Electronics And Telecommunication Engineering
Here we all Engineers.
16/01/2022
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়ছিলেন মেধাবী মেহেদী হাসান খান।
কিন্তু শিক্ষকরা বলেছিলেন, মেডিকেল কলেজ ছেড়ে দেওয়া উচিত মেহেদীর।
কারণ ডাক্তারির পড়াশুনা বাদ দিয়ে, দিন-রাত এক করে, খাওয়া-ঘুম ভুলে হোস্টেলের ঘরেই একটা ছোট্ট কম্পিউটার সম্বল করে মেহেদী তখন লড়ছিলেন অন্য লড়াই। বাংলা ভাষার জন্য লড়াই।
১৮ বছর বয়সের যুবক স্বপ্ন দেখেছিলেন বাংলা ভাষাকে সারা পৃথিবীর কাছে খুব সহজে পৌঁছে দেওয়ার। কম্পিউটারে বাংলা লিখতে তাঁর খুব অসুবিধা হয়, এবং সেই পদ্ধতি মেহেদীর পছন্দ নয়। তাই তিনি চান এমন একটা সফটওয়্যার, যার সাহায্যে ইংরেজি অক্ষরে টাইপ করেই বাংলা লেখা সম্ভব।
বন্ধুরা মেহেদীকে বলে পাগল, ডাক্তারি পড়তে এসে কেউ সময় নষ্ট করে! তাও আবার নাকি বাংলা লেখার সুবিধার্থে! কিন্তু মেহেদী মেহেদীই। বাংলা ভাষার জন্য তাঁর দেশের মানুষ প্রাণ দিতে পারেন, আর সেই বাংলাকে লেখার দিক থেকে সহজ করতে ক্যারিয়ার বিসর্জন দিতে পারবেন না! হাল ছাড়েননি মেহেদী।
২৬ মার্চ,২০০৩ সাল, মেহেদীর জীবনে শুধু নয়, লক্ষ লক্ষ বাঙালির জীবনের একটি বিশেষ দিন। সেই দিন মেহেদী বিশ্বের সামনে আনলেন ‘অভ্র’ সফটওয়ার। যা আজ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের সব চেয়ে পছন্দের বাংলা রাইটিং সফটওয়ার। আজ বাঙালির কম্পিউটার, ল্যাপটপ খুললেই স্ক্রিনে একটি স্লোগান ভেসে ওঠে , ‘ভাষা হোক উন্মুক্ত’। এটিই ডাক্তার মেহেদী হাসান খানের তৈরি করা স্লোগান। তাঁর স্বপ্ন ছিল, ভাষাকে উন্মুক্ত করতে হবে সবার জন্য, বেঁধে রাখা যাবে না জটিলতার নাগপাশে।
আজ কিন্তু তিনি ডাঃ মেহেদী হাসান খান। হাজার তাচ্ছিল্য সত্ত্বেও তিনি ‘অভ্র’ আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে কৃতিত্বের সঙ্গে পাশ করেছেন ডাক্তারিও। আজ ভারত ও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সরকারি দপ্তরেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ‘অভ্র কিপ্যাড’। বিদেশীরাও আজ তাদের ভাষাতেই লিখতে পারছে আমাদের বাংলা ভাষা। লিখতে পারছে লেখা হচ্ছে সরকারি ফাইল থেকে পরিচয়পত্র। মেহেদীর এই আবিষ্কার বাঁচিয়ে দিয়েছে দুই দেশের কোটি-কোটি টাকা। যার জন্য এত কিছু, সেই মানুষটাকে আমরা চিনিই না। চিরকাল প্রচারবিমুখ, ৩৬ বছরের এই বিনয়ী তরুণ বাংলা ভাষার জন্য এত বড় অবদান রেখে গেলেও, রয়ে গেলেন প্রচারের আলোর বাইরেই।
(তথ্য সংগৃহীত)
Happy New Year to all of you.
03/11/2020
বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন বা বিকিরণের কোনো মাত্রা বেধে দেয়া নেই৷ নেই তা পরীক্ষার ব্যবস্থাও৷ ফলে উচ্চমাত্রায় রেডিয়েশন ছাড়ায় এমন হ্যান্ডসেট বিক্রি হচ্ছে দেদারসে৷ যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে৷
বাংলাদেশে এখন মোবাইল ফোনের গ্রাহক প্রায় সাড়ে নয় কোটি৷ আর প্রতি মাসে গড়ে ১২ লাখের বেশি হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয় বিদেশ থেকে৷ কিন্তু কি ক্রেতা, কি বিক্রেতা তাদের কেউই মোবাইল ফোনের হ্যান্ডসেটের রেডিয়েশন এবং তার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন নন৷
হ্যান্ডসেটের বিকিরণের মাত্রা মাপার আন্তর্জাতিক পরিমাপককে বলা হয় ‘স্পেসিফিক অ্যাবসর্পশন রেট বা এসএআর৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যানাডায় এর সর্বোচ্চ মাত্রা ১.৬ কিলোওয়াট৷ আর ইউরোপে ২ কিলোওয়াট৷ হ্যান্ডসেটে এর চেয়ে বেশি রেডিয়েশন হলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. নূরজাহান সরকার৷
আর ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদারও জানান এ ক্ষেত্রে ক্যান্সারের ঝুঁকির কথা৷
কিন্তু অবাক করার মতো ব্যাপার হলো যে, বাংলাদেশে এই রেডিয়েশনের মাত্রা বেঁধে দেয়া নেই৷ আর সেখানে তা পরীক্ষা করারও কোনো ব্যবস্থা নেই৷ বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল জানান, তারা চান এখানে রেডিয়েশন পরিমাপের একটি ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হোক৷
এই অবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন অধ্যাপক ড. নূরজাহান সরকার৷ আর নীতিমালা প্রণয়নের দাবি করেন অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার৷
বাংলাদেশে প্রতিবছর বৈধভাবে মোবাইল ফোনের দেড়কোটি হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয়৷ আর অবৈধভাবে আসে আরো ২৫ লাখ সেট৷ বৈধ, অবৈধ কোনো ধরনের সেটেই রেডিয়েশনের মাত্রা লেখা থাকে না৷ অথচ আন্তর্জাতিক আইনে এটা কিন্তু বাধ্যতামূলক৷
E&T
31/08/2020
বাংলাদেশের একজন অকৃত্রিম বন্ধু
ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে জানাই গভীর শোক ও শ্রদ্ধা।
জন্ম- ১১ ডিসেম্বর ১৯৩৫
মৃত্যু- ৩১ অগাস্ট ২০২০
23/04/2020
সকল সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা থেকে দূরত্ব বজায় রেখে নিরাপদে ঘরে থাকার এই সময়ে দরকার বেশি বেশি ইন্টারনেট। তাই টেলিটক গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এসেছে ৩০ দিন মেয়াদে ৩০ জিবি ইন্টারনেট মাত্র ৩২৯ টাকায়।
এই অফারটি পেতে প্রিপেইড গ্রাহকরা রিচার্জ করুন ৩২৯ টাকা অথবা ডায়াল করুন *১১১*৩২৯ #
বা
SP30 লিখে এসএমএস পাঠিয়ে দিন ১১১ নম্বরে
এবং
পোষ্ট পেইড গ্রাহকরা এই অফারটি পেতে ডায়াল করুন
*১১১*৩২৯ #
বা
FP30 লিখে এসএমএস পাঠিয়ে দিন ১১১ নম্বরে
(চার্জ ফ্রি)।
তথ্যাবলীঃ
-ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে একজন গ্রাহক যত খুশি ততবার এই প্যাকেজটি নিতে পারবেন ।
-অব্যবহৃত ডাটা পরবর্তীতে ব্যবহারযোগ্য নয়।
-এই অফারের মেয়াদ ২৫ এপ্রিল, ২০২০ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত।
-অফার মূল্যে সম্পূরক শুল্ক, ভ্যাট এবং সারচার্জ অন্তর্ভূক্ত।
-19
সেনাবাহিনীর ২টি কোয়ারেন্টাইন ক্যাম্পের নাম্বার -
১। আশকোনা : ০১৭৬৯০১৩৪২০, ০১৭৬৯০১৩৩৫০
২। উত্তরা দিয়াবাড়ি: ০১৭৬৯০১৩০৯০, ০১৭৬৯০১৩০৬২.
শেয়ার করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি । মানুষের উপকারে আসবে ।
করোনায় সবাই ভয় পাচ্ছে।
আপনার ভয়ে আতংকে কান্না পাচ্ছে? হাত পা কাঁপছে, খারাপ লাগছে? আমরা আছি পাশে। এখানে ডক্টর আছে আপনার কথা শুনতে, সাহস দিতে।
নির্দ্বিধায় ফোন করুন। আমাদের ২৪/৭ হেলথ সার্ভিসের সাথে থাকুন।
আমরা এই মুহুর্ত থেকে আমাদের হটলাইন নাম্বার গুলো ওপেন করে দিলাম।
২৪ ঘন্টা সার্ভিস -
1. Dr. Rehan Akhter
Contact:01687670413
2.Dr.Nazir Shah
Contact: 01303316018
3. Dr.Niloy Prosad
Contact: 01718452558
4.Md.Asaduzzaman Shuvo
Contact :01301880283
5.Dr. Mahbubur Rahman Rajib
Contact : 01533987914
6.Dr.Mohona Khondoker
Contact : 01953513108
7. Dr. Saifa Islam
Contact : 01883-581829
8.Dr. Atiya Rahman
Contact: 01772606470
9.Dr. Priyanka Mondal
Contact :01717020118
10.Dr. Sharmin haque prima.
Contact : 01795233354
11.Dr Shadman Sakib
Contact : 01675843987
12.Olia Mahjabin
Contact : 01796597198
13.Dr.Tanvir Rahman
Contact :01518-615052
14.Dr. Sadia Afrin
Contact: 01534301925
সকাল ৮ টা - রাত ১২ টা সার্ভিস
8 am-12 am
1. Dr. Zaara Rahman
Contact: 01757540162
2.Nawrin Jahan
Contact: 01873147497
3. Dr.Farjana yeasmin
Contact:01929422331
4. Dr. Refat parvez amy
Contact: 01841716131
5. Dr.Nusrat Nueri Raisa
Contact: 01856877748
6. Dr. Subhashree monigram Contact: 01401288202
7.Dr.Nigar sultana
Contact: 01972397197
8.Dr. Nafisa Rahman
Contact: 01627585100
9.Rasma Muzaffar
Contact: 01797287465
10.Dr hima
Contact:01611108566
11.Dr.Mahbub Alam
Contact: 01759800507
12.Dr. Farjana
Contact : 01534991865
আপনার প্রয়োজনে তাঁরা আপনার পাশে ২৪ ঘণ্টা
18/03/2020
#জাস্টিনট্রুডো
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষন বাংলায় হুবুহু তুলে ধরা হলো:
_
প্রিয় কানাডাবাসী৷ আমি জানি আজ সবাই কঠিন সময় পার করছেন৷ আশা করি এই বিপদ আমরা কাটিয়ে উঠবো তবে সেই জন্য আপনাদের সাহায্য আমার দরকার।
আপনাদের জন্য আমি আজ প্রধানমন্ত্রী, জনগনের সেবা ও নিরাপত্তা দেয়া আমার প্রধান কাজ, আমি চাইলে নিজে ঘরে বন্দি থাকতে পারতাম, তবুও রিক্স নিয়ে আপনাদের খোজ খবর নিচ্ছি, বের হচ্ছি, । কারন আপনারাই আমার অক্সিজেন। আপনারা সুস্থ থাকলেই আমি সুস্থ। আপনাদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ আমার কাছে কিছুই নেই।
আপনাদের কাছে অনুরোধ আপনার ১ মাস নিজ বাসায় অবস্থান করুন। শুধু মাত্র মেডিসিন+ প্রয়োজনীয় খাবার+ পানীয় দোকান গুলো খোলা রাখবেন৷ তবুও সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি নাগরিকের বাসায় ১ মাসের যাবতীয় সব ধরনের খাবার পানি মেডিসিন মাস্ক আমরা পৌছে দিচ্ছি। তাছাড়া আপনাদের যখন যা লাগে আপনাদের দেয়া নাম্বারে যোগাযোগ করবেন, আপনাদের বাসায় সব কিছু পৌছে দেয়া হবে। তবুও বের হবেন না।
ভয় নেই কাউকে অনাহারে মরতে হবে না। আপনারা নিজ বাসায় অবস্থান করুন৷ সচেতন থাকুন। আপাতত আমাদের দেশ লক ডাউন করে দিচ্ছি।।পরিস্থিতি ঠিক হলে আবার খুলে দিব। আমার উপর আপনারা আস্থা রাখুন।
আপনারা যারা অফিস আদালত কিংবা অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজে নিয়োজিত ছিলেন, আপনাদের কারো কাজে যেতে হবে না। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অফিস কারখানা বন্ধ ঘোষনা করলাম।।
ভয় নেই, আপনাদের সবার একাউন্টে আপনাদের মাসিক বেতনের টাকা পৌছে যাবে। শুধু তাই নয় আপনারা যারা বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন, সেই ভাড়াও সরকার বহন করবেন। এসব নিয়ে একটুও চিন্তিত হবার কারন নেই। আপনাদের ভালো রাখাই আমার কাজ। যারা সরকারের নিয়ম মানবে তাদের এক কালিন অতিরিক্ত অর্থ পুরস্কার দেয়া হবে।
করোনা আজ পুরা দুনিয়ার এক আতংকের নাম। আপনাদের সবার সহযোগিতা দরকার। আপনার কেউ ঘর থেকে বের হবেন না।।বাসায় থাকুন এবং সচেতনার সাথে থাকুন। আশা করি শীঘ্রই আমরা এই সংকট কাটিয়ে উঠবো। এই জন্য প্লিজ আপনারা আমাকে সহযোগিতা করুন। ধন্যবাদ
স্যালুট জাস্টিন ট্রুডো কে। সত্যি আপনি একজন যোগ্য রাষ্ট্র নায়ক...
18/03/2020
এই মাত্র পাওয়া
এখন পর্যন্ত পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৪১ জনের
আরও ৪ জন সনাক্ত। মোট ১৪। ১ জনের মৃত্যুবরণ।
নতুন ৪ জনের মধ্যে ১ নারী, ৩ পুরুষ।
নতুন ৪ জনের মধ্যে ২ জন ইতালি ফেরত, ১ জন কুয়েত ফেরত, ১ জন সংস্পর্শে এসেছিলেন একজন সুস্থ হয়ে ওঠা করোনা রোগীর।
যিনি মারা গেছেন তার বয়স ছিলো ৭০ এর উপরে। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, সিওপিডি, কিডনির সমস্যা এবং হার্টে স্টেন্টিং ছিলো।
সূত্র: আইইডিসিআর
জাতি, ধর্ম, বর্ণ- নির্বিশেষে সকলকে জানাই বড়ো দিনের শুভেচ্ছা। ধর্ম যার যার উৎসব সবার।
20/12/2019
বিশ্বে মোবাইল ফোন বাজারের এক সময়ের শীর্ষ কোম্পানি, মহারথী নোকিয়ার কারখানা হচ্ছে বাংলাদেশের গাজীপুরে।যেখানে ২০২০ সালের প্রথম তিন মাসের মধ্যে মোবাইল ফোন সংযোজন কারখানা করতে চায় কোম্পানিটি।দেশে কারখানা করার উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যে বিটিআরসির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে বিস্তারিত বিষয়াশয় জেনে গেছে কোম্পানিটির স্থানীয় অফিসের শীর্ষ কর্মকর্তারা ও বিপণনকারী অংশীদার প্রতিষ্ঠান সেলুলার মোবাইলের প্রতিনিধিরা।চলতি ডিসেম্বরের মধ্যেই কারখানা স্থাপনের আনুষ্ঠানিক আবেদন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন নোকিয়া সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে যুক্ত শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা।গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে এই কারখানা হওয়ার কথা জানান তিনি। আর এই কারখানা হতে দেশের চাহিদার সবটাই সংযোজন করতে চান । এখন পর্যন্ত যে পরিকল্পনায় এগুচ্ছেন তারা, তাতে কারখানা আড়াই’শ এর বেশি কর্মী নিয়ে হবে। শুরুতে মোট ৬টি প্রোডাকশন লাইন, এরমধ্যে দুটি লাইন প্যাকেজিংয়ের।কারখানায় ফিচার ও স্মার্টফোন দুটিই সংযোজিত হবে। প্রতি প্রান্তিকে ১০ লাখ ফিচার ফোন এবং ৮০ হাজার হতে ১ লাখ স্মার্টফোন করতে চাইছে কোম্পানিটি।বর্তমানে নোকিয়া প্রতি প্রান্তিকে ৮ লাখ ফিচার ফোন ও ৫০ হাজার স্মার্টফোন স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করে থাকে।এই নোকিয়া মোবাইল প্রযুক্তির রূপান্তরের প্রতিযোগিতায় সম্রাজ্য হারিয়ে ২০১৪ সালে মাইক্রোসফটের কাছে বিক্রি হয়ে যায়। বছর দু’য়েকের মধ্যে ফিনল্যান্ডের কোম্পানি এইচএমডি গ্লোবাল নোকিয়া হতে ব্র্যান্ড লাইসেন্স ও মাইক্রোসফট হতে ব্যবসা কিনে নেয়। ২০১৬ সালের শেষ দিকে নোকিয়ার নামে ফিচার ফোন এবং এক বছর পরে স্মার্টফোনও আনতে শুরু করে তারা।আর সেই হতে হারানো সাম্রাজ্য ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন না হলেও মোবাইল ফোন বিশ্বে শক্ত অবস্থান তৈরিতে তাদের চেষ্টা লক্ষণীয়।বাংলাদেশে সরকার মোবাইল ফোন উৎপাদনে এবং মোবাইল যন্ত্রাংশ আমদানিতে ব্যাপক শুল্ক ছাড়সহ নানা সুবিধা দেয়ার বিপরীতে হ্যান্ডসেট আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোয় স্থানীয়ভাবে দেশী-বিদেশী কোম্পানিগুলোর কারখানার করার হিড়িক পড়ে যায়।২০১৮ সালে দেশে কারখানা স্থাপন করে সেখানে সংযোজিত হ্যান্ডসেট বাজারে এনেছে ওয়ালটন, সিম্ফনি, স্যামসাং, আইটেল-ট্র্যানসান ও ফাইভস্টার।এই পাঁচ কোম্পানির পরে লাভা, ওকে মোবাইল, উইনস্টার, ভিভো দেশে কারখানা করে। এর মধ্যে সবশেষ কারখানা করে অপো, ব্র্যান্ডটি চলতি বছরের নভেম্বরে দেশে সংযোজিত স্মার্টফোন বাজারে ছেড়েছে।এসবের বাইরে উই ও ফরমি নামে দুটি ব্র্যান্ড কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করলেও তাদের উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই।
Click here to claim your Sponsored Listing.