে।
গণশত্রুদের বিপক্ষে সদাজাগ্রত অ্যাংরি মব ইজ নীডেড।
৫ কোটি টাকায় শহীদ স্মরণে সভা নিয়ে বিতর্ক তুলসে কারা।
যারা ছাত্রলীগের একটা পোনা নেতার একাউন্টে ২০ কোটি টাকা থাকাকে ওকে মনে করতো কিছুদিন আগে।
সভা আয়োজন করতে টাকা লাগবে, সেটার জন্য পাবলিক ফান্ডিং করতে গেলে বলবে নতুন ধান্দা, নতুন চাঁদাবাজি।
এদের এতো কথাকে কানে তোলার দরকার নাই।
নিহত আহতদের চিকিৎসা এবং অর্থনৈতিক পুনর্বাসন অবশ্যই ফার্স্ট প্রায়োরিটি।
কিন্তু সভা করাতে, জনসংযোগ করাতে ভুল কিছু হয় নাই।
এটাও নেসেসারী।
আরও ভালো হইতো একেবারে সর্বদলীয়, সব প্লাটফর্মের সবাই মিলে করলে।
জাতীয় সংহতি দরকার এই গণশত্রুদের বিরুদ্ধে।
ওরা পলাতক, কিন্তু ওদের দালালরা নানা ছদ্মবেশে এখনো আছে।
র'এর বাংলাদেশী তেলাপোকা প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার নিয়ে তো প্রচুর রাগ ঝাড়ি।
কিন্তু ওদের একেবারে ইন্টারনাল রিক্রুইট গুলার কাজকারবার দেখতেসি।
ব্রহ্মা চেলানী, উত্তম গুহ, চন্দন নন্দী,স্নিগ্ধেন্ধু ভট্টাচার্য, তেলাপোকার লিস্ট নেভার এন্ডিং।
একটা দা হিলে অপিনিয়ন লেখে, তো আরেকটা মিরর এশিয়ায়, আরেকটা নর্থইস্ট, আরেকটা দা ডিপ্লোম্যাটে।
বাংলাদেশ নামের ফ্রি খাওয়ার হোটেল হাতছাড়া হওয়ার পর থেকে এই হা ভাতে ভিক্ষুকগুলা ফ্রেঞ্জি আচরন করতেসে।
এই রকম বিচ্ছু জাত দুনিয়ার কোথাও নাই।
মেক্সিকো অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল দেশ, আমেরিকা ধনী দেশ।
এরা বাংলাদেশ নামের প্রতিবেশীর সাথে যা করে এবং করতে চায়, সেই তুলনায় আমেরিকা মেক্সিকো সম্পর্ক দেখতে পারেন সবক্ষেত্রে।
মানুষ অর্থনৈতিক কারনে মাইগ্রেট করে।
বাইরে থেকে বলা হয় বেশী টাকা উপার্জনের জন্য মাইগ্রেট করে।
আসলে আনটোল্ড আরেকটা কারন আছে।
ফকিন্নী ছ্যাঁচড়া হাভাতে ভিক্ষুক প্রতিবেশীর আশেপাশে থাকার চাইতে ধনী নেইবারহুডে থাকার একটা সামাজিক শান্তি আছে।
দুর্ভাগ্য জনকভাবে ব্যক্তি পর্যায়ে প্রতিবেশী পরিবর্তন করা সম্ভব হলেও, দেশ পর্যায়ে সেটা সম্ভব না।
এই ছ্যাঁচড়া ফকিন্নীগুলাকেই প্রতিবেশী হিসাবে বাংলাদেশের সহ্য করে যেতে হবে।
হয়তো শুনতে ননসেন্স শোনাবে।
আজকে যদি বাংলাদেশের একটা জাতীয় নাচ থাকতো, ল্যাটিন আমেরিকার অঘোষিত জাতীয় নাচ ট্যাঙ্গো'র মত কিংবা রাশান ব্যালে'র মত এবং যদি শোরগোল উঠতো, জাতীয় নাচ চেঞ্জ করতে হবে, তখন কি হইতো ?
এরা কি ফ্লাইওভারের নীচে জড় হয়ে একসাথে সমবেত নাচ নাচতো ?
জাস্ট ইম্যাজিন, নাচের মুভ মিলতেসেনা, একজন হাত নাচায়, আরেকজন পা নাচায়, আরেকজন কোমর দোলায়, কি বিতিকিচ্ছিরি একটা অবস্থা হইতো।
সামনের পরিস্থিতি আরও খারাপ হইতে যাইতেসে।
সরি টু সে দিস ওয়ে, সত্য লুকায়া ক্ষতি বাড়া ছাড়া কমবেনা।
আমার মনে হয় বাংলাদেশ আর্মড ফোর্স আর নৌ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক নৌ চলাচল কতৃপক্ষ একসাথে বসে কয়েকটা এজেন্ডা ডিসকাস করতে পারেন ইমিডিয়েটলি।
ঢাকা বরিশাল, ঢাকা খুলনা এবং অন্যসব রাউটে কি সংখ্যক বেসামরিক নৌ বাহন বা মেরিন ভেহিকল আছে।
এগুলো এখন কোথায় আছে ?
এগুলোর মালিকদের সাথে এবং চালকদের সাথে যোগাযোগ করা যাইতেসেনা কিনা।
এগুলোর কোনগুলো কত ফুট নাব্যতায় চলাচল করতে পারে।
ফ্লাড অ্যাফেক্টেড এরিয়ায় যাওয়ার মত ওয়াটার পাথ আছে কিনা এই মুহূর্তে যেহেতু সবকিছু জলমগ্ন।
কিংবা একটা বিকল্প ওয়াটার রাউট বের করা যায় কিনা এগুলোকে সাবমার্জড এরিয়ায় পাঠানোর জন্য।
আফটার অল পুরা বাংলাদেশই আসলে নদী দিয়ে ইন্টার কানেক্টেড।
যথেষ্ট ফুয়েল আছে কিনা।
প্রতিটা ফ্লাড ড্রাউন্ড এরিয়াকে গ্রিড বা ব্লকে ভাগ করে একটা আইডিয়া করা প্রতিটা মেরিন ভেহিকলকে কত গ্যালন ফুয়েল দিতে হবে একটা পারটিকুলার রেডিয়াস বা ব্লক এরিয়া সার্চ করতে।
এই মূহুর্তে কি পরিমাণ ফুয়েল আছে সারাদেশ যেটা এখনই ব্যবহার এবং বিলি করা যাবে।
লাইফ জ্যাকেট কি পরিমাণ আছে।
ড্রোন আছে কিনা যথেষ্ট। হ্যান্ড মাইকের চেয়ে ড্রোন অনেক বেশী ইফেক্টিভ হবে সারভাইভর সার্চ করতে।
পোলাপান তাদের ড্রোন ডোনেট করুক।
ডোনেট না করলে ওদের রেসকিউ ভলান্টিয়ার হিসাবে সঙ্গে নিন।
ওদের ড্রোন ওরাই ভালো উড়াতে পারবে, তাতে আরও ভালো হেল্প হবে।
এই এজেন্ডাগুলা ডিসকাস করে সিদ্ধান্ত নিন দ্রুত।
সব অ্যাভেইলএবল বেসামরিক মেরিন ভেহিকল এখন ন্যাশনাল ইমার্জেন্সিতে রিকুইজিশন করতে হবে।
এগুলোকে যথেষ্ট ফুয়েল দিয়ে সাবমার্জড এরিয়াগুলাতে পাঠাতে হবে।
আমার মাথায় এই আইডিয়াগুলাই আছে এই মূহুর্তে।
আরও কিছু আসলে পোস্ট আপডেট করবো।
ফি আমানিল্লাহ।
জিয়াউর রহমানের গায়ের রং তো কালো।
একেবারে জেট ব্ল্যাক না হলেও কালোই বলা যায়।
কিন্তু হেলাল খান তো ফর্সা।
তো গাজী মাজহারুল আনোয়ার কোন আক্কেলে ফর্সা হেলালকে দিয়ে কালো বর্নের জিয়ার রোল করাইলো !
08/20/2024
Loved it.
জাস্ট ওয়ান্ডারিং, ইনকিলাব পত্রিকার সার্কুলেশন কি বাড়সে ইনকিলাব জিন্দাবাদ হওয়ার পর ?
সুপ্রীম কোর্টে একটা রিট করা দরকার।
ইন্ডিয়ার সাথে যত অপ্রকাশিত চুক্তি আছে বাংলাদেশের, যেগুলো গত ১৫ বছর ধরে ইঙ্কড, সবগুলো যেন জনস্বার্থে প্রকাশ করা হয়।
আবার দেখলাম মহানগর হাকিমের আদালত থেকে লোহার খাঁচা রিমুভ করা হইসে।
এতো সাধুতার কারন কি।
খোদ ডক্টর ইউনুসকে তারা লোহার খাঁচায় দাড়াতে বাধ্য করসে।
এই লোহার খাঁচা এখনো রাখতে হবে এজলাস কক্ষে।
এই লোহার খাঁচা থেকে সবাই এক্সেম্পট।
শুধুমাত্র পতিত গনশত্রু স্বৈরাচারের দোসররা এই লোহার খাঁচাতে দাঁড়াবে।
আবার রিমান্ডে নেয়া সবগুলোই নাকি কেবল হাসতেসে।
এতো হাসার কারন।
সিরিয়াসলি প্রোপোজিং, ৯৫ কেজি পে লোড রেটেড একটা হিলিয়াম বেলুন শাহবাগে রেখে আসেন।
রাত দুইটার দিকে সব শুনশান নীরব রাখতে হবে ঐ এলাকায়।
ঐ রকম জনমানবহীন পিনপতন নীরবতার পরিবেশ এবং ঐ বেলুন ছাড়া স্যার কিন্তু গর্ত থুক্কু ট্রেঞ্চ থেকে বের হবেন না।
রিস্কটা হইলো, দমকা বাতাস যদি রিরাউটিং করে বেলুনটাকে যানাথা ইন্ডিয়া পৌঁছ গায়া পাকিস্তান করে ফেলে, তখন স্যারের কি হবে ?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Address
Chicago Heights, IL
60116