Baniajan Union
This is a public page.
17/02/2026
অভিনন্দন প্রিয় লিডার।
01/02/2026
১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন।
03/12/2025
সময়টা ৮০এর দশকের তখন আমরা মধুপুর উপজেলার অন্তর্গত। টাংগাইল জেলার সর্বশেষ ইউনিয়ন হলো বীরতারা ইউনিয়ন। এখন বীরতারা ইউনিয়ন ভেঙে বীরতারা এবং বানিয়াজান দুটি ইউনিয়নের পরিণত হয়েছে। ৮০ এর দশকে বীরতারা ইউনিয়নে পুলিশ আসতে ভয় পেত। যাতায়াত ব্যবস্থা খুব খারাপ ছিলো এবং মধুপুর থানা থেকে বীরতারা ইউনিয়ন বেশ দূরে ছিলো। তখন বীরতারা হয়ে উঠেছিলো ডাকাত এবং চোরের একটি আস্তানা । তৎকালীন স্হানীয় প্রশাসন ছিলো চোর এবং ডাকাতের কাছে ভীষণ অসহায়। ডাকাতরা আগাম বার্তা দিয়ে ডাকাতি করতে যেত।অমুকের বাড়ীতে ডাকাতি করবো কাল তারা যেন বাড়ীতে থাকে না ঠিক এইভাবে। কেউ ফেরাতে পারতো না।বীরতারার সাধারণ মানুষ ছিলেন ভীষণ অসহায়। ঠিক সেইসময় একজন ভীষণ সাহসী অকুতোভয় জনদরদী নেতা এগিয়ে এসেছিলেন তার নাম মুহাম্মদ আলী কিসলু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে এসে প্রয়োজন বোধ করেছিলেন জনগণের পাশে দাড়ানোর। বন কর্মকর্তার চাকরি পেয়েও চাকরিতে যোগদান না করে বেছে নিয়েছিলেন জনগণের সেবা করা। ১৯৮৮ সালে একটি তুমুল প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে অনেক বড় বড় নেতৃত্বকে পরাজিত করে যুবক বয়সে বীরতারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হয়েই প্রথম মিটিং করেন চোর এবং ডাকাতের সাথে। তার প্রথম কথা ছিলো তোমরা চুরি এবং ডাকাতি ছেড়ে দাও,তোমাদের কাজের ব্যবস্থা আমি করে দিবো। আজকের পর থেকে যদি তোমরা চুরি এবং ডাকাতি করো তাহলে তোমাদের সাথে আমি যুদ্ধ ঘোষণা করবো। চোর না শুনে ধর্মের কাহিনী। যা হওয়ার তাই হলো চোর চুরি ছাড়লো না ডাকাতরা ডাকাতি ছাড়লো না। তারপর থেকেই চোর এবং ডাকাতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন মুহাম্মদ আলী কিসলু। নিজের জীবন বাজি রেখে চোর এবং ডাকাতদের ধরতে শুরু করলেন। মুহাম্মদ আলী কিসলুর একটি হোন্ডা ছিলো সেই হোন্ডা দিয়ে বীরতারা ইউনিয়নের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে প্রতিদিন রাতে নিজে পাহাড়া দেওয়া শুরু করলেন। তার কথা ছিলো আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন আমি নিজে জেগে থেকে আপনাদের পাহাড়া দিবো আপনারা নিশ্চিন্তে ঘুমাবেন। প্রথমবার চেয়ারম্যান হয়ে চোর এবং ডাকাতদের বীরতারা ইউনিয়ন থেকে বিতারিত করেছিলেন। কেন্দুয়া নদী সাঁতার কেটে চোর ধরেছেন, নিজের জীবন বাজি রেখে ডাকাতদের সাথে লড়েছেন,রাতে ফাঁদ পেতে চোর ধরেছেন, বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে ১-২ দুইজনকে জাগিয়ে দিয়ে এসেছেন যেন চোর আসলে বুঝতে পারে ঘুমিয়ে না থাকে।আরো অনেক অনেক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন এই চোর আর ডাকাতদের নির্মুল করার জন্য।তার এই সাহসী পদক্ষেপের জন্য বীরতারার মানুষ তাকে ভীষণ ভালোবাসতেন। সেই থেকে বীরতারা ইউনিয়নের জনগণ মুহাম্মদ আলী কিসলু সাহেবকে পরপর ৩ বার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিলেন এবং ধনবাড়ী উপজেলার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিলেন। নিচের ছবিটিই এর একটি প্রতিচ্ছবি। ১৯৯০ সালে কিসলু চেয়ারম্যান চোরকে ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছিলেন পাশেই দাঁড়িয়ে আছেন তৎকালীন বীরতারা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব মুহাম্মদ আলী কিসলু।
আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিঁ ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদ। কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহীম। ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিঁ ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদ। কামা বারকতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহীম। ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ"।
03/10/2025
গ্রাম আদালত:
গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত, এই আদালতগুলি স্থানীয়ভাবে এবং দ্রুততার সাথে কিছু ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে কাজ করে। তারা ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবির মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।
মামলা দায়েরের পদ্ধতি: আবেদনকারীদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে, তা সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে এবং চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে হবে, সাথে ফৌজদারি মামলার জন্য ১০ টাকা এবং দেওয়ানি মামলার জন্য ২০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
ফৌজদারি বিরোধের ৩০ দিনের মধ্যে এবং দেওয়ানি বিরোধের ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। তবে, স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করা যেতে পারে।
গ্রাম আদালতে সুযোগ: গ্রাম আদালতগুলি দ্রুত, কম খরচে এবং সহজ বিরোধ নিষ্পত্তি প্রদান করে। আবেদনকারী এবং বিবাদী উভয়েরই প্রতিনিধি মনোনীত করার সমান অধিকার রয়েছে।
এই আদালতগুলিতে কোনও আইনজীবীর প্রয়োজন হয় না।
এই ব্যবস্থাটি উভয় পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারেরও চেষ্টা করে। দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষ - বিশেষ করে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং জাতিগত সংখ্যালঘুরা - সহজেই ন্যায়বিচারের এই সুযোগটি গ্রহণ করতে পারে।
বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ: গ্রাম আদালত চুরি, জালিয়াতি, আক্রমণ, বেআইনিভাবে আটকে রাখা, ভীতি প্রদর্শন, মহিলাদের প্রতি অশালীন আচরণ এবং কিছু সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধের মতো ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করতে পারে।
দেওয়ানি মামলার মধ্যে পাওনা আদায়, স্থাবর সম্পত্তির দখল, অন্যায় কাজের জন্য ক্ষতিপূরণ, পশুপালন সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ, কৃষি মজুরি সংক্রান্ত বিরোধ এবং স্ত্রীদের ভরণপোষণের দাবি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
৬১টি জেলার গ্রাম আদালতগুলি দ্রুত এবং সাশ্রয়ী মূল্যের ন্যায়বিচার প্রদান করছে, যার ফলে দরিদ্র এবং প্রান্তিক সম্প্রদায়গুলি ন্যূনতম খরচ এবং বিলম্বের সাথে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হচ্ছে।
আদালত গঠন: প্রতিটি গ্রাম আদালতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্য থাকে, যাদের মধ্যে দুজন বাদী কর্তৃক মনোনীত এবং দুজন বিবাদী কর্তৃক মনোনীত।
যদি চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে প্যানেল চেয়ারম্যান অথবা অন্য কোন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন। মহিলাদের সাথে সম্পর্কিত ক্ষেত্রে, মহিলা প্রতিনিধিত্ব বাধ্যতামূলক।
জরিমানা এবং অবমাননা: গ্রাম আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করলে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
যেকোনো সাক্ষী যদি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালত কর্তৃক জারি করা সমন উপেক্ষা করে, তাহলে তাকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যেতে পারে।
একইভাবে, আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানাও করা যেতে পারে।
আমার দেয়া তথ্যে ত্রুটি থাকতে পারে, সংশোধন করে দিলে কৃতজ্ঞ হবো।
বিস্তারিত জানার জন্য একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে পারেন।
সূত্র:
Village courts: Justice for the poor at Tk10 within 28 days Legal experts highlighted that village courts are particularly benefiting vulnerable groups, such as women, persons with disabilities, and ethnic minorities, by providing easier access to justice
দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে আপেলকে ফাঁসানোর চেষ্টা”
13/08/2024
#বিশ্বজিৎ বারবার বলেছিলো — “আমি হিন্দু,শিবির না । আমার প্যান্ট খুলে দেখাই !” তবুও তার শেষ রক্ষা হলো না! প্রিয় সনাতন ভাইয়েরা, সেদিন আপনারা নিরব ছিলেন কেনো ?
08/08/2024
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৭ সদস্য
প্রধান উপদেষ্টা : ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উপদেষ্টা:
১. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
২. ড. আসিফ নজরুল
৩. আদিলুর রহমান খান
৪. হাসান আরিফ
৫. তৌহিদ হোসেন
৬. সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান
৭. মো. নাহিদ ইসলাম
৮. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
৯. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন-
১০. সুপ্রদিপ চাকমা
১১. ফরিদা আখতার
১২. বিধান রঞ্জন রায়
১৩. আ.ফ.ম খালিদ হাসান
১৪. নুরজাহান বেগম
১৫. শারমিন মুরশিদ
১৬. ফারুকী আযম
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে দলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের স্বজনদের অংশ না নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
দফতর সূত্রে জানা যায়, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক দেয়া হয়নি। কিন্তু ভোট শুরুর পর দেখা যাচ্ছে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা নিজের সন্তান, পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়দের ভোটে দাঁড় করিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। এটা পছন্দ করছেন না দলের প্রধান শেখ হাসিনা। তিনি কঠোরভাবে প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের নির্দেশনা দিয়েছেন। এ নিয়ে আজ সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকও হয়েছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
2052