Bijoy
digital creator
20/03/2026
Good evening..
20/03/2026
Good morning
19/03/2026
বন্ধু মানে এমন একজন মানুষ,
যার সামনে শক্ত থাকার অভিনয় করতে হয় না।
বন্ধু মানে সেই মানুষ,
যার কাছে নিজের ভাঙা স্বপ্নের গল্পও
নির্ভয়ে বলা যায়।
যখন পৃথিবীটা হঠাৎ খুব অপরিচিত লাগে,
যখন মনে হয়
সবাই বুঝি দূরে সরে যাচ্ছে—
ঠিক তখন
একটা নামই মনে পড়ে…
বন্ধু।
বন্ধু মানে সেই মানুষ,
যে তোমার মুখের হাসিটা দেখে না,
সে তোমার চোখের ক্লান্তিটা পড়তে পারে।
হয়তো প্রতিদিন কথা হয় না,
হয়তো মাসের পর মাস দেখা হয় না—
তবুও কোথাও একটা নিশ্চিন্ত বিশ্বাস থাকে,
“সে আছে।”
বন্ধু মানে সেই সম্পর্ক
যেখানে হিসেব নেই,
অভিমান থাকলেও ভাঙন নেই।
কারণ বন্ধু সেই মানুষ,
যে তোমার সাফল্যে তালি দেয়,
আর ব্যর্থতার দিনগুলোতে
নিঃশব্দে পাশে দাঁড়ায়।
পৃথিবীতে অনেক সম্পর্ক আছে—
রক্তের, স্বার্থের, প্রয়োজনের।
কিন্তু বন্ধু হলো সেই সম্পর্ক,
যেখানে কোনো কারণ লাগে না।
তাই হয়তো
বন্ধু শব্দটা ছোট,
কিন্তু তার ভেতরে লুকিয়ে থাকে
জীবনের সবচেয়ে বড় ভরসা।
18/03/2026
“অচেনা ঘর”
বিয়ের আগের রাত।
মেঘলার ঘরে অদ্ভুত একটা নীরবতা।
দেয়ালের দিকে তাকিয়ে সে হালকা করে হাসল। এই দেয়ালগুলোই তো তার সব জানে—
কখন সে লুকিয়ে কেঁদেছে,
কখন পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে লাফিয়ে উঠেছে,
আর কখন মায়ের সাথে অভিমান করে দরজা বন্ধ করে বসে থেকেছে।
মা এসে ধীরে ধীরে বললেন,
“ঘুমাবি না?”
মেঘলা একটু হেসে বলল,
“ঘুম আসছে না মা… মনে হচ্ছে ঘরটা আমাকে ছেড়ে যাবে।”
মা কিছু বললেন না। শুধু মাথায় হাত রেখে চুপ করে বসে রইলেন।
কারণ মা জানেন—এই অনুভূতিটা কথায় বোঝানো যায় না।
পরের দিন বিয়ে হল।
ঢাকের শব্দ, আলো, মানুষের ভিড়… সবকিছুতেই আনন্দ।
কিন্তু মেঘলার ভেতরে কোথাও একটা অদ্ভুত শূন্যতা।
বিদায়ের সময় যখন গাড়িতে উঠল,
সে শেষবারের মতো নিজের বাড়িটার দিকে তাকাল।
মনে হল—এই বাড়িটা শুধু একটা বাড়ি নয়,
এটা তার পুরো শৈশব।
গাড়ি ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল।
নতুন বাড়িতে পৌঁছে সবাই তাকে খুব আদর করল।
নতুন মানুষ, নতুন সম্পর্ক… সবকিছুই যেন একেবারে অন্যরকম।
কিন্তু রাতে নিজের ঘরে এসে মেঘলা একটু চুপ করে বসে রইল।
জানালার বাইরে তাকিয়ে তার মনে হল—
“এই ঘরটা কি কোনোদিন সত্যিই আমার হবে?”
ঠিক তখনই দরজায় টোকা পড়ল।
তার শাশুড়ি এসে বললেন,
“মা, কিছু লাগবে? নতুন জায়গা… অস্বস্তি লাগলে আমাকে বলিস।”
মেঘলা একটু অবাক হল।
কথাগুলো এত সহজ, এত আপন মনে হল।
দিন যেতে লাগল।
মেঘলা ধীরে ধীরে রান্নাঘরে নিজের গন্ধ মিশিয়ে দিল,
বারান্দায় নিজের পছন্দের গাছ রাখল,
সবাইকে নিয়ে হাসতে শিখল।
একদিন বিকেলে হঠাৎ তার মনে হল—
এই বাড়ির দেয়ালেও এখন তার হাসি লেগে আছে।
তখন সে বুঝল একটা কথা।
একটা মেয়ের জীবনটা সত্যিই অদ্ভুত।
সে নিজের ছোটবেলার ঘর ছেড়ে যায়,
একটা অচেনা দরজার সামনে দাঁড়ায়।
প্রথমে সেই দরজাটা অচেনা লাগে,
কিন্তু ধীরে ধীরে
নিজের ভালোবাসা, যত্ন আর হাসি দিয়ে
সেই অচেনা ঘরকেও
নিজের ঘর বানিয়ে ফেলে।
আর হয়তো এটাই একটা মেয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি—
সে শুধু সংসার করে না,
সে একটা অচেনা বাড়িকেও
ভালোবাসা দিয়ে বাড়ি বানিয়ে দেয়।
17/03/2026
Good morning
16/03/2026
মানুষ যতই বলুক— “আমি কিছু চাই না…”
তবু সত্যিটা হলো,
প্রতিটা দেওয়ার ভেতরেই কোথাও না কোথাও
একটা পাওয়ার ইচ্ছে লুকিয়ে থাকে।
কেউ সময় দেয়—
শুধু এই আশায়
যে একদিন হয়তো তাকে মনে রাখা হবে।
কেউ পাশে থাকে—
কারণ তারও ইচ্ছে করে
কেউ একজন তাকে বলুক,
“তুই থাকলে আমি একা নই।”
কেউ ভালোবাসে—
কারণ ভালোবাসা না থাকলে
এই পৃথিবীটা খুব ফাঁকা লাগে।
এই পৃথিবীতে
কেউ কারও জন্য পুরোপুরি আসে না…
সবাই কারও না কারও কাছে আসে
নিজের ভেতরের একটা শূন্যতা ভরতে।
কিন্তু তাতে দোষ কী বলো তো?
কারণ স্বার্থ মানেই তো সবসময় খারাপ কিছু নয়।
কখনো কখনো স্বার্থ মানে শুধু এটুকুই—
কারও জীবনে একটু জায়গা চাওয়া।
কারও দিনের শেষে
একটা নাম হয়ে ওঠা।
কারও দুঃখের সময়ে
একটা ভরসা হয়ে থাকা।
মানুষ শেষ পর্যন্ত
ধন, নাম, ক্ষমতা—এসব ততটা চায় না…
সে শুধু চায়
কেউ একজন বলুক—
“তুমি আছো বলেই
আমার জীবনটা একটু বেশি পূর্ণ।”
Click here to claim your Sponsored Listing.