One Man Muhit
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from One Man Muhit, Public Figure, Mymensingh.
*সালাতের ছয়টি অসাধারণ উপকারিতা*
১)এটি মনকে শান্ত করে আর দুশ্চিন্তা দূর করে দেয়।
২)এর মাধ্যমে অন্তরের গভীরে শান্তির অনুভূতি শুরু হয়।
৩)আপনি আপনার স্রষ্টার মাঝে একটি পবিত্র ও ব্যক্তিগত বন্ধন অনুভব করেন।
৪)দিনগুলো কাটে সুশৃংখল ভাবে,আর জীবন পায় ভারসাম্য ও ছন্দ।
৫)যেমনটা কুরআনে বলা হয়েছে ,নিশ্চয়ই সালাত অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।
৬)সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ,সালাত হলো সবচেয়ে সুন্দর উপায় আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের।সালাত আমাদের উপলব্ধি করায় আমরা কতটা ডুবে আছি তার নিয়ামতে,প্রতিটি দিনে।
আল্লাহ যেন আমাদেরকে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়কে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বানানোর তোফিক দেন।
• চুপ থাকার প্রধান উপকারিতা:
১| মুক্তি ও নিরাপত্তা:
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "যে চুপ থাকে সে নাজাত পায়"। এটি মানুষকে অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ ও ঝামেলা থেকে বাঁচায়।
২| গুনাহ থেকে সুরক্ষা:
অধিকাংশ গুনাহ মুখ থেকে বের হয়। চুপ থাকলে জিহ্বার নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং গীবত, মিথ্যা ও ঝগড়া থেকে বাঁচা যায়।
৩| আত্মিক শক্তি ও ইবাদত সহজ হওয়া:
চুপ থাকা ও জবানকে সংযত রাখা মুমিনের আত্মিক শক্তি বাড়ায় এবং অন্যান্য ইবাদত (নামাজ, রোজা) সঠিকভাবে পালন করতে সাহায্য করে।
৪| প্রভাব ও প্রজ্ঞা:
বুদ্ধিমানের সৌন্দর্য হলো চুপ থাকা। এটি রাজত্ববিহীন প্রভাব তৈরি করে এবং মানুষের কাছে সম্মান বাড়ায়।
৫| অজুহাত ছাড়াই ইবাদত:
চুপ থাকা এক প্রকার পরিশ্রমবিহীন ইবাদত যা সহজেই করা যায়।
৬| উত্তম চরিত্রের লক্ষণ:
এটি ভদ্রতা, তাকওয়া (আল্লাহভীতি) এবং উন্নত চরিত্রের পরিচায়ক।
৭| ঝামেলা ও ফিতনা এড়ানো:
অপ্রয়োজনীয় কথা উত্তেজনা ও অনাসৃষ্টি সৃষ্টি করে, যা থেকে চুপ থাকলে রক্ষা পাওয়া যায়।
17/01/2026
With Md Abdul Muhit – I'm on a streak! I've been a top fan for 6 months in a row. 🎉
22/11/2025
নিয়ামত হারানোর শুরুটা হয়—একটা গুনাহ দিয়ে।
মানুষ যখন গুনাহ করে, তখন আল্লাহর কোনো না কোনো
নিয়ামত তার জীবন থেকে সরে যায়। আল্লাহর প্রতি
অনুতপ্ত হয়ে যদি বান্দা ফিরে আসে, তাওবাহ করে তবে
সেই নিয়ামত বা অনুরূপ কোনো বরকত আবার ফিরে
আসে।
কিন্তু যদি সে গুনাহর উপর অটল থাকে, অনুতপ্ত না হয়,
ফিরে না আসে—তাহলে সেই নেয়ামত আর ফিরে আসে না ৷
এভাবে একে একে গুনাহগুলো তার জীবনের
নেয়ামতগুলো ছিনিয়ে নিতে থাকে।
একসময় সে নিঃস্ব হয়ে পড়ে—বাহ্যিকভাবে হয়তো নয়, কিন্তু আভ্যন্তরীণভাবে।
One Man Muhit Md Abdul Muhit
22/11/2025
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Shukdeb Bepari, Tuhin Ahmed, Hafijul Hafijul, Md Fahad Mia, মো আরশাদুল, আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা, Jafor Mia, Neel Akasher Mage, Abu Bokkor, Sumon Mia, Mizan UR GAibanda
09/11/2025
সন্তানকে যেভাবে জিনিয়াস বানিয়ে তুলবেন
১. সন্তানকে নিয়মিত দুধ পান করানোর রুটিন তৈরি করুন। যখন-তখন খাওয়াতে যাবেন না। রুটিন অনুযায়ী খাওয়ান। এতে সে সুস্থ থাকবে।
২. সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন। এটা সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৩. অনেক বেশি সাজসজ্জা করাবেন না।
৪. আপনার ছোট্ট সন্তানকে কোনো কিছুর ভয় দেখাবেন না। বাঘ, ভাল্লুক, পুলিশ ইত্যাদির ভয় তার মধ্যে ঢুকিয়ে দেবেন না। অনেক নারীরা সন্তানকে শান্ত করার জন্য এগুলো করে; কিন্তু পরিণামে সন্তান অত্যন্ত ভীতু ও দুর্বল চিত্তের হয়ে যায়।
৫. তাকে রাতের প্রথম প্রহরেই ঘুমাতে দেবেন না।
৬. ঘুম থেকে দ্রুত ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৭. সন্তান ভালো কোনো কাজ করলে তাকে ধন্যবাদ দিন, বাহবা প্রদান করুন। কিছু পুরস্কার তুলে দিন। এতে সে উৎসাহ পাবে। তার মনোবল বৃদ্ধি হবে।
৮. তার দায়িত্বে পরিশ্রমের কিছু কাজ দিন। এতে তার মধ্যে অলসতা স্থান গেঁড়ে বসতে পারবে না। শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকবে। উদাহরণত, ছেলেদের হালকা ব্যায়াম করতে বলুন। এক মাইল, আধা মাইল দৌড়ানোর কাজ প্রদান করুন। মেয়েদেরকে চাক্কি অথবা চরকি ঘুরানোর দায়িত্ব দিন।
৯. তাদেরকে নিজেদের কাজ নিজেদের হাতে করার প্রতি অভ্যস্ত করে তুলুন। অন্যথায় তারা অলস হয়ে যাবে। তাদেরকে বলুন, যেন নিজেদের বিছানা নিজেরাই বিছায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে যেন বিছানা ভাঁজ করে রাখে। কাপড়চোপড় নিজ দায়িত্বে আলমারিতে রাখে। কোনো কাপড় ছিঁড়ে গেলে যেন নিজেরাই সেলাই করে। কাপড়চোপড় লন্ড্রি করতে দিলে যেন গণনা করে দেয়। কোন কালারের কাপড় কয়টা দেওয়া হলো, তা যেন লিখে রাখে।
১০. মেয়েদের বলবেন, যেন ঘরের রান্নাবান্না মনোযোগ দিয়ে দেখে এবং ধীরে ধীরে নিজেরাও তা শিখে ফেলে।
১১. হাঁটাচলার ক্ষেত্রে নির্দেশনা প্রদান করুন, যেন অনেক দ্রুত না হাঁটে। চোখ উপরে তুলে যেন না চলে।
১২. সন্তানকে মাঝেমধ্যে সামান্য কিছু টাকা-পয়সা দিন। তা দিয়ে যেন সে নিজের মন মতো কিছু কিনতে পারে। তবে অবশ্যই লক্ষ রাখবেন, যেন আপনার থেকে লুকিয়ে কোনো কিছু ক্রয় না করে।
১৩. ছেলে সন্তানকে সাদা কাপড়ের প্রতি উৎসাহিত করুন। সাদা কাপড়ের আগ্রহ তার মনে ঢুকিয়ে দিন। রঙিন ও উজ্জ্বল পোশাকের প্রতি ঘৃণা তৈরি করে দিন। তাকে বলুন, 'এসব পোশাক পরিধান করে মেয়েরা। তুমি তো মাশাআল্লাহ পুরুষ! তুমি কেন ওগুলো পরতে যাবে?' সর্বদা তার সামনে এ ধরনের কথা বলুন।
১৪. আর মেয়ে সন্তানকে অনেক বেশি চাকচিক্যময় পোশাক পরিধান থেকে বিরত রাখুন। অধিক চাকচিক্য ও কৃত্রিম সাজসজ্জার অভ্যাস তাদের মধ্যে গড়ে উঠতে দেবেন না।
১৫. আপনার সন্তানকে তার মা-বাবা ও দাদার নাম মুখস্থ করিয়ে দিন। সময়ে সময়ে তা জিজ্ঞেস করুন, যেন স্মরণ থাকে। আল্লাহ না করুন, কোনো সময় হারিয়ে গেলে এর কল্যাণে তাকে খুঁজে পাওয়া যেতে পারে।
১৬. আপনার সন্তানকে সবার নিকট আসা-যাওয়ার প্রতি অভ্যস্ত করে তুলুন। এমন যেন না হয় যে, একজনের কাছেই সব সময় থাকে। নাহয় ওই ব্যক্তি কখনো কোনো প্রয়োজনে বাইরে গেলে সন্তানের জন্য তার বিচ্ছেদ কঠিন হয়ে উঠবে। তার জন্য ধৈর্যধারণ করা কষ্টের হয়ে যাবে।
‘ দাম্পত্য জীবন ’ বই থেকে।
Ettihad Publication
One Man Muhit Md Abdul Muhit
Mahabubur Rahman
01/11/2025
একটু গভীরভাবে ভাবুন—
আজ থেকে ঠিক ১০০ বছর পর, এই পৃথিবীতে আজ যারা আছি, তাদের কেউই থাকবে না। আমরা সবাই চলে যাবো সেই অনন্ত অজানায়, যেখানে রাজা-গরিব, ধনী-দরিদ্র, জ্ঞানী-অজ্ঞানী—সবাই সমান। কিন্তু এই সাময়িক জীবনের মধ্যেই আমরা কেমন ব্যস্ত হয়ে পড়ি অহংকারে, হিংসায়, প্রতিযোগিতায়! যেন এই পৃথিবীটাই আমাদের চিরস্থায়ী ঠিকানা।
আমরা ভুলে যাই— সময় কাউকে ছাড় দেয় না। যে মানুষ আজ ক্ষমতায়, কাল সে হয়তো কবরের মাটিতে। যে আজ অহংকারে ভাসছে, কাল হয়তো নীরবতার মাঝে হারিয়ে যাবে। অথচ একটু বিনয়, একটু ভালোবাসা, আর একটু ক্ষমা—এগুলোই হতে পারত জীবনের আসল গৌরব।
জীবন আসলে খুবই ক্ষণস্থায়ী এক সফর। আমরা এসেছি পরীক্ষার জন্য, কিন্তু এখানে স্থায়ী হয়ে যাওয়ার মতো আচরণ করছি। যে মানুষ সত্যিই বুদ্ধিমান, সে জানে— মৃত্যুর পরে থাকবে না সম্পদ, না গর্ব; শুধু থাকবে ভালো কাজের স্মৃতি আর মানুষের দোয়া।
তাই অহংকার নয়, বিনয়কে বেছে নিন। হিংসা নয়, সহানুভূতিকে বেছে নিন। কারণ এই অল্প হায়াতের পৃথিবীতে, সবকিছুই ক্ষণিকের অতিথি মাত্র।
Md Abdul Muhit One Man Muhit
27/10/2025
বিড়াল কেন মৃ-ত প্রাণী বাড়িতে নিয়ে আসে?
আপনার পোষা বিড়ালকে মাঝে মাঝে দেখবেন মৃ-ত প্রাণী বাড়িতে নিয়ে আসে। অথচ নিয়মিত পেট পুরে দিব্বি খাবার খাচ্ছে বিড়ালটি, তাহলে শিকার করার প্রয়োজন কি? প্রথমেই বুঝতে হবে, বিড়াল হাজার বছর সময় থেকে পোষা প্রাণী হলেও পূর্বপুরুষদের সাথে তাদের শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও আচরণের ব্যাপক মিল রয়ে গিয়েছে। এমন একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, তারা মাংসাশী।
কুকুর ভেজিটেরিয়ান ডায়েটে বেঁচে থাকতে পারলেও বিড়াল সেটা পারেনা। বিড়াল বেঁচে থাকার জন্য খাদ্যাভ্যাসে মাংস থাকা প্রয়োজন কারণ বিড়াল টাউরিন উৎপাদনে অক্ষম। টাউরিন হচ্ছে একধরনের অ্যামাইনো এসিড। বিড়ালদের দাঁতের ক্ষতি, লোম পড়া, অন্ধত্ব ইত্যাদি প্রতিরোধে সাহায্য করে এই অ্যামাইনো এসিড। ফলে তারা প্রায়ই শিকার করার মুডে থাকে, এমনকি পেটে পর্যাপ্ত খাবার থাকলেও বিড়ালকে শিকার করতে দেখা যায়। এর থেকে বুঝতে পারি, বিড়ালের জন্য খাওয়া ও শিকার দুটো আলাদা আলাদা প্রয়োজন। বিড়াল প্লেফুল স্বভাবের হয়, যেকোনো খেলনা ও চলন্ত যেকোনো কিছু দেখলে বিড়াল ট্রিগার হয়ে যায়। বিড়াল বিভিন্ন ধরনের খেলনা দিয়ে খেলতে পছন্দ করে, এগুলো তাদেরকে শিকার করার মতোই আনন্দ দেয়। তাছাড়াও অনেক সময় মা বিড়াল বাচ্চাদের শিকার শেখানোর উদ্দেশ্যেও শিকার করে এনে দেখায়।
শিকার করার জন্য অনেক প্রাণী থাকলেও বিড়াল বিশেষ করে ইঁদুরের প্রতি আকৃষ্ট হয়। কারণ ইঁদুর বিড়ালের জন্য যথাযথ শিকার। ইঁদুর এলোমেলোভাবে ছুটোছুটি করে যা বিড়ালকে আকৃষ্ট করে। বিড়াল প্রাকৃতিক শিকারী এবং শিকার করার অভ্যাস তারা পূর্বপুরুষ থেকে পেয়েছে।©️
Md Abdul Muhit
15/10/2025
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Md Galib, Md Emon Khan, MD Ripon, Aminul Islam, Md Shamim, Asif Islam, Fazlu Rahman, Sowel Rana, Abdul Samad, নিঝুম রাতের সাহসী রাখাল, Mahabubur Rahman
23/07/2025
*লিপিড প্রোফাইল*
একজন বিখ্যাত ডাক্তার খুব সুন্দরভাবে লিপিড প্রোফাইল ব্যাখ্যা করেছেন এবং একটি অনন্য উপায়ে ব্যাখ্যা করে একটি সুন্দর গল্প শেয়ার করেছেন।
কল্পনা করুন যে আমাদের শরীর একটি ছোট শহর। এই শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টিকারী হল - *কোলেস্টেরল*
তার কিছু সঙ্গীও আছে। অপরাধে তার প্রধান অংশীদার হল - *ট্রাইগ্লিসারাইড*
তাদের কাজ হল রাস্তায় ঘোরাঘুরি করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং রাস্তা অবরোধ করা।
*হৃদয়* এই শহরের শহরের কেন্দ্রস্থল। সমস্ত রাস্তা হৃদয়ের দিকে নিয়ে যায়।
যখন এই সমস্যা সৃষ্টিকারীরা বাড়তে শুরু করে, তখন আপনি কল্পনা করতে পারেন কী ঘটে। তারা হৃদয়ের কাজকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে।
কিন্তু আমাদের দেহ-শহরেও একটি পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা আছে -
*এইচডিএল*
সেই ভালো পুলিশ এই সমস্যা সৃষ্টিকারীদের ধরে জেলে *(লিভার)* দেয়।
তারপর লিভার তাদের শরীর থেকে বের করে দেয় - আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে।
কিন্তু একজন খারাপ পুলিশও আছে - *এলডিএল* যে ক্ষমতার জন্য ক্ষুধার্ত।
LDL এই দুষ্কৃতীদের জেল থেকে বের করে রাস্তায় ফিরিয়ে আনে।
যখন ভালো পুলিশ *HDL* কমে যায়, তখন পুরো শহরটা তোলপাড় হয়ে যায়।
এমন শহরে কে থাকতে চাইবে?
আপনি কি এই দুষ্কৃতীদের কমাতে এবং ভালো পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে চান?
*হাঁটা* শুরু করুন!
প্রতি পদক্ষেপে *HDL* বৃদ্ধি পাবে, এবং *কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড* এবং *LDL* এর মতো দুষ্কৃতীরা কমবে।
আপনার শরীর (শহর) আবার প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
আপনার হৃদয় - শহরের কেন্দ্র - দুষ্কৃতীদের ব্লকেজ *(হার্ট ব্লক)* থেকে সুরক্ষিত থাকবে।
এবং যখন হৃদয় সুস্থ থাকবে, তখন আপনিও সুস্থ থাকবেন।
তাই যখনই সুযোগ পাবেন - হাঁটা শুরু করুন!
*সুস্থ থাকুন...* এবং *আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি*
*এই প্রবন্ধটি আপনাকে HDL (ভালো কোলেস্টেরল) বৃদ্ধি এবং LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) হ্রাস করার সর্বোত্তম উপায়, অর্থাৎ হাঁটার উপায় সম্পর্কে বলবে।*
প্রতিটি পদক্ষেপ HDL বৃদ্ধি করে।
তাই – *আসুন, এগিয়ে যান এবং এগিয়ে যেতে থাকুন।
এই জিনিসগুলি কমিয়ে দিন:-
১. লবণ
২. চিনি
৩. ব্লিচ করা পরিশোধিত আটা
৪. দুগ্ধজাত দ্রব্য
৫. প্রক্রিয়াজাত খাবার
*প্রতিদিন এই জিনিসগুলি খান:-*
১. শাকসবজি
২. ডাল
৩. মটরশুটি
৪. বাদাম
৫. ডিম
৬. ঠান্ডা চাপযুক্ত তেল
*তিনটি জিনিস ভুলে যাওয়ার*লিপিড প্রোফাইল*
একজন বিখ্যাত ডাক্তার খুব সুন্দরভাবে লিপিড প্রোফাইল ব্যাখ্যা করেছেন এবং একটি অনন্য উপায়ে ব্যাখ্যা করে একটি সুন্দর গল্প শেয়ার করেছেন।
কল্পনা করুন যে আমাদের শরীর একটি ছোট শহর। এই শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টিকারী হল - *কোলেস্টেরল*
তার কিছু সঙ্গীও আছে। অপরাধে তার প্রধান অংশীদার হল - *ট্রাইগ্লিসারাইড*
তাদের কাজ হল রাস্তায় ঘোরাঘুরি করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং রাস্তা অবরোধ করা।
*হৃদয়* এই শহরের শহরের কেন্দ্রস্থল। সমস্ত রাস্তা হৃদয়ের দিকে নিয়ে যায়।
যখন এই সমস্যা সৃষ্টিকারীরা বাড়তে শুরু করে, তখন আপনি কল্পনা করতে পারেন কী ঘটে। তারা হৃদয়ের কাজকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে।
কিন্তু আমাদের দেহ-শহরেও একটি পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা আছে -
*এইচডিএল*
সেই ভালো পুলিশ এই সমস্যা সৃষ্টিকারীদের ধরে জেলে *(লিভার)* দেয়।
তারপর লিভার তাদের শরীর থেকে বের করে দেয় - আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে।
কিন্তু একজন খারাপ পুলিশও আছে - *এলডিএল* যে ক্ষমতার জন্য ক্ষুধার্ত।
LDL এই দুষ্কৃতীদের জেল থেকে বের করে রাস্তায় ফিরিয়ে আনে।
যখন ভালো পুলিশ *HDL* কমে যায়, তখন পুরো শহরটা তোলপাড় হয়ে যায়।
এমন শহরে কে থাকতে চাইবে?
আপনি কি এই দুষ্কৃতীদের কমাতে এবং ভালো পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে চান?
*হাঁটা* শুরু করুন!
প্রতি পদক্ষেপে *HDL* বৃদ্ধি পাবে, এবং *কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড* এবং *LDL* এর মতো দুষ্কৃতীরা কমবে।
আপনার শরীর (শহর) আবার প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
আপনার হৃদয় - শহরের কেন্দ্র - দুষ্কৃতীদের ব্লকেজ *(হার্ট ব্লক)* থেকে সুরক্ষিত থাকবে।
এবং যখন হৃদয় সুস্থ থাকবে, তখন আপনিও সুস্থ থাকবেন।
তাই যখনই সুযোগ পাবেন - হাঁটা শুরু করুন!
*সুস্থ থাকুন...* এবং *আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি*
*এই প্রবন্ধটি আপনাকে HDL (ভালো কোলেস্টেরল) বৃদ্ধি এবং LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) হ্রাস করার সর্বোত্তম উপায়, অর্থাৎ হাঁটার উপায় সম্পর্কে বলবে।*
প্রতিটি পদক্ষেপ HDL বৃদ্ধি করে।
তাই – *আসুন, এগিয়ে যান এবং এগিয়ে যেতে থাকুন।
এই জিনিসগুলি কমিয়ে দিন:-
১. লবণ
২. চিনি
৩. ব্লিচ করা পরিশোধিত আটা
৪. দুগ্ধজাত দ্রব্য
৫. প্রক্রিয়াজাত খাবার
*প্রতিদিন এই জিনিসগুলি খান:-*
১. শাকসবজি
২. ডাল
৩. মটরশুটি
৪. বাদাম
৫. ডিম
৬. ঠান্ডা চাপযুক্ত তেল
*তিনটি জিনিস ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করুন:*
১. আপনার বয়স
২. আপনার অতীত
৩. আপনার অভিযোগ
*চারটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস গ্রহণ করুন:*
১. আপনার পরিবার
২. আপনার বন্ধুবান্ধব
৩. ইতিবাচক চিন্তাভাবনা
৪. পরিষ্কার এবং স্বাগতপূর্ণ বাড়ি
*তিনটি মৌলিক জিনিস গ্রহণ করুন:*
১. সর্বদা হাসুন
২. আপনার নিজস্ব গতিতে নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ করুন
৩. আপনার ওজন পরীক্ষা করুন এবং নিয়ন্ত্রণ করুন
*ছয়টি প্রয়োজনীয় জীবনযাত্রার অভ্যাস আপনার গ্রহণ করা উচিত:*
১. জল পান করার জন্য তৃষ্ণার্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
২. বিশ্রামের জন্য ক্লান্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
৩. চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য অসুস্থ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
৪. অলৌকিক ঘটনার জন্য অপেক্ষা করবেন না। ঈশ্বরের উপর আস্থা রাখুন।
৫. নিজের উপর কখনও বিশ্বাস হারাবেন না।
৬. ইতিবাচক থাকুন এবং সর্বদা একটি ভালো আগামীর আশা করুন।
One Man Muhit Md Abdul Muhit
22/07/2025
যতবার লেখাটা পড়েছি মুগ্ধ হয়েছি,
বন্ধুত্ব তো এমনি হয়!
মা'ইল'স্টো'নে দূ*র্ঘট*নার পর বেঁ'চে যাওয়া একজন
ছাত্র তার আ*হত বন্ধুকে ক্লাসরুম থেকে ফিরিয়ে
আনতে গিয়েছিল।
ফা*য়ার ব্রি'গে'ডের অ'ফিসার বা'ধা দিয়ে বললেন,
"এর কোনো লাভ নেই! তোমার বন্ধু অবশ্যই মা*রা
যাবে"।
কিন্তু ছাত্রটি তখনও গিয়ে তার বন্ধুকে একা একা ফিরিয়ে আনল।
মৃ*তদে*হ দেখে ফায়ার ব্রি'গে'ডের অ*ফিসার বলে, "আমি তোমাকে বলেছিলাম এর কোন মূ'ল্য নেই।
সে মা*রা গেছে"।
ছাত্র'টি উত্তর দেয়: 'না স্যার, এটা সত্যিই মূল্যবান ছিল। যখন আমি তার কাছে গেলাম, সে তখনও জী"বিত ছিলো - আমার বন্ধু আমাকে দেখে, হাসল এবং তার শেষ কথাটা বলল:
❝আমি জানতাম তুমি আসবে❞।
— সংগৃহীত।
Md Abdul Muhit One Man MuhitMd Abdul MuhitOne Man Muhit
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
2200