Hello Ashiq
Hi there! This is Ashiqur Rahman's official page. Here You will find Travel, Reels and funny videos.
Hi there!..This is Ashiqur Rahman's official page.I love to make the video such as Travel & Tour,Education,Funny video,Short film and more.So if you like to watch that kinds of video stay with me by Like,comments and share.
07/05/2026
আমি না আজকে একটা দারুণ কাজ করেছি। মানে এতো চমৎকার কাজ করছি যে নিজেই নিজের পিঠ চাপড়াইতে মন চাচ্ছে।
আমার প্রোফাইলে এসে যারা বুলি-পার্সোনাল এট্যাক টাইপের কমেন্ট করে, এইরকম ১০ জনকে চুজ করছি। কারো আইডি লক ছিলো, কারো পাব্লিক। দেন এদের ফেসবুক-ইন্সটাগ্রাম-লিংকডিন ঘেঁটে এদের ওয়ার্কপ্লেস-ইন্সটিটিউট খুঁজে বের করে স্ক্রিনশটসহ একদম ডিটেইলে ফর্মাল মেইল করছি অথোরিটিকে, এটলিস্ট ৩-৪ জনকে সিসিতে রেখে।
১০ জায়গার মধ্যে অলরেডি ২ জায়গা থেকে আমি মেইলের রিপ্লাইও পাইছি। আমার ধারণা আরো কয়েকটা পাবো।
এখন আস্ক মি মেইল করে লাভ কী?
প্রথমত: আমি যেই দশ জায়গায় মেইল করছি, এর মধ্যে এটলিস্ট দুই জনের চাকরি যাবে শিওর৷ এই দুজনের মধ্যে একজন আবার মেয়ে। সরাসরি সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট ছিলো কমেন্টগুলা। তার উপর ডেভলপমেন্ট সেক্টরে কাজ করে, আর ডেভলপমেন্ট সেক্টর এইসব ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতিতে চলে। এরা নেক্সট টাইম কোনো মেয়েকে আজেবাজে কমেন্ট করার আগে দু বার ভাববে।
দ্বিতীয়ত: চাকরি যাক বা না যাক, এর অফিস বা ইন্সটিটিউট যে he/she is not a safe person. হয়ত জবাবদিহি করা হবে। ও এটলিস্ট জানবে যে ওর কর্ম সম্পর্কে বাকিরা জানে। বাকিরা ওর থেকে নিজেদের সেইফ রাখতে পারবে।
তৃতীয়ত ও মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট যেটা সেটা হলো, আমার নিজের মানসিক শান্তি যে I can stand for myself. কেউ আমাকে বুলি করলে বা একটা বাজে কথা বলে গেলে আমি অবশ্যই সেটা মাথায় নিয়ে ঘুরবো না। বা খালি ফেসবুকে চিল্লায়েই ব্যাপারটা শেষ করবো না। আমার জন্য আমি সবার আগে ভয়েস রেইজ করবো! No more silence
সাইবার বুলিং এর বিপক্ষে এইটা আমার ফার্স্ট স্টেপ ছিলো। এবং এরপর আমি লিগ্যাল একশানও নিবো, যদি প্রয়োজন হয়। এ যাবত আমি বহুবার লিগ্যাল সাপোর্ট সিক করছি রাস্তা ঘাটে এবিউজড হয়ে, ফরচুনেটলি প্রতিবার পাইছিও সাপোর্ট। আমার মনে হয় এইসব ইস্যুতে লিগ্যাল সাপোর্ট সিক করার প্র্যাক্টিসটা নর্মাইজ করা দরকার।
দারুণ কাজ করছি না একটা??
ছবির এই মেয়ের দিকে তাকায়ে বারবার বলতে মন চাচ্ছে-
Hello Ashiq ゚
30/04/2026
চোখের দেখায় না পেলেও,
মনের দেখায়, সারাক্ষণ দেখি তোমায় প্রিয়তমা।🥰
15/04/2026
নিজের জীবনে সন্তুষ্ট থাকা নিঃসন্দেহে একটি বড় গুণ।
তবে সেই সন্তুষ্টির আড়ালে অন্যের অনুভূতিকে অবমূল্যায়ন করে “ইনসিকিউর” বলে লেবেল লাগানো মোটেও উচিত নয়।
Hello Ashiq Ashiqur Rahman
27/03/2026
গন্তব্য যখন অনিশ্চিত…
সকাল ৮:১৫—ব্যস্ত শহর ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা। ঘড়ির কাঁটা বিকাল ৩:৩০ ছুঁইছুঁই, তখন পৌঁছালাম গন্তব্যে। দীর্ঘ ৮ ঘণ্টার ক্লান্তিকর পথ। শিশুদের প্রোগ্রাম শেষে আবার রাত ৭:৩০-এ ফিরতি যাত্রা। এখনো গাড়ির সিটে শরীর এলিয়ে দিয়ে জানালার বাইরে অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে আছি…
কিন্তু মনটা অস্থির। ফেসবুক স্ক্রল করলেই একের পর এক দুর্ঘটনার খবর চোখে পড়ে। বুকটা কেঁপে ওঠে। আমাদের মহাসড়কগুলো কি তবে একেকটি মৃত্যুপুরীতে পরিণত হচ্ছে?
সবচেয়ে বেশি ভয় লাগে যখন পাশে থাকে ছোট্ট সন্তান। ওদের নিষ্পাপ মুখের দিকে তাকালে বুকটা হাহাকার করে ওঠে। অথচ সড়কের বাস্তবতা—বেপরোয়া গতি, অদক্ষ চালক, অনেকেরই নেই বৈধ লাইসেন্স। নিয়মের তোয়াক্কা নেই, জীবনের মায়া নেই। যেন এক অদৃশ্য নৈরাজ্য চলছে চারদিকে।
প্রতিকারের দাবিগুলোও বারবার হারিয়ে যায়, অরণ্যে রোদনের মতো…
তবুও আশা করি—একদিন এই পথগুলো নিরাপদ হবে। কোনো মা সন্তানের জন্য কাঁদবে না, কোনো পরিবার হঠাৎ শূন্য হয়ে যাবে না। সেই ভোরের অপেক্ষায় আছি…
হে আল্লাহ, আমাদের এই বিপদসংকুল পথচলা সহজ করে দিন। আপনিই আমাদের একমাত্র হেফাজতকারী।
🔹 ছোট্ট পরামর্শ: গাড়িতে ওঠার আগে সফরের দু’আ, বাহনে ওঠার দু’আ এবং সকাল-সন্ধ্যার নিরাপত্তার দু’আগুলো পড়ে নিন—ইন শা আল্লাহ!
26/03/2026
🚨 আজকের বড় খবর, কিন্তু এর চেয়েও বড় সতর্কবার্তা অভিভাবকদের জন্য...
লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি আদালত মেটা (Facebook/Instagram) ও গুগল (YouTube)-কে ৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
২০ বছরের এক তরুণীর অভিযোগ—এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা, যা মস্তিষ্কে মাদকের মতো আসক্তি তৈরি করে।
👉 এখন নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন—আপনার সন্তান কি আগের চেয়ে বেশি রাগী হয়ে যাচ্ছে?ফোন ছাড়া কি একদমই থাকতে পারছে না?
💔 বাস্তবতা হচ্ছে—আমাদের সন্তানরা এখন এক অদৃশ্য ফাঁদে আটকে গেছে।
📱 এই অ্যাপগুলো ঠিক “জুয়ার মেশিন”-এর মতো কাজ করে—একটা লাইক, একটা নতুন ভিডিও…এই অনিশ্চিত পুরস্কারের আশায় মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরি হয়, আর তারা বারবার ফোন চেক করে।
🔁 Infinite scroll + Autoplay = সময়ের হিসাব শেষতারা বুঝতেই পারে না—কখন ঘন্টা পেরিয়ে যাচ্ছে।
🤖 আরও ভয়ংকর বিষয়—এই অ্যাপগুলোর AI আপনার সন্তানের দুর্বলতা বুঝে ফেলেএবং সেই অনুযায়ী কন্টেন্ট দেখিয়ে তাকে আরও গভীরে টেনে নেয়।
⚖️ আদালতের রায়ে—Meta ৭০% এবং Google ৩০% দায়ীকারণ: মানসিক বিপর্যয়, বিষণ্ণতা, Body Dysmorphia
⚠️ মনে রাখুন—এই রায় শুধু একটি মামলার নয়,বিশ্বজুড়ে হাজারো একই ধরনের সমস্যার প্রতিচ্ছবি।
Hello Ashiq
25/03/2026
প্রথমে ভেবেছিলাম, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যে বাসটা ডুবে গেছে—সেখানে আমার পরিচিত কেউ নেই। মনটা স্বস্তি পেয়েছিলো একটু। আমার বাড়ি তো রাজবাড়ী তে…
কিন্তু কিছুক্ষণ পরই সেই স্বস্তি ভেঙে গেলো।
হঠাৎ বোন মেসেজ দিলো—
“বাসায় সবাই ঠিক আছো তো?”
ঈদের ছুটি প্রায় শেষ।
কেউ অফিসে ফিরছে, কেউ রওনা হচ্ছে, কেউ আবার দু-একদিন ছুটি বাড়িয়েছে।
আমাদের বাসা থেকে এখনো কেউ বের হয়নি—এইটুকু ভেবে তখনও নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছিলাম।
তারপর ভিডিওটা দেখলাম…
বাস ডুবে যাওয়ার মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে হাতে গোনা পাঁচ-ছয়জন বের হতে পেরেছে।
বাকি মানুষগুলোর জন্য সেই দুই মিনিটই ছিলো জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানের শেষ সীমানা।
এরপর আর আশার কিছু থাকে না…
হঠাৎ ফেসবুকে একটা ছবি চোখে পড়লো—
রাইয়ান…
এক সময়ের খুব পরিচিত ছোট ভাই।
কত প্রোগ্রামে একসাথে গেছি, ভদ্র, শান্ত, মেধাবী একটা ছেলে।
সে এখনো নিখোঁজ…
আর তার মায়ের নিথর দেহ পাওয়া গেছে।
ছবিটা দেখার পর বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠলো…
কিছু কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।
আরেকটা ছোট্ট ছেলে—
পানি থেকে বের হয়ে “মা মা” করে কাঁদছে…
সে তার মাকে টেনে তুলতে পারেনি।
মুহূর্তেই এতিম হয়ে গেলো…
ভাবতেই শিউরে উঠি—
একটা বাস, উল্টো হয়ে পানির নিচে…
কিভাবে বের হবে মানুষ?
যে বাবাটা বের হতে পারতো—তার পাশে হয়তো তার সন্তান ছিলো,
কিভাবে তাকে ফেলে একা বাঁচবে?
যে মায়ের কোলে ছোট্ট শিশু—
সে কি করে নিজের জীবন বাঁচাতে সন্তানকে ছেড়ে দেবে?
যারা বেঁচে ফিরেছে—
তারা হয়তো বেঁচে থাকবে,
কিন্তু ভেতরে ভেতরে সেই মুহূর্তগুলো নিয়ে আর কখনো স্বাভাবিক হতে পারবে না…
হে আল্লাহ…
আপনি তো সবই পারেন।
কত দোয়া করেছিলাম—সবাই যেন ভালোভাবে ঈদ কাটায়…
কিন্তু শেষটা এমন হবে—তা কি লিখাই ছিলো?
বাইরে বৃষ্টি পড়ছে…
আকাশ ভরা মেঘ, ভারী হয়ে আছে চারপাশ।
এই একটি ঈদে—
কতগুলো পরিবার তাদের প্রিয় মানুষ হারালো,
কত শিশু এতিম হলো,
কত মা-বাবা সন্তানহারা হলো—
এই হিসাব শুধু আপনার কাছেই আছে।
হে আল্লাহ…
আপনি তাদের জন্য যথেষ্ট হয়ে যান।
তাদের ধৈর্য দিন, তাদের শোককে সহজ করুন…
আর যারা চলে গেছে—তাদেরকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন… 🤲
িকনওশিন
Hello Ashiq
বাবা আর মেয়ের সম্পর্কটা খুব নরম, খুব গভীর— আর এই সম্পর্কের সবচেয়ে সুন্দর ভাষা হলো সময় দেওয়া। বিশেষ করে যখন মেয়ের বয়স মাত্র ২ বছর, তখন তার পৃথিবীটা ছোট, কিন্তু সেই ছোট পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নায়ক তার বাবা।
এই বয়সে শিশুরা কথার চেয়ে কাজ আর অনুভূতি বেশি বুঝে। বাবা যখন তার মেয়ের সাথে খেলা করে— কখনো পুতুল খেলা, কখনো দৌড়ঝাঁপ, কখনো আবার ছোট ছোট গল্প বানিয়ে— তখন শুধু সময় কাটানো হয় না, গড়ে ওঠে এক অদৃশ্য বিশ্বাস। এই সময়গুলোই তাকে শেখায়, “বাবা আমার নিরাপদ জায়গা।”
অনেক সময় আমরা ভাবি, ভালো বাবা হওয়া মানে শুধু দায়িত্ব পালন করা। কিন্তু আসলে সন্তানের সাথে মাটিতে বসে খেলা করা, তার সাথে হাসা, তার ভাষায় কথা বলা— এগুলোই তাকে মানসিকভাবে শক্ত করে তোলে। বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে, বাবার ভালোবাসা ও উপস্থিতি তার আত্মবিশ্বাস গঠনে বিশাল ভূমিকা রাখে।
আপনার মেয়ের বয়স যেহেতু ২ বছর, এখন তার শেখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। আপনি যখন সময় পেলেই তার সাথে খেলেন, তখন আপনি শুধু একজন বাবা নন— আপনি তার প্রথম বন্ধু, প্রথম শিক্ষক, আর তার ছোট্ট পৃথিবীর সবচেয়ে আপন মানুষ।
এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো একদিন বড় স্মৃতি হয়ে থাকবে। হয়তো সে বড় হয়ে সব মনে রাখতে পারবে না, কিন্তু আপনার দেওয়া ভালোবাসা তার মন আর চরিত্রে চিরদিন থেকে যাবে।
তাই কাজের ব্যস্ততার মাঝেও, একটু সময় বের করে মেয়ের সাথে খেলুন, হাসুন, গল্প করুন— কারণ এই সময়টা আর কখনো ফিরে আসবে না। 💛
যে বাবা আমার এই লেখাটা পড়েছেন, উত্তর দেন তো ঠিক কতদিন আগে আপনি আপনার সন্তানের সাথে এমন সুন্দর একটি সময়ে স্পেন্ড করেছেন।
Hello ashiq.com
18/03/2026
জীবন সঙ্গী ভালো হলে বুঝতে পারবেন বিয়ে কত বড় নেয়ামত।
আর যদি উল্টা হয়ছে তাহলে বুঝবেন, কত্তবড় ভুল করছেন।
17/03/2026
বাবাদের বলছি!
শেষ কবে কোলবালিশটাকে ঘোড়া বানিয়ে দুই পায়ের মাঝখানে চেপে ধরে, পেছনে আপনার সেই একরত্তি সন্তানকে বসিয়ে টগবগ টগবগ শব্দে পুরো ঘর দৌড়েছেন?
হয়তো মনে করতে পারছেন না…
হয়তো এখন আপনি অনেক ব্যস্ত—অফিসের ফাইল, ব্যবসার হিসাব, আর সমাজে “গম্ভীর মানুষ” হয়ে থাকার দায়িত্বে।
মনে হয়, এসবের ভিড়ে কোলবালিশের ঘোড়া হওয়াটা আর আপনাকে মানায় না।
কিন্তু একটা কথা বলি ভাই—
যেদিন আপনি সব গাম্ভীর্য ভুলে গিয়ে আবার সেই বাচ্চা মানুষটা হয়ে যাবেন,
যেদিন নিজের সন্তানের সামনে পাগলের মতো দৌড়াবেন…
সেদিন দরজায় দাঁড়িয়ে আপনার স্ত্রী বা মা হয়তো অবাক হয়ে বলবেন,
“লোকটা কি পাগল হয়ে গেল নাকি!”
আর ঠিক সেই মুহূর্তেই বুঝে নিবেন—
আপনি একজন সফল বাবা হওয়ার পথে ঠিক জায়গাতেই আছেন।
কারণ তখন আপনি শুধু বাবা না,
আপনি আপনার সন্তানের চোখে সবচেয়ে বড় সুপারহিরো।
বিশ্বাস করুন,
পৃথিবীর কোনো দামী খেলনা আপনার এই ছোট্ট পাগলামির কাছে কিছুই না।
আজ অফিস থেকে ফিরে, সব গাম্ভীর্য দরজার বাইরে রেখে…
একবার কোলবালিশের ঘোড়া হওয়া যায়?
আপনার সন্তানের সেই হাসিটা কিন্তু এখনও আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।
Hello ashiq.com
16/03/2026
শরীরটা আমার না। আমার কাছে আমানত।
এই আমানতের হিসাব একদিন দিতে হবে।
আর যে আমানত নষ্ট করে, তার পরিণতি আগে দুনিয়াতেই দেখা যায়।
৪০ বছরে ৬০-এর মতো দেখানো, শক্তি না থাকা, হাঁটু ব্যথা, মাথা পরিষ্কার না থাকা, এগুলো বয়সের শাস্তি না।
বছরের পর বছর নিজের শরীরকে অবহেলা করার ফল।
খারাপ খাবার, রাত জাগা, শরীরচর্চা না করা, টেনশন জমিয়ে রাখা, শরীর এই হিসাব মনে রাখে। সুদে আসলে ফেরত দেয়।
আজ থেকে চারটা কাজ করুণ,
সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচ দিন ব্যয়াম বা রানিং করুন,
প্রোটিন আর ভালো খাবার খান,
ঘুমকে ইবাদত মনে করুন,
আর দুশ্চিন্তাকে আল্লাহর উপর ছেড়ে দিন।
কারণ যে আমানতের যত্ন নেয়, আল্লাহও তাকে বরকত দেন।