Pb's Diary

Pb's Diary

Share

Welcome to PB's Diary! This is my personal journey of spiritual exploration, temple visits & every day story.

Here u will find positivity, devotion & a touch of real life. #spiritualvideo #personalvlogs #Templejourney #simplelifereflections #Pbsdiary

10/05/2026
09/05/2026

Aaj aami AADHAYIPTH e

04/05/2026

*○○○○ 🪷ভয়ের স্বরূপ🪷○○○○*
*===========🕉️==========*
_*✍️স্বামী সোমেশ্বরানন্দ*_
*==========================*

গতকালের পোস্টে আমরা দেখেছি যে মূলাধারেই ভয়ের অনুভব হয়। অর্থাৎ ভয়টা যেন মানুষের প্রাথমিক সমস্যা। উপনিষদের এক জায়গায় আছে *"ভয়াৎ ধাবতি পঞ্চম:"।* সোজা কথায়, সবকিছুই ভয়ের ফলে কাজ করে চলেছে।
কীসের ভয়? *অস্তিত্ব হারাবার ভয়।* নিজেকে বাঁচানোর জন্য, নিজের অবস্থা-সম্পদ-ক্ষমতা ইত্যাদি রক্ষা করা। এ থেকেই আসে স্বার্থপরতা। তাই এটা থাকে একেবারে নীচের স্তরের মানুষের মধ্যে। পশুপাখির মতই, কীটপতঙ্গের মতো।

*ভয় নানারকম হয়।* প্রাণ-চাকরি-টাকা-স্বাস্থ্য-সুনাম-প্রিয়জন-গদি-ক্ষমতা•••। তাই আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই সবকিছু। চারদিকে পাঁচিল গড়ে তুলে রক্ষা করার চেষ্টা করি।
*কিন্তু জগত-সময়-পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়ে চলেছে সবসময়। পাঁচিলের বাইরে থেকে তার প্রভাব পড়ে ভেতরেও। ফলে নিরাপত্তা হয়ে ওঠে নড়বড়ে। ভয় ওঠে মনে : রক্ষা করতে পারবো তো?*

মূলাধার থেকে মনকে জপের সাহায্যে আজ্ঞাচক্রে উঠিয়ে কিভাবে এর সমাধান করা যায় *এ নিয়ে আগের পোস্টে বলা হয়েছে।আরেকটা পথ আছে, সাক্ষীভাব।* ভয়ভাবকে সরাসরি দেখা।কিন্তু এটাও সাময়িক যদিনা *দীর্ঘ সাধনায় নিজের চেতনাকে আজ্ঞাচক্রে স্থিত রাখতে পারি।*
এর সমাধানে শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন *"মায়াকে চিনতে পাড়লে মায়া পালিয়ে যায়।"*
কিভাবে চিনবো? *ভয় কি মায়া? দেখা যাক।*

*মনে ভয় হলেই আপনি ঘাবড়ে যান। কিন্তু কখনো একে বিশ্লেষণ করে দেখেছেন? আপনার ভয়ের কারণ কি বাস্তব না কল্পনা? কাল্পনিক ভয়ে ভীত নন তো আপনি? মানুষের অধিকাংশ ভয়ই যে কাল্পনিক এ-কথা বিশদভাবে আমরা আলোচনা করেছি বিভিন্ন বইয়ে। আগ্রহী পাঠক দেখতে পারেন "আনন্দময় জীবনের পথ" বইটি(পৃঃ ৫৪-৬)। আপনার অধিকাংশ ভয়ই কাল্পনিক।*
অতীতের কোনো ভীতিজনক পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করুন। কি ভেবে, কি আশঙ্কা করে ভয় হয়েছিল আপনার? ঐ আশঙ্কা কি মন-গড়া ছিল? *কিছূদিন আগে "পুলিশের সমস্যা" নিয়ে আলোচনায় দেখেছিলাম যে চাকরি গেলে তার যে ভয় সেটা অমূলক কারণ অনেক নতুন চাকরি আছে যেখানে তার মতো লোক চাওয়া হচ্ছে। তার আগে বলেছি সঞ্জনার কথা। কিভাবে এক তরুণী মা তার শিশুকন্যাকে নিয়ে পতিগৃহ ছেড়ে চলে এসেছিল।*

মানুষের এক বড় সমস্যা-- সে অন্যের সমস্যাকে ছোট ভেবে নিজের সমস্যাকে বিরাট বলে ভাবে এবং কোন-না-কোন অজুহাতে নিজেকে justify করে। *কিন্তু প্রশ্ন : এটা করে আপনি কি উপকৃত হচ্ছেন? এমন তো নয় যে মনের গভীরে চাইছেন অন্য কেউ আপনার সমস্যা মিটিয়ে দিক, আপনি নিজে পদক্ষেপ নিতে চাইছেন না !!!*
অথবা পুরনো চিন্তার পিছুটান আপনাকে বাঁধা দিচ্ছে নতুনভাবে দেখতে ও কাজ করতে ?

*শুরু করুন ভয়কে দেখতে, বিশ্লেষণ করতে। ঠাকুর যেমন বলেছেন, মায়াকে দেখা।*
চিন্তা করুন, *কেন ভয় পাচ্ছেন? আপনার মনে কি-কি আশঙ্কা? এবার প্রতিটি আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন তুলুন : সত্যিই কি তাই?*
অনুভব করতে পারবেন যে আপনার এই ভয়ে কাল্পনিক। বুঝবেন যে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব আপনার পক্ষে।
*পরীক্ষা করে দেখুন। ভয়কে বিশ্লেষণ করুন।*
_ঠাকুরের দেওয়া পদ্ধতির প্রয়োগ করতে পারেন।_
*~~~~~~~~~🌻~~~~~~~~~~~~*

02/05/2026

*○○○○🌻সাতচক্র ও মন🌻○○○○*
*===========🕉️===========*
_*✍️স্বামী সোমেশ্বরানন্দ*_
*=============================*

এই লেখাটি পড়ার সময় *আপনার শরীরের কোন অংশে মনকে বেশি অনুভব করছেন? আপনার চেতনা কোথায় বিশেষ সক্রিয়? কপালে? হঠাৎ কোনো পয়েন্ট ভুলে গেলে কি করেন? চোখ বন্ধ করে নিজের কপালে, সঠিকার্থে দুই ভ্রূর মাঝে, মনকে একাগ্র করেন। তাই না? এই জায়গাকে যোগীদের ভাষায় বলা যায় আজ্ঞাচক্র। ইচ্ছাশক্তি প্রয়োগের সময় আপনি এখানে যেন চলে আসেন।*
আর যখন নিজের শিশুকন্যার সাথে গল্প করেন বা পুজোর ঘরে একা বসে ঠাকুরের দিকে তাকিয়ে থাকেন কিংবা বাইরে মেঘলা দিনে প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে থাকেন, *তখন মনটা কোথায়? বুকে, সঠিকার্থে হৃদয়ে।* তাই না? ভালবাসা, ভক্তি, সৌন্দর্য ইত্যাদি গভীরভাবে অনুভব করলে *আপনি বলেন "মনটা ভরে গেল" বা "বুকটা জুড়িয়ে গেল"।এই জায়গাকে বলা যায় অনাহত চক্র।*
এবার কল্পনা করুন যে *আপনি একটা ২০তলা উঁচু বাড়ির ছাদে রয়েছেন(visualise করুন) একা।এখন কল্পনায় ছাদের কার্নিসে উঠে নীচের দিকে তাকান। ভয়ে করছে? কি অনুভব হচ্ছে শরীরে? মেরুদণ্ডের একেবারে নীচের অংশে সিড়সিড় করছে? দুই হাঁটু কাঁপছে? অর্থাৎ আপনার মন যেন বেশি সক্রিয় মেরুদণ্ডের নীচে, যোগীদের ভাষায় যা মূলাধার চক্র।*
এ-রকম কামভাবে লিঙ্গস্থান বা *স্বাধিষ্ঠান*, রাগ বা ক্রোধের সময় নাভির কাছে *মণিপুর চক্র* বেশি সক্রিয় হয়। অর্থাত শরীরের ঐ ঐ অংশে আপনি মনকে কেন্দ্রীভূত বলে অনুভব করেন। তাই না?
শাস্ত্রীয় গান গাওয়ার সময় বড়বড় গায়কদের চোখ বন্ধ থাকে কেন? ঐ সময় তাঁরা গলাতে এক বিশেষ স্পন্দন অনুভব করেন। ভাল বক্তা বা বাগ্মীদেরও এমন feeling হয়। এই জায়গাকে বলে *বিশুদ্ধ চক্র।*•••আপনি যখন ধ্যানের গভীরে যান, মন একেবারে শান্ত, অতীত বা ভবিষ্যতের কোনো চিন্তা নেই, তখন কেমন অনুভব করেন? আপনি আছেন এক সত্বা হিসেবে, নাম-দেহ-পরিচয়ের উর্ধে শুধু চেতনা হিসেবে। এই অনুভব হয় যেখানে সেটা *সহস্রার চক্রের কাছে।*

তাহলে দেখা গেল *মূলাধারে ভয়, স্বাধিষ্ঠানে কাম (শুধু s*x নয়, কামনা অর্থাৎ লোভ), মণিপুরে রাগ, অনাহতে প্রেম, বিশুদ্ধে সৃজনীশক্তি, আজ্ঞায় ইচ্ছাশক্তি, সহস্রারে আত্মবোধ। আপনার মন যে স্তরে বা চক্রে থাকে সে-রকম অনুভব হয়। নিজের চেতনা কোথায় রয়েছে, বোঝা যায়।*
সাধনার দ্বারা দুই রকম পরিবর্তন আপনি আনতে পারেন। *এক*, প্রথম 3টিতে নেগেটিভকে পাল্টাতে পারেন পজিটিভে। যেমন মূলাধারে ভয়ের বদলে অস্তিত্ব রক্ষা। ভয়ের সময় মানুষ নিজের স্থিতি নাশের আশংকা করে। এই স্থিতি দৈহিক বা মানসিক বা আর্থিক-সামাজিক-পরিবারিক নানা রকম হতে পারে। সাধনার দ্বারা এই স্থিতিকে রক্ষা করা যায়। *দুই*, মনকে এই চক্র থেকে উপরের কোনো চক্রে নিয়ে গিয়ে চেতনার অন্য মাত্রায় নিজেকে রূপান্তরিত করতে পারেন।
নানারকম সাধনা এ-বিষয়ে শেখানো হয়েছে বিভিন্ন শাস্ত্রে। এর বিস্তারিত আলোচনা না করে *আমরা এখানে কয়েকটি সাধনা দেখবো ঠাকুর ও মায়ের উপদেশ থেকে।*

*শ্রীশ্রীমা জপ করার উপদেশ দিতেন প্রায়ই। কেন? জপ করতে ইচ্ছাশক্তি প্রয়োগ করতে হয় বারবার বা ক্রমাগত। মুখে জপ ও মানসনেত্রে ইষ্টরূপ দেখা, খুব সহজ নয়। তাছাড়া কিছুক্ষণের মধ্যেই একঘেয়ে ভাব আসতে পারে। ইচ্ছার প্রয়োগ করলে আপনার মন উঠে যাবে আজ্ঞাচক্রে। ফলে ভয়-কাম-রাগ ও অন্যান্য নেগেটিভ ভাব চলে যাবে। সাথেসাথে এই ইচ্ছাশক্তিকে কোনো ভালদিকে লাগাতে পারবেন।*
মা আরেকটা কথা প্রায়ই বলতেন *--- নির্বাসনা হওয়া। এটার জন্য দরকার মনকে সহস্রারে নিয়ে যাওয়া। এ সম্ভব ধ্যানের মাধ্যমে, ধ্যানের গভীরে যখন চিন্তা ও ভাব (thoughts & feelings) থেমে গিয়ে আমি-চেতনা রয়েছে শুধু।*
এভাবে মা জপ ও ধ্যানের উপরে জোর দিতেন গুরু হিসেবে।
কথামৃতে দেখি যে ঠাকুর সাধারণত ভক্তির কথা বলে অহঙ্কার ত্যাগ ও ঈশ্বরের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বলতেন অনেকে। *আত্মসমর্পণের জন্য মনকে নিয়ে যেতে হবে অনাহত চক্র বা হৃদয়ে। নীচের চক্র থেকে উপরে উঠে আসা। আর অহঙ্কার ত্যাগ সম্ভব ধ্যানের গভীরে যখন আমি-চেতনা রয়েছে নাম-দেহ-পরিচয় ছাড়া। অর্থাত মা যে অবস্থাকে নির্বাসনা বলেছেন।*

কিন্তু যারা সাধনার অতো গভীরে না গিয়ে শুধু নেগেটিভ মানসিকতা দূর করতে চান? *মা এখানে একটা পথ দেখিয়েছেন। তাঁর কথা "সবসময় মনে রাখবে আমার একজন মা আছেন" যখনই ভাবেন আপনি, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আপনার মনে সাহস আসে (ভয় দূর)। লোভ এবং রাগও বাঁধা পায়। তখন আপনি উঠে যাচ্ছেন অনাহত চক্র বা হৃদয়ে।*

৭টি চক্রে মনের ওঠা-নামা এবং ঠাকুর ও মায়ের সাধন-উপদেশের রহস্য, এ নিয়ে সংক্ষেপে আমরা আলোচনা করলাম আজ। *এই রহস্য নিয়ে বিশদ আলোচনায় বিভিন্নদিক উঠে আসবে সাধন জগতের। জ্ঞান-ভক্তি-যোগ-কর্মের সমন্বয়ের সাথে বিভিন্ন প্রকৃতির মানুষের জন্য তাঁরা দিয়ে গেছেন আধ্যাত্মিক সাধনার বিশাল দিগন্ত।*
*~~~~~~~~~🌻~~~~~~~~~~~~*

15/04/2026

🌸✨ শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ ✨🌸
নতুন বছরের নতুন সূচনা হোক আনন্দ, শান্তি আর সমৃদ্ধিতে ভরা 🙏
জীবনের প্রতিটি দিন ভরে উঠুক সুখ, ভালোবাসা আর আশীর্বাদে ❤️
এই পয়লা বৈশাখে আপনাদের ও আপনাদের পরিবারের সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 🌼
শুভ হোক নতুন বছর, মঙ্গলময় হোক প্রতিটি মুহূর্ত।
🌺 পয়লা বৈশাখের প্রীতি ও শুভেচ্ছা 🌺

27/03/2026

চৈত্র মাসের শুভ নবমী তিথিতে (রাম নবমী)
মা দুর্গার আশীর্বাদ সবার জীবনে শান্তি ও শক্তি বয়ে আনুক 🙏

এই পবিত্র দিনে আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম
বারাণসীর পবিত্র দুর্গা কুণ্ড মন্দিরের দর্শন ❤️

কাশীর এক অলৌকিক মন্দির 🔱
Durga Kund Mandir 🙏
মনে হবে মা নিজেই এখানে উপস্থিত…

বারাণসীর এই মন্দিরটা শুধু একটা মন্দির নয়…
এটা এক অনুভূতি… এক অলৌকিক শক্তির স্থান… 🙏
Durga Kund Mandir-এ এসে সত্যিই মনে হয়…
মা দুর্গা যেন নিজের উপস্থিতি অনুভব করাচ্ছেন… ❤️
মন্দিরের পাশে পবিত্র কুণ্ড,
শান্ত পরিবেশ আর ভক্তির এক অপূর্ব অনুভূতি…
যদি কখনো কাশী যান…
এই জায়গাটা একবার অবশ্যই দর্শন করবেন…
👉 পুরো ভিডিওর লিংক কমেন্টে দিলাম (Pinned)
দেখে জানাবেন কেমন লাগলো…

24/03/2026

🌼 নাম জপ করতে গেলেই কেন ঘুম আসে? আসল কারণটা কী? 🌼

আমরা অনেকেই লক্ষ্য করি—যেই আমরা ভগবানের নাম জপ, ধ্যান বা ভজন করতে বসি, অদ্ভুতভাবে চোখে ঘুম নেমে আসে। অথচ একই মন ঘণ্টার পর ঘণ্টা টিভি দেখা, গল্প করা বা অন্য কাজে জেগে থাকতে পারে!

আসলে এটা শুধু শরীরের ক্লান্তি নয়, এটা আমাদের মনের একটি সূক্ষ্ম পরীক্ষা। যেখানে আমাদের সত্যিকারের টান বা ভালোবাসা নেই, সেখানে মন টিকে থাকতে চায় না। তাই ভজনের সময় ঘুম আসার আসল কারণ হলো—ভগবানের প্রতি আমাদের “রস” বা গভীর আগ্রহ এখনো পুরোপুরি জাগ্রত হয়নি।

যে কাজের মধ্যে আমাদের আনন্দ থাকে, সেখানে কি কখনো ঘুম আসে? না। তাই সমস্যা ঘুম নয়, সমস্যা হলো ভক্তির অভাব।

🌿 তাহলে করণীয় কী?
যেমন মানুষ অর্থের জন্য রাত জেগে কাজ করতে পারে, তেমনই যদি আমরা ভগবানের সঙ্গে মিলনকে জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান লক্ষ্য করি, তাহলে ধীরে ধীরে এই আলস্য কেটে যাবে।

এর পাশাপাশি শরীরকেও প্রস্তুত রাখা জরুরি—
✔️ পেট পরিষ্কার ও হজম ঠিক রাখা
✔️ শরীর সুস্থ রাখা
✔️ পর্যাপ্ত ঘুম নেওয়া

কারণ এই শরীরই আমাদের সাধনার বাহন।

🔥 সবচেয়ে বড় উপায়—হঠ ও নিয়মিততা
শুরুতে মন ও শরীর দুটোই বাধা দেবে। কিন্তু যদি দৃঢ় সংকল্প নিয়ে প্রতিদিন নাম জপ চালিয়ে যান, ধীরে ধীরে ভগবানের প্রতি প্রেম জাগবে। আর একবার সেই প্রেম জেগে উঠলে—ঘুম ও আলস্য আপনাকে ছুঁতেও পারবে না।

💭 শেষে একটা প্রশ্ন নিজেকে করুন—
আমরা কি আমাদের আধ্যাত্মিক জীবনের প্রতি ততটাই গুরুত্ব দিচ্ছি, যতটা দিচ্ছি অর্থ, বিনোদন বা অন্য কাজকে?

যদি উত্তর “না” হয়, তাহলে বুঝতে হবে—এই ঘুম শরীরের নয়, মনের।

🙏 ধৈর্য, নিয়ম এবং আন্তরিকতা—এই তিনেই লুকিয়ে আছে ভক্তির আসল শক্তি।

✍️ এই লেখাটি প্রেমানন্দ মহারাজের বাণী থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নতুনভাবে রচিত।

20/03/2026

Kashi Vishwanath

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Howrah?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Howrah