Innsaf
চলো প্রভুর পথে।
12/03/2025
™§~~~~
হৃদয়ের কোমলতা, আত্মার মাধুর্য, কারও চোখের উষ্ণতা—এগুলো কখনো ফিকে হয় না, কখনো বয়সের ছাপ পড়ে না, কখনো আকর্ষণ হারায় না। তবুও, আজকের সমাজ মানুষের মূল্য নির্ধারণ করে গায়ের রং, সম্পদ আর বাহ্যিক চাকচিক্যের উপর ভিত্তি করে, ভুলে যায় যে সময় কাউকেই ছাড় দেয় না।
একদিন যে উজ্জ্বল মুখ সৌন্দর্যে ভরা ছিল, তা কালের সাথে ম্লান হয়ে যাবে। কিন্তু একটি সুন্দর হৃদয়? এটি চিরকাল অমলিন থাকে। ভালোবাসা, সহানুভূতি আর মমতার সৌন্দর্য কখনো পুরোনো হয় না—এগুলো এমন সম্পদ, যা টাকা দিয়ে কেনা যায় না। কিন্তু আজ মানুষ সাময়িক সৌন্দর্যের পেছনে ছুটছে, সত্যিকারের ভালোবাসার মূল্য দিচ্ছে না। তারা মুখের রূপে মুগ্ধ হয়, কিন্তু সেই হাসির আড়ালে লুকানো কষ্ট দেখতে পায় না। তারা ধন-সম্পদের কদর করে, কিন্তু একটি বিশুদ্ধ আত্মার মূল্যায়ন করে না।
কতবার আমরা দেখেছি, হৃদয়ের সৌন্দর্য যার মধ্যে আছে, সে অবহেলিত হচ্ছে, আর যাদের বাহ্যিক চাকচিক্য আছে, তারা প্রশংসিত হচ্ছে? আমরা কতবার কারও বাহ্যিক রূপ দেখে বিচার করেছি, বুঝতে পারিনি যে সত্যিকারের সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে তার ব্যবহারে, তার ভালোবাসায়, তার মানবিকতায়?
একদিন, যখন আয়না আর প্রশংসা করবে না, দামি প্রসাধনী যখন আর বলিরেখা ঢাকতে পারবে না, যখন টাকা হারিয়ে যাবে সময়ের সাথে, তখন মানুষ বুঝবে—সৌন্দর্য কখনো চেহারায় ছিল না, সৌন্দর্য সবসময় হৃদয়ের গভীরে ছিল। কিন্তু তখন কি সেই উপলব্ধি দেরিতে আসবে?
তাই আসুন, আমরা বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে আত্মার সৌন্দর্যকে বেশি মূল্য দিই, নিখুঁততার চেয়ে ভালোবাসাকে বেছে নেই, বিলাসিতার চেয়ে মানবিকতাকে গুরুত্ব দিই। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষ মনে রাখবে না গায়ের রং, দামি পোশাক, কিংবা অর্থ-সম্পদ, বরং মনে রাখবে আমাদের ভালোবাসা, আমাদের সহানুভূতি, আমাদের ছোঁয়া যা অন্যের জীবন বদলে দিয়েছে।
22/01/2025
ভুল থেকে শিক্ষা নিন🔥🔥
১।"আমি পারবো না"-> আপনি কতবার চেষ্টা করে নিশ্চিত হয়েছেন যে আপনি পারবেন না?😡
২।"আমার দ্বারা সম্ভব নয়"-> কে আপনাকে নিশ্চয়তা দিয়েছে যে আপনার দ্বারা আর সম্ভব নয়?
৩।"সব শেষ হয়ে গেছে"-> আপনি শুরুটা কোথায় দেখলেন যে শেষ বলছেন?
৪।"অনেক সময় চলে গেছে"-> কোন ঘড়ির কাঁটা জানান দিচ্ছে যে সময় চলে গেছে?
৫।"আমার কেউ সাহায্যকারী নেই"-> সবাই নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত,কার এত সময় আছে যিনি আপনাকে সাহায্য করবে.....?
৬।"আমি অনেক কষ্টে আছি"-> একজন মানুষের নাম বলুন যিনি বলেছেন আমি আরামের ভেতর থেকে সফল হয়েছি!
৭।"অনেক টাকার দরকার"-> টাকা হাতে নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে এমন একজনের নাম বলুন ! নিজের টাকা নিজের চেষ্টাতেই অর্জন করে নিতে হয়- পরের টাকায় সাহায্য হতে পারে,কিন্তু বড় হওয়া যায় না!
৮।"আমাকে দেখতে খারাপ"-> ভালো চেহারা না হলে বড় হওয়া যায় না- এমন নিশ্চয়তা কোথায় পেলেন?
৯।"আমার কপাল টাই খারাপ"-> কোন আয়নায় দেখেছেন? সেখানে কপালে কি লেখা আছে তা কি পড়তে পেরেছেন?
১০। "আমি হতাশায় ভুগছি"->হতাশা থেকে কতবার বেরোতে মরিয়া চেষ্টা করেছেন.....?
নিজের হাতেই নিজেকে গড়েছেন এখন আবার নিজেকেই বলছেন "কেন এমন হল !"
কেন আপনার মনের মতো করে সব কিছু হয়নি তা কি কখনও ভেবেছেন....? নিজের মনের ভিতরে এক নিষ্ঠ ভাবে আত্ম মন্থন , আত্ম সমোলোচনা করেছেন...? যদি ভেবে থাকেন তাহলে এটাও নিশ্চিত বুঝতে পারবেন "নিজের হাতেই নিজেকেই আবার গড়তে হবে- নতুন করে- নতুন ভাবে জেগে উঠতে হবে, আর সময়ের অপচয় করা যাবেনা এই পৃথিবীতে নিজের কি অবদান রেখে যাবেন।
তাহলে আবার শুরু থেকেই প্রারম্ভ করুন।
বিগত দিনের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে !!!
চেষ্টা করুন ইনশাআল্লাহ!🌸
৮৮ বছর বয়সের চার্লি চ্যাপলিন- আমাদের জন্য চারটি গুরুত্বপূর্ণ কথা রেখে গেছেন।
১) জগতে কোনো কিছুই চিরস্থায়ী না। এমনকি আমাদের সমস্যাও না।
২) আমি বৃষ্টিতে হাঁটি যেন কেউ আমার অশ্রু দেখতে না পায়।
৩) যেদিন হাসলাম না সে দিনটি নষ্ট করলাম। দেহের য"ন্ত্র'ণা থেকে তাই মুখের ঠোঁটকে সবসময় আলাদা রাখি।
৪) জগতে সবচেয়ে ভালো ছয় জন ডাক্তার হলোঃ
সূর্য,
বিশ্রাম,
শরীর চর্চা,
পরিমিত খাবার,
আত্ম মর্যাদা এবং
বিশ্বস্ত বন্ধু।
এই ছয় ডাক্তারের সাথে সুসম্পর্ক যার, সুন্দর শরীর আর দেহ মন তার।তুমি যদি চাঁদের সৌন্দর্য্য দেখো, তবে স্রষ্টার সৌন্দর্য্য কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারবে।যদি তুমি সূর্য দেখো, তবে মহাপরাক্রমশালী বিধাতার ক্ষমতার নিদর্শন একটু হলেও বুঝতে পারবে।
আর তুমি যদি আয়নায় নিজের চেহারার প্রতিফলন দেখো, তবে ঈশ্বরের সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি তুমি দেখতে পাবে।
আমরা সবাই যার যার গন্তব্যের পথে অভিযাত্রী। স্রষ্টা এই যাত্রাপথের মহাপরিকল্পনাকারী। কারো যাত্রা শুরু হচ্ছে, কারো যাত্রা শেষ হয়ে যাচ্ছে। মহাকালের হিসাবে এই যাত্রাপথ খুবই ক্ষণস্থায়ী ভাই। আজ আছি কাল নাই। ঘৃ^না য় সময় নষ্ট না করে তাই, এই যাত্রাপথটুকু ভালোবাসা দিয়েই উপভোগ করে যাই।
#সংগৃহীত
ধোকার নীতি (অর্থনীতি, রাজনীতি)
সিগারেট কোম্পানি তাদের প্যাকেটে লিখে- ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাদের উদ্দেশ্য এটা নয় যে - মানুষ ধূমপান করা ছেড়ে দিক। বরং সিগারেট বিক্রির প্রচারনায় বহু কর্মচারী নিয়োগ দেয়। বহু নাটক, সিনেমায় স্পন্সর করে যেখানে ধূমপানের দৃশ্য থাকে যাতে মানুষ আকৃষ্ট হয়।
এখানে একটা চতুরতা হলো- যেহেতু কোম্পানি জানিয়ে দিয়েছে ধূমপান ক্ষতিকর, ক্যান্সার হতে পারে সেহেতু দীর্ঘদিন ধূমপান করে কেউ অসুস্থ হয়ে মারা গেলে ওরা কোন ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নিবে না, তাদের উপর মামলা বা জরিমানা হবে না।
এখন প্রশ্ন হল- এভাবে জেনেবুঝে ধূমপান নামক বিষপানে আসক্ত হয়ে রোগে মারা গেলে আত্মহত্যা হবে কিনা?!
অপরদিকে বেশিরভাগ দারিদ্র্য দেশে অধিকহারে টেবাকোর কাচামাল তৈরি নিষেধ থাকায়- বিশ্বের বড় বড় কোম্পানিগুলো সরকারকে অধিক হারে ট্যাক্স দিয়ে গরিব দেশগুলো হতে প্রচুর মুনাফা করে থাকে। আর গরিবদেশে শ্রমিকের খরচ কম, অল্পমূল্যে সিগারেট তৈরি করা যেত!(এটা হারাম আমরা সবসময় এটার বিপক্ষে উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে)
আবার সরকার ধূমপান বিরোধী জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচারনায় (টিভিতে আ্যড, বিলবোর্ডসহ) শত কোটি টাকা ব্যয় করে। অন্যদিকে অসুস্থদের জন্য উন্নত হাসপাতাল, ঔষধের প্রয়োজন হয়- ওদের উপর ভিত্তি করে অনেক কোম্পানি কোটি কোটি টাকা মুনাফা করে।
অথচ শুধু সিগারেট উৎপাদন, আমদানী ও বিক্রি মন্দ করলেই হাজারো কোটি টাকা অপচয় রোধ করা যেত! যে অর্থায়নে দেশের দারিদ্র্যের উন্নয়ন করা যেত। চিন্তা করেন কারো একদিনের দিনের সিগারেটের খরচ হয়তো ২-৩ দিন গরিবরা পেটভরে খেতে পারতো।
আবার অনেক রাজনীতি দল/আলেম গনতন্ত্রকে হারাম বলে কিন্তু বর্তমানে এর দ্বারা ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন দেখায়। ওদের অভিমত- গনতন্ত্র হতে কুফরসহ ও খারাপ দিক বাদ দিলে রাজনীতি করলে সমস্যা নেই। অথচ আপনি গনতন্ত্র হতে কুফর জীবনেও বাদ দিতে পারবেন না, এই ক্ষমতা তাদের দেওয়া হয়নি।
ধূমপায়ী যেমন শখের বশে ২/১ বার ধূপমান করতে গিয়ে আসক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত আর্থিক ও শারীরিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। তেমনি গনতন্ত্রে একবার প্রবেশ করলে ধীরে ধীরে পরিপূর্ণভাবে এর আর্দশ ও প্রভাবে জড়িয়ে যাবেন যাতে ঈমান ও চারিত্রিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।
জেনে-বুঝে হারাম ধূমপানে আসক্ত হয়ে মারা গেলে দায়ভার ব্যক্তির নিজের। এটা অনেকটা আত্মহত্যার মত নয় কি! তেমনি জেনে-বুঝে হারাম গনতন্ত্রে প্রবেশ করে কুফর, শির্ক নীতিতে জড়িয়ে ঈমান হারা হলে দায়ভার তাদের!
আবার যেকোন বিষ/ধূমপান কেউ হালাল ভেবে খেলেও ক্ষতির সম্মুখীন হবে আর কেউ হারাম ভেবে গ্রহন করলেও ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। তেমনি গনতন্ত্রের ক্ষেত্রেও হালাল/হারাম যাই ভাবুন এতে জড়ালে ঈমান ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এখন ধূমপায়ী কেন জানলো না সিগারেট ক্ষতিকর যা প্যাকেটে লেখা আছে। নাকি অধিকাংশ নফসের প্রতারণায় হারাম ছাড়তে রাজি নয়। তেমনি গনতন্ত্র হারাম নিয়ে বহু ওয়াজ, পোস্ট, প্রচারণার পরও বর্তমানে জানে না বলা অধিকাংশ লোকেরা আসলে সত্য গ্রহন করতে রাজি নয়।
তাই গনতান্ত্রিক রাজনীতির পিছনে হাজার টাকা খরচ করে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হলো- সিগারেট আমদানী, বিক্রি বন্ধ না করে শুধু এর বিরোধী প্রচারণা ও হাসপাতাল গড়ে রোগ প্রতিরোধের ব্যর্থ চেষ্টার মতন। সিগারেট কোম্পানিগুলো যেমন প্রভাবশালীর ব্যক্তি/দেশের নিয়ন্ত্রনে। তেমনি গণতন্ত্রের নিয়মগুলোও প্রভাবশালী ব্যক্তি/দেশের প্রভাব থাকবেই।
খেয়াল করুন - ধূমপায়ীর সংখ্যা বাড়ছে না কমছে? এত ওয়াজ চলছে গণতন্ত্র মানতে গিয়ে ইসলাম আসছে না বরং মুমিনরা আজ ঈমানহারা হচ্ছে!
তাই হাজারো কোটি টাকা ব্যর্থ পথে খরচ করার চেয়ে আমাদের অর্থ, শ্রম, দাওয়াহ উত্তম পথে করা উত্তম!
16/10/2024
বাতিল হলো (৮) আট জাতীয় দিবস
জীবনের সমীকরণ এটাই!
যেদিন আপনি চাকরি হারিয়ে চোখের পানি মুচছেন, সেদিনও কেউ না কেউ চাকরিতে প্রমোশন পেয়ে দামি রেস্টুরেন্টে ট্রিট দিচ্ছে।
লাইফে কিছু একটা করতে না পারার কারণে যেদিন আপনাকে ছেড়ে কেউ একজন চলে গেছে, সেদিনও কোনো এক প্রতিষ্ঠিত ছেলের কাছে কয়েকটা মেয়ের বিয়ের বায়োডাটা এসেছে।
হাত পা গুটিয়ে বসে না থেকে সিরিয়াসলি এবার লাইফটাকে নিয়ে ভাবুন। আজীবন সময় দিয়েছেন নিম গাছের নিচে। আর এখন বলেন জীবন এত তিতা কেন?
দোষটা কার ছিল? যার কিছু নেই, তার কেউ নেই। ভাঙা সিন্দুকে কেউ টাকা রাখেনা, নষ্ট ঘড়ির কেউ যত্ন নেয়না। এই সিম্পল হিসেবটা কেন বুঝেননা?
আপনি যখন রাত জেগে দুনিয়ার হতাশা লিখে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে কমেন্টে সিমপ্যাথি আদায় করছেন, তখন হয়তো অপরপ্রান্তে কেউ রাত জেগে আউটসোর্সিং করছে। আপনি কমেন্টে প্রচুর সিমপ্যাথি পাবেন, আর সে পাবে একাউন্টে টাকা। হিসেবটা খুব সিম্পল- যে যেটার জন্য কাজ করেছে সে সেটাই পেয়েছে।
আপনি যখন স্টুডেন্ট লাইফে বাবার টাকায় বন্ধুদের সাথে মাস্তি করে দামি রেস্টুরেন্টে খেয়ে ফেসবুকে চেক ইন দিতেন, তখন আপনার কোনো এক বন্ধু ক্লাস এসাইনমেন্ট আর নোট নিয়ে ব্যস্ত ছিল। কয়েকটা বছর শেষে ফলাফল - সে এখন বড় কোম্পানির সিনিয়র অফিসার হয়ে যখন দামি রেস্টুরেন্টে অফিশিয়াল মিটিং করে, আর আপনি দুর্বল সিজিপিএ'র সার্টিফিকেট নিয়ে টঙের দোকানে চা খেতে খেতে চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজেন। এতটুকু পার্থক্যতো হওয়ারই কথা!
যে বয়সে লাইফটাকে আপনার জয় করার কথা,আপনি সে বয়সে করেছেন এনজয়। তাই যখন এনজয় করার সময় তখন বেকারত্ব জয় করতেই হিমশিম খাচ্ছেন; এনজয় তো অনেক দূরের বিষয়।
আপনার বন্ধু যখন বিসিএস ক্যাডার কিংবা ব্যাংক অফিসার হয়ে বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছে, আপনি তখন টিকে থাকার জন্য সামান্য একটা চাকরিই খুঁজছেন। কারণ আপনি যখন ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ডেটিং করতেন, আপনার এই বন্ধুটিই তখন ক্লাসে বসে নোট করত। আজ আপনার ডেটিং পার্টনার গুলো একটাও নেই। তারা আজ প্রতিষ্ঠিত কারো লাইফ পার্টনার।
দিন শেষে হতাশ হয়ে বলেন -'শালার, ভাগ্যটাই খারাপ'! No dear, You are totally wrong. আপনার ভাগ্য আজ আপনাকে এখানে আনেনি, আপনিই আপনার ভাগ্যকে এতো নিচে নিয়ে এসেছেন। বাড়ির পাশে ময়লা ফেলে তা থেকে কিভাবে ফুলের সুবাস আশা করেন? কাজ যা করেছেন রেজাল্টও তাই।
সুতরাং সময় থাকতেই যেন আমরা সময়ের মূল্য বুঝি। কারণ প্রত্যেকটি মুহূর্তই জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ।
07/10/2024
হাতে সময় থাকলে এই 10 টি বাক্য পড়তে পারেন, কোন একটি বাক্য হয়তোবা নিজের সঙ্গে মিলে যেতে পারে:
1. "অভাব যদি কিছু শেখায়, তবে তা হলো কঠোর পরিশ্রমের মূল্য।"
— ব্রায়ান ট্রেসি
2. "যতবার পড়ে যাবে, ততবার উঠে দাঁড়ানোর সাহস রাখো। ব্যর্থতাই সফলতার সোপান।"
— নেলসন ম্যান্ডেলা
3. "দারিদ্র্য হলো একটি সাময়িক চ্যালেঞ্জ, কিন্তু শিক্ষা সেই চ্যালেঞ্জের স্থায়ী সমাধান।"
— অ্যাডওয়ার্ড বোক
4. "জীবনের কঠিন পরিস্থিতি তোমাকে হয় ভেঙে ফেলতে পারে, নয় তোমাকে আরো শক্তিশালী করে তুলতে পারে। তুমি কোনটি বেছে নেবে, সেটি তোমার সিদ্ধান্ত।"
— অপরা উইনফ্রে
5. "অভাব বা চ্যালেঞ্জ তোমার স্বপ্নকে থামাতে পারে না, যদি তুমি সত্যিকার অর্থেই এগিয়ে যেতে চাও।"
— নিকোলাস চার্লস
6. "শক্তিশালী হও, কারণ তোমার সংগ্রামই তোমার গল্পকে অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক করে তুলবে।"
— মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
7. "তোমার শুরুটা যেখানে, তা কোনো ব্যাপার না। তুমি কিভাবে শেষ করবে, সেটিই মূল বিষয়।"
— রবিন শর্মা
8. "অভাবের কারণে মন ভেঙে পড়ার বদলে আরও দৃঢ়ভাবে সামনে এগিয়ে যাও। স্বপ্নগুলোকে বাস্তবায়িত করতে দারিদ্র্যকে শক্তি হিসেবে গ্রহণ করো।"
— এলিয়ানর রুজভেল্ট
9. "পড়াশোনায় স্থিরতা আনতে পারলে, জীবনের কঠিন পরিস্থিতি তোমাকে কাবু করতে পারবে না।"
— আলবার্ট আইনস্টাইন
10. "তোমার বর্তমান অবস্থান তোমার ভবিষ্যতের সীমা নয়। সেখান থেকে কীভাবে সামনে এগিয়ে যাবে, সেটাই মূল প্রশ্ন।"
— জিম রোহান
03/10/2024
*দেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা দেশে থাকতে চায় না।
দীর্ঘদিন কাজ করে টাকা-পয়সা হলে বিদেশে পাড়ি জমায়।
*সরকারী কর্মকর্তারা সুযোগ পেলে দেশ ছেড়ে চলে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সুযোগ পেলে দেশ ছেড়ে চলে যায়। অনেক শিক্ষক বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য গিয়ে ফিরে না। ফিরতে চায় না।
*ডাক্তাররা দেশ ছেড়ে চলে যায়। বুয়েটের প্রায় ষাটভাগ ইঞ্জিনিয়ার দেশে থাকে না। সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে অনেকেই বিদেশেই স্থায়ী হয়।
*রাজনীতিবিদরা তাদের সন্তানদের দেশে পড়ায় না। বিদেশে পাঠিয়ে দেয়। তারাও জানে বাংলাদেশটা হলো ব্যবসার জন্য। রাজনীতি করে টাকা আয়ের জন্য। বসবাসের জন্য না। কারণ দেশটাকে তারা বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলে নাই।
*কেউ বলে সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য। কেউ বলে শেষ বয়সে একটু শান্তির জন্য। কেউ বলে পরিবার-পরিজনের জন্য। কেউ বলে সততার সাথে বাঁচার জন্য। কেউ বলে আত্মসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য। কেউ বলে যোগ্যতার সুবিচার পাওয়ার জন্য। কেউ বলে উচ্চশিক্ষার জন্য। কেউ বলে সৎভাবে উপার্জন করে বাঁচার জন্য। কেউ বলে ধর্মীয় রোষানল থেকে মুক্তির জন্য।
*আপনি যদি আপনার চারপাশের মানুষদের নিয়েই একটা জরিপ করেন, দেখবেন আশি শতাংশ মানুষ সুযোগ পেলে দেশ ছাড়তে চাইবে।
#তাহলে পঞ্চাশ বছরে আমরা কেমন সমাজ তৈরি করলাম—যেখান থেকে সবাই পালাতে চায়! মানুষের ভিতর একটা উর্ধ্বশ্বাস! একটা দীর্ঘশ্বাস। পালিয়ে বেড়ানোর এক নিরন্তর চেষ্টা —কেন?
যারা দেশ চালায় তাদেরকে এই "*কেন*" প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই হবে এবং সেভাবে #বাংলাদেশ টা গড়ার চেষ্টা করতে হবে।
—————————————————
゚
বৃষ্টি থেমে গেলে ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয় ৷
কালি ফুরিয়ে গেলে কলমটাও আবর্জনার ঝুড়িতে জমা হয়। বাসি হয়ে গেলে প্রিয়জনের দেয়া ফুলটাও পরদিন ডাস্টবিনে পাওয়া যায়।
পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম সত্য হলো আপনার উপকারের কথা মানুষ বেশিদিন মনে রাখবে না। জীবনের সবচেয়ে নিদারুণ বাস্তবতা হলো, কার কাছে আপনি কতদিন প্রায়োরিটি পাবেন, সেটা নির্ভর করবে কার জন্য কতদিন কিছু একটা করার সামর্থ্য আছে তার উপর।
এই বাস্তবতা আপনি মানলেও সত্যি, না মানলেও সত্যি। আজ সকালে যে পত্রিকার দাম ১০ টাকা, একদিন পর সে একই পত্রিকার ১ কেজির দাম ১০ টাকা। হাজার টাকা খরচ করে একাডেমিক লাইফে বছরের শুরুতে যে বইগুলো গুরুত্ব দিয়ে কিনেন, বছর শেষে সেই বইগুলোই কেজি মাপে বিক্রি করে দেন।
সময় ফুরিয়ে গেলে এভাবেই মূল্য কমতে থাকে সবার, সবকিছুর। আমরা আপাদমস্তক স্বার্থপর প্রাণী। ভিখারিকে ২ টাকা দেয়ার আগেও মানুষ চিন্তা করে কতটুকু পূণ্য অর্জন হবে। বিনা স্বার্থে কেউ ভিক্ষুককেও ভিক্ষা দেয় না৷
এতকিছুর পরও চলুন একটু হেসে কথা বলি।
রাগটাকে কমাই। অহংকারকে কবর দেই।
যদি সুখী হতে চান তবে প্রত্যাশা কমান।
আপনি কারো জন্য কিছু করে থাকলে সেটা চিরতরে ভুলে যান। কারণ সেটা যতদিন আপনি মনে রাখবেন ততদিন সেটা আপনাকে অহংকারী করে তুলবে।
আবার কেউ যদি আপনার জন্য খুব ছোট কিছুও করে থাকে, তবে সেটা আজীবন মনে রাখবেন। কারণ এটা আপনাকে বিনয়ী ও কৃতজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ভালো মানুষ হিসেবে বাঁচিয়ে রাখবে।
আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।
যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।
টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।
আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।
উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।
টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।
আরবি হিকমা শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।
রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।
■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।
■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।
■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।
■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্ তা'আলা নিয়েছেন।
■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।
■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!
■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।
■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)
■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)
■▪মহান আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।
©
Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.