Asif Reza
Hello Viewers WelCome To Asif Reza Public Entertainment & Personal Blog Page
রাত পোহালেই ভোট তাই-
ভোট দেবার আগে নিজেকে এই ৩টি প্রশ্ন করুন।
#দুর্নীতিবাজ_চাঁদাবাজদের__না_বলুন
#গনভোটে_হ্যা_বলুন
゚viralシalシ #
10/04/2025
বাংলাদেশ ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক হয়তো অবশেষে খারাপের দিকেই যাচ্ছে ।
ভারতীয় ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে এতদিন নেপাল, ভুটান, মায়ানমারে পণ্য রফতানি করতো বাংলাদেশ।
ভারতের ভূখন্ড ব্যবহার করে পণ্য রফতানির চুক্তি হয়েছিলো ২০২০ সালের ২৯ জুন ।
কিন্তু— এবার ঘোষণা দিয়ে সেই রাস্তা বন্ধ করে দিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার ।
অর্থাৎ এখন আর শুল্কবিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে ভারতের বন্দর, বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবে না বাংলাদেশ । সীমান্ত পেরিয়ে কন্টেনার, বন্ধ ট্রাক আর প্রবেশ করতে পারবে না। ( তথ্যসূত্র- ১)
এরকমটা হুট করে কেনো করলো নরেন্দ্র মোদি?
যদিও এটা আমাদের জন্য শুধু কাগজে কলমে দেয়া
ছিলো বাস্তবে তেমন দেখা যায় নাই
তাই এটা নিয়ে আমাদের আফসোস করার কিছু নেই
ইউনুস সরকারের চীন সফর নিয়ে ভারত যথেষ্ট অসন্তুষ্ট ছিলো ।
কেনো?
বিশ্লেষকরা বলতেছে — এতে ভারত নির্ভরতা কমতেছে, তাই ।
বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ মানুষ ভারতে চিকিৎসা নিতে যায় । কিন্তু হাসিনা সরকার পতনের পর - মোদি চাইছিলো সে চিকিৎসা বন্ধ করে বাংলাদেশকে কিছুটা চাপে রাখতে ।
ভারতের ভিসা ইতোমধ্যে পাওয়া যাচ্ছে না ।
ইউনুস সাহেব বিকল্প খুঁজে নিলেন চীনকে ।
চীনের কুনমিং এ বাংলাদেশের জন্য চারটি হাসপাতাল বরাদ্দ করা হয়েছে ।
চীনের উদ্যোগে ঢাকায় কিছু হাসপাতাল গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে রোবটিক ফিজিও থেরাপির, কার্ডিভাস্কুলার , ভেহিকল সাপ্লাই দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ।
( তথ্যসূত্র- ২)
মোদিজি এসব সহ্য করলেন । কিন্তু সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেলো ইউনুস সরকার যখন বিবৃতি দিয়ে বসলেন —
"সেভেন সিস্টার ল্যান্ডলক - আর আমরা সেভেন সিস্টারের অভিভাবক। "
এই বিবৃতি ভারতে তুমুল আলোচনার ঝড় তুলে রীতিমত ।
এরই প্রেক্ষ্মিতে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চাপ দিয়ে ভারতীয় ভূখন্ড বন্ধ করে দেয় আজ ।
এর বিপরীত পরিস্থিতি কি হতে পারে?
বাংলাদেশ মংলা সমু্দ্র বন্দর বন্ধ করে দিবে ভারতের জন্য?
এরকমটা হতে পারে ভেবেই , ভারত কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দর ও মংলা আগের থেকেই দাবি করতেছে ।
কিছুদিন আগেই ভারতীয়রা হাঁক দিচ্ছিলো , আমরা চট্টগ্রাম আমাদের মানচিত্রে যোগ করবো । আর চট্টগ্রাম বাসী আওয়াজ দিচ্ছিলো —
" আমরা ভারতের সব গরু দিয়ে মেজবান খাবো। "
এই সপ্তাহে ত্রিপুরার মহাপাত্র প্রদ্যোৎ মানিক্য আবার হুঁশিয়ারি দিলেন -
"উই উইল ডু ইট, এট এনি কস্ট। ১৯৪৭ এ আমাদের চট্টগ্রাম হাতছাড়া করা উচিত হয় নি ।
এই ভুল আমাদের ভোগাচ্ছে । "
কথা হলো , তারা মংলা কেনো চায়? চট্টগ্রাম বন্দর কেনো চায়?
সৌজন্যে:- [ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত]
08/04/2025
আজকের দিনে দাঁড়িয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেন—মুসলিম দেশগুলোর হাতে বিপুল অস্ত্রশক্তি, বিপুল সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তারা নির্যাতিত মুসলিমদের জন্য কিছু করে না কেন? কেন তারা শুধু নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে? এর উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হবে মাত্র একশো বছর আগের ইতিহাসে। দেখতে হবে, মুসলিম উম্মাহ কিভাবে সেদিন বিশ্বকে নেতৃত্ব দিত এবং কীভাবে এক গভীর ষড়যন্ত্রের জালে আটকে পড়েছে আজ।
একসময় বিশ্ব শাসন করত মুসলিমরা—উসমানী খিলাফতের ছায়ায়, সেলজুক সালতানাতের দাপটে, সালাউদ্দিন আইয়্যুবির ঈমানি বজ্র হুংকারে। সুলতানরা শুধু বীরই ছিলেন না, তারা ছিলেন আধ্যাত্মিকতার অনুগামী।
সালাহউদ্দিন আইয়্যুবি (রহ.) ছিলেন গাউসুল আযম শাইখ আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর মুরিদ।
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) যুদ্ধের সময় নিজের পাগড়ির নিচে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর মোবারক চুল রাখতেন, সেই রুহানিয়্যত ও ফয়েজই তাকে করেছিলেন ‘সাইফুল্লাহ’।
এইভাবেই বীরত্ব, রুহানিয়্যত আর নেতৃত্বের সমন্বয়ে গড়া হয়েছিল মুসলিমদের জয়যাত্রা।
কিন্তু পশ্চিমারা জানত—এই চেতনা ভেঙে না দিলে মুসলিমদের দমন করা সম্ভব নয়। তাই বহু যুদ্ধেও পরাস্ত হতে না পেরে তারা কৌশল পরিবর্তন করল। মুসলিমদের মধ্যে বিভক্তি তৈরি করতে তারা একটি নতুন মতবাদ দাঁড় করায়—‘ওহাবিবাদ’।
এই মতবাদের জন্মদাতা আব্দুল ওহাব নজদী—যার উদ্দেশ্য ছিল মুসলিমদের সুন্নি আকিদা ও আধ্যাত্মিক চর্চাকে 'শিরক' বলে ফতোয়া দিয়ে ধ্বংস করা। এবং রাসূল করীম সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শান আজমত আলোচনাকেও বিদাআতের ফতোয়া দিতেও অন্তর কেঁপে ওঠে নি।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বহু পূর্বেই সতর্ক করে বলেছেন, “নজদ থেকে শয়তানের শিং বের হবে।”
এই 'নজদ'–ই আজকের 'রিয়াদ'। বাস্তবতা আমাদের চোখের সামনে—এই অঞ্চল থেকেই বের হয়েছে এমন এক মতবাদ, যা উম্মাহকে বিভক্ত করেছে, মুসলিমদের ইহুদী-নাসারাদের খেলনার পুতুলে পরিণত করেছে।
তাদের মদদ দেয় ব্রিটিশ, ফরাসি, আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদীরা। কেবল ফতোয়ার খেলাই না, এই মতবাদকে ছড়িয়ে দিতে বিলিয়ন-ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করে গোটা দুনিয়ায় এক ভয়ঙ্কর সাংস্কৃতিক আগ্রাসন শুরু করে।
তাদের প্রচারনায় বলা হয়—পীরের কাছে যাওয়া শিরক, ওলিদের কবর জিয়ারত শিরিক, দরুদ-সালাম বিদাআত। অথচ এসবই ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবাদের জীবনের অংশ।
কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না—আল্লাহ্ বলেন, "আমার ওলিদের কোনো ভয় নেই, তারা দুঃখিতও হবে না।" (সূরা ইউনুস: ৬২)।
তিনি বলেন, "তোমরা সত্যবাদীদের সঙ্গী হয়ে যাও।" (সূরা তাওবা: ১১৯)
আমরা প্রতিদিন ফাতিহা শরীফে পড়ি—"আমাদের পথ দেখাও তাদের পথ, যাদের উপর তোমার অনুগ্রহ হয়েছে।"
সুতরাং মুসলিম উম্মাহর পুনর্জাগরণের জন্য প্রথম কাজ—ওহাবি মতাদর্শের রাজনৈতিক দখলদারিত্ব থেকে আরব ভূমিকে মুক্ত করা।
যতদিন না ওহাবি নেতৃত্ব ক্ষমতা থেকে সরে, মুসলিমরা রুহানিয়্যত ও ওলিয়ায়ে কেরামের আদর্শে না ফিরবে, ততদিন পর্যন্ত এই অবনমন চলতেই থাকবে।
ওহাবিরা মক্কা-মদিনা দখল করে প্রথমেই বুলডোজার চালায় সাহাবা কেরাম ও আউলিয়া কেরামের মাজারে। ইতিহাস ধ্বংস করে দেয়ার এই ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্য ছিল—মুসলিমদের নিজেদের অতীত থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া। যেন তারা কখনো বুঝতেই না পারে—তাদের আসল পরিচয় কী ছিল।
এরপরে তারা রাজনৈতিকভাবে মুসলিম দেশগুলোকে বিভক্ত করতে থাকে। সৌদি আরবকে মঞ্চ বানিয়ে পশ্চিমা মদদে গোটা মুসলিম দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেয় বিভক্তির বিষ। সালাফি, দেওবন্দি, তাওহিদী জনতা—নানান নামে এই মতবাদ ছড়াতে থাকে। তারা ইসলামের নাম নিয়ে এমন এক কাঠিন্য আর ঘৃণার বীজ বপন করে, যার ফলশ্রুতিতে মুসলিম মুসলিমকেই কাফের বলতে শুরু করে।
এই বিভক্তি শুধু মতবাদের ভেতর সীমাবদ্ধ থাকেনি—সরাসরি রাজনীতিতে ঢুকে পড়ে। জ/ঙ্গি/বাদের নামে মুসলিমদের আত্মঘাতী বানিয়ে, মসজিদে বোমা মেরে, কবর ধ্বংস করে, এমনকি মাজারে হামলা চালিয়ে গোটা মুসলিম জাতিকে উগ্র ও জ/ঙ্গি/বাদী হিসেবে বিশ্বমঞ্চে উপস্থাপন করে। পশ্চিমারা এই সুযোগে ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ নাম দিয়ে মুসলিম দেশগুলোতে হামলা চালায়—ইরাকে সাদ্দাম, লিবিয়ায় গাদ্দাফি, সিরিয়ায় সহ —সবাইকে সরিয়ে তাদের পছন্দের পুতুল সরকার বসিয়ে দেয়।
যে দেশগুলো ওহাবি মতবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, সেসব দেশের আধ্যাত্মিক ও সুন্নি নেতাদের একে একে নিশ্চিহ্ন করার চক্রান্ত চলে। আজ সুন্নি নেতৃত্ব খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আজকের বাস্তবতা এই—যে মুসলিম জাতি একসময় চোখ রাঙিয়ে কথা বলত বিশ্ববাসীর সঙ্গে, আজ সে জাতি চোখের পানি ফেলছে, মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না। ওহাবি মতবাদ শুধু মুসলিমদের ঐতিহ্য, রুহানিয়্যত ও আকিদাকে ধ্বংস করেনি—তারা মুসলিম উম্মাহকে ভেতর থেকে নিঃশেষ করে দিয়েছে।
তাই আজ মুসলিমদের প্রয়োজন—নিজেদের অতীতের দিকে ফিরে তাকানো।
প্রয়োজন সেই সুন্নি চেতনায় ফিরে যাওয়া, যেখানে সুলতানরা ওলিদের দরজায় দোয়াপ্রার্থী হতেন, সৈনিকরা রুহানিয়্যত থেকে ফয়েজ নিয়ে যুদ্ধ জয় করত, মানুষ পীর-মাশায়েখদের ছায়ায় ঈমান ও আমল ঠিক রাখত।
যতক্ষণ না ওহাবি রাষ্ট্র ভেঙে, আরব ভূমি থেকে ওহাবি নেতৃত্ব উৎখাত না হবে, যতক্ষণ না পশ্চিমা পুতুল শাসকদের বিদায় করে সত্যিকারের ঈমানদার শাসক আসবে—ততদিন মুসলিম উম্মাহর জাগরণ সম্ভব নয়।
এই বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে বুঝতে “ব্রিটিশ গোয়েন্দার ডায়েরি” বইটি পড়ুন। বুঝবেন—কীভাবে পরিকল্পিতভাবে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ভাঙা হয়েছে।
এসব লিখতে গেলে একটা বইও লেখা সম্ভব। কিন্তু আমার উদ্দেশ্য শুধুই এইটুকু বোঝানো—ওহাবিরা ক্ষমতায় যাওয়ার আগে মুসলিমরা বিশ্ব শাসন করত, আর ওহাবিরা ক্ষমতায় আসার পর মুসলিমদের শুরু হয় মার খাওয়ার ইতিহাস, বিভক্তির ইতিহাস, ফেতনার ইতিহাস।
এবার সময় এসেছে—এই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে মুসলিমদের হারানো সালতানাত ও আত্মমর্যাদা ফিরে পাওয়ার।
সৌজন্যে সংগৃহীত :- [জালাল উদ্দিন রুমি পেইজ]
সঠিক হেদায়েত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া অন্ধ বুদ্ধিলোপ প্রাপ্ত মুসলিম দেখ শত্রু পক্ষ আজ কি নিয়ে ধংশের খেলায় মেতেছে আর তোমরা পড়ে থাক নারী, কোক, বাটা, ফান্টা টুপির নিচে নিজের আসল প্রবৃত্তি লুকাতে, কুরআন শুধু মুখস্ত করেই হাফেজ বনে গেলে কিন্তু ভিতরের প্রতিটা শব্দ ও বাক্যের নির্দেশনা বুঝলে বা অনুধাবন করলে কয়জন? সংখ্যা, গনিত ও বিজ্ঞান এটার সূচনা বা বিকাশ তোমরা করেছে তোমাদের ই পূর্বপুরুষেরা
(আলকেমি, আলযেব্রা, সংখ্যায় শুন্যের ব্যবহার ইত্যাদি) আরো সব জ্ঞান বিজ্ঞানের কোন শাখা/ উপশাখার কোথায় মুসলিম গবেষক স্কলার, হেকিম দের অবদান নেই খুজে দেখুন রিসার্চ করুন।
আর তার ফল বা মধু নির্যাচ আহরন করে যাচ্ছে শত্রু পক্ষ হাহাহাহা কি আজব আর তোমরা জ্ঞান আহোরন কে ওদের শিক্ষা মনে করো নিজেদের কে এক তালাক দুই তালাক অথবা ৪ বিবাহের ফতোয়া দিয়ে যাও 😂👍
ক্লিপ কার্টেসি: BanglaVision News
゚viralvideo *tvnews
লা-ইলা-হা ইল্লা- আনতা সুব'হা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যা-লিমীন
পড়া শেষ হলে সবাই আমীন লেখি,
গা'জা বাসির জন্য, আমীন🤲
15/03/2025
[🥀Be Loyal, Be Rare 🖤🌙]
"আর পাঠশালা নাই।"
কার্টেসী:- হীরক রাজার দেশ
পরিচালক: সত্যজিত রায়।
কি অদ্ভুত সমসাময়িক 🙏
11/07/2024
বাবা-মা বদলানোর কোনো অপশন যদি থাকতো তাহলে,অনেক সন্তান'ই হয়তো তাদের বাবা-মা বদলাতে চাইতো। কথা'টা কঠিন কিন্তু নির্মম সত্য।
করোনা পরবর্তী সময়ে একভাই একটা জব ম্যানেজ করে দেয়ার খুব আকুতি জানিয়ে ইনবক্স করছিলেন।ভদ্রলোক ৫ ভাইবোনের মধ্যে তৃতীয়।৭ বছর ইংল্যান্ডে ছিলেন।সেই সময়ের সমস্ত ইনকাম তার বাবা'র একাউন্টে পাঠিয়েছেন।তারা বাবা-মা সেই টাকায় তাদের অন্য সন্তান'দের ভবিষ্যৎ গড়ে দিয়েছেন ঠিকই কিন্তু যেই ছেলের টাকা,তার কোনো ব্যাবস্থা করেন নাই।
দেশে আসার পর বুঝতে পারলেন তাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে তার'ই বাবা-মা।তার টাকায় স্ট্যাবলিশড হয়ে অন্য ভাইবোন'রাই এখন তাকে করুনার চোখে দেখে।বউ-বাচ্চা নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কেটেছে করোনার পুরোটা সময়।বাবা-মা কিংবা ভাই-বোন কেউ ফিরেও তাকায়নি একবারের জন্য।অথচ;আমরাতো জানি বাবা-মায়ের চোখে সব সন্তান'ই সমান।
আমার কাছে মনে হয় এই কথা'টা পৃথিবীর সুন্দর মিথ্যাগুলির মধ্যে অন্যতম একটা মিথ্যাকথা।এই দেশে বাবা-মা'য়ের কাছে সব সন্তান কখনোই সমান নয়।
কিছুদিন আগে সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের নিয়ে পরিচালিত একটা গ্রুপে এক বোন তার ভাইয়ের খোজ জানতে চেয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন।
বোন লিখেছেন,তার ভাই ১১ বছর আগে সিঙ্গাপুর যায় এবং গত ৭ বছর ধরে তার সাথে পরিবারের কেউ যোগাযোগ করতে পারছেনা।তার ভাই তাদের গ্রামের এক মেয়েকে পছন্দ করতো।মেয়েটার অন্যত্র বিয়ে ঠিক হয়ে গেলে, তার ভাই নিজের বাবা-মা'কে জানায় তার ভালোবাসার কথা এবং মেয়েকে বিয়ে করার কথা।
বাবা-মা সব শোনার পরে ছেলেকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে ঢাকায় পাঠায় বিয়ের কেনাকাটা করার জন্য আর ওদিকে মেয়ের বাড়ি গিয়ে মেয়ের বাবা-মা'কে বলে আসে যেনো দ্রুত তাদের মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দেয়া হয় ছেলে ঢাকা থেকে ফেরার আগেই।
ছেলেটা বিয়ের শপিং করে এসে জানতে পারে তার পছন্দের মেয়েটার বিয়ে হয়ে গেছে অন্যত্র। তার নিজের বাবা-মা'ই মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দেয়ার কথা বলে এসেছেন।এই বিষয়'টা ছেলে'টা মানতে না পারলেও মুখে কিছুই বলেনি।
সে বাসায় জানায় দেশে থাকলে মেয়েকে ভুলা কঠিন,তাকে যেনো বিদেশ পাঠিয়ে দেয়া হয়।ছেলের বাবা-মা খুশিতে বাকবাকুম হয়ে ছেলেকে সিঙাপুর পাঠায়।বিদেশ যাওয়া বাবদ যেই টাকাটা খরচ হইছিলো,সেটা পাঠানোর পর ছেলেটা সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় তার পরিবারের সাথে।
এখন ছেলের বাবা-মা ছেলের জন্য কাঁদে।তার বোন আকুতি জানিয়েছে যেনো তার ভাইকে খুজে দেয়া হয়।
এখানে দোষ'টা কার?কতটা অভিমান জমলে একটা মানুষ এরকম বদলে যেতে পারে,সেইটা বোঝার ক্ষমতা কি এদেশের ম্যাক্সিমাম বাবা-মা'য়ের আছে?
আমাদের দেশে ছেলেকে বিয়ে করানোর পর ভাবা হয় ছেলে পর হয়ে গেছে।সে এখন আর বাবা-মা'য়ের নাই।সে এখন বউ কিংবা শ্বশুর বাড়ির।আর,মেয়ে বিয়ে দেয়ার পর ভাবে মেয়েই সবচাইতে আপন,সবচাইতে কাছের।
আমি বলছিনা সব বাবা-মা'ই এরকম।কিন্তু,ট্রাস্ট মি আমি আমার চারপাশে এমন অনেক বাবা-মায়েদের দেখেছি যাদের জন্য নিজের ছেলের জীবন জাহান্নাম হয়ে গেছে, মেয়ের সাজানো গোছানো সংসার ধ্বংস হয়ে গেছে।নিজেদের আলগা ফুটানী মারতে গিয়ে ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে গেছে।
মসজিদে-ওয়াজ মাহফিলে শুধু মা'য়ের অধিকার আর দাবি নিয়ে বয়ান করা হয়, ইসলামে কি সন্তানের প্রতি পিতামাতার কর্তব্যের কথা বলা হয় নাই? সেই বিষয় নিয়ে কয়জন আলাপ করেন? কয়জন মুফতি মাওলানা তাদের ওয়াজে আনেন এই কথা?
আমি এমন একজন মানুষ'কে চিনি যার বাবা-মা তার সাথে এক্সট্রিম লেভেলের শয়তানী করার পরেও ভদ্রলোক যথেষ্ট যত্নশীল তাদের প্রতি।তার যত্ন যত বাড়ে,তাদের শয়তানী'র মাত্রা'ও তত বাড়ে।
সব সন্তান খারাপ হয়না আর বৃদ্ধাশ্রমে যারা থাকে তাদের সবার সন্তান'ই অমানুষ হয়না।
কর্মফল বলেও একটা কথা আছে,এটা আমরা অনেকেই ভুলে যাই।
আপনার সন্তান'ও একজন মানুষ।
তার'ও ভালো লাগা খারাপ আছে।তাকেও একটু বুঝার চেষ্টা করুন। নিজেদের স্বৈরাচারী মনোভাব পোষন করা বন্ধ করুন প্লিজ।
==========================================
সৌজন্যে লেখা ও ছবিঃ- [রনি জামান+ ইন্টারনেট]
=======================================
বি :দ্র:- সব বাবা-মা কখনোই একরকম হয়না। বাবা-মা আল্লাহ'র পক্ষ হতে দেয়া অন্যতম শ্রেষ্ট নেয়ামত।উপরে যাদের কথা বলা হয়েছে তারা আসলেই স্বার্থপর একিসাথে সন্তান গ্রহনের অযোগ্য।
16/06/2024
Wish You All A Very Happy Eid Ul Adha Hope This Eid Brings You & Your Family With Lot Of Joys & Blessings, Thank You.
মাত্র 13 লাখ টাকায় কিনতে পারবেন!🙂
Click here to claim your Sponsored Listing.