BLACK FLAG
সবর, তাকওয়া ও তাওয়াক্কুল—এই তিনেই লুকিয়ে আছে বিজয়ের চাবি। Black Flag - হক পথে অবিচল।
Free Palestine.
ইরান 🇮🇷❤️ #আন্তর্জাতিক #দুবাই #ইরান
ইরান🔥🇮🇷 #দুবাই #ইরান
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের আকাশে উল্কাবৃষ্টির রেখা দেখা যাচ্ছে...
সমস্ত নিবন্ধ এবং ভিডিও AI সিমুলেশন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের উপর রকেট বৃষ্টি আতশবাজি এবং উল্কাপিণ্ডের মতো দেখাচ্ছে।
#আন্তর্জাতিক সংবাদ #ইরান #দুবাই
#মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ইরা*ন দাবি করেছে যে তারা একটি মা*র্কি*ন সহায়তা জাহাজকে মারাত্মকভাবে ক্ষ*তিগ্র*স্ত করেছে; ই*রা*নি মিডিয়া জানিয়েছে যে কমপক্ষে ৩৫টি ক্ষে*পণা*স্ত্র ইস*রা*য়েলে "সফলভাবে আ*ঘাত" করেছে; জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি বৈঠক করবে; গুতেরেস বক্তব্য রাখছেন। #মানচিত্র #ইরান #ইসরায়েল #মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি
14/04/2025
মার্চ ফর গাজা - এর ঘোষণাপত্রের আরবি অনুবাদ
إعلان وبيان تعهد
مسيرة لأجل غزة – داكا - 2025
بسم الله الرحمن الرحيم.
نبدأ بسم الله القوي العزيز الحكم العدل، الذي ينصر المظلومين ويحدد مصير الظالمين.
نحن شعب بنغلاديش اجتمعنا اليوم – الشعب الذي يعرف تاريخ القمع ويحمل روح الاحتجاج- للوقوف إلى جانب شعب غزة الأبيّ. إن مظاهرة اليوم ليست مجرد احتجاج؛ بل هي بياننا والتزامنا للتاريخ، وحلف يمين ووثيقة تعهد.
ومن خلال هذه المسيرة والتجمع الجماهيري اليوم سنقوم بطرح مطالبنا على أربعة مستويات:
المطالب الأولى إلى الأمم المتحدة والمجتمع الدولي:
ولما كانت الأمم المتحدة والمجتمع الدولي تظهر عزيمتهما على حماية حقوق جميع الشعوب، ومنع الاحتلال والإبادة الجماعية؛ ولقد رأينا أن سفك الدماء والدمار الذي يحدث كل يوم في غزة؛ ليس نتيجة فشل أيّ حكومةٍ بمفردها، بل هو نتيجة لفشل دولي، ولا يقتصر هذا الفشل على الصمت فحسب، بل ساهمت العديدُ من القُوى الغربية في استمرار هذه الإبادة الجماعية؛ من خلال توفير الأسلحة والذخائر والمال والدعم الدبلوماسي بشكل مباشر لدولة إسرائيل المحتلة؛ ويتنافس هذا النظام العالمي على حماية دولة إسرائيل المحتلة، بدلاً من الإدانة لها.
ولذلك فإننا نطالب الأمم المتحدة والمجتمع الدولي بقوة:
1. يجب ضمان محاكمة السلطات الإسرائيلية الصهيونية مرتكبي الإبادة الجماعية والجرائم ضد الإنسانية في المحكمة الجنائية الدولية.
2. ليس وقف إطلاق النار فقط – بل يجب اتخاذ إجراءات فعالة ومتضافرة لوقف الإبادة الجماعية.
3. يجب إنشاء الالتزام بإعادة الأراضي الفلسطينية التي كانت قائمة قبل عام 1967.
4. يجب الاعتراف الدولي بالقدس الشرقية عاصمة للدولة الفلسطينية الحرة.
5. يجب رسم الطريق أمام الفلسطينيين لترسيخ حق الحرية والأمن وتقرير المصير وتجسيد استقلال الدولة الفلسطينية.
لأن النظام العالمي يرتدي حاليًا قناع العدالة، وقد سقط هذا القناع تحت أنقاض غزة.
المطالب الثانية إلى قادة الأمة الإسلامية:
وبما أننا نؤمن بأن فلسطين ليست مجرد أرض؛ بل هي جزء من هوية الأمة الإسلامية؛
- وأن غزة لم تعد مجرد مدينة دمرتها الحرب، بل أصبحت انعكاسا مؤلما لإخفاقاتنا الجماعية؛
- وهي أمانة ملقاة على عاتق كل فرد من أفراد الأمة، وكل دولة، وكل قيادة، -التي تربطها أواصر الأخوة والمسؤولية - من عند الله؛
- وأن إسرائيل هي دولة غير شرعية، محتلة، مجرم حرب ومجازر همجية واللاإنسانية، استخدمت كل قواتها لمحو القبلة الأولى للمسلمين ووجود شعب بأكمله؛
- وأصبحت الهندوسية الهندية اليوم ممثلاً للمشروع الصهيوني في المنطقة، حيث تُواصل القمع والاضطهاد الشديد المخطط له ضد المسلمين الهنود؛
- وأن التدخل الأخير من الحكومة الهندية في تعديل قانون الوقف قد حرم المسلمين من حقوقهم الدينية والتاريخية - وهو ما يشكل تحذيراً واضحاً للأمة-؛
ولذلك فإننا نطالب بقوة حكومات العالم الإسلامي والمنظمات التي تمثل الأمة الإسلامية، مثل منظمة التعاون الإسلامي، بالتزام ما يلي:
1. يجب قطع جميع العلاقات الاقتصادية والعسكرية والدبلوماسية مع إسرائيل على الفور.
2. يجب فرض حظر تجاري وعقوبات اقتصادية على الدولة الصهيونية؛
3. يجب الوقوف إلى جانب الشعب المنكوب في غزة من خلال تقديم كل الدعم، بما في ذلك المساعدات الطبية والغذائية والإسكانية والدفاعية؛
4- يجب إطلاق حملة دبلوماسية نشطة لإضعاف قوة إسرائيل على المستوى الدولي.
5- يجب على منظمة التعاون الإسلامي والدول الإسلامية أن تظهر احتجاجا قويا وتتخذ موقفا دبلوماسيا فعّالا ضد عدوان الحكومة الهندية الغاشمة – أنصار الطائفة الهندوسية المتطرفة، حليفة الصهيونية - ضد الأقليات المسلمة، وخاصة التدخل في تعديل قانون الوقف الحالي.
لأنه - قبل أن نخجل من الدماء التي سفكت في غزة - فإن الوقوف مع غزة هو السبيل الوحيد لحفظ كرامة الأمة. والقيادات التي تصمت اليوم ستضطر للوقوف أمام محكمة التاريخ غداً.
المطالب الثالثة إلى الحكومة البنغلاديشية:
- وبما أن جمهورية بنغلاديش دولة ذات أغلبية مسلمة، ويستند نضالها من أجل الاستقلال إلى روح المقاومة ضد الظلم؛
- ونحن نعتقد أن بنغلاديش تتمتع بمكانة تاريخية فيما يتعلق بقضية فلسطين، ليس فقط بالنسبة لحقوق الإنسان؛ بل وأيضاً بالنسبة لإخوة الإيمان؛
- وباعتبارها دولة ديمقراطية، فمن مسؤولية الحكومة أن تحترم التطلعات الدينية والأخلاقية للشعب؛
- ولقد تعهد شعب بنغلاديش بالوقوف إلى جانب غزة، وبالتالي فإن الصمت على مستوى الدولة يعادل احتقاراً لهذا التطلع الشع ولذلك فإننا
نطالب بقوة حكومة بنغلاديش بقوة على ما يلي:
13/04/2025
মঙ্গল শোভাযাত্রা ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা মুসলিমদের জন্য হারাম।.........
পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মধ্যে রয়েছে কমপক্ষে পাঁচটি ইসলাম ও ঈমান বিরোধী বিষয় –
১. ঈমান-আকিদাবিরোধী প্রথার প্রচলন। যেমন, জীবজন্তুর মূর্তি নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা, মুখে উল্কি আঁকা,শাঁখা-সিঁদুরের রংয়ে (সাদা ও লাল) পোশাক পরিধান,রাখি বাঁধা, শাঁখা পরা, কপালে লাল টিপ ও চন্দন এবং সিথিতে সিঁদুর দেয়া। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-
“আল্লাহর নিকট তিন শ্রেণীর লোক সবচেয়ে বেশী ঘৃণিত – ১ম শ্রেণী হচ্ছে, যারা হারাম শরীফের মধ্যে কুফরী কার্যকলাপ করে। ২য় শ্রেণী হচ্ছে, যারা ইসলামে থাকা অবস্থায় (মুসলমান হয়েও) জাহিলিয়্যাতের রীতি–নীতি ও আদর্শ (কাফের মুশরিকদের অনুকরণ–অনুসরণ) পালন করে। ৩য় শ্রেণী হচ্ছে, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কারো রক্ত প্রবাহিত করে।” (বুখারী ৬৮৮২ দিয়াত অধ্যায়)
২. বিজাতির অনুসরণ। বির্ধমীরা তাদের সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী ইংরেজী নববর্ষ পালন করে আর আমরা বাংলা সংস্কৃতি মতে বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ পালন করি।
অথচ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরন করবে সে ব্যক্তি সে জাতির মধ্যে গণ্যহবে। (আবু দাউদ ৩৫১২)
৩. নগ্নতা, অশ্লীলতা, ব্যভিচারপূর্ণ অনুষ্ঠান। এই ব্যভিচার বিভিন্ন অঙ্গের দ্বারা হতে পারে, যেমনটি রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেছেন যে,
দুই চোখের ব্যভিচার হল হারাম দৃষ্টি দেয়া, দুই কানের ব্যভিচার হল পরনারীর কণ্ঠস্বর শোনা, জিহবার ব্যভিচার হল, [পরনারীর সাথে সুড়সুড়িমূলক] কথোপকথন। হাতের ব্যভিচার হলব্যভিচার হল পরনারী স্পর্শ করা, পায়ের ব্যভিচার হল গুনাহর কাজের দিকে পা বাড়ান, অন্তরের ব্যভিচার হল কামনা-বাসনা আর গুপ্তাঙ্গঁ তা সত্য অথবা মিথ্যায় পরিণত করে। (মুসলিম ২৬৫৭, মুসনাদে আহমাদ ৮৯৩২)
আর আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
وَلَا تَقْرَبُوا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ
নির্লজ্জতা ও অশ্লীলতার কাছেও যেও না, চাই তা প্রত্যক্ষ হোক আর পরোক্ষ হোক। (সূরা আনআম ১৫১)
৪. গান ও বাদ্য ও মদ্যপানপূর্ণ অনুষ্ঠান। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেছেন,
এই উম্মতের জন্য ভূমিধ্বস, চেহারা বিকৃতি এবং পাথর বর্ষণের আযাব রয়েছে। জনৈক মুসলিম ব্যক্তি তখন বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, কখন হবে তা? তিনি বললেন, যখন গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের বিস্তার ঘটবে এবং মদ্যপান দেখা দিবে। (তিরমিযী ২২১৫)
৫. সময় ও অর্থ অপচয়কারী অনর্থক ও বাজে কথা এবং কাজ। আল্লাহ পাক বলেন,
সেই মুমিনরা সফলকাম হয়েছে, যারা বাজে কাজ থেকে বিরত থেকেছে। (সূরা মুমিনুন ৩)
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে উক্ত পাঁচটি কাজ পুরোপুরিভাবেই নিষিদ্ধ। ইসলামের দৃষ্টিতে বিভিন্ন উৎসব-অয়োজন ও আচার-অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও শরয়ি নির্দেশনার এক চুল বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। এজন্যই অমুসলিমদের উৎসব-অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া, আর তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া ইসলাম বিরোধী কাজ। অমুসলিমদের কৃষ্টি-কালচার, ইসলাম বিরোধী পথ ও পদ্ধতি অনুযায়ী আয়োজিত উৎসব-অনুষ্ঠানের সাথে একমত পোষণ করার মানে হলো কুফরের সাথে একমত পোষণ করা। কাজেই সন্দেহ নেই, ,পহেলা বৈশাখ উদযাপনে ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ হারাম। মুসলিম হিসেবে যা অবশ্যই বর্জন করতে হবে।
যে মুসলিম সত্য মেনে এটি বর্জন করবে না
আল্লাহ তাআলা বলেন,
যে ব্যক্তি ঈমান প্রত্যাখ্যান করবে তার কর্ম নিষ্ফল হবে এবং আখিরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা মায়েদা ৫)
উক্ত আয়াতের তাফসিরে আল্লামা বাগাবি রহ বলেন,
“যে ব্যক্তি ঈমান প্রত্যাখ্যান করবে’ এ কথার অর্থ হলো, যে ব্যক্তি হারামকে হালাল মনে করবে এবং হালালকে হারাম সাব্যস্ত করবে তার যাবতীয় আমল বৃথা হয়ে যাবে। আর আখেরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। ইবনে আব্বাস রাযি. বলেন, তার সাওয়াবগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।” (তাফসীরে বাগাবী ২/২০)
আল্লাহ সকলকে সহিহ বুঝ দান করুন। আমিন।
13/04/2025
দ্বীন বিজয়ের জন্য নেতাকর্মীদের কয়েকটি বিষয়ে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে:
১। নিজেদের নিয়ত ও আমল।
২। কাফেরদের গোপন ও প্রকাশ্য চক্রান্ত এবং তা রুখে দেয়ার জন্য সুদূরপ্রসারী ও যথোপযুক্ত পরিকল্পনা।
৩। মুনাফিকদের চক্রান্ত ও কৌশল।
৪। অতিউৎসাহী ভাইদের আবেগপ্রবণ হয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা সিদ্ধান্ত রুখে দেয়ার জন্য তাৎক্ষণি # #ক যথোপযুক্ত পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত নেয়া। কর্মীদের উচিত সর্বদা নেতার আনুগত্য করা যতক্ষণ পর্যন্ত শরীয়তের বিধানের সুস্পষ্টভাবে খেলাফ না হয়।
৫। সকল পরিস্থিতিতে নেতার আনুগত্য, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা, বিচ্ছিন্ন না হওয়া, কোরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে থাকা।
৬। সবসময় আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা, বিশ্বাস ও তাওয়াক্কুল করা।
৭। নিজের চেয়ে সর্বদা জামায়াতকে বেশি প্রাধান্য দেয়া।
আমি বর্তমান সময়ে অধিকাংশ কর্মীদের অতিউৎসাহী হিসেবে দেখছি যা দ্বীন বিজয়ের জন্য অশনিসংকেত। আর নেতাদের আল্লাহর হুকুম পালনের চেয়ে কর্মীদের মন রক্ষায় বেশি ব্যস্ত দেখতেছি যা কোনভাবেই দক্ষ নেতৃত্বের গুণাবলী নয়।
12/04/2025
টাইমস অব ইসরায়েলে আজকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত "মার্চ ফর গাজা"-এর খবর।
নেতানিয়াহুর কুশপুত্তলিকা জুতাপেটা করার খবর ফলাও করে প্রচার।
12/04/2025
ড্রোন শো।
স্থান : জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা।
12/04/2025
আজকের মার্চ ফর গাজা'র বিশাল আয়োজনে সভাপতি তিনি। অনুষ্ঠানের মধ্যমণি। অথচ পায়ের স্যান্ডেলজোড়া দেখুন। অনাড়ম্বরতার কী অনুপম দৃষ্টান্ত! রব্বে কারীম যাকে ইজ্জত দেন বরিত ও বরেণ্য হয়ে উঠতে তার দামী জামা-জুতো লাগে না। সর্বহৃদয়ে তার ভক্তি-ভালবাসা সমীহ তৈরি করে দেয়। খুব সাধারণ থেকেও তিনি হয়ে থাকেন অসাধারণ।
আরেকজন মাওলানা ছিলেন আমাদের। মাওলানা ভাসানী। কুঁড়েঘরে জীবন কাটিয়েও কোটি হৃদয়ের শাহেনশাহ ছিলেন। কল্পনা করি, আজকের মার্চ ফর গাজায় তিনি এলে এমনই সাদাসিধে হতো পোশাক-পরিচ্ছদ। অভাবের চুলোয় বসেও কীভাবে জালিমের তখতে তাউস কাঁপিয়ে দেওয়া যায়, মাওলানা ভাসানী ছিলেন তার উত্তম দৃষ্টান্ত।
মার্চ ফর গাজার মাস্টারমাইন্ড কে অনেকে জানতে চেয়েছেন। মূলত, মাস্টারমাইন্ড আমাদের ঈমান ও ধর্মীয় ভ্রাতৃত্ব। সেই আমাদের জাগিয়ে তুলেছে। আগুন ধরিয়ে দিয়েছে দ্বীনপ্রিয় প্রতিটি মুমিনের অন্তরে। অস্থির করে তুলেছে কিছু একটা করবার তাড়না। সকলের সমন্বিত প্রয়াসে সৃষ্ট আজকের ইতিহাস। যার সম্মুখভাগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আমাদের প্রিয় "আমিনুত তালিম" সাহেব। রব্বে কারীম তার সম্মান আরও বৃদ্ধি করে দিন।
12/04/2025
গাজায় চলছে তাণ্ডব; ডিজে পার্টি নিয়ে ব্যস্ত সৌদি আরব! 🤬🤬
12/04/2025
ঘোষণাপত্র ও অঙ্গীকারনামা
March for Gaza | ঢাকা | ২০২৫
বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম
আল্লাহর নামে শুরু করছি
যিনি পরাক্রমশালী, যিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকারী,
যিনি মজলুমের পাশে থাকেন, আর জালেমের পরিণতি নির্ধারণ করেন।
আজ আমরা, বাংলাদেশের জনতা—যারা জুলুমের ইতিহাস জানি, প্রতিবাদের চেতনা ধারণ করি—সমবেত হয়েছি গাজার মৃত্যুভয়হীন জনগণের পাশে দাঁড়াতে। আজকের এই সমাবেশ কেবল প্রতিবাদ নয়, এটি ইতিহাসের সামনে দেওয়া আমাদের জবাব, একটি অঙ্গীকার, একটি শপথ।
এই পদযাত্রা ও গণজমায়েত থেকে আজ আমরা চারটি স্তরে আমাদের দাবিসমূহ উপস্থাপন করব-
আমাদের প্রথম দাবিগুলো জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি
যেহেতু—জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সকল জাতির অধিকার রক্ষার, দখলদারিত্ব ও গণহত্যা রোধের সংকল্প প্রকাশ করে;
এবং—আমরা দেখেছি, গাযায় প্রতিদিন যে রক্তপাত, যে ধ্বংস চলছে, তা কোনো একক সরকারের ব্যর্থতা নয়—বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক ব্যর্থতার ফল;
এবং—এই ব্যর্থতা শুধু নীরবতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—বরং পশ্চিমা শক্তিবলয়ের অনেক রাষ্ট্র সরাসরি দখলদার ইজরায়েলকে অস্ত্র, অর্থ ও কূটনৈতিক সহায়তা দিয়ে এই গণহত্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে;
এবং—এই বিশ্বব্যবস্থা দখলদার ইজরায়েলকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে বরং রক্ষা করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে;
সেহেতু—আমরা জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোরালো দাবি জানাচ্ছি:
১। জায়নবাদী ইজরায়েলের গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে নিশ্চিত করতে হবে;
২। যুদ্ধবিরতি নয়—গণহত্যা বন্ধে কার্যকর ও সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে;
৩। ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী ভূমি ফিরিয়ে দেয়ার জন্য বাধ্যবাধকতা তৈরি করতে হবে;
৪। পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে;
৫। ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা, এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত করতে হবে;
কারণ—এই মুহূর্তে বিশ্বব্যবস্থা যে ন্যায়ের মুখোশ পরে আছে,
গাযার ধ্বংসস্তূপে সেই মুখোশ খসে পড়েছে।
আমাদের দ্বিতীয় দাবিগুলো মুসলিম উম্মাহর নেতৃবৃন্দের প্রতি।
যেহেতু—আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিন কেবল একটি ভূখণ্ড নয়—এটি মুসলিম উম্মাহর আত্মপরিচয়ের অংশ;
এবং—গাযা এখন কেবল একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর নয়—এটি আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতার বেদনাদায়ক প্রতিচ্ছবি;
এবং—উম্মাহর প্রতিটি সদস্য, প্রতিটি রাষ্ট্র, এবং প্রতিটি নেতৃত্বের উপর অর্পিত সেই আমানত—যা আল্লাহ প্রদত্ত ভ্রাতৃত্ব ও দায়িত্বের সূত্রে আবদ্ধ;
এবং—ইজরায়েল একটি অবৈধ, দখলদার, গণহত্যাকারী রাষ্ট্র—যা মুসলিমদের প্রথম কিবলা ও একটি পুরো জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে;
এবং—ভারতের হিন্দুত্ববাদ আজ এই অঞ্চলে জায়নবাদী প্রকল্পের প্রতিনিধিতে পরিণত হয়েছে—মুসলমানদের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত দমন-নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে;
এবং—ভারতে সম্প্রতি ওয়াকফ সম্পত্তি আইনে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মুসলিমদের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক অধিকার হরণ করা হয়েছে—যা উম্মাহর জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা;
সেহেতু—আমরা মুসলিম বিশ্বের সরকার ও ওআইসি’র মত মুসলিম উম্মাহর প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর নিকট দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানাই:
১। ইজরায়েলের সাথে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সকল সম্পর্ক অবিলম্বে ছিন্ন করতে হবে;
২। জায়নবাদী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে;
৩। গাযার মজলুম জনগণের পাশে চিকিৎসা, খাদ্য, আবাসন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সহ সর্বাত্মক সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়াতে হবে;
৪। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইজরায়েলকে এক ঘরে করতে সক্রিয় কূটনৈতিক অভিযান শুরু করতে হবে;
৫। জায়নবাদের দোসর ভারতের হিন্দুত্ববাদী শাসনের অধীনে মুসলিমদের অধিকার হরণ, বিশেষ করে ওয়াকফ আইনে হস্তক্ষেপের মতো রাষ্ট্রীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ওআইসি ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে দৃঢ় প্রতিবাদ ও কার্যকর কূটনৈতিক অবস্থান নিতে হবে;
কারণ—গাযার রক্ত প্রবাহে আমরা লজ্জিত হওয়ার আগেই, গাযার পাশে দাঁড়ানোই উম্মাহর জন্য সম্মানের একমাত্র পথ।
এবং—যে নেতৃত্ব আজ নিরব, কাল ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে বাধ্য হবে।
আমাদের তৃতীয় দাবিগুলো বাংলাদেশ সরকারের প্রতি-
যেহেতু—বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র, যার স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তিতেই নিহিত রয়েছে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চেতনা;
এবং—আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিনের প্রশ্নে বাংলাদেশ কেবল মানবতার নয়—ঈমানের পক্ষেও এক ঐতিহাসিক অবস্থানে আছে;
এবং—একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে সরকারের দায়িত্ব, জনগণের ঈমানি ও নৈতিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা রাখা;
এবং—বাংলাদেশের জনগণ গাযার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে, তাই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিরবতা এই জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি অবজ্ঞার শামিল;
সেহেতু—আমরা বাংলাদেশের সরকারের প্রতি দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানাই:
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Tangail
১৯০০