Ulkada
উলকাদা উত্তর লক্ষ্মী কান্ত দাস ।
20/04/2026
মধ্যরাতে ।
খন্ডগ্রস্ত খন্ড ত আজও মারে উঁকি,
ভাতে পাতে ধাতে মৎস্য তবু আছে তার ঝুঁকি।
বর্ণ থেকে অন্তঃস্থ অ
বিসর্গ তুলে
বাঙালি তার হর্ষ ও দুঃখ
লিখতে গিয়েছে ভুলে ।
Happy New Year
2026
শিরোনাম:- চিনে চিনতে ।
কলমে :- লক্ষ্মী কান্ত দাস ।
২৭.১২.২০২৫.
চিনে চিনতে তবু বাকি আছে
অনেক মানুষ জন ,
সবাই কিন্তু মানুষ ভালো
আছে কিছু মন্দ মন ।
ইচ্ছে করেই মাত্রা ছাড়াই
হতেই যে মাত্রা ছাড়া
মধ্যরাতের ঘুম ছুটিয়ে
জাগাই আমার পাড়া।
জগাই মধাই নদে মাতাল,
তাল মাত্রা জ্ঞান জানা ,
হরিনাম করে অন্ধ কানাই
আমরা চাক্ষুষ কানা ।
শান্ত সমাজ শান্তির সমাজ ,
শান্তির ছেলেরা বলে ,
বেয়াড়া বেবুশ্য পেঁয়াজ খোঁজে ,
বাবুমন গলে গেলে ।
শান্ত কলোনি টনক নড়েনা
চটকের তাবেদারী
কেউ জাগ্রত মরা ঘুম ঘুমে
ঘুম যে ভাঙেনা তারি ।
গল্প – ব্যাখ্যার অতীত
কথনে :- লক্ষ্মীকান্ত দাস
২৭.১২.২০২১
তো একদিন হলো কি চার পাঁচ জন একজায়গায় বসে আছি , বিকেল তাড়াতাড়িই গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে নামবে করছে , শীতের সন্ধ্যে , আজও বেশ জাঁকিয়ে হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় নামবে বলে মনে হচ্ছে গ্রামবাংলায় , খেলার মাঠের পাশে , মাথায় বুদ্ধি এলো শীতের রাতে গরম গরম খিচুড়ির পিকনিক হলে কিরকম হয় , ব্যাস যেমন কথা তেমনি শুরু হয়ে গেল কাজ , কি কি লাগবে মনে মনে ফর্দ হয়ে গেল , চাল ডাল তেল এসব কে কে দেবে , ডিম কে আনবে , কয়লায় আঁচ দেওয়া উনুন কে আনবে , ঠিক হলো বিল্টুর চালাঘরে সন্ধ্যেয় ফিস্ট , সবাই তৎপর হয়ে দায়িত্ব মতো জোগাড়ের কাজে লেগে গেলো , সবাই কিন্তু ফাঁকতালের অপেক্ষায় আছে , যে যা দেবে বলেছে , তা আদতে তাকে বাড়ির লোকের আড়ালে ঝেড়ে দিতে হবে , তবে তক্কে তক্কে থেকে তারা আগেও কয়েকবার সফল হয়েছে , এবার মনের জোরে লেগে পড়লো , বিল্টুর ভাগে সব্জি পড়েছে কিন্তু ঘরে এসে দেখলো আলু ছাড়া আর কিছু নেই , নতুন আলু খান দোষ পনেরসে হাতালো , কিন্তু ফুলকপি , টম্যাটো , বেগুন সে কিছুটি পেলো না , মনে মনে সেজ কাকাকে গালমন্দ করলো , বেটা চামার চাষের জিনিষ একটা ঘরে রাখেনা সবই বেচতে হয় , এখন উপায় , জমির দিকে গিয়ে দেখলে হয় কিছু যদি পাওয়া যায় , কিন্তু অন্ধকার নেমেছে ,জমির দিকে সন্ধ্যের পর গেলে গা ছমছম করে , হাওয়া বাতাস লাগে , তাই এদিকটাতে কেউ বড় একটা আসে না , তবে হ্যাঁ , বুনোর দিশি চুল্লুর ঠেকে যারা যায় তারা রোজই যায় , ওদের ভয়ডর কিছু নেই , কিন্তু সব্জি না হলে সন্ধ্যের খিচুড়িটা মাটি হবে , সবাই তাকে ধরে পেঁদাবে , বলবে তোর জন্য সব পণ্ড , যাইহোক সাহস করে রাস্তার দিকে এলো , দেখি কাউকে একটা সঙ্গে করে মাঠের দিকে যেতে হবে , বাইরে এসে দেখলো বাবু দাঁড়িয়ে , কিন্তু বাবু তো দলে নেই , আর ও এখন এখানে কেন ? ও তো মামার বাড়ি থাকে , ওখানে ইস্কুলে পড়ে , সে যাই হোক , ওকেই সঙ্গে নিয়ে চলি , ওদের বাগান থেকেই দুটো ফুলকপি , দুটো তিনটে বেগুন আর সেজকাকার জমি থেকে , টমেটো আর কাঁচালঙ্কা নিয়ে আসলেই রাতের ফিস্টি জমে যাবে , ওকেও কিন্তু ডাকতে হবে ফিস্টিতে ,
সে না হয় একজনের খাবার হয়ে যাবে ,
কিন্তু যাবার সময় মাঠের দিকে কেমন গা ছমছম করে উঠলো বিল্টুর , বাবু বললো চল না আমি তো আছি , ভয় কি ? মনে হলো কাদের একটা বউ মানুষ গায়ে মাথায় চাদর ঢাকা দিয়ে হনহন করে মাঠের দিকে হেঁটে চলে গেল , কিন্তু এই সন্ধ্যের কে ওদিকে গেল বউ মানুষটা , ও সে যাকগে , ভেবে লাভ নেই , এখন বাবুর সঙ্গে কোনরকমে ফুলকপি বেগুন আর টমেটো নিয়ে চালায় হাজির হওয়াটা বড় কথা , চ চ তাড়াতাড়ি কর বাবু বলে তাকে সঙ্গে করে দরকারি জিনিষ ফিরে ফিরছে বিল্টু , প্রায় মাঠের শেষে ঘরের কাছে রাস্তায় চলে এসেছে বিল্টু , এমন সময় বাবুকে কে যেন ঠান্ডা গলায় ডাকলো , বাবু এসেছিস , হ্যাঁ মা , এই বলে বাবু বিল্টু তুই যা আমি পরে আসছি তোদের চালাঘরে , খিচুড়ি রাখবি কিন্তু । বলেই সে যেন একছুটে কুয়াশার মধ্যে মিলিয়ে গেল । কে এখন বাবুকে ডাকলো আর কেনই বা ও এভাবে আসছি মা বলে প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেল , ওর মা তো অনেকদিন আগেই মারা গেছে , তবে কি যারা মারা যায় তারা কি ফাঁকা মাঠের এদিকটায় চলে আসে , তাই কি গা ছমছম করে এদিকটায় এলে ।এসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে বিল্টু হাজির হল খিচুড়ির চালাঘরে , হৈ হৈ করে খিচুড়ি বেগুনভাজা ডিম ভাজা হলো , বিধবা চুনিমাসীকে তারা ডেকে এনেছে রান্না করে দেবার জন্য , মাসি পাঁচবাড়ি রান্না করেই নিজের পেট চালায় , ছেলেপুলে নেই বলে এই ছোটদের অনেক আদর- আবদার চুনি মাসী রাখে ।
খেতে বসার সময় কিন্তু ফিস্টির হুজুগে বাবুর কথা বেমালুম ভুলেই গিয়েছিল , ও যে খিচুড়ি খেতে আসবে বলছে সে কথা বলতেই মনে নেই বিল্টুর , সবার পেতে খাবার পড়ে গেছে , হঠাৎ বিল্টুর খেয়াল হলো বাবু খাবে বলছিল খিচুড়ি ,তা তো রাখতে ভুলে গেছে , তাই সে উঠে একটা পাতা নিয়ে তার জন্য ভাগের অর্ধেকটা খিচুড়ি বেগুনভাজা রেখে দিলো , , সবাই জিজ্ঞেস করলো কিরে বিল্টু কার জন্যে খাবার রাখছিস , বিল্টু একটু রহস্য করে বললো , দেখ না আমরা খেতে খেতে সে ঠিক এসে পড়বে , কিন্তু সবার খাওয়া হয়ে গেল ,বিল্টু ফাঁপরে পড়লো , এবার কি করি খাবার নিয়ে , সবাই তো চলে যাবে , এদিকে বেশ খানিকটা রাতও হয়েছে , বাড়ির লোক এসব কান্ড চোখে দেখলে বেজায় মার কপালে আছে , তাই রহস্য না করে চুনি মাসীকে , সব বললো , চুনি মাসী সবাইকে বাড়ি চলে যেতে বলে বাবুর খাবারটা কলাপাতায় ঢেকে রেখে বললো চ বিল্টু তোকে বাড়ি পর্যন্ত দিয়ে আসি , চুনি মাসী তাকে প্রায় জড়িয়ে ধরে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে , কেমন যেন হাঁপাচ্ছে , কি হলো চুনিমাসীর , বাড়ি সবাই এগিয়ে এসেছে , চুনি মাসী চোখ বড়ো বড়ো করে বললো তোমাদের বিল্টু তো ভূতের সঙ্গে মাঠ থেকে ঘুরে এসেছে , ওই মীনার ব্যাটা বাবু ও তো আজই দুপুরে সদরের একটা হাসপাতালে মরেছে গো , ওর বাপটা তো দুকুরে গেল সেথা , আর বিল্টু কিনা সেই বাবুর জমিতে ওর সঙ্গে সন্ধ্যের পর কপি আনতে গেছল , কি কান্ড বলতো , আবার সে নাকি খিচুড়ি খেতে আসবে বলেছে বাবুকে , ভাগ্যিস খিচুড়িটা রেখে এসেছিস নাহলে দেখতিস ওই বাবু রোজ চালাঘরে আসতো খিচুড়ির খোঁজে । দেখবি কাল সকালে খিচুড়িটা আর নেই ও ঠিক খেয়ে যাবে ,
সত্যি পরদিন সকালে সবার সঙ্গে গিয়ে দেখেছিল সত্যিই খিচুড়িটা কিছুতে চেটেপুটে খেয়ে গেছে , সেটা বাবু খেয়েছে নাকি পাড়ার কোন কুকুরে খেয়েছিল , সেটা সঠিকভাবে বলাটা এতদিন পরে আজও বস্তুবাদী বিল্টুদার কাছে কঠিন ব্যাপার ,... তবুও তো ঘটনাটা যে ঘটেছিল ,স্মৃতিতে বড্ড দগদগে হয়ে আছে ,আজও বিল্টুটা ভাবে , আমাদের অতীন্দ্রিয় জগৎটা কি বাস্তবের এতটা কাছাকাছি থাকে ?
30/10/2025
With Lakshmi Kanta Das – I'm on a streak! I've been a top fan for 4 months in a row. 🎉
শিরোনাম :- আমার চাঁদের বাড়ি
কলমে :- লক্ষ্মীকান্ত দাস
১১.১০.২০২৫
ও আমি চাঁদের বাড়ি
কাটাবো আজ রাত ,
আলোর জোয়ার গায়ে
মেখে হবো কুপোকাত ।
যে জন ভয়ে সাথ দিল না ,
থেকে গেলো ঘরে ,
সে জন বন্ধু বুঝলো না রে
মনের মতন মরে ।
বন্ধু রে হায় বন্ধুর বাড়ি
আইতে যাইতে নেইরে গাড়ি,
না লাগে ভাই কানাকড়ি
কেবল কুলকে হয় রে ছাড়ি।
কালি চাঁদের লাগুক না গায় ,
আজ আমারে ধরা কে পায় ,
যদি রাতেও চাঁদ ডুবে যায়,
তবুও যে দোষ দিব না তায়।
10/09/2025
With Ratan Bhattacharjee – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Howrah
৭১১৩০২