EverSpring Tale
#Inspirational thoughts.�
#মনের কথা ডায়েরির পাতায়�
#follow our Instagram page #ডায়েরির_পাতা 🌿
24/05/2023
21/05/2023
আজ কাল আর এই ব্যস্ত শহরের ভিড়ে ডায়েরির পাতা উল্টানো হয় না। শোনা হয় না সেই ভোরের কোকিলের ডাক। চোখে পড়ে না সেই বিকেলের ফ্যাকাসে আকাশে রঙিন তুলো মত ঘুড়ির লড়াই। বলাকারা যখন বাড়ি ফেরে ডাক দিয়ে গেলেও রাস্তার যানবাহনের আওয়াজে আর কানে আসে না সেসব।
তবে থমকে গেলাম আরো এক বার ঘনিয়ে আসা মেঘ বালিকার ডাকে। সে আমায় না থমকে যাবেই না যেন আজ। আমি যখন ছুটির দিনেও ব্যাস্ত কাজের চাপে, ছোট্ট ছেলের বায়না মত দিলো জানলা খুলে।
মেঘ বালিকার মুখ ভরা রূপ টানে বড্ড আমায়। ঠান্ডা ঝড়ো হাওয়া ছুয়ে দিয়ে যায় বারে বারে আমরা শরীর হতে অন্তরে। চেয়ে দেখি যেনো চাতক পাখির সাথে এই শহরও পাল্লা দিয়ে তার অপেক্ষায়। হঠাৎ করে ভেসে এলো হাসির উচ্ছ্বাস এর কলরব। কেউ বা নাচে কেউ বা গায়ে মেঘ বালিকারই গান।।
েঘলা_দিনের_অনুভূতি
#ডায়েরির_পাতা 🌿
ছবি : নিজস্ব
28/01/2023
।।পাশে আছি।।
কথাটা আসলে অনেক গভীর। গভীরতা না মেপেই শুধু থেকে যেতে হয়। সেই সময়ে পর্যন্ত থেকে যেতে হয় যখন জলের প্রবাহে হাতটা আলগা হতে পারে, সেই সময়ে ও থেকে যেতে হয় যখন প্রখর আলোর তেজে চোখের পাতা বুজে আসে কিংবা যখন শুধুই কেবল অন্ধকারে এক ছোট্ট দেশলাইয়ের প্রয়োজন হয়। তখনও থেকে যেতে হয়, যখন বৃষ্টির বড়ো বড়ো ফোটা এসে চোখের সমুদ্রের বাঁধ ভেঙে সারা শরীর ভিজিয়ে দেয়। হ্যাঁ, তখনো থেকে যেতে হয় যখন হৃদপিন্ডে হৃদস্পন্দনের অনুভুতি কমে আসে। কারণ বৃষ্টির পরে রোদ উঠবেই কিংবা ঘন অন্ধকার রাতের পরে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল হবেই। শুধু কেবল পরীক্ষা আর অপেক্ষার পালা।
কেবল পাশে থেকে গেলে দুটি হাত রয়ে যাবেই।
বিশ্বাস করে ও বিশ্বাস রেখে।। 🌿
#ডায়েরির_পাতা 🌿
#মনের_কথা_ডায়েরির_পাতায় 📝
01/01/2023
নতুন বছরের শুভ সকালে সকলকে নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।। 🙏 💐 সারাটা বছর যেনো সবার শুভ হোক। শুভ আনন্দ ও সাফল্য আসুক সবার জীবনে। সবার সুস্থতা কামনা করি পরম পিতার কাছে।। 🙏😊🎉
#আমার_বাগানের_ছোট্ট_পরীরা🌻🌼
#ডায়েরির_পাতা 🌿
#মনের_কথা_ডায়েরির_পাতায়📝
29/12/2022
#ফুচকাওয়ালা
#স্বরচিত_গল্প
পেটে খিদের অনুভূতি বেশ জোরালো হওয়া সত্ত্বেও রোজই উপেক্ষার পথ বেছে নিয়ে নিজের সারাদিনের খুদে ছাত্র ছাত্রী দের ১ মিনিট ও কম সময়ে দেয় না সুপর্না। আজও উপেক্ষার পথে চলতে চলতে হঠাৎ নজরে পড়লো এক বিরল ঘটনা। বেশ খানিকটা দূরে তিন মাথার মোড়ে এক ফুচকার দোকানে কোনো নামী দামী ব্যক্তি ৫০ টাকার নোটটা ছুড়ে মারলে ফুচকা বিক্রেতার দিকে নিজের চার চাকার গাড়িতে উঠতে উঠতে। সাথে কিছু কটূক্তি ভরা শব্দ,
- "অতই যদি বই সামলাবি তবে বাড়িতে গিয়েই পড়তে বস। রাস্তায় নেমেছিস কেনো? হু,,! ব্যবসা করবে!"
হ্যাঁ, আন্দাজটা ঠিকই করছেন। ফুচকা বিক্রেতা আর কেউ নয় একটি ১০,১১ বছরের খুদে বাচ্চা।
বেশ কৌতুহলের টানে আজ আর পেটের খিদে উপেক্ষা না করেই এগিয়ে গেলো সে। ছুড়ে ফেলা টাকাটি যেনো অসম্মানের ন্যায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ছিল। ছুটে গিয়ে মাটি থেকে তুলতে গিয়ে চোখের সামনেই ছুটে এলো বিক্রেতা। তার এক হাতে বই ও অন্য হাতে যত্নসহকারে টাকাটি তুলে নিলো।
মনের কৌতুহল প্রকাশ্যে না আসতে দেওয়ার ভয় ফুচকার পাতা নিয়ে হতবাকের মত দাঁড়িয়ে রইলো সুপর্না। হঠাৎ ওপাশ থেকে কথা ভেসে এলো।
-"ও.. দিদি ঝাল দেবো?"
-হ্যাঁ, হ্যাঁ.. না মানে অল্প রে ভাই।
(পাতে ফুচকা পেয়েও দৃষ্টি সরে না তার)
-ও দিদি কি ভাবছো? নুন ঠিক আছে তো? আর ঝালটা? তুমি কি ওসব ভাবছো নাকি?
(উত্তরের ভাষা খুঁজে না পেয়ে একবার ফাউ এর প্লাস্টিকে রাখা অঙ্ক বইটার দিকে একবার তাকিয়ে নিলো)
-ও ওটা!? না দিদি ওটা দিদি দিতে পারবো না!
-তুই পড়াশোনা করিস? তা এই দোকান খুলেছিস কেনো? বাড়িতে আর কেউ নেই?
-বাবা যখন কাজে যায় তুই তো তাহলে পড়তে পারতিস। তোকে কেউ জোর করে ? পড়তে ভালো লাগে না তোর?
-হ্যাঁ.. আমি না এলে বোনুকে পড়াতে পারবো না তো। ওকে স্কুলে ভর্তি করতে হবে তাই টাকা জমাছি।
(দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কেবল ফেকাসে হাসি হেসে কিসের ঘোরে যেনো এগিয়ে চলে গেলো সুপর্না। একটু অপমানের ছোঁয়া লাগলেই মানুষ ছিটকে ওঠে আর সে কত সরল মনে মনমাতানো হাসি নিয়ে বলে ফেললো কথা গুলো। পরের দিন আর সে পথে দেখা মিললো না সে খুদের। বেশ অস্থির লাগছে তার। রাত যেনো আরো গভীর হয়ে এসেছে তার জন্য। কেবল একটু সূর্যের আলোর অপেক্ষায় বসে আছে সে। ভোর হয়ে আবার সন্ধ্যে গড়িয়ে এলো।)
-ওই তো! এসেছে আজ।
-কিরে কাল কোথায় ছিলি?
-কাল ওই বইটা ছিড়ে গেছিল না, তাই মা আসতে দেয়নি।
(মাথা নীচু করে হাতের দিকে পাতাটা এগিয়ে দিতেই সুপর্নাও তাকে এক উপহার তুলে দিল। বেশ ইতস্ততঃ বোধে নিতে না চাইলেও সুপর্নার জোরাজুরিতে নিয়ে খুলে দেখতেই এক গাল হাসি। আর চোখটা যেন ছল ছল করে উঠলো তার। দুটি খাতা ও এক পেন্সিলবাক্সে ভর্তি সরঞ্জাম। সে আজ নির্বাক। আজ অবধি কেউ তাকে দু পয়সাও ভুল করেও দিয়ে যায় নি।)
-আমি কিন্তু রোজ ঠিক আধঘণ্টা পর এখানে আসব। রোজ পড়া মুখস্ত করতে হবে কিন্তু। আর তার বদলে ফুচকার ফাউটা কিন্তু দুটো চাই।
দুজনেই আজ শব্দ হারিয়ে সম্মতি জানালো চোখের কোণের ওই লবনাক্ত চিকচিক করা আলোয়।
চট জলদি সামনের মিষ্টির দোকানে ঘড়ির কাঁটার দিকে তাকিয়ে সে দোকান গোছাতে লাগলো।
-কি হল?
- তুমি যে কাল পড়া ধরবে একবার পড়ে ফেলতে হবে না। আর মা কেও বলতে হবে তো।
(মনের ভেতরটা কেমন যেন খুব শান্তি লাগছে। পাওয়া না পাওয়ার গন্ডি পেরিয়ে পরম শান্তি।)
(নিজের পথের দিকে এগিয়ে)
-ও তোর নামটাই তো জিজ্ঞাসা করা হল না?!
- গোপাল।।
#ডায়েরির_পাতা🌿
#মনের_কথা_ডায়েরির_পাতায় 📝
।।মধ্যবিত্ত।।
এই মধ্যবিত্ত ব্যাপারটাই না আলাদা। যেমন ধরুন লেখকদের গদ্যাংশের মূল বিষয় বেশির ভাগ সময়েই নয় ধনী কিংবা গরিব, ভালো কিংবা মন্দ, সুখ কিংবা দুঃখ। এইসব নিয়ে হয়ে থাকে। কিন্তু আমরা কেউ কি কখনো খেয়াল করেছি এই তুই পাল্লার মাঝেও কিছু একটা থাকেই যেখানে দুভাগই মিশে যায়।
যেমন ধরুন, ধনী মানুষদের শরীর খারাপ হলে তারা হাওয়া বদল করেন আবার মন খারাপ কিংবা ভালো হলেও বছরে প্রায় ৩,৪ বার কিংবা তার অনেক বেশী।
আবার গরিব দুঃখী দের একটা ডিম মানেই তাদের আজ উৎসব..তারা হাওয়া বদল বলতে কেবল ঋতু পরিবর্তনের কথাই বোঝে। ধনীদের স্বপ্নরা সোনার কাঠি ছোয়ে, আর গরীবদের আর স্বপ্ন।।
কিন্তু দিনের শেষে কখনো সেই ক্লান্ত মানুষটার দিকে চেয়ে দেখবেন যার ওপর বাড়ির সবার দায়িত্ব, যার মাসের বেতন টার অজস্র টুকরো হয়ে যায়। সারাটা মাস মাথার ঘাম পায়ে ফেলেই নয়, অনেক অপমান জলের মতো ঘিটে নিয়েও, যার ব্যাংক মাসের শেষে বেতন ঢুকলে সেই রাতে কেবল ঘুমের পরী চোখের পাতায় ভর করে।
... "এইটা বাজার খরচ, এইটা গ্যাস তুলতে হবে, এই তা ওষুধ পত্র, এটা সোনামার স্কুল এর ফি, এটা ফোন রিচার্জ, এটা টিভি, এটা মাসিক খরচ.. আর এটা আর কি বাকি রইলো বলোতো"..!!
অজস্র টুকরোর পরেও যেনো- "চশমা টা থাক পরের মাসে সারাবো, জুতো তো আছে, ও এখন সারিয়ে নিলেই হবে, ছেলেটাকে ভালো টিচার দিতে হবে বুঝলে," এমন নানান জিনিস আরামে ই চলা ফেরা করে।
না তারা পায়ের ওপর পা তুলে বসে থাকতে সময় পায় না। তাঁরা ত্রাণও পায়না, তারা সান্তনাও পায় না।।
তারা ১০টাকা বাঁচাতে ও তারা ৩০ মিনিট হাঁটতে পারে, বাস এ একটু সিট পেতে সকালে তাঁরা উঠে ছুটতে পারে, কয়েকটা জামা পরে মাস কাটিয়ে দিতে পারে।
তাদের মন খারাপের খবর আসলেই কেউ রাখে না। তাদের শরীর কিংবা মন খারাপ হলেও ওয়ার্ল্ড ট্যুর হয় না। তাদের জন্য কেউ মন থেকে ডেকে এক বেলা খাওয়ায় না। তাঁরা চাইলেই ছুটে কোথাও পালিয়ে যেতে পারে না। খুশির দিনে আলোয় মেতে উঠতে জানে তবে দিনের শেষের ক্লান্তি তে তারা হাল ছাড়তে জানে না. তাদের বন্ধুও বেশি হয় না। কারণ অসুস্থতার জন্য ডাক্তারের ফি জোগাড় হলেও প্রতি রবিবারের রেস্টুরেন্টে ভিড়টা তাদের থাকে না.
একটু খেয়াল করে দেখবেন অলংকার বা অহংকার দেখানোর মত সময়ে তাদের থাকে না।
আসলেই মধ্যবিত্ত দের কেউ হয় না. হাজারো পরিশ্রম করলেও মাথার তাজ তো দূরের কথা, বেশির ভাগের হৃদয়ে ও স্থান হয় না।। আসলে তারাও স্বপ্ন দেখে তার পেছনে ছোটে, পরে গেলে আবার উঠে দাঁড়ায়, ঘাম হোক বা রক্ত, পাশে এসে কেউ দাঁড়ায় না।
।। আসলেই মধ্যবিত্তদের কেউ হয় না।।
#কলমে ~ সাগরিকা
#ডায়েরির_পাতা 🌿 📝
Click here to claim your Sponsored Listing.