Sarker
Sarkar
আল্লাহ তুমি জানো আমার মনের খবর,, আল্লাহ তুমি জানো আমি তোমার কাছে কি চাই বা কতটা চাই,, আল্লাহ আমি তোমার কাছে যে জিনিসটা চাই ভিক্ষা দাও আল্লাহ তুমি আমার এই মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা আশা গুলোকে পূর্ণতা দান করো,, আল্লাহ আমি তোমাকে বিশ্বাস করি,,আমি তোমাকে ভরসা করি তোমার উপর আশা বাদি🤲😢
সবাই ১ বার করে ইসমে আজম পড়ে দোয়া করে দিয়েন,, যাতে আল্লাহ আমার মনের আশা এবং দোয়া গুলো পূরণ করে দেয়।🤲🤲🤲
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু, লা-ইলাহা ইল্লা আংতাল মান্নান, বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্, ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বাইয়্যুম " 🤲🤲🤲
আর ১বার করে দোয়া ইউনুস পড়ে দিন,
"লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবাহানাকা ইন্নি কুংতু মিনায যোয়ালিমিন "
পড়া শেষে, আমিন লিখবেন। 🤲🤲🤲
" মাঝরাতে অনু গোসল করছে।গোসল করার মতো কিছু আমাদের মধ্যে হয়নি,বাথরুমে উঁকি দিতেই শরীর শিউরে উঠলো "
বাথরুমের ভেতরে গায়ে জল ঢালার ছপছপ শব্দ হচ্ছে।হঠাৎ একটা শয়তানি বুদ্ধি মাথায় এলো।ঠিক করলাম অনুকে ভয় দেখাবো।
দরজা খুললে আড়াল হয় এমন যায়গায় দাঁড়ালাম।বেশ খানিকটা সময় পাড় হওয়ার পর বাথরুমের দরজা খুললো।
আমি প্রস্তুত হলাম খুব জোরে " হাউ " শব্দ করে অনুকে ভয় দেখানোর অপেক্ষায়।অনু দরজায় আসার সাথে সাথেই " হাউ" বলে শব্দ করবো।
অপেক্ষা করছি কিন্তু অনু বেড় হচ্ছে না।অথচ কিছুক্ষণ আগেই বাথরুমের দরজা খুলেছে।বুঝতে পারলাম অনু আমার উপস্থিতি বুঝতে পেরেছে তাই বেড় হচ্ছে না।বাথরুমের দিকে উঁকি মারলাম।
বাথরুমের ভেতরটা র"ক্তে ভেসে যাচ্ছে।কেউ নেই! দেয়াল থেকে র"ক্ত টপটপ করে মেঝেতে পড়ছে।এতোক্ষন যে শব্দটা শুনেছিলাম সেটা তাহলে র"ক্তের শব্দ ছিলো!কিন্তু অনু কোথায়?
পেছন থেকে কেউ একজন আমার ঘাড়ে হাত রাখলো।চমকে পেছনে তাকিয়ে দেখি অনু।ভয়ে আমার হা পা ঠান্ডা হয়ে গেছে এতোক্ষণে।কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম
" তুমি মাত্রই বাথরুমে ছিলে না? "
অনু চুল মুছতে মুছতে বললো " কই না তো।এক ঘন্টা আগে ছিলাম "
বাথরুমের দিকে তাকাতেই দেখলাম সব র"ক্ত গায়েব।আমায় বিভ্রান্ত দেখে অনু বললো
" এতো ভয় পেয়ে আছো কেন? "
" র'ক্ত! এখানে র'ক্ত ছিলো "
" ধূর,কিসের র'ক্ত থাকবে।অনেক রাত হইছে।আমার চুল বেঁধে দাও আসো "
সবটা মনের ভুল ভেবে বিছানায় বসলাম।ফ্লোরে অনু বসলো।অনুর ভেজা চুল মুছার জন্য যেই না ওর মাথার পেছনের অংশের চুল সরালাম দেখলাম!
দেখলাম ওর মাথার ঠিক পেছনের অংশের চুলের আড়ালে অন্য আরেকটি মুখ! সে মুখে কয়লার মতো ধলধক করে জ্বলতে থাকা চোখের মনি! চিকন চিকন দাঁত গুলি ঠোঁট থেকে অনেকটা অংশ বাইরে বেড়িয়ে এসছে।
ঠিক তখনই আরেকটা বিষয় ধাতস্ত করলাম,দেখলাম ওর মাথার পেছনের সেই মুখটার মুখে র"ক্ত লেগে আছে!তাজা গরম র"ক্ত!
সঙ্গে সঙ্গে বিছানায় আমার ঘুমন্ত ৩ বছরের মেয়ের দিকে তাকালাম।ধাক্কার মতো খেলাম! একি! আমার মেয়ের এ কি অবস্থা!
চলবে.................
গল্প #সময়টা_নিশি_রাত
লেখক #জয়ন্ত_কুমার_জয়
পর্ব_১
যারা ফ্যান্টাসি গল্প ভালোবাসেন তাদের জন্য গল্পটি।রেসপন্স ভালো আসলে পরবর্তী পর্ব কালকেই দিবো।সবার রেসপন্স কাম্য করছি।পাঠকদের ভিন্ন স্বাদের একটি গল্প উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবো।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে রোগী নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে টিকেট নিতে হবে। টিকেট ২০ টাকা। টিকেট নেওয়ার পর রোগীকে হুইল চেয়ারে করে ওয়ার্ডে নিয়ে গেলে ১০০ টাকা, আর রোগীর অবস্থা খারাপ হলে ট্রলি দিয়ে নিতে ২০০ টাকা,ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়ার পর রোগীর, ২০০-৩০০ টাকা হলে বেড আছে। না হয় মাটিতে। রোগী ভর্তি শেষ। এবার ডাক্তারের পালা। ডাক্তার আসবে রোগী দেখবে।তারপর শুরু হবে পরীক্ষা। প্রথমে কমপক্ষে ৪টি পরীক্ষা সাথে ১ বস্তা স্যালাইন ও কিছু ঔষধ। পরীক্ষার রিপোর্ট আসা পর্যন্ত স্যালাইন আর ঔষধ চলবে।
রিপোর্ট আসার পর আরেক ডাক্তার আসবে সে দেখে আবার অন্য পরীক্ষা দিবে।এভাবে প্রতিদিন ডাক্তার পরিবর্তন হবে আর একটার পর একটা পরীক্ষা দিবে।পরীক্ষা করাতে হুইলচেয়ারে নিয়ে গেলে ১০০ টাকা আর ট্রলিতে নেওয়া লাগলে ২০০ টাকা ওয়ার্ড বয়কে দিতে হবে. মানুষের সব শেষ। হাতে ভিক্ষার বাটি।
বাচ্চা হলে ওয়ার্ড বয় আয়া কে খুশি করতে হবে দিতে হবে ১০০০/- থেকে ২০০০/- সিজার হলে তো কোন কথায় নাই। অপারেশন থিয়েটারের বয়কে খুশি করতে হবে। দারোয়ানকে খুশি করতে হবে। এবং প্রতিদিন ড্রেসিং করার জন্য আয়া বা ওয়ার্ড বয় কে ২০০/- থেকে ৩০০/- দিতে হবে। তা না হলে ড্রেসিং করবে না।রোগী সুস্থ্য। এবার রিলিজ দেওয়ার পালা। দারোয়ানকে খুশি করতে হবে। ওয়ার্ড বয়কে খুশি করতে হবে। সবাইকে খুশি করে নিজে শেষ হয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তারপর বাহিরে এসে দেখবেন জাতির সেই ব্যানার ঝুলে আছে, আমি ও আমার প্রতিষ্ঠান দুর্নীতি মুক্ত।
দেখার কি কেউ নেই!!!
#শেয়ার post
Click here to claim your Sponsored Listing.