Mohsin
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mohsin, Digital creator, Shahjalal Upashahar, .
26/05/2022
08/05/2022
মজুরি বৃদ্ধির আয় প্রভাব
শ্রমের দামকে মজুরি বলা হয়। একজন শ্রমিক প্রথমাবস্থায় মজুরি বাড়ালে অধিক আয় প্রাপ্তির আশায় শ্রম সরবরাহের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। অর্থাৎ আয় বাড়ানোর জন্য বিশ্রামের পরিবর্তে শ্রমিক বেশি কাজ করতে আগ্রহী হয়। এরূপ প্রবণতাকে মজুরি বৃদ্ধির আয় প্রভাব বলা হয়। মজুরি বৃদ্ধির প্রথমাবস্থায় আয় প্রভাব প্রবল থাকে। অর্থৎ মানুষ প্রথম অবস্থায় মজুরি বাড়লে বিশ্রামের পরিবর্তে অধিক কাজ করতে আগ্রহী হয়। কারণ শুরুতে শ্রমিকের আয় কম থাকে, সে তুলনায় অভাব বেশি থাকে। প্রয়োজনীয় অভাব পূরণের আশায় বিশেষ করে উন্নত জীবনযাপনের আশায় বিশ্রামের চেয়ে কাজ করাকে প্রধান্য দেয়। আমরা সবাই জীবনের প্রথমাবস্থায় অধিক আয়ের জন্য বিশ্রামের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করি। তাই মজুরি বৃদ্ধির প্রথমদিকে শ্রমিকদের এই মনসিকতার জন্য শ্রমের যোগান পশ্চাতমূখী হয় না।
কিন্তু মজুরির হার একটি নির্দিষ্ট স্তরে পৌঁছার পরে মজুরি বাড়লেও শ্রমের যোগান বাড়ে না বরং কমে যায়। এমতাবস্থায় শ্রমিকরা কাজ করার চেয়ে বিশ্রাম গ্রহণ করাকে অধিক গ্রুরুত্ব প্রদান করে। মানে, এ পর্যায়ে মজুরি বৃদ্ধি পেলেও শ্রমিকের পূর্বের ন্যায় শ্রম প্রদান করতে আগ্রহ দেখা দেয় না।
08/05/2022
মনোপসনি বাজারঃ
মনোপসনি বলতে একজন মাত্র ক্রেতাকে বোঝানো হয়। যে বাজারে (উপকরণের) একজন মাত্র ক্রেতা ও অসংখ্য বিক্রেতা বিদ্যমান থাকে সে বাজারকে মনোপসনি বলে। মনোপসনির উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোন নির্দিষ্ট এলাকায় শ্রমিক নিয়োগের জন্য একজন নিয়োগকারী থাকলে বা নিয়োগকারীরা একজোট হয়ে শ্রমিক নিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করে তবে তাকে মনোপসনি বলা যায়।
মনোপসনি বাজারে পূর্ণ প্রতিযোগীতা সম্পূর্ণ অনুপস্থি থাকে বলে উপকরন শোষিত হয়। শ্রম বাজারে (উপকরণ বাজার) মনোপসনি অস্তিত্ত্বের জন্য দুটি শর্ত পূরণ করতে হয়।
যেমনঃ ১) শ্রমিকদের অসংগঠিত পরিস্থিতি এবং
২) শ্রমীকদের গতিশীলতার অভাব।
আর উপরোক্ত দুটি শর্তের কারণে মনোপসনি ক্রেতা হিসেবে নিয়োগকারী শ্রমিকদেরকে কম মজুরি নিতে বাধ্য করতে পারে। তাছাড়া শ্রমিকরাও তাদের মজুরি নিয়ে দরকষাকষি করতে পারে না। ফলে মনোপসনিতে শ্রমিকরা শোষিত হয় অর্থাৎ তাদের মজুরি প্রান্তিক উৎপাদন থেকে কম হয়।
07/05/2022
07/05/2022
29/11/2021
Part -2: Main Idea of Game Theory
দু’জন প্রতিদ্বন্দ্বী খেলোয়াড় কিংবা দুই দল খেলোয়ার একে অন্যের গৃহীত কৌশলের উপর ভিত্তি করে খেলায় জয় লাভের জন্য সর্বোত্তম কৌশল বাছাই করে। খেয়াল অংশগ্রহনকারি প্রত্যেক খেলোয়াড়ের উদ্দ্যেশ্য থাকে খেলার ফলাফল অনুকূলে নেওয়া অর্থাৎ জয় লাভ করা। তবে একজন খেলোয়ারের সফলতা নির্ভর করে প্রতিদ্বন্দ্বী খেলোয়ারের গৃহীত কৌশলের উপর।
অথাৎ খেলায় দুইজন খেলোয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও পরস্পর নির্ভরশীল। একজন খেলোয়ার কিংবা একপক্ষের জয়লাভ করার অর্থ হচ্ছে অন্য দলের পরাজয়। এমন অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় উভয় পক্ষ কিভাবে তার সঠিক কৌশল নির্ধারণ করে কিংবা কৌশল নির্ধারণে ভারসাম্য লাভ করে তা নির্ণয় করাই হচ্ছে ক্রীড়া তত্ত্বের মূল বিষয়। খেলাধুলা ছাড়াও যে সকল ক্ষেত্রে পরস্পর অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকি রয়েছে সে সকল ক্ষেত্রে কৌশল নির্ধারণে ক্রীড়া তত্ত্ব প্রয়োগ করা যায়। বিশেষ করে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমরনীতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ক্রীড়া তত্ত্বের ব্যাবহার লক্ষ্য করা যায়।
ব্যবসা পরিচালনা বিশেষ করে অর্থনীতিতে বাজারের শেয়ার দখলের খেলায় একটি ফার্ম অন্য ফার্মের গৃহীত কৌশলের ওপর ভিত্তি করে তার নিজস্ব কৌশল ঠিক করে। যেমনঃ বাংলাদেশের সেল ফোনের বাজারে রবি ও গ্রামীণ ফোনের গ্রাহক সংখ্যাই বেশি। এখন রবি তার গ্রাহক সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কী ধরনের কৌশল গ্রহণ করে তার ভিত্তিতেই গ্রামীণ ফোন তার কৌশল নির্ধারণ করে। আবার গ্রামীণ ফোনের কৌশল দেখে রবি পালটা কৌশল গ্রহণ করে। এভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী ফার্ম বাজার দখল করার জন্য কৌশল ঠিক করে। এটাও একধরনের খেলা। আবার যুদ্ধ ক্ষেত্রে দুই পক্ষের যোদ্ধা বা সমরবিদরাই যুদ্ধে জয়লাভের জন্য প্রতিপক্ষের রণ কৌশলের উপর ভিত্তি করে নিজেদের কৌশল ঠিক করে।
এভাবেই যুক্তিশীল একজন ব্যক্তি/পক্ষ/দল এর গৃহীত কৌশলের সফলতা, ব্যর্থতা প্রতিপক্ষের গৃহীত কৌশলের ওপর নির্ভর করে। সহজকথায়, একপক্ষের কৌশল অন্যপক্ষের কৌশলের দ্বারা প্রভাবিত হয়। অর্থাৎ একপক্ষের খেলার সফলতা/ ব্যর্থতা শুধু নিজেস্ব কৌশলের ওপরই নির্ভর করে না বরং বিপরীত দলের/প্রতিপক্ষের কৌশলের উপর নির্ভর করে।