Ariba's Vlog

Ariba's Vlog

Share

মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।

04/06/2026

আয়াতটির বাংলা অনুবাদ:

"হে ঈমানদারগণ! তোমরা রুকু করো, সিজদা করো, তোমাদের রবের ইবাদত করো এবং সৎকাজ করো, যাতে তোমরা সফল হতে পারো।"

— Al-Quran (সূরা হজ্জ, আয়াত ৭৭)

আরবি:

> يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ارْكَعُوا وَاسْجُدُوا وَاعْبُدُوا رَبَّكُمْ وَافْعَلُوا الْخَيْرَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

উচ্চারণ:

> ইয়া আইয়ুহাল্লাযীনা আমানুরকা'উ ওয়াসজুদু ওয়াবুদু রাব্বাকুম ওয়াফ'আলুল খাইরা লা'আল্লাকুম তুফলিহূন।

03/06/2026

Fish

01/06/2026

ভাই-বোনের সম্পর্ক পৃথিবীর অন্যতম মধুর এবং দীর্ঘস্থায়ী একটি বন্ধন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন কারণে এই সুন্দর সম্পর্কেও ফাটল ধরতে পারে বা দূরত্ব তৈরি হতে পারে। ভাই-বোনের সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার পেছনে সাধারণত যে কারণগুলো সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে।

১. মা-বাবার বৈষম্যমূলক আচরণ (Parental Favoritism)
পারিবারিক গবেষণায় দেখা গেছে, এটি সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার অন্যতম বড় কারণ। শৈশবে বা বড় হওয়ার পরও যদি মা-বাবা কোনো এক সন্তানকে বেশি ভালোবাসেন, অন্যজনের তুলনায় বেশি সুযোগ-সুবিধা দেন বা সবসময় একজনের প্রশংসা ও অন্যজনকে ছোট করেন, তবে ভাই-বোনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হিংসার জন্ম নেয়। এই ক্ষোভ বড় বয়সেও তাদের সম্পর্ককে তিক্ত করে তোলে।

২. সম্পত্তি এবং পারিবারিক উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধ
প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর ভাই-বোনের সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো পৈত্রিক সম্পত্তি, টাকা-পয়সা বা জমিজমা ভাগাভাগি। অনেক সময় দেখা যায়, ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হওয়া বা সম্পত্তি নিয়ে আইনি লড়াইয়ের কারণে আজীবনের জন্য ভাই-বোনের সুসম্পর্ক শেষ হয়ে যায়।

৩. শৈশবের রেষারেষি বা তুলনা (Sibling Rivalry)
ছোটবেলা থেকেই যদি ভাই-বোনের মধ্যে পড়ালেখা, রূপ বা সাফল্য নিয়ে প্রতিনিয়ত তুলনা করা হয়, তবে তাদের মধ্যে এক ধরনের অদৃশ্য প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। বড় হয়েও যখন একজন অন্যজনের চেয়ে বেশি সফল বা অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল হয়, তখন অহংকার অথবা হিংসাবোধ থেকে দূরত্ব তৈরি হতে পারে।

৪. জীবনসঙ্গীর প্রভাব (Spouse's Influence)
বিয়ের পর ভাই-বোনের জীবনে নতুন মানুষের আগমন ঘটে। অনেক সময় দেখা যায়, জীবনসঙ্গীর নেতিবাচক মনোভাব, পরনিন্দা বা পারিবারিক উস্কানির কারণে ভাই-বোনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। নিজের নতুন পরিবারকে সামলাতে গিয়ে অনেকেই নিজের ভাই বা বোনকে পর ভাবতে শুরু করেন।

৫. যোগাযোগের অভাব ও অহংকার
কর্মব্যস্ততা বা ভিন্ন শহরে/দেশে থাকার কারণে যদি দীর্ঘদিন যোগাযোগ না থাকে, তবে সম্পর্কের উষ্ণতা কমে যায়। এছাড়া কোনো কারণে ভুল বোঝাবুঝি হলে "ও আগে কেন কথা বলবে না" বা "আমি কেন ছোট হব"—এমন অহংকার বা ইগোর (Ego) কারণেও ছোট সমস্যা অনেক বড় রূপ নেয়।

৬. পারিবারিক দায়িত্ব পালনে অসমতা
বৃদ্ধ মা-বাবার দেখাশোনা করা, অসুস্থতায় পাশে থাকা বা পারিবারিক বিভিন্ন খরচের দায়িত্ব যখন শুধু একজন ভাই বা বোনের ওপর পড়ে এবং অন্যরা তা এড়িয়ে যায়, তখন দায়িত্ব পালনকারীর মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই দায়িত্বহীনতা সম্পর্ক ভাঙার অন্যতম কারণ।

পরামর্শ: ভাই-বোনের সম্পর্ক রক্তে গড়া। মাঝেমধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হওয়া স্বাভাবিক, তবে অহংকার বা বাইরের মানুষের কথায় কান না দিয়ে নিজেদের মধ্যে সরাসরি কথা বলে সমস্যা মিটিয়ে ফেলা উচিত। একটু ছাড় দেওয়ার মানসিকতাই পারে এই পবিত্র বন্ধনটিকে আজীবন টিকিয়ে রাখতে।

#shorts Sura fateha 29/05/2026

#shorts Sura fateha Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.

জুতার ভিতর পারপিউম 29/05/2026

জুতার ভিতর পারপিউম Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.

26/05/2026

আমার ছবি আঁকা একদম রেডি

26/05/2026

জিহ্বা সংযম ও কথা বলার আদব শেখায় এমন কুরআনের ১০টি আয়াত

---

১. মানুষের সাথে সুন্দর কথা বলা আল্লাহর নির্দেশ।

সূরা: আল-ইসরা | আয়াত: ৫৩

আরবি:
وَقُل لِّعِبَادِي يَقُولُوا الَّتِي هِيَ أَحْسَنُ إِنَّ الشَّيْطَانَ يَنزَغُ بَيْنَهُمْ.

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া কুল লি ইবাদী ইয়াকুলুল্লাতি হিয়া আহসান। ইন্নাশ শাইত্বানা ইয়ানযাগু বাইনাহুম।

বাংলা অর্থ:
আর আমার বান্দাদেরকে বলে দাও, তারা যেন এমন কথা বলে যা সবচেয়ে সুন্দর। নিশ্চয়ই শয়তান তাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে।

অনুপ্রেরণা:
সুন্দর কথা বললে শয়তান সুযোগ পায় না ঝগড়া বাধাতে। কথা বলার আগে ভাবো, এই কথা কি সবচেয়ে ভালো? নাকি আরও সুন্দর করে বলা যায়? উত্তম কথাই শান্তি আনে।

---

২. সত্য ও সঠিক কথা বলো।

সূরা: আল-আহযাব | আয়াত: ৭০

আরবি:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا.

বাংলা উচ্চারণ:
ইয়া আইয়্যুহাল্লাযীনা আমানুত্তাকুল্লাহা ওয়া কু-লু ক্বাওলান সাদীদা।

বাংলা অর্থ:
হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো।

অনুপ্রেরণা:
সত্য কথা বলা তাকওয়ার অংশ। যে আল্লাহকে ভয় করে, সে মিথ্যা বলতে পারে না। সঠিক কথা বলার সাহস রাখো, এতেই তোমার চরিত্রের শক্তি।

---

৩. সালামের উত্তর আরও সুন্দর করে দাও।

সূরা: আন-নিসা | আয়াত: ৮৬

আরবি:
وَإِذَا حُيِّيتُم بِتَحِيَّةٍ فَحَيُّوا بِأَحْسَنَ مِنْهَا أَوْ رُدُّوهَا.

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া ইযা হুইয়্যীতুম বিতাহিয়্যাতিন ফাহাইয়্যূ বিআহসানা মিনহা আও রুদ্দূহা।

বাংলা অর্থ:
আর যখন তোমাদেরকে সালাম দেওয়া হয়, তখন তোমরা তার চেয়ে উত্তম জবাব দাও অথবা অনুরূপ জবাব দাও।

অনুপ্রেরণা:
কেউ সালাম দিলে আরও সুন্দর করে উত্তর দাও। ছোট্ট একটা সালামও ভালোবাসা বাড়ায়। কথার আদব দিয়েই সম্পর্ক মধুর হয়।

---

৪. আওয়াজ নিচু রাখো কারণ উঁচু আওয়াজ বিরক্তিকর।

সূরা: লুকমান | আয়াত: ১৯

আরবি:
وَاقْصِدْ فِي مَشْيِكَ وَاغْضُضْ مِن صَوْتِكَ إِنَّ أَنكَرَ الْأَصْوَاتِ لَصَوْتُ الْحَمِيرِ.

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়াক্বসিদ ফী মাশয়িকা ওয়াগদুদ্ব মিন সাওতিক। ইন্না আনকারাল আসওয়াতি লাসাওতুল হামীর।

বাংলা অর্থ:
তোমার চলাফেরায় মধ্যপন্থা অবলম্বন করো এবং তোমার আওয়াজ নিচু রাখো। নিশ্চয়ই সবচেয়ে নিকৃষ্ট আওয়াজ হলো গাধার আওয়াজ।

অনুপ্রেরণা:
জোরে চিৎকার করে কথা বলা অসভ্যতা। নরম স্বরে কথা বললে মানুষ মনোযোগ দিয়ে শোনে। উঁচু আওয়াজ মানুষকে বিরক্ত করে, নিচু আওয়াজ মন জয় করে।

---

৫. নবীর সামনে আওয়াজ উঁচু করো না।

সূরা: আল-হুজুরাত | আয়াত: ২

আরবি:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ وَلَا تَجْهَرُوا لَهُ بِالْقَوْلِ كَجَهْرِ بَعْضِكُمْ لِبَعْضٍ.

বাংলা উচ্চারণ:
ইয়া আইয়্যুহাল্লাযীনা আমানূ লা তারফাঊ আসওয়াতাকুম ফাওক্বা সাওতিন নাবিয়্যি ওয়ালা তাজহারূ লাহু বিল ক্বাওলি কাজাহরি বা'দ্বিকুম লিবা'দ্ব।

বাংলা অর্থ:
হে ঈমানদারগণ! তোমরা নবীর আওয়াজের উপর তোমাদের আওয়াজ উঁচু করো না এবং তোমরা নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চস্বরে কথা বলো তাঁর সাথে সেভাবে উচ্চস্বরে কথা বলো না।

অনুপ্রেরণা:
সম্মানিত মানুষের সামনে আওয়াজ নিচু রাখা আদবের অংশ। বড়দের সাথে কথা বলার সময় কণ্ঠস্বর নরম রাখো। এটাই ভদ্রতা ও মর্যাদার পরিচয়।

---

৬. রহমানের বান্দারা নম্রভাবে কথা বলে।

সূরা: আল-ফুরকান | আয়াত: ৬৩

আরবি:
وَعِبَادُ الرَّحْمَٰنِ الَّذِينَ يَمْشُونَ عَلَى الْأَرْضِ هَوْنًا وَإِذَا خَاطَبَهُمُ الْجَاهِلُونَ قَالُوا سَلَامًا.

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া ইবাদুর রহমানিল্লাযীনা ইয়ামশূনা আ'লাল আরদ্বি হাওনাও ওয়া ইযা খাত্বাবাহুমুল জাহিলূনা ক্বালূ সালামা।

বাংলা অর্থ:
আর রহমানের বান্দারা যমিনে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং যখন মূর্খরা তাদের সাথে কথা বলে তখন তারা বলে সালাম।

অনুপ্রেরণা:
কেউ খারাপ কথা বললেও তুমি ভালো কথা বলো। ঝগড়ায় জড়িও না। সালাম বলে সরে পড়ো। এটাই আল্লাহর প্রিয় বান্দার পরিচয়।

---

৭. যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই সে বিষয়ে কথা বলো না।

সূরা: আল-ইসরা | আয়াত: ৩৬

আরবি:
وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَٰئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا.

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়ালা তাক্বফু মা লাইসা লাকা বিহি ইলম। ইন্নাস সাম'আ ওয়াল বাসারা ওয়াল ফুআদা কুল্লু উলায়িকা কানা আ'নহু মাসঊলা।

বাংলা অর্থ:
আর যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই তার অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই কান, চোখ ও হৃদয় এদের প্রত্যেকটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

অনুপ্রেরণা:
না জেনে কথা বলা বিপদজনক। যে বিষয়ে তুমি নিশ্চিত নও, সে বিষয়ে চুপ থাকো। কারণ কিয়ামতে তোমার কান, চোখ, হৃদয় সবকিছুর হিসাব দিতে হবে।

---

৮. প্রতিটি কথাই রেকর্ড হচ্ছে। সুতরাং কথা বলার ক্ষেত্রে আরো সাবধান হও।

সূরা: ক্বাফ | আয়াত: ১৮

আরবি:
مَّا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ.

বাংলা উচ্চারণ:
মা ইয়ালফিযু মিন ক্বাওলিন ইল্লা লাদাইহি রাক্বীবুন আ'তীদ।

বাংলা অর্থ:
মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে, তার কাছেই রয়েছে একজন সদা তৎপর প্রহরী।

অনুপ্রেরণা:
তোমার প্রতিটি কথা লেখা হচ্ছে। ফেরেশতারা রেকর্ড করছে। এমন কোনো কথা বলো না যা কিয়ামতের দিন লজ্জার কারণ হবে। কথা বলার আগে চিন্তা করো।

---

৯. অনর্থক কথা থেকে বিরত থাকা মুমিনের গুণ।

সূরা: আল-মুমিনুন | আয়াত: ৩

আরবি:
وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ.

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়াল্লাযীনা হুম আ'নিল লাগভি মু'রিদুন।

বাংলা অর্থ:
এবং যারা অনর্থক কথাবার্তা থেকে বিরত থাকে।

অনুপ্রেরণা:
মুমিনরা বাজে কথায় সময় নষ্ট করে না। অর্থহীন আলাপ, গীবত, পরচর্চা সব ত্যাগ করো। দরকারি কথা বলো, বাকিটা নীরবতায় কাটাও।

---

১০. একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না।

সূরা: আল-হুজুরাত | আয়াত: ১১

আরবি:
وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ بِئْسَ الِاسْمُ الْفُسُوقُ بَعْدَ الْإِيمَانِ.

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়ালা তানাবাযূ বিল আলক্বাব। বি'সা লিসমুল ফুসূকু বা'দাল ঈমান।

বাংলা অর্থ:
আর তোমরা একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। ঈমান আনার পর মন্দ নাম কতই না নিকৃষ্ট।

অনুপ্রেরণা:
কাউকে খারাপ ডাকনাম দিয়ে ডেকো না। ঠাট্টা করে বিদ্রূপাত্মক নামে ডাকা পাপ। সবাইকে সম্মান করে নাম ধরে ডাকো। এটাই ঈমানদারের আদব।

---

আল্লাহ আমাদের সবাইকে জিহ্বা সংযম করার এবং উত্তম কথা বলার তাওফিক দান করুন।

26/05/2026

অনেক দিন পর ছবি আঁকতে বসলাম

25/05/2026

আগামীকাল আরাফার দিন।
যাহারা আরাফার সিয়াম (রোযা) থাকতে চান।
আজ রাতেই সাহরী খাবেন, ইন শা আল্লাহ।

25/05/2026

আগামীকাল **আরাফার দিন (৯ জিলহজ)**, যা গোটা ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং মর্যাদাপূর্ণ দিন। হাজিগণ এই দিনে আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করেন, যা হজের প্রধান রোকন।
হজযাত্রী ছাড়া বাকি সাধারণ মুসলমানদের জন্য এই দিনের ফজিলত ও আমল অপরিসীম। নিচে এর বিশেষ ফজিলতগুলো তুলে ধরা হলো:
# # # ১. দুই বছরের গুনাহ মাফ (সবচেয়ে বড় পুরস্কার)
রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন:
> *"আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, এটি তার পূর্ববর্তী এক বছর এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা (ক্ষমা) হিসেবে গণ্য হবে।"* (সহীহ মুসলিম)
>
# # # ২. জাহান্নাম থেকে মুক্তির দিন
আরাফার দিনে আল্লাহ তাআলা যত বেশি মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন, বছরের আর কোনো দিন এত বেশি মানুষকে মুক্তি দেন না। হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
> *"আরাফার দিনের চেয়ে অন্য কোনো দিন আল্লাহ তাআলা এত বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন না।"* (সহীহ মুসলিম)
>
# # # ৩. দোয়া কবুলের শ্রেষ্ঠ দিন
আরাফার দিন দোয়া করার জন্য বছরের সবচেয়ে উত্তম দিন। এই দিনের দোয়া আল্লাহর দরবারে দ্রুত কবুল হয়। নবী করীম (সা.) বলেছেন:
> *"শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো আরাফা দিবসের দোয়া।"* (সুনানে তিরমিজি)
>
# # # ৪. আল্লাহর গর্ব ও রহমত অবতরণ
আরাফার দিন আল্লাহ তাআলা প্রথম আসমানে নেমে আসেন (তার শান অনুযায়ী) এবং আরাফাতের ময়দানে সমবেত বান্দাদের নিয়ে ফেরেশতাদের সামনে গর্ব করে বলেন, *"দেখো, আমার বান্দারা দূর-দূরান্ত থেকে ধুলোবালি মাখা শরীরে আমার রহমতের আশায় ছুটে এসেছে।"*
# # # ৫. দ্বীন ও নেয়ামত পরিপূর্ণতার দিন
এই মোবারক দিনেই আল্লাহ তাআলা ইসলাম ধর্মকে পরিপূর্ণ করার ঘোষণা দিয়ে কুরআনের বিখ্যাত আয়াতটি নাজিল করেছিলেন: *"আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম এবং তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম..."* (সূরা মায়িদাহ, আয়াত: ৩)।
# # # আপনার জন্য বিশেষ কিছু আমল:
* **রোজা রাখা:** আগামীকাল (৯ জিলহজ) অবশ্যই রোজা রাখার চেষ্টা করুন।
* **বেশি বেশি ইস্তিগফার ও দোয়া:** নিজের, মা-বাবা এবং পুরো উম্মাহর জন্য ক্ষমা ও কল্যাণের দোয়া করুন।
* **একটি বিশেষ জিকির:** নবীজি (সা.) আরাফার দিনে এই জিকিরটি বেশি পড়তেন:
> **لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ**
> *(লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর)*
>
* **তাকবীরে তাশরীক:** ৯ জিলহজ ফজর নামাজ থেকে শুরু করে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একবার পুরুষদের উচ্চস্বরে এবং নারীদের মনে মনে তাকবীরে তাশরীক (*আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ*) বলা ওয়াজিব।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই মহিমান্বিত দিনের বরকত ও ফজিলত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Want your business to be the top-listed Media Company in Riyadh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Riyadh