Fabrilen
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Fabrilen, Clothing Store, Bashar Tower shopping complex, Mugda, Dhaka.
সারা বাংলাদেশে ফুল ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি ,আমরা কোন এডভান্স নেইনা
লাইভ:রাত ৯-৯:৩০
WhatsApp/bkash: 0177-6360091
Fabrilen প্রতিটি প্রডাক্টে রাখে মান ও সততার নিশ্চয়তা।
Showroom: Shop no: 210/ 220,
2nd floor,
Bashar Tower Shopping Complex,
Mugdha,Dhaka.
18/05/2026
আসসালামু আলাইকুম
ফুল কভারেজ মুনা সিল্ক হিজাব
17/05/2026
বিপুল ব্রান্ডের এই পার্টি ড্রেস গুলার রয়েছে ৫ টি কালার।
পবিত্র ইদ উল আযহা উপলক্ষে Fabrilen এ পার্টি ড্রেসে পাচ্ছেন ৩০% ডিসকাউন্ট।
অফার সীমিত
Fabrilen
এই পোস্টে ৫০০০ লাইক, কমেন্ট হলে
Fabrilen এর পক্ষ থেকে একজনকে পাঠাবো দারুণ ঈদ উপহার।
এবার দেখি কে পায় সেই ঈদ উপহার?
খেলা শুরু... 🔥🔥
শেষ সময় : আগামীকাল রাত ১২ টা
প্রিমিয়াম লাক্সারি সুইচ কটন জমজম এ ক্যাটাগরি লোন থ্রি পিস।
Fabrilen কিন্ত পাইকারি ও দিচ্ছে, পাইকারি নিতে যোগাযোগ করুন হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে 01314-866865.
🎉 Surprise Gift 🎉
✔ রিয়েক্ট
✔ কমেন্ট “LOVE”
✔ পেজ ফলো
✅ শেয়ার
⏰ সময়: ৬ ঘন্টা
🎁 ২ জন উইনার (ক্যাশ/রিচার্জ)
মিনিমাম ২০০ রিএক্ট
17/05/2026
একটা ড্রেস—দুই রকম ইউজ।
ডেইলিতে সিম্পল করে পরলে একরকম
আর একটু সাজলেই পার্টি লুক 😍
এইটাই Nayra Cut এর ম্যাজিক 💖
17/05/2026
হিজাব লাভ রিয়েক্ট চ্যালেঞ্জ
🧕 Premium cotton salat Hijab Collection 🧕
এই হিজাবটা যদি আপনার হতো—কোন কালারের নিতেন? 😍
❤️ রিয়েক্ট দিয়ে কমেন্ট করুন কালার।
৫ জন কে ম্যানশন করুন
নিজের টাইমলাইনে এ শেয়ার দিন
৫০০ রিএক্ট হলে একজন কে হিজাব গিফট করব।
⏰ সময়: ১২ ঘন্টা
Fabrilen
পবিত্র ইদ উল আযহা উপলক্ষে Fabrilen এর শোরুমে চলছে মেগা সেল অফার!
প্রতিটি প্রডাক্ট এ পাচ্ছেন ১৫%-৫০% ফ্লাস ডিসকাউন্ট!!!
এই গাউন গুলা প্রিমিয়াম সফট জরজেট ফেব্রিক এর মধ্যে, ইনার এটাচড।
অফার প্রাইজে পাচ্ছেন মাত্র ৭৫০ টাকায়!!!!
এই পোস্ট যে সর্বোচ্চ শেয়ার করবে তাকে সারপ্রাইজ গিফট দেয়া হবে।
Cheap Market- সস্তা বাজার
17/05/2026
2 Piece Outfit Game
👗এই ড্রেসে কোন কালারটা বেশি সুন্দর লাগবে?
১/২/ নাকি ৩?
⏰ সময়: ২ ঘন্টা
🎁 সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্যে লটারি করে ১ জন উইনার
শর্ত: ১০০ আলাদা কমেন্ট হতে হবে।
আমি নাম্বার দেব রিপ্লাইয়ে।
17/05/2026
Fabrilen Crop Top Special
এই স্টাইলিশ ক্রপ টপটা কেমন লাগলো?
❤️ রিয়েক্ট দিয়ে লিখুন “LOVE”
⏰ সময়: মাত্র ১ ঘন্টা
🎁 ১ জন লাকি উইনার পাবেন ১০০৳ বিকাশ
📌 ফলো না থাকলে গিফট দেওয়া হবে না।
মিনিমাম ৫০০ শেয়ার থাকতে হবে।
Fabrilen
Cheap Market- সস্তা বাজার Fabrilen Saree's
16/05/2026
ইনভাইট কন্টেস্ট
💥
শুধুমাত্র একটা আইডির অল ফ্রেন্ড সিলেক্ট করে ইনভাইট দিয়ে ss/screen record ইনবক্স করুন।
পোস্টে ৫ জন ম্যানশন দিন
নিজের টাইমলাইনে শেয়ার দিন
আলাদা আলাদা আইডি দিয়ে খেলতে পারবেন সেক্ষেত্রে আলাদা করেই গননা করা হবে।
কেউ ইনভাইট কিনবেন না❌
সময় ২ দিন
মিনিমাম ৪০ জন অংশগ্রহণ করতে হবে।
২ জন পাবে ১০০ টাকা বিকাশ গিফট
16/05/2026
#নীল_অরণ্য #পর্ব_২
লেখক #গল্প_ঘর
আমি তখনো জানতাম না—একটা মেয়ের নীরবতার ভেতর এত বড় ইতিহাস লুকিয়ে থাকতে পারে।
মানুষ যাকে চরিত্রহীন বলে অপমান করেছে বছরের পর বছর…
সে-ই হয়তো কারও পুরো পৃথিবী বাঁচিয়ে রেখেছিল নিজের জীবন পুড়িয়ে।
বাসর ঘরের নরম আলোয় নীলা যখন পুরোনো অ্যালবামটা রায়হানের হাতে তুলে দিয়েছিল, তখন তার হাত এতটাই কাঁপছিল যে ছবিগুলোও কেঁপে উঠছিল।
রায়হান ধীরে ধীরে প্রতিটা ছবি দেখতে লাগলো।
একটাতে ছোট্ট একটা ছেলে নীলার কোলে ঘুমিয়ে আছে।
আরেকটাতে বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে তিনটা শিশু হাসছে, আর তাদের মাথার ওপর ছেঁড়া ছাতা ধরে আছে নীলা।
প্রতিটা ছবিতে একটা জিনিস স্পষ্ট ছিল—
মেয়েটা নিজের জীবন কখনো বাঁচেনি।
শুধু অন্যদের বাঁচিয়ে গেছে।
রায়হানের বুকটা হঠাৎ ভারী হয়ে উঠলো।
সে ধীরে ধীরে নীলার দিকে তাকালো।
“তুমি এত বড় কষ্ট একা সহ্য করেছো?”
নীলা ম্লান হেসে বললো—
“সব মেয়ের কষ্ট মানুষকে বলা যায় না।”
তারপর কিছুক্ষণ চুপ থেকে আবার বললো—
“আপনি জানেন, আমি প্রথম যখন ঢাকায় আসি… তখন আমার কাছে মাত্র সাতশো টাকা ছিল।”
রায়হান নিঃশব্দে শুনছিল।
“একটা গার্মেন্টসে চাকরি নিয়েছিলাম। সকাল আটটা থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত কাজ করতাম। তারপর বাসায় ফিরে তিনটা বাচ্চাকে নিয়ে বসতাম।”
নীলার গলাটা কেঁপে উঠলো।
“রিফাত তখন জ্বরে কাঁপতো… সোহাগ রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে কাঁদতো… আর মুন্নি সারাক্ষণ শুধু মা মা বলে ডাকতো…”
সে চোখ মুছলো।
“আমি তখনো নিজে বাচ্চা ছিলাম, রায়হান সাহেব… কিন্তু ওদের সামনে কখনো কাঁদিনি।”
রায়হানের মনে হচ্ছিল বুকের ভেতর কেউ পাথর চাপা দিয়েছে।
সে হঠাৎ বুঝতে পারলো—
এই মেয়েটাকে সে কখনো সত্যিকারে চিনতেই পারেনি।
যে মেয়েকে সবাই অপমান করেছে, সেই মেয়েই আসলে তিনটা জীবনকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে ছিল।
রায়হান ধীরে ধীরে নীলার সামনে হাঁটু গেড়ে বসলো।
“তুমি কাউকে বলোনি কেন?”
নীলা তিক্ত হেসে বললো—
“বললে কী হতো?”
“মানুষ বিশ্বাস করতো?”
“না… তারা বরং বলতো আমি নাটক করছি।”
তার চোখ বেয়ে টুপটাপ পানি পড়ছিল।
“একটা গরিব মেয়ের ত্যাগের গল্প কেউ শুনতে চায় না।”
“মানুষ শুধু তার চরিত্র নিয়ে বিচার করতে ভালোবাসে।”
রায়হানের নিজের ওপরই ঘৃণা হতে লাগলো।
কারণ সেও একদিন ভেবেছিল—
সে নীলার অতীত ‘মেনে’ নিয়ে খুব বড় কিছু করছে।
কিন্তু আজ বুঝলো—
যে মেয়েটা এতগুলো বছর তিনটা শিশুর মা হয়ে বেঁচেছে…
তার সামনে দাঁড়িয়ে সে নিজেই কত ছোট।
হঠাৎ নীলা নিচু গলায় বললো—
“আপনি চাইলে এখনো আমাকে ছেড়ে দিতে পারেন…”
রায়হান অবাক হয়ে তাকালো।
“এই কথা আবার বলবে না।”
“আপনার পরিবার আমাকে কখনো মেনে নেবে না…”
“আমার পরিবারকে আমি বুঝাবো।”
নীলা কষ্টের হাসি হাসলো।
“সবাই এত সহজে বদলায় না।”
ঠিক তখনই বাইরে করিডোরে কারও পায়ের শব্দ শোনা গেল।
পরক্ষণেই দরজায় জোরে ধাক্কা।
“রায়হান! দরজা খোল!”
কামরুন্নাহার বেগমের গলা।
রায়হান ভ্রু কুঁচকে দরজা খুলতেই তার মা রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে ভেতরে ঢুকলেন।
তার পেছনে দাঁড়িয়ে ছিল রায়হানের ফুফাতো বোন তানিয়া।
কামরুন্নাহার বেগম ঘরে ঢুকেই নীলার দিকে ঘৃণার দৃষ্টিতে তাকালেন।
“নাটক শেষ হয়েছে?”
রায়হান বিরক্ত হলো।
“মা, এখন এসবের সময় না।”
কিন্তু তিনি থামলেন না।
“আমি জানতাম এই মেয়ের মধ্যে সমস্যা আছে!”
“বিয়ের রাতেও কান্নাকাটি করে ছেলের মাথা খাচ্ছে!”
নীলা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল।
হঠাৎ তানিয়ার চোখ পড়লো বিছানার ওপর রাখা ডেথ সার্টিফিকেটটার দিকে।
সে কাগজটা হাতে তুলে অবাক হয়ে বললো—
“খালা… এটা তো মৃত্যু সনদ!”
কামরুন্নাহার বেগম কাগজটা টেনে নিলেন।
কিছুক্ষণ পড়ে তার মুখের ভাব বদলে গেল।
“এগুলো কী?”
রায়হান শান্ত গলায় বললো—
“যে তিনটা বাচ্চাকে সবাই নীলার সন্তান ভাবতো… তারা আসলে ওর বড় বোনের সন্তান।”
ঘরটা হঠাৎ নিস্তব্ধ হয়ে গেল।
তানিয়া হতবাক।
“মানে?”
রায়হান ধীরে ধীরে সব খুলে বললো।
নীলার বোনের মৃত্যু…
তিনটা শিশুর দায়িত্ব…
মানুষের অপমান…
সবকিছু।
কামরুন্নাহার বেগমের চোখের ভেতর ধীরে ধীরে অস্বস্তি জমতে লাগলো।
তিনি একবার নীলার দিকে তাকালেন।
মেয়েটা তখনো মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে।
এক ফোঁটা প্রতিবাদও নেই।
হঠাৎ মুন্নির একটা ছোট্ট ছবি মেঝেতে পড়ে গেল।
ছবিটাতে ছোট্ট মেয়েটা নীলার গলা জড়িয়ে ধরে হাসছে।
পেছনে কাঁচা হাতে লেখা—
“আমার আম্মু পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ।”
কামরুন্নাহার বেগমের হাত কেঁপে উঠলো।
তার চোখ হঠাৎ ভিজে গেল।
কারণ বহু বছর আগে, স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি নিজেও একা হাতে রায়হানকে বড় করেছিলেন।
সেই সংগ্রামের কিছুটা ব্যথা তিনি চিনতে পারলেন।
ধীরে ধীরে তিনি নীলার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন।
নীলা ভয়ে আরও সরে গেল।
কিন্তু অবাক করে দিয়ে কামরুন্নাহার বেগম তার মাথায় হাত রাখলেন।
“এত বড় বোঝা একা বয়ে বেড়িয়েছো মা?”
নীলা আর নিজেকে সামলাতে পারলো না।
হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো।
বহু বছরের জমে থাকা অপমান, ক্লান্তি, একাকীত্ব যেন সেই কান্নার সঙ্গে বেরিয়ে আসছিল।
রায়হান চুপচাপ দাঁড়িয়ে দেখছিল।
তার মনে হচ্ছিল—
আজ এই ঘরে শুধু একটা মেয়ের সত্য প্রকাশ হয়নি…
অনেক মানুষের ভুল ভেঙে গেছে।
কিন্তু ঠিক তখনই—
রায়হানের ফোনটা হঠাৎ বেজে উঠলো।
অপরিচিত নাম্বার।
রায়হান কল রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে কাঁপা গলায় একটা ছেলে বললো—
“আপু… আপুকে একটু দেন…”
রায়হান ভ্রু কুঁচকালো।
“কে বলছেন?”
ওপাশে কান্নার শব্দ।
“আমি রিফাত…”
নীলা চমকে উঠলো।
“রিফাত!”
ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে বললো—
“আপু… মুন্নিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না…”
ঘরের সবার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল।
এ ক্যাটাগরির প্রিমিয়াম সুইচ লোন থ্রি পিস
Fabrilen
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka