Dew Drop
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dew Drop, Athens, GA.
09/21/2025
Homemade Chicken wings
Yummm….
Wings from
09/16/2025
07/14/2025
Breakfast VS Lunch VS Dinner
07/12/2025
How to say “ Went to Asian Shop” without saying it !!
OR
POV its Summer
06/20/2025
বইঃ হ্যারি পটার এন্ড দ্যা সর্সারার্স স্টোন
লেখকঃ জে কে রাওলিং
তের বছর বয়সে জন্মানো কৈশরের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তব রুপ দিতে বয়সকে পৌঁছাতে হয়েছে প্রায় ত্রিশের দোরগোড়ায়। এত বছরেও আবেগ তো কমে নি বিন্দুমাত্র বরং বয়সের সাথে পাল্লাদিয়ে বেড়েছে “হ্যারি পটার” এর প্রতি ভালোলাগা।
এ গল্প জাদুকরদের গল্প, ক্ষুদে স্পাইদের গল্প, শুদ্ধ ভালবাসা, বন্ধুত্ব, সাহসিকতা আর আত্মবিসর্জনের গল্প যার শুরু “হ্যারি পটার এন্ড দ্যা সর্সারার্স স্টোন” এর মধ্য দিয়ে। যাদুবিদ্যার কালো অধ্যায়কে পুঁজি করে অমরত্ব লাভের আশায় এক অপশক্তির নজর ‘সরসারার্স স্টোন’ এর উপর যা লাভ করলে হওয়া সম্ভব পরাক্রমশালী। কিন্তু শুভ বুদ্ধির কিছু মানুষ একটি জেনারেশনকে বাঁচাতে চায় সে অশুভ শক্তির হাত থেকে…
গল্পের নামেই স্পষ্ট - কাহিনির মেরুদন্ড “হ্যারি”। শিশু হ্যারিকে নিয়ে সাধারন চিন্তাধারার বাহিরে যেয়ে লেখক গড়ে তুলেছেন রোমাঞ্চকর গল্পের পাহাড়। সদ্য জন্মানো শিশুটি মায়ের কোলে থাকতেই পায় মৃত্যুর অভিশাপ। যাদুরাজ্যের সব থেকে বড় অপশক্তি “ভোলডেমর্ট” এর মৃত্যুশাপ থেকে হ্যারিকে বাঁচাতে আত্মাহুতি দেয় বাবা "জেমস” আর মা “লিলি”।
পিতৃ-মাতৃহীন হ্যারি অনাদর আর অবহেলায় বেড়ে ওঠে তার একমাত্র পরিজন খালাখালুর কাছে, যাদুর দুনিয়া থেকে অনেক দূরে “মাগল” হিসেবে। । আশ্রিত অবস্থায় হ্যারির বিপন্ন জীবনে একদিন দেবতার মত এসে হাজির হয় “হ্যাগ্রিড” । এগারতম জন্মদিন হয়ে ওঠে হ্যারির জীবনের সবচেয়ে আনন্দের, কেননা সেদিনই সে জানতে পারে সে জাদুবিদ্যায় পারদর্শী পিতামাতার সন্তান এবং খুব শিঘ্রই সে নিজেও তার শিক্ষা জীবন শুরু করতে যাচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাদুবিদ্যার স্কুল 'হগওয়ার্টস' এ।
এগার বছরের কারাবাস থেকে মুক্ত করে হ্যাগ্রিড হ্যারিকে নিয়ে উড়াল দেয় যাদুরাজ্যের শহরে। ডায়াগন অ্যালির ওলিতে গলিতে হ্যারি পরিচিত হয় নতুন জীবনে চলার নিত্য নতুন সব পাথেয়র সাথে । নি:স্ব হ্যারির পকেট ভর্তি হয় জাদুকরদের ব্যাংক ' গ্রিনগট' এ রেখে যাওয়া তার মা-বাবার অজস্র সম্পদে । সারাজীবন কাজিনের বুলির শিকার হ্যারি বাক্স প্যাটরা গুছিয়ে স্কুলে যাবার ট্রেনে পরিচিত হয় 'রন উইজলি' এর সাথে, যে পরবর্তি জীবনে হয়ে ওঠে প্রানের বন্ধু।
হগওয়ার্টয এর প্রতিটা গলিতে গ্রিফিন্ডোর, হাপেলপাফ, র্যাভেনক্ল আর স্লিদারিন হাউজের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিরাজমান হাউজকাপ জেতার উদ্যম পেয়ে বসে পাঠককেও। কুইডিচ মাঠের উচ্ছাস আর জাদুর লাঠির উড়াউড়ির কোলাহল শান্ত হয় শ্রেনিকক্ষগুলোতে, যখন এটার সাথে ওটা মিলিয়ে বানানো চলে বিভিন্ন পোশন আর কালো-যাদুর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার ব্যূহ তৈরির কায়দা রপ্তে। হেড মাস্টার ডাম্বলডোর এর স্নেহ- সহিষ্ণুতা,প্রফেসর ম্যাকগোন্যগল এর তীক্ষ্ণতা সুচতুরতা আর প্রফেসর স্নেইপ এর রহস্যাচরন পাঠকমনে গভীর দাগ কাটে। হ্যারি আর তার বন্ধুদের মিষ্টি প্রেমে মন যেমন গলে যায়, তেমনি অমরত্বকামী অশুভ শক্তির দেখা পেলে ভয়ে হিম হয়ে যায় হাত-পা।
যাদুর দেশ, সেখানকার উদ্ভট কর্মকান্ড, হগওয়ার্টয জুড়ে উড়ে বেড়ানো ভূতের সাথে আর নিষিদ্ধ জঙ্গলের আড়ালে পাঠক হারিয়ে যায় অচিরেই, মন্ত্র-মুগ্ধের মতন টানে প্রেক্ষাপটের তরঙ্গ। ক্লাস শুরু হবার আগেই যার সব বড় বড় বই মুখস্ত, যাদু মন্ত্রগুলো যার ঠোঁটের আগায়, সেই হারমোইনির সাথে রনের খুনশুটি আর সর্বপোরি হ্যারি, হারমোইনি আর রনোর জীবন বাজি রাখা বন্ধুত্বের বহবান ধারায় ভেসে যেতে অবশ্যই হাতে তুলে নিতে হবে “হ্যারি পটার” সিরিজের এক একটি বই- তার শুরু হোক প্রথম খন্ড দিয়েই…
রহস্য আর উত্তেজনার রসনায় নিজেকে জড়িয়ে নিতে “হ্যারি পটার” বিশ্বসাহিত্যে অদ্বিতীয়। পুরো সময় ধরে পাঠক ধরে রাখার কৌশল জে কে রাওলিং ছেড়ে দিয়েছে হ্যারির কাছে।
সাত খন্ডের বইটির প্রথম পর্ব শেষে ডাম্বলডোর এর বলা একটা কথা আমার মৃত্যু ভয়কে দূরে সরিয়ে দেয়, “যে তার মনকে সঠিকভাবে শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে পেরেছে সেই জানে মৃত্যু হল জীবনের পরেও উত্তেজনায়পুর্ণ আর একটি অভিযান”।
নুসরাত জাহান নিভা
06/20/2025
''প্রথম আলো ''
-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
রবীন্দ্রনাথের প্রেরণাদাত্রী কাদম্বরী দেবীর স্মৃতির উদ্দেশ্যে রচিত প্রথম আলো উপন্যাসের মূল রস রবি বাবুকে ঘিরে হলেও সমান্তরাল একটি চরিত্র - যদি সংজ্ঞা হিসেবে বলি, 'গল্পের শুরু থেকে শেষ অবধি যে বিস্তৃত আছে সেই গল্পের নায়ক ' - তবে সে হিসেবে ''ভরত ''এই উপন্যাসে আলাদা রসের সৃষ্টি করেছে।
গল্পের শুরুতে আপনি ঘুরে বেড়াবেন রাজা বীরচন্দ্র মানিক্যের বিশাল ত্রিপুরা রাজ্যে। সেকালের ধনী খামখেয়ালি রাজার অগনিত স্ত্রী/ রক্ষিতা থাকা সত্বেও বুকে হাহাকার করে উঠবে -যখন শুধুমাত্র মহারাজ নির্ধারিত সময় তার মানাঘর ছেড়ে রাত কাটাতে রানীর কাছে আসেন নি - এই অভিমানে চল্লিশোর্ধ পাটরাণী নিজের আত্মাহুতি দেন তখন। আর রানীর বিরহে প্রৌঢ় রাজামশাই যখন পাগলপ্রায় হয়ে রাজ্য-চিন্তা ছেড়ে প্রেমকাতর হয়ে ওঠেন, নির্মল প্রেমের হাহাকারে পাঠক ভেসে যায়। ঠিক তার কিছু পরেই তরুণ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাণ জুড়ানো 'ভগ্নহৃদয় '' এর পংক্তি পড়ে স্বাভাবিক হয়ে ওঠেন রাজামশাই।
পুরো উপন্যাসে বুঁদ হয়ে গেলে যে কেউ প্রেমে পড়ে যাবে সে সময়ের নারী হৃদয়ের স্পন্দন সৃষ্টিকারী তরূণ কবি রবির। তার সুঠাম দেহ, স্নিগ্ধ ব্যবহার, ঝরঝরে কন্ঠ, আর তার হাতের সৃষ্টিতে নারীমন বারবার প্রেমে পড়তে বাধ্য। এর আগে রবির এত কাছে কেউ গিয়েছে বলে মনে হয় না। নতুন বৌঠানের রবির কাছে 'হেকেটি ' হয়ে ওঠা , তার সাথে প্রতিটা প্রথম সৃষ্টি ভাগ করে নেয়া থেকে শুরু করে, কাদম্বরীর আত্মঘাতিনী হয়ে ওঠার পেছনের গল্পগুলোকে বাস্তবরূপে চোখের সামান্য দেখতে পাওয়া যাবে। বইটির পাতা উল্টানোর সাথে সাথে আপনি টের পাবেন আপনি হেঁটে বেড়াচ্ছেন জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়িতে কিংবা চন্দননগরের জ্যোতিরিন্দ্রের বাড়িতে রবি আর কাদম্বরীর পাশাপাশি ।
গল্পের ধারায়, রবীন্দ্রনাথ এর জীবন প্রবাহে তাঁর সময়কালের নানান উল্লেখযোগ্য ব্যক্তির দেখা মিলবে, জানা যাবে তাদের জীবনের অজানা গল্পগুলোয়, মিশে যাবেন তাদের সময়ে । বিদ্যাসাগরের বিধবা বিবাহ রধের প্রতিকূলতা, রামমোহন রায়ের সতীদাহপ্রথা আইন পাশ, নরেন্দ্র থেকে স্বামী বিবেকানন্দ হয়ে ওঠা , গান্ধীজির কথা, বিদ্যাসাগরের সাথে বঙ্কিমের ঠান্ডা যুদ্ধ, ভারতী পত্রিকার জীবনযাত্রা, বাংলা নাটকের জন্ম ইতিহাস সহ তৎকালীন ব্রিটিশ শাসিত সমাজের প্রতিটা ঘটনা নিজের চোখের সামনে ঘটতে দেখবেন বইটি হাতে নিয়ে।
নির্মম প্রনয়নের পরিচয় পাওয়া যায় দ্বারিকা নামে ভরতের বন্ধুর সাথে বসন্ত-মঞ্জরী নামে এক পতিতার প্রেমে, হৃদয় ছেঁড়া সে প্রেম অনেক উত্থান পতনের পরে অবশেষে পায় সফলতা।।
আর ভরত? রাজার ছেলে হয়েও যাকে প্রাণ নিয়ে পালাতে হয়েছিল রাজ্য ছেড়ে। সারাটা জীবন যাকে তাড়া করে ফিরেছে জন্মের প্রশ্ন, মৃত্যু ভয় আর ভূমিসুতার ভালবাসাকে গ্রহণ করতে না পারার কাপুরষতা।
নির্মমতার সম্মুখিন হতে হয় যখন ভরতকে ভালবেসে সব ছাড়তে বসা ভূমিসুতাকে একই সাথে পেতে চায় দু জন - ত্রিপুরার রাজা এবং ভরতকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা ভরতের শিক্ষক শশীভূষণ। পিতৃ-মাতৃহীন মেয়ে ভূমিসুতা গল্পের নায়িকা- যে তার সমস্ত মন- প্রাণ দিয়ে ভালবেসেছিল রাজার রক্ষিতা, কাছুয়ার ছেলে ভরতকে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম কঠিন ঢেউ এসে তার জীবনকে ছন্নছাড়া করে দিয়েছিল। ভুমিসুতা কার হবে শেষ পর্যন্ত? শশিভূষণের? নাকি রাজা জোর করে আদায়করে নেবে ভুমিসূতাকে? নাকি পাঠকের মনকে সিক্ত করে ভুমিসূতা অবশেষে ফিরে পাবে তার ভালবাসাকে? নাকি এই পৃথিবীর যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে সে বিদায় নেবে সবার কাছ থেকে.....?
পড়তে শুরু করুন বইটি...
প্রিয় কে?? ২১ বছরের রবি, রবি, রবি।।
বইটিতে হৃদয় মোচড়ানো প্রেম উপভোগ করা যাবে নানান চরিত্রের মধ্যে দিয়ে। নারীর মন আর শরীর নিয়ে অনেকগুলো প্রিয় লাইন থাকলেও এখানে উপস্থাপন করার জন্যে নরেন্দ্রের একটা উক্তিই বলতে চাই-
'' এ জীবন ত রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া একটা জিনিস নয়, দুর্লভ এই মানবজন্ম, এর সার্থকতার পথ অন্বেষণ করা, চিত্তবৃত্তি বিকাশের জন্য যত্নবান না হয়ে গড্ডালিকা স্রোতে গা ভাসিয়ে দিলে পশুর সঙ্গে তফাত রইল কি! ''
Nushrat Niva
10/03/2022
আমাদের প্রথম রিকশা চড়া।
ছেলেটা আমাকেই বিয়ে করতে এসছে, আমার সাথেই রিকশায় বসছে , তবু হাত টা ধরতে তার মন চায় নাই একবার। 🤒🤒😒
A beautiful morning Sun
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
30601, 30602, 30603, 30604, 30605, 30606, 30607, 30608, 30609, 30612