CTP

CTP

Share

যে নিজেকে খরচ করে, দুনিয়া তাকেই গুগলে সার্চ করে। জীবনটা”
_খুব ছোট…!
_কিন্তু ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো..! ( – বেশ বড়..!!-)

27/12/2025

Celebrating my 7th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

15/08/2025

কি কঠিন সে ভারতি না জানি।
কোন প্রাণে আজ পরালো কোপীনি।।

পরের ছেলে দেখে এহাল
শোকানলে আমরা বেহাল
না জানি আজ শোকে কি হাল
জ্বলছে উহার মা জননী।।

যে দিয়েছে এ কোপীনি তোর
তারে বিধি দেখাইত মোর
ঘুচাইতাম মনের ফাঁপর
লালন বলে কিছু বাণী ।।

।। মহাত্মা ফকির লালন সাঁই ।।

23/07/2025

😆😆😆৫০০ টাকায় কাপড় খুললে মেয়ে হয় বেশ্যা
আর ৫০০০০ টাকায় কাপড় খুললে হয় নায়িকা😃😃😃
আবেগে কাপড় খুললে হয় বান্ধবি
আর অভাবে কাপড় খুললে হয় মাগী
রিনা ,মিনা খুললে বলে খানকি
আর এঞ্জেল, জেরিনরা ফিগার দেখাইলেই হয় স্মার্ট
বিয়ার আগে খুললে নটি
আর বিয়ার পড় খুললে মেইন্টেনিং সোসাইটি

ধর্ষিতা কখনও নিজ ইচ্ছায় ধর্ষন হয় না,
কিন্তু তা জেনেও সবাই তাকে দূরে সরিয়ে দেয়।
আবার বিবাহিতাকে নিয়ে পালিয়ে সম্পর্ক করতে ইতস্তত বোধ করে না।

কাপড়টা সবাই খোলে,
আর কাপড় খোলাটা ও ফ্যাক্ট না
ফ্যাক্টটা হচ্ছে, এই সমাজ কিভাবে দেখছে
কাপড় খুলে কেউ বেশ্যা হয় না
এই সমাজই বেশ্যা তৈরি করে
কিন্তু ওই বেশ্যাদের কাছে কারা যায়?
অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে, নিজের দিকে ও তাকান

নারীর প্রতিটা কুকর্মে পুরুষও জড়িত কারণ এক হাতে তালি বাঁজে না, অথচ বেশিরভাগ পুরুষই অপরাধ করে লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যায় কিন্তু জনসম্মুখে পরতে হয় নারীকে।

এইরকম ভাষা ব্যবহার করার জন্য দুঃখিত । বাস্তবতা এইরকমই
এইভাবে না লিখলে অনেকে বলবে ভাষাগত সমস্যার কারণে বুঝি নাই
(প্রত্যেক নারীর ভিতর একটি মা এর সত্ত্বা বাস করে, তাকে সম্মান করতে শিখুন)যে পুরুষ বেশ্যাকে ঘৃণা করে
- সে পুরুষ রাতের আধারে বেশ্যাকে বুকে জড়িয়ে নেয়
- যে ছেলে প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে মেয়েদের গালাগালি দেয়
- কয়দিন পর সেই ছেলে আবার প্রেমে পড়ে
- চলচ্চিত্রের সব থেকে ভালো মেয়েটির ও দুই দিন পর ভিডিও ফাঁস
- রাস্তায় থাকা পাগলিটার পেটে বাচ্চা আসে-
- মায়ের বোকা ছেলেটাও প্রেমে পড়ে
- মা-বাবার চোখের গরমে কেঁদে দেওয়া মেয়েটি রাতে লুকিয়ে বাঁশ বাগানে যায়
- 16 বছরের ছেলেটাও বলে তোকে ছাড়া বাঁচবো না
- 10 বছরের মেয়েটা স্ট্যাটাস দেয় অতীত ভুলে যেতে চাই
- প্রতিদিন কেউ ধর্ষিত হয়ে কেঁদে বুক ভাসায়
- আবার কেউ লাজ-লজ্জা ভুলে দেহের ক্ষুধা মেটায়
- কাকে দোষ দেবো বলেন??
- দিনশেষে এদের নিয়েই আমাদের সংসার
- নারী ছলনাময়ী, নারী বেইমান
- পুরুষ স্বার্থপর, পুরুষ বিশ্বাসঘাতক
- পরের বোনটা মাল। নিজের বোন টা কলিজা
- রোগা না, মেন্টাল না
- মানুষ জাতটাই মাতাল

দৃষ্টি ভঙ্গি বদলান জীবন বদলে যাবে.

15/06/2025

আম্রপালী....

আম্রপালী ছিলেন এমন একজন অনিন্দ্য সুন্দরী ; প্রায় ২,৫০০ বছর আগে রাষ্ট্র যাকে বানিয়েছিল নগরবধূ বা পতিতা।

স্বাদের দিক থেকে অনেকের কাছেই 'আম্রপালী' আম খুবই প্রিয়। আকারে ছোট কিন্তু মিষ্টির দিক থেকে যেন সকল আমকে পিছনে ফেলে দিয়েছে 'আম্রপালী'। কিন্তু এই আমটার নামকরণ কোথা থেকে হল জানেন ?

আম্রপালী জন্মেছিলেন আজ থেকে ২,৫০০ বছর আগে ভারতে। তিনি ছিলেন সে সময়ের শ্রেষ্ঠ সুন্দরী এবং নর্তকী। তার রুপে পাগল ছিল পুরো পৃথিবী আর এই রুপই তার জন্য কাল হয়ে ওঠে। যার কারণে তিনি ছিলেন ইতিহাসের এমন একজন নারী, যাকে রাষ্ট্রীয় আদেশে পতিতা বানানো হয়েছিল!

আম্রপালী বাস করতেন বৈশালী শহরে। বৈশালী ছিল প্রাচীন ভারতের গণতান্ত্রিক একটি শহর, যেটি বর্তমানে ভারতের বিহার রাজ্যের অর্ন্তগত।
মাহানামন নামে এক ব্যক্তি শিশুকালে আম্রপালীকে আম গাছের নিচে খুঁজে পান। তার আসল বাবা-মা কে ইতিহাস ঘেঁটেও তা জানা যায়নি। যেহেতু তাকে আম গাছের নিচে পাওয়া যায় তাই তার নাম রাখা হয় আম্রপালী। সংস্কৃতে আম্র মানে আম এবং পল্লব হল পাতা। অর্থাৎ, আমগাছের নবীন পাতা।

কিন্তু শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা দিতেই আম্রপালীকে নিয়ে হইচই পড়ে যায়। তার রুপে চারপাশের সব মানুষ পাগল হয়ে যান। দেশ-বিদেশের রাজপুত্রসহ রাজা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ তার জন্য পাগলপ্রায় হয়ে যান। নানা জায়গায় থেকে তাকে নিয়ে দ্বন্দ, ঝগড়া আর বিবাদের খবরও আসতে থাকে। সবাই তাকে একনজর দেখতে চান, বিয়ে করতে চান। এ নিয়ে আম্রপালীর মা-বাবা খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা তখন বৈশালীতে সকল গণমান্য ব্যক্তিকে এর একটি সমাধান করার জন্য বলেন। কারণ, সবাই আম্রপালীকে বিয়ে করতে চান। তখন বৈশালীর সকল ক্ষমতাবান ও ধনবান ব্যক্তি মিলে বৈঠকে বসে নানা আলোচনার পর যে সিদ্ধান্ত নেন তা হল, আম্রপালীকে কেউ বিয়ে করতে পারবেন না। কারণ তার রুপ। সে একা কারো হতে পারে না। আম্রপালী হবে সবার। সে হবে একজন নগরবধু, মানে সোজা বাংলায় পতিতা।

এটা ছিল একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। ইতিহাসে এভাবে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে কাউকে পতিতা বানানো হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত খুবই বিরল! আম্রপালী সে সভায় পাঁচটি শর্ত রাখেন....

(১) নগরের সবচেয়ে সুন্দর জায়গায় তার ঘর হবে।
(২) তার মুল্য হবে প্রতি রাত্রির জন্য পাঁচশত স্বর্ণমুদ্রা।
(৩) একবারে মাত্র একজন তার গৃহে প্রবেশ করতে পারবেন।
(৪ ) শক্র বা কোন অপরাধীর সন্ধানে প্রয়োজনে সপ্তাহে সর্বোচ্চ একবার তার গৃহে প্রবেশ করা যাবে।
(৫) তার গৃহে কে এলেন আর কে গেলেন- এ নিয়ে কোন অনুসন্ধান করা যাবে না।

সবাই তার এসব শর্ত মেনে নেন। এভাবে দিনে দিনে আম্রপালী বিপুল ধন-সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন। তার রুপের কথাও দেশ-বিদেশে আরও বেশী করে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

প্রাচীন ভারতের মগধ রাজ্যের রাজা ছিলেন বিম্বিসার। শোনা যায়, তার স্ত্রীর সংখ্যা নাকি ৫০০ ছিল! নর্তকীদের নাচের এক অনুষ্ঠানে তিনি এক নর্তকীর নাচ দেখে বলেছিলেন, এ নর্তকী বিশ্বসেরা।
তখন তার একজন সভাসদ বলেন- মহারাজ, এই নর্তকী আম্রপালীর নখের যোগ্য নয় !
বিম্বিসারের এই কথাটি নজর এড়ায়নি। তিনি তার সেই সভাসদের থেকে আম্রপালী সম্পর্কে বিস্তারিত শুনে তাকে কাছে পাবার বাসনা করেন।
কিন্তু তার সভাসদ বলেন, সেটা সম্ভব নয়। কারণ, তাহলে আমাদের যুদ্ধ করে বৈশালী রাজ্য জয় করতে হবে আর আম্রপালীর দেখা পাওয়াও এত সহজ নয়। দেশ-বিদেশের বহু রাজাসহ রাজপুত্ররা আম্রপালীর প্রাসাদের সামনে তার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। কিন্তু মন না চাইলে তিনি কাউকে দেখা দেন না।

এত কথা শুনে বিম্বিসারের আগ্রহ আরও বেড়ে গেল। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, ছদ্মবেশে বৈশালী রাজ্যে গিয়ে আম্রপালীকে দেখে আসবেন। কি এমন আছে সেই নারীর মাঝে, যার জন্য পুরো পৃথিবী পাগল হয়ে আছে!
তারপর বহু চড়াই উৎরাই শেষে তার আম্রপালীর সাথে দেখা করার সুযোগ আসে। আম্রপালীর প্রাসাদ আম্রকুঞ্জে। কিন্তু দেখা করতে গিয়ে রাজা চমকে উঠেন, এত কোন নারী নয় ; যেন সাক্ষাৎ পরী ! এ কোনভাবেই মানুষ হতে পারেন না। এত রুপ মানুষের কিভাবে হতে পারে!
কিন্তু অবাক রাজার জন্য আরও অবাক কিছু অপেক্ষা করছিল। কারণ, আম্রপালী প্রথম দেখাতেই তাকে মগধ রাজ্যের রাজা বলে চিনে ফেলেন এবং জানান... তিনি তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন বহু আগে থেকেই।
এই কথা শুনে রাজার বিস্ময়ের সীমা থাকে না।
রাজা সাথে সাথে তাকে তার রাজ্যের রাজরাণী বানানোর প্রস্তাব দেন। কিন্তু আম্রপালী জানান, তার রাজ্যের মানুষ এটা কখনোই মেনে নেবেন না। উল্টো বহু মানুষের জীবন যাবে। রক্তপাত হবে। তাই রাজাকে দ্রুত এখান থেকে চলে যেতে বলেন।
কিন্তু বিম্বিসার বৈশালী আক্রমন করে আম্রপালীকে পেতে চান । ওদিকে আম্রপালী তার নিজের রাজ্যের কোন ক্ষতি চান না। তাই তিনি রাজাকে তার নিজ রাজ্যে ফেরত পাঠান এবং বৈশালীতে কোন আক্রমণ হলে তিনি তা মেনে নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।

এদিকে বিম্বিসারের সন্তান অজাতশত্রুও আম্রপালীর প্রেমে মগ্ন ছিলেন। তিনি বিম্বিসারকে আটক করে নিজে সিংহাসন দখল করে বসেন এবং আম্রপালীকে পাওয়ার জন্য বৈশালী রাজ্য আক্রমণ করে বসেন। কিন্তু দখল করতে সক্ষম হননি এবং খুব বাজেভাবে আহত হন। পরবর্তীতে আম্রপালীর সেবায় সুস্থ হয়ে গোপনে তার নিজের রাজ্যে ফেরত যান । সেদিনও আম্রপালী অজাতশত্রুর বিয়ের প্রস্তাব সবিনয়ে ফিরিয়ে দেন।

এত নাটকীয়তার পর শেষের দিকে এসে কি হল? গৌতম বুদ্ধর সময়কাল তখন। গৌতম বুদ্ধ তার কয়েকশ সঙ্গী নিয়ে বৈশালী রাজ্যে এলেন। একদিন বৈশালী রাজ্যের রাবান্দা থেকে এক বৌদ্ধ তরুণ সন্ন্যাসীকে দেখে আম্রপালীর মনে ধরে গেল। তিনি ভাবলেন, দেশ-বিদেশের রাজারা আমার পায়ের কাছে এসে বসে থাকেন আর এত সামান্য একজন মানুষ। তিনি সেই সন্ন্যাসীকে চার মাস তার কাছে রাখার জন্য গৌতম বুদ্ধকে অনুরোধ করলেন। সবাই ভাবলেন, বুদ্ধ কখনই রাজি হবেন না। কারণ, একজন সন্ন্যাসী এমন একজন পতিতার কাছে থাকবেন; এটা হতেই পারে না। কিন্তু গৌতম বুদ্ধ তাকে রাখতে রাজি হলেন এবং এটাও বললেন, আমি শ্রমণের (তরুণ সে সন্ন্যাসীর নাম ছিল) চোখে কোন কামনা-বাসনা দেখছি না। সে চার মাস থাকলেও নিষ্পাপ হয়েই ফিরে আসবে- এটা আমি নিশ্চিত!

চার মাস শেষ হল। গৌতম বুদ্ধ তার সঙ্গীদের নিয়ে চলে যাবেন। তরুণ শ্রমণের কোন খবর নেই। তবে কি আম্রপালীর রুপের কাছেই হেরে গেলেন শ্রমণ? সেদিন সবাইকে অবাক করে দিয়ে তরুণ শ্রমণ ফিরে আসেন। তার পিছনে পিছনে আসেন একজন নারী। সেই নারীই ছিলেন আম্রপালী। আম্রপালী তখন বুদ্ধকে বলেন, তরুণ শ্রমণকে প্রলুব্ধ করতে কোনও চেষ্টা বাকি রাখেননি তিনি। কিন্তু এই প্রথম কোন পুরুষকে বশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বৈশালীর নগরবধূ আম্রপালী। তাই আজ সর্বস্ব ত্যাগ করে বুদ্ধের চরণে আশ্রয় চান তিনি।

পরে সব কিছু দান করে বাকী জীবন গৌতম বুদ্ধের চরণেই কাটিয়ে দেন ইতিহাস বিখ্যাত সেই রমণী আম্রপালী!
সংগৃহীত 🙏

01/06/2025

একজন স্ত্রী ১৭ বৎসর ঘর- সংসার করার পর স্বামীর সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বললেন,,পুরুষগন মাবুদ প্রদত্ত এক অশেষ আশির্বাদ,,
কেননা,,

তারা স্বীয় যৌবনকে নিজ স্ত্রী- সন্তানদের জন্য ত্যাগ করে দেয়,,।তাদের উপর ভর করেই আমরা জীবনের সুখ- শান্তি ও অপার সৌন্দর্য উপভোগ করে থাকি,,।
পুরুষ জাতি তো এমন এক স্বত্বা, যারা স্বীয় সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষাতের জন্য সর্বাত্মক পরিশ্রম করে থাকেন,,।
কিন্তু এমন কঠোর পরিশ্রম আর ত্যাগ সত্যেও আমরা তাদের জীবনকে বিষিয়ে তুলি একরাশ হতাশা আর দুংখ - কষ্ট দিয়ে,,।

যদি তারা একটু ফ্রেশ ও স্বাচ্ছন্দের জন্য বাহিরে যায় তাহলে বলি,বে পরওয়াহ,,
যদি ঘরে বসে থাকে তাহলে বলি,অলস ও অকর্মণ্য,,!
যদি সন্তানদের ভুলের জন্য শাসন করে তাহলে বলি,,নির্দয় ও হিংস্র,,।
যদি স্ত্রীকে চাকরি করা থেকে বারণ করে তাহলে বলি সেকেলে,বা অনাধুনিক,,।
যদি মায়ের সাথে সুসম্পর্ক রাখে তাহলে বলি,,মা পাগল,,।
যদি স্ত্রীর সাথে প্রেমদয় আচরণ করে তাহলে বলি,, বৌ পাগল,,।
এতদসত্যেও একজন পুরুষ পৃথিবীর এমন বীর,,যে তার সন্তানদের সর্বক্ষেত্রে নিজের চেয়েও সুখি দেখতে চায়,,।
একজন পিতা এমন এক রোবট,, যিনি তার সন্তানদের থেকে সর্বদিক থেকে নৈরাশ হওয়ার পরেও তাদের মনপ্রাণ উজাড় করে ভালোবাসে এবং সর্বদা তাদের মঙ্গলের জন্য প্রার্থণা করে,,।

একজন বাবা তো এমন এক মহাপুরুষ,, যিনি স্বীয় সন্তানদের সকল কষ্ট সহ্য করেনেন,,।
তখনও,যখন সন্তান বাবার পায়ের উপর পা রেখে চলতে শিখে এবং তখনও,যখন বড় হয়ে বাবার বুকের উপর পা রেখে চলে যায়,,।

একজন বাবা পৃথিবীর এমন আশীর্বাদ,, যিনি সারাজীবনের কষ্টার্জিত মহামূল্যবান সম্পদগুলো অকাতরে সন্তানদেরকে দিয়ে দেন,,।
যদি মা সন্তানদেরকে ৯ মাস পেটে ধারণ করে থাকেন,,তবে বাবা সারাজীবন স্বীয় ব্রেইনের মধ্যে ধারণ করে চলতে থাকেন,,।
পৃথিবীটা ততক্ষণই সুন্দর ও উপভোগ্য মনে হয় যতক্ষণ,, বাবা,,নামক সত্বার ছায়া মাথায় উপর বিরাজমান থাকে,,।

তাই বেঁচে থাকলে বাবাদের কদর করুন,,।চলে গেলে তাদের জন্য দু,হাত তুলে প্রর্থণা করুন,,।
পরম করুনাময় সকলের মা- বাবাকে সুখে - শান্তিতে রাখুক,,।

সংগৃহীত

26/05/2025

"পাখি পাকা পেঁপে খায়" ছাড়াও আরো অনেক বাক্য আছে!
আসুন ঝটপট পড়ে ফেলি :

★ বাবলা গাছে বাঘ উঠেছে
★ গম আর চিনা
★ চাচি তুমি চাঁছা চটা চেঁছ না আচাঁছা চটা চেঁছ
★ লোহার রেলগাড়ী
★ হাঁসের ঠোঁট চ্যাপ্টা, মুরগির ঠোঁট চুক্কা
★ হরলালের রেলগাড়ি
★ তেলে চুল তাজা জলে চুন তাজা
★ সুঁচে সুতো ছাতে ছুঁচো
★ লারা রোড রোলারে লর্ডসে যায়
★ কাকেরা কা কা করিয়া কাকে কাকা কইছে
★ কাঁচা পেঁপে, পাকা পেঁপে
★ নলিনী লালনের নোলক নাকে তাল তাকে থাক কাক তাকে খাক
★ পাতে পটল পড়লেও পড়তে পারে
★ পাখি পাকা পেঁপে খায়
★ বারো হাঁড়ি রাবড়ি বড় বাড়াবাড়ি
★ কাঁচা গাব, পাকা গাব
★ লীনা নিল, নীলা লীলা নিল না
★ নেরু রেনুর কান টানে, রেনু নেরুর নাক টানে
★ বাঘার বাড়ি বাবার গাড়ি
★ লরির ওপর রোলার
★ টাকে কাক, তাকে কাপ
★ লেনিন নিলেন লিনেন, লিনেন লেনিন নিলেন, নিলেন লেনিন লিনেন
★ গাছ কাটা কাটা খাঁজ, খাঁজ কাটা কাটা গাছ
★ করলার কলে বাড়ে কলেরার কলরব
★ শ্যমবাজারের শশী বাবু সকাল বেলায় সাইকেল চড়ে শশা খেতে খেতে সশরীরে স্বর্গে গেলেন
★ পাখি কাঁপে ফাঁদে, পাপী কাঁদে ফাঁকে
★ এক আনায় আনা যায় কত আনারস
★ মালির মাথায় মালার ডালা, মালার হাতে মালির মালা
★ রণে রাণী লড়ে, লনে নারী নড়ে
★ মাসি মারে মশা, মেসো মারে মাছি
★ অস্ট্র উষ্ট্রের সাথে অষ্ট অশ্ব
★ লালুর লড়াই রাবড়ি লড়েন
★ নানিরে পান দিই, চুন দিই
★ লাল ল্যানোলিন, নীল ল্যানোলিন
★ দুর্যোধন জর্দা খেয়ে দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়
★ রোমা রল্যা লেড় খায়
★ চাচায় চা চায়, চাচি চেঁচায়
★ লালু লালা নিলী লিলি লীলা লীনা
★ মনাকে মনার মা মানা করেছে, মনা মায়ের মানা না শুনে চলে গেছে
★ চল চপলার চকিত চরণে করিছে চরণ বিচরণ
★ কত না জনতা জানাল যতনে যতনে
★ লীলা নিলি নালা নালী
★ কালুদের কুচকুচে কালো কুকুর কাল কচুরিতে কামড় দিয়েছিল
★ টিপুর টুপি টুপুর টাকে, টুপুর টাকা টিপুর ট্যাঁকে
★ উৎকটকটমহাশঙ্করকিটকিটাম্বররায়চৌধুরী
★ লালা রি লোলা রি লিলারি লালারি লু
★ পাঁক পুকুরের পশ্চিম পাড়ের পাঁচু পাইন পাঁচটি পুলিশ কে পটিয়ে পাঁচটি পাইপ পুঁতিল
★ হেলিকপ্টারের প্রোপ্রাইটারের প্রপিতামহ প্রপেলারের চোটে পটলপ্রাপ্ত
★ গড়ের মাঠে গরুর গাড়ি গড় গড়িয়ে যায়
★ চারুচন্দ্র চক্রবর্তী চটি জুতো চরণে জড়ায়ে চট্টগ্রাম চলে গেছে
★ লাল গরুর লাল রান
★ রুলারে লড়াই
★ কে কোণে কাঁটা পুঁতে, কানা কোণে কাঁটা পুঁতে, কেন কানা কোণে কাঁটা পুঁতে, পুঁতে দেখুক না কানা কোণে কাঁটা
★ মিতা আটা হাতে আতা কাটে
★ বাঁশের বাঁশি, বাঁশের কাঠি, কাঠের বাঁশি, কাঁসার বাটি
★ ভাত আর নেব না
★ মাচার তলে গুড়ের হাড়ি,
গুড় উঠাই গুড় খাই
★ চাচা চেঁচায়, চাচি চেঁচায়, চাচা চাচি এত চেঁচায়, চামিলি চমকে যায়

25/05/2025

ইসলামে বিদ্যাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। আর তা হচ্ছে ইলমে জাহির এবং ইলমে বাতিন। শরীয়ত, তরিকত, হকিকত ও মারিফতের সমন্বয় যে বিদ্যা তাকে ইলমে তাসাওউফ বলা হয়। ইলমে তাসাওউফ অনুশীলনের মাধ্যমে মানুষ পরিচ্ছন্ন মানুষে পরিণত হয়, সুফী লকবে ভূষিত হয়। গাওসুল আজম হযরত সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (রা) বলেছেন, তাসাওউফ লিখতে চারটি হরফ লাগে। আর তা হচ্ছে তা, সোয়াদ ওয়াও, ফা, তা, বা, তে হচ্ছে তওবা, তওবা মানে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করা সমস্ত গুনাহ খাতা থেকে নিজেকে মুক্ত করে আল্লাহ্র দিকে একনিষ্ঠভাবে প্রত্যাবর্তনই হচ্ছে তওবা। সোয়াদ হচ্ছে সাফা অর্থাৎ পরিচ্ছন্ন হওয়া। মানুষ যখন সোয়াদ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন সে ওয়াওতে উপনীত হয়। ওয়াও বিলায়েতের আদ্যাক্ষর যখন কেউ বেলায়েত লাভ করে তখন সে আরিফবিল্লাহ হয়ে যায় অর্থাৎ আল্লাহর সঙ্গে তার জানাজানি হয়ে যায়। ইলমে তাসাওয়াউফের অনেক তরিকা বা পথ রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে কাদেরিয়া তরিকা, চিশতিয়া তরিকা, নক্শবন্দিয়া তরিকা, মোজাদ্দাদিয়া তরিকা এবং মোহাম্মদীয়া তরিকা। কাদেরিয়া তরিকার ইমাম হচ্ছেন গওছুল আজম আবু মুহম্মদ মহীউদ্দিন সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (রহ), চিশতিয়া তরিকার ইমাম হচ্ছেন খাজায়ে খাজেগান গরিবে নওয়াজ হযরত মঈনুদ্দীন চিশতী (রহ), নক্শবন্দিয়া তরিকার ইমাম হচ্ছেন, খাজা বাহউদ্দিন নক্শবন্দী (রহ) মোজাদ্দেদিয়া তরিকার ইমাম হচ্ছেন মোজাদ্দেদে আলফেশানি (রহ), মোহাম্মদিয়া তরিকার ইমাম হচ্ছেন হযরত শহীদ সৈয়দ আহম্মদ বেরলভী (রহ) এমনিভাবে ইলমে তাসাওউফ বহু তরিকা রয়েছে। মূলত এসেছে তাসাওউফ একটি বিজ্ঞান। সাধারণ দর্শনে জ্ঞান অর্পিত হয় যুক্তির মাধ্যমে আর তাসাওউফ জ্ঞান অর্জিত হয় প্রত্যক্ষ দর্শনের মাধ্যমে সব তরিকাতেই বিশেষ বিশেষ যিকর ও মেরাকাবার পদ্ধতি রয়েছে। ইলমে তাসাওউফে মানবদেহের কতকগুলো সূক্ষ্ম স্থানের উল্লেখ রয়েছে। দশ লতিকার নির্দেশনা রয়েছে আর তা হচ্ছে কল্ব রুহ, সির খফী, আকফা, নফ্স আর আতশ খাক, বাদ। প্রিয় নবী (সা) বলেছেন, প্রত্যেক জিনিসের মরিচা পরিষ্কার করার জন্য যন্ত্র আছে। কল্বের মরিচা পরিষ্কার করার জন্য আল্লাহর জিকিরই হচ্ছে পরিষ্কারের যন্ত্র। তরিকতের অনুশীলন করার জন্য বিশেষ নিয়ম পদ্ধতি আছে এবং এই নিয়ম পদ্ধতি তালিম গ্রহণ করতে হয় হক্কানী পীরের মাধ্যমে। হজরত মূসা (আ) উলুল আজম নবী হওয়া সত্ত্বেও তিনি হজরত খিজির (আ)-এর নিকট থেকে তালিম গ্রহণ করেছিলেন। তাযকিযায়ে নফ্সের উল্লেখ করতেন মজীদে রয়েছে এবং হাদিস শরীফে ইহ্সানের উল্লেখ রয়েছে। এই দুটোই হচ্ছে তাসাওউফের মূল সূত্র। হাদিস শরীফে আছে এবাদতের জন্য হুজুরে কল্ফ অবশ্যই থাকতে হবে। এই হুজুরে কল্ব বা একান্ত চিত্ত লাভের একমাত্র উপায় হচ্ছে ইলমে তাসাওউফ। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, আল্লাহর যিকর কর বেশি বেশি করে এবং সকাল- সন্ধ্যায় তার তসবিহ তিলাওয়াত কর। পীর তারাই হওয়ার যোগ্য যারা কোন কামিল পীরের কাছ থেকে খেলাফত ও ইজাজত লাভ করেন। পীরের মধ্যে কোন রকম লোভ লালসা থাকতে পারে না। দুনিয়াদারী তাকে পেয়ে বসে না। হযরত ইমাম মালিক (রহ) বলেছেন; তুমি ফিক্্হ অর্জন করলে অথচ তাসাওউফ বর্জন করলে তাহলে তুমি যিন্দিক হয়ে গেলে আর তুমি তাসাওউফ অর্জন করলে কিন্তু ফিকাহ বর্জন করলে তাহলে তুমি ফাসেক হয়ে গেলে। আর তুমি দুটোই অর্জন করলে তাহলে সার্থকতা লাভ করলে। ভ- পীরের খপ্পরে পড়ে অনেকে নিজের ইমান আমল বরবাদ করে ফেলে। যুগশ্রেষ্ঠ সুফী শাহ সুফী আলহাজ তোয়াজউদ্দীন আহম্মদ (রহ) বলেছেন, দালাল লাগিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচার চালিয়ে লোক জড়ো করা যায় বটে কিন্তু পীর হওয়া যায় না। পীর ধরার আগে যাচাই করে নিতে হবে। খরুকীর পীর মাওলানা শাহ আবদুল করিম (রহ) ভ-দের মিষ্ট আলাপনের খপ্পরে পড়ে নিজেদের ইমান বরবাদ করবেন না। হযরত গওসুল আজম (রহ) তাঁর যুগের ৭২টি ভ- পীরের তালিকা দিয়ে গিয়েছিলেন। ফুরফুরা শরীফের মুজাদ্দিদে যামান আবুবকর সিদ্দিকী (রহ) একত্রিশটি ভ- পীরের উল্লেখ করে গিয়েছিলেন বর্তমানে হিসাব করলে তার সংখ্যা দুই শতের অধিক হবে। বাংলা ভাষায় বহু তাসাওউফ গ্রন্থ রচিত হয়েছে। তাসাওউফ গ্রন্থ সর্বপ্রাচীন তাসাওউফ হচ্ছে এরশাদে খালেকিয়া বা খোদাপ্রাপ্তি তত্ত্ব¡। এরশাদে খালেকিয়ার লেখক হচ্ছেন, খড়কীর পীর মাওলানা শাহ আবদুল করিম (রহ) এ ছাড়া মাওলানা রুহুল আমীন রচিত তরিকত দর্পণ অধ্যাপক আব্দুল খালেক (রহ) রচিত সিরাজুস সালেকীন, খড়কীর শাহ্ আবু নঈম রচিত হিলালে তরিকত অধ্যাপক হাসান আবদুল কাইয়ূম রচিত তালিমে তাসাওউফ, শর্ষীনার পীর সাহেব রচিত তালিমে মারিফাতসহ বেশ কয়েকখানা নির্ভরযোগ্য তাসাওউফ গ্রন্থ রয়েছে। তাসাওউফের এসব গ্রন্থ পীরের মাধ্যমে সত্যিকার জ্ঞান অর্জিত হতে পারে। এ ছাড়া বেশকিছু অনূদিত গ্রন্থও রয়েছে। লেখক : পীর সাহেব, দ্বারিয়াপুর শরীফ

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address

Dhaka