Noman Blog
اسسلام عليكم ورحمةالله وبركا ثه
…...…,•’``’•,•’``’•,
…...…’•,`’🌹’` ,•’
...……...`’•, ,•’,•’``’•,•’``
#
তুমি কে আমি কে
ফি লি স্তি ন, ফি লি স্তি ন।
গা'জ্জা থেকে মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় নেতা আলেমদের প্রতি বার্তা।
07/04/2025
এক ফিলিস্তিনি সাংবাদিক লিখেছেন:কয়েক ঘন্টা পরেই পৃথিবীর মাত্রচিত্র থেকে গা'জা মুছে যাবে।ইতিহাস একদিন বলবে গাজা একাই লড়ছিলো।😭😭😭😭😢😢😢😭
প্রায় ২০০ কোটি মুসলিম তাকিয়ে ছিল রাফাহ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, সেখানে আর কেউ নেই ফিলিস্তিনিদের জন্য দোয়া করুন সবাই।🤲দেখেছিলো।
ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে— পাকিস্তান ছিল বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর, তবু গাজার রক্ষার্থে একটি বোমাও উড়ে আসেনি।
মিশরের বুক চিরে নীলনদ বয়ে গিয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী, যা প্রাণ জুগিয়েছে আফ্রিকার মরুভূমিকে। অথচ, পাশেই গাজার শিশুরা তৃষ্ণায় কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল।
সৌদি আরব, আরব আমিরাত ছিল তেলের সাগরে ভেসে থাকা বিলাসী সাম্রাজ্য, কিন্তু, গাজার অ্যাম্বুলেন্স-গুলো পেট্রোল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল নিঃশব্দে, নিরূপায়। নিরবতা যেনো তাদের একমাত্র আর্তনাদ।
সর্বোচ্চ আশা-প্রত্যাশার অসংখ্য চোখ তাকিয়ে ছিল তুরস্কের দিকে। নেতৃত্বের স্বপ্নে বিভোর, ‘উম্মাহ’র দাবি করা মুখপাত্র। তবু, গাজার জন্য তারা কিছুই করলো না। না রসদ-সামগ্রীর সাহায্য, সামরিক সহযোগিতা, না নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় কূটনৈতিক আগ্রাসন..
গোটা বিশ্বের মুসলমানদের ছিল ৫০ লাখ সৈন্য, ছিল ট্যাংক, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, স্যাটেলাইট, গোয়েন্দা বাহিনী, ছিল আধুনিক প্রযুক্তি, এমনকি হাইড্রোজেন পরমাণু বোমা— কিন্তু, গাজার আকাশে একটাও ছায়া পড়েনি। গাজার দিকে কেউ হাঁটেনি।
সবকিছু থাকবে ইতিহাসে। গাজার মতোই– কাশ্মীর, উইঘুর, রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন প্রান্তে জুলুমাতের অন্ধকারে থাকা মুসলমানদের কথা। তবে, সবচেয়ে করুণভাবে লেখা থাকবে– 'তারা চুপ ছিল। সবাই নিরব ছিল। মৃত্যুর চেয়েও গভীর ছিল সে নীরবতা।' (কপি পোষ্ট)
আল্লাহ আর একবার হুকুম দেন
08/02/2025
অভিযোগ,,,,,
এত উঁচু টুলে কেন বসায়ছো আমি কি নামতে পাড়ি,,, হে হে,,, নামাও নামাও🤭
Click here to claim your Sponsored Listing.