MHT
Welcome to my page.
পরকীয়াকে আমরা সমাজে সবসময়ই ঘৃণার চোখে দেখি। বলি অন্যায়, পাপ, চরিত্রহীনতা।
কিন্তু সত্যিই কি তাই? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে থাকে কিছু অপ্রকাশিত কান্না, অগোচরে জমে ওঠা একাকীত্ব?
একটা মেয়ে যখন ভালোবাসার স্বপ্নে ভর করে বিয়ে করে বা সম্পর্কে জড়ায়, তখন তার প্রত্যাশা খুব বড় কিছু নয়। সে চায় একটু সময়, সামান্য যত্ন, আর সঙ্গীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার অনুভূতি। অথচ বেশিরভাগ সময়েই দেখা যায় বাস্তব ছবিটা একেবারেই উল্টো।
প্রথম প্রথম সবকিছুই যেন সুন্দর। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কথোপকথন, ছোটখাটো চমক, মনখারাপ হলে সান্ত্বনা। কিন্তু সময় যত এগোয়, সম্পর্ক যেন ধীরে ধীরে ঝাপসা হতে থাকে। ছেলেটির ব্যস্ততা বাড়তে থাকে, অফিসের কাজের চাপ, বন্ধুদের আড্ডা, মোবাইলে ডুবে থাকা-সব মিলিয়ে সম্পর্কের জায়গাটা সরে যায় প্রান্তে।
মেয়েটি তখন এক ছাদের নিচেই থাকে, অথচ মনে হয় দুটো আলাদা পৃথিবীতে বসবাস করছে তারা।
সেদিনের সেই অন্তহীন কথোপকথন এখন সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে "খেয়েছ?" বা "ঘুমাচ্ছ?"-এর মতো যান্ত্রিক প্রশ্নে। কখনো কখনো তো সেইটুকুও আর থাকে না।
বলা হয়, সময় না থাকার চেয়ে ইচ্ছা না থাকার কারণেই মানুষ দূরে সরে যায়।
অফিসের ব্যস্ততা, মিটিং, কাজের চাপ-এসবের অজুহাতে একজন মানুষ তার প্রিয়জনের জন্য দুই মিনিটও বের করতে পারে না। অথচ সেই একই মানুষ অফিসের টয়লেটে বসেও সোশ্যাল মিডিয়া ঘাটতে পারে, বন্ধুদের গ্রুপে মিম শেয়ার করতে পারে। তবে সঙ্গীর একটি ম্যাসেজের রিপ্লাই দেওয়া কি সত্যিই এত কঠিন?
মেয়েটি যখন প্রতিদিন অপেক্ষা করে, ঘড়ির কাঁটার দিকে তাকিয়ে থাকে, আশা করে তার সঙ্গী হয়তো আজ একটু তাড়াতাড়ি ফিরবে, তাকে জড়িয়ে ধরে বলবে—“তুমি আছো বলেই আমি বেঁচে আছি"-তখন সেই আশা ভেঙে যায়। কারণ ছেলেটির ফেরাটা কেবল ক্লান্ত শরীর আর ফোনের আলোয় ডুবে থাকা এক চুপচাপ মানুষ হয়ে যায়।
একটা কথা মনে রাখতে হবে-মেয়েরা প্রতিদিনের উপহার বা ব্যয়বহুল সারপ্রাইজ চায় না। তারা চায়, সঙ্গী যেন তাদের প্রতি দায়িত্ববান হয়, সময় দেয়, মন দিয়ে শোনে। রোজ ঘরে ফেরার সময় একটা হাসিই তো সবচেয়ে বড় উপহার।
কিন্তু যখন সেই প্রাপ্তি মেলে না, যখন প্রতিদিনের একাকীত্ব বুকের ভেতর জমে পাথর হয়ে যায়, তখনই কোনো এক মানুষ অজান্তেই হয়ে ওঠে ভরসার জায়গা। সেই মানুষ হয়তো ফোনে খোঁজ নেয়, মনখারাপের সময়ে সান্ত্বনা দেয়, সময় দেয়। মেয়েটি তখন বোঝে-সে আর একা নয়। এখানেই শুরু হয় সেই সম্পর্ক, যেটাকে আমরা সমাজের চোখে বলি "পরকীয়া।"
কিন্তু ভাবুন তো, আসল অন্যায়টা কোথায়? মেয়েটি কি দোষী, যে নিজের একাকীত্ব থেকে মুক্তি খুঁজতে ভালোবাসার একটু ছায়া খুঁজেছে? নাকি দোষ সেই পুরুষের, যে প্রতিদিনের দায়িত্বের আড়ালে তার ভালোবাসার মানুষটিকে উপেক্ষা করেছে?
সত্যিটা হলো, পরকীয়া কোনো হঠাৎ ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নয়। এটা আসলে সেই অপ্রাপ্তির আর্তনাদ, সেই শূন্যতার আর্তনাদ, যেটা মানুষ চেপে রাখতে রাখতে একদিন আর পারে না।
সমাজ যতই আঙুল তুলুক, আমরা যদি সম্পর্কের ভিতটা শক্ত করে না গড়ি, ভালোবাসাকে প্রতিদিন যত্নে না রাখি, তবে এই গল্পের শেষ একই হয়-মেয়েটি খারাপ হয়ে যায়.. কেবল ছেলেটির চোখে নয়, গোটা সমাজের চোখে। অথচ আসল দোষীকে খোঁজার চেষ্টা করে না কেউ।
পরকীয়া শুধু সম্পর্ক ভাঙার গল্প নয়, এটা আসলে এক সম্পর্কের ভেতর ভালোবাসার মৃত্যু আর অন্য কোথাও বেঁচে থাকার আকুতি।
25/08/2025
- আমারেও বরং রেখে দিও,
ঠিকঠাক যতন করে রাখার মতোন, যেমনি করে তোমার বুকের হৃৎ'পিণ্ড আগলে রাখো!✨🖤🫀
তোমার মনে এমন ভাবে আমার নামে মামলা করো,
যেন সুপ্রিম কোর্টেও আপিল করে জামিন না হয়।
আমার ভালবাসার প্রমাণ হোক চার্জশিট,
আদালতের রায়ে লিখুক,আমি আজীবন তোমার কারাবন্দী।
বিচারকের হাতুড়ি পড়ুক বারবার,
আর প্রতিবার শুধু ঘোষিত হোক,
অপরাধ একটাই,অতিরিক্ত ভালবাসা।
আমার বুক হোক তোমার সেল নম্বর,
আমার শ্বাস হোক লোহার শিক,
যা ভাঙতে পারবে না কোন ক্ষমা, কোন মুচলেকা।
আমি চাই সাজা হোক যাবজ্জীবন,
তোমার চোখের ভেতর বন্দী থাকি মৃ|ত্যু|র আগ পর্যন্ত।
বলতো,তুমি কি এমন আদালত গড়বে আমার জন্য,
যেখানে বিচার মানেই তোমার প্রেমে আটকানো?
আমি চাই,
তোমার প্রেমের আদালতে আমার শেষ রায় হোক,
কোনো মুক্তি নয়, কোনো আপিল নয়,
বরং চিরন্তন বন্দিত্ব তোমার হৃদয়ের গভীরতম অন্ধকূপে।
যেকোনো সম্পর্কে যদি তৃতীয় ব্যক্তি প্রবেশ করে, তখন সেই সম্পর্কের ভেতর ভাঙন ধরতে শুরু করে। প্রথমে সে মিষ্টি কথা ও ভুয়া ভালোবাসা দেখিয়ে জায়গা করে নেয়। কিন্তু ধীরে ধীরে আসল উদ্দেশ্য প্রকাশ পায়—একজনকে অন্যজন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া। যার ফলে সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি, অবিশ্বাস ও কষ্ট জন্ম নেয়। শেষ পর্যন্ত হয়তো সম্পর্ক ভেঙে যায় কিংবা একজনকে প্রচণ্ড কষ্ট সহ্য করতে হয়। তৃতীয় ব্যক্তির উদ্দেশ্য কখনোই সম্পর্ককে সুন্দর করা নয়, বরং তা নষ্ট করে নিজের স্বার্থসিদ্ধি করা। তাই সম্পর্কের ভেতর বিশ্বাস আর একে অপরের পাশে থাকা সবচেয়ে জরুরি।
দিন যায় রাত আসে,
কই তুমি গেলে এখন ও কেউ আসলো না?
সময় পেলে একটু ভেবো,
আমার ভালোবাসা কেমন ছিল!
তোমায় দেখেই হৃদয়টা সিনেমার মতো বাজতে শুরু করলো !
রিলেশন টিকানোর জন্য বিয়ের আগেই সেক্স করা উচিত?
একটা সম্পর্ক কত বছর টিকলে সেটাকে “সিরিয়াস” বলা যায়? পাঁচ বছর? দশ বছর? নাকি শারীরিক সম্পর্ক হলেই সেটা গভীর হয়ে যায়?
রিলেশন হওয়ার পর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কের আবেগ বাড়ে, আবেগ থেকে চাহিদা আসে, চাহিদা মেটাতে গিয়ে শরীরের সীমা ভাঙে।
এখন প্রশ্ন হলো—বিয়ের আগেই যদি শরীর দেওয়া-নেওয়া হয়ে যায়, তাহলে বিয়েটা কতটা জরুরি থাকে?
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক—এটা কি সত্যিই রিলেশন টিকিয়ে রাখে?
একবার এক মেয়ে জানালো, সে পাঁচ বছর ধরে সম্পর্কে আছে। ছেলেটিকে সে ভালোবাসে, ছেলেটিও তাকে ভালোবাসে (মেয়েটার তাই ধারণা)। শারিরীক সম্পর্ক হয়েছে বেশ কয়েকবার।
এখন পরিবার থেকে বিয়ের চাপ আসছে, কিন্তু ছেলেটা বিয়ে নিয়ে সিরিয়াস না। মেয়েটি যখনই বিয়ের প্রসঙ্গ তোলে, ছেলেটি বলে—
- সময় লাগবে
- সিচুয়েশন ভালো না
- ক্যারিয়ার সেট হোক, তারপর
মেয়েটি এতদিন ভাবছে, সম্পর্ক গভীর বলেই তো তারা একসঙ্গে রাত কাটিয়েছে, মাসে কয়েকবার অন্তরঙ্গ হয়েছে।
মেয়েটির ধারণা, তারা স্বামী-স্ত্রীর মতোই, শুধু কাগজের সিলমোহরটা বাকি।
কিন্তু ছেলেটি কি আসলেই সেভাবে ভাবে?
মোটেই না।
কারণ?
১. যা বিনামূল্যে পাওয়া যায়, তার দাম থাকে না
যে কোনো কিছু সহজলভ্য হলে, তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমে যায়।
একটা ছেলে জানে, বিয়ে ছাড়াই সে তার শারীরিক চাহিদা পূরণ করতে পারছে। তাহলে সে কেন বিয়ে করে দায়িত্ব নেবে?
২. শারীরিক সম্পর্ক সহজলভ্য হলে, কমিটমেন্ট কঠিন হয়ে যায়
যখন কোনো কিছু পেতে কষ্ট করতে হয়, তখন সেটার কদর বাড়ে।
কিন্তু যদি কাউকে সহজে পাওয়া যায়, তাহলে তাকে পাওয়ার জন্য লড়াই করার দরকার পড়ে না।
৩.বিয়ে মানেই দায়িত্ব, আর দায়িত্ব নিতে সবাই চায় না
প্রেম মানে আনন্দ, ঘোরাঘুরি, কফিশপে সময় কাটানো। কিন্তু বিয়ে মানে সংসার, দায়িত্ব, পরিবার।
ছেলেটা জানে, বিয়ে মানেই—
• অর্থনৈতিক চাপ
• পারিবারিক দায়বদ্ধতা
• সামাজিক দায়িত্ব
সে যদি এগুলোর জন্য প্রস্তুত না থাকে, তাহলে সম্পর্ক চালিয়ে যাবে, কিন্তু বিয়ের কথা এড়িয়ে যাবে।
তাহলে করণীয় কী?
- সেক্স করাকে সম্পর্কের গভীরতার মাপকাঠি ভাববেন না।
- যদি দেখেন ছেলেটি বিয়ে নিয়ে সিরিয়াস না, তবে সম্পর্ক থেকে দ্রুত সরে আসার ট্রাই করুন।
- দূরত্ব তৈরি করুন, তার প্রতিক্রিয়া দেখুন।
- যদি সে সত্যিই আপনাকে চায়, তাহলে আপনাকে হারানোর ভয় কাজ করবে এবং সে কমিটমেন্টের দিকে এগোবে।
- যদি সে দূরে সরে যায়, বুঝবেন—সে আপনাকে কখনোই বিয়ে করার পরিকল্পনায় ছিল না।
একটা কথা মনে রাখবেন…
রিলেশন মানেই শরীর না, আর শরীর মানেই ভালোবাসা না।
দুনিয়ার হিসাব-নিকাশ খুবই জটিল।
আপনি কাউকে মাগনা কিছু দিতে থাকলে সে আপনাকে টেকেন ফর গ্র্যান্টেড ধরে নেবে। আপনাকে ভাববে মাগনা মাল।
সুতরাং, সময় থাকতে সিদ্ধান্ত নিন—
আপনি কি মাগনা মাল হতে চান, নাকি হাই ভ্যালুর মানুষ হতে চান?
MHT পেজের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।