Black Flug
স্বদা সত্যের পথে থাকো �
13/11/2024
26/10/2024
জান্নাতের সবচেয়ে বড় নেয়ামত
রাসুলল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “জান্নাতীরা যখন জান্নাতে প্রবেশ করে যাবে, তখন মহান বৰ্কতময় আল্লাহ বলবেন, তোমরা কি চাও যে, আমি তোমাদের জন্য আরো কিছু বেশি দিই? তারা বলবে, 'তুমি কি আমাদের মুখমণ্ডল উজ্জ্বল করে দাওনি? আমাদেরকে তুমি জান্নাতে প্রবিষ্ট করনি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দাওনি?’ অতঃপর আল্লাহ (হঠাৎ গর্বের) পর্দা সরিয়ে দেবেন এবং তারা তার চেহারা দর্শন লাভ করবে)। সুতরাং জান্নাতের লব্ধ যাবতীয় সুখ-সামগ্রীর মধ্যে জান্নাতীদের নিকট তাদের প্রভুর দর্শন (দীদার)ই হবে সবচেয়ে বেশী প্রিয়। (মুসলিম)। মহান আল্লাহ বলেছেন,
لِّلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَىٰ وَزِيَادَةٌ ۖ وَلَا يَرْهَقُ وُجُوهَهُمْ قَتَرٌ وَلَا ذِلَّةٌ ۚ أُولَٰئِكَ أَصْحَابُ الْجَنَّةِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
অর্থাৎ, যারা কল্যাণকর কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ (জান্নাত) এবং আরো অধিক (আল্লাহর দীদার)। তাদের মুখমণ্ডলকে মলিনতা আচ্ছন্ন করবে না এবং লাঞ্ছনাও না; তারাই হচ্ছে জান্নাতের অধিবাসী, তারা ওর মধ্যে অনন্তকাল বাস করবে। (ইউনুসঃ ২৬)
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَّاضِرَةٌ (22) إِلَىٰ رَبِّهَا نَاظِرَةٌ (23)
অর্থাৎ, সেদিন বহু মুখমণ্ডল উজ্জ্বল হবে। তারা তাদের প্রতিপালকের দিকে তাকিয়ে থাকবে। (কিয়ামাহঃ ২২-২৩)
জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এক রাতে আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে ছিলাম। হঠাৎ তিনি পূর্ণিমার রাতের চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেন, “শোন! নিশ্চয় তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে তেমনি স্পষ্ট দেখতে পাবে, যেমন স্পষ্ট ঐ চাঁদকে দেখতে পাচ্ছ। তাঁকে দেখতে তোমরা কোন ভিড়ের সম্মুখীন হবে না।” (বুখারী-মুসলিম)
এ দীদার হবে জান্নাতে। জাহান্নামীরা সেই দীদার কোথায় পাবে? তারা তাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি বলেই তো তার চেহারা দর্শনেও বঞ্চিত হবে। তিনি বলেছেন,
كَلَّا إِنَّهُمْ عَن رَّبِّهِمْ يَوْمَئِذٍ لَّمَحْجُوبُونَ
অর্থাৎ, কক্ষনো না, অবশ্যই তারা সেদিন তাদের প্রতিপালক (দর্শন) থেকে পর্দাবৃত থাকবে। (মুত্বাফফিফীনঃ ১৫)
24/10/2024
মূর্তি পূজা সম্পর্কে হিন্দু ধর্মগ্রন্থ কী বলে?
আজকে দেখাবো যারা নিরাকার ব্রহ্মকে ভুলে গিয়ে মনে করে মূর্তি পূজাই সবকিছু, সবচেয়ে এই মূর্তি পূজাকেই গুরুত্ব দেয় বেশি তাদের সমন্ধে ভাগবত পুরানে কি বলা হয়েছে।
"অহং সর্বেষু ভূতেষু ভূতাত্নাবস্থিতঃ সদা।
তবজ্ঞায় মাং মর্ত্যঃ কুরুতেহর্চা বিড়ম্বনম্।।
যো মাং সর্বেষু ভূতেষু সন্তমাত্নানমীশ্বরম্।
হিত্বার্চাং ভজতে মৌঢ্যাদ্ ভস্মন্যেব জুহোতি সঃ।।
-অর্থ- আমি,আত্মরূপে সর্বদাই সমস্ত জীবের মধ্যে অবস্থিত ।তাই যে মানুষ সর্বাত্মা আমাকে অবজ্ঞা অর্থাৎ সর্বভূতে ভগবদ্দর্শন না করে কেবল প্রতিমাতেই আমার পূজা করে,সেই পূজা বিড়ম্বনা মাত্র।
আমি সর্বাতা পরমেশ্বর, সর্বভূতে অবস্থিত,তথাপি যে মোহবশে আমাকে উপেক্ষা করে কেবল মাত্র প্রতিমা পূজায় ব্যাপত থাকে সে তো কেবল ভস্মেই ঘৃতাহুতি দেয়।
(ভাগবত পুরাণ- 3 স্কন্দ /29/21-22;গীতাপ্রেস প্রকাশনী, গোরক্ষকপুর)
অর্থাৎ এখানে বুঝাতে চাচ্ছে যে যারা শুধু প্রতিমা বা মূর্তি নিয়ে ব্যস্ত থাকে, মনে করে এটা ছাড়া ইশ্বরকে লাভ করা সম্ভব নয়। এটাই ইশ্বরকে পাওয়ার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। তাদের সমন্ধে বলা হয়েছে যে এই সব ব্যক্তিরা এই শুধু প্রতিমা বা মূর্তি পূজার মাধ্যমে আরো ইশ্বরকে বেশি অবজ্ঞা করে, অবহেলা করে।। এবং তাদের এই পূজাকে কেবল ভস্মে ঢালা ঘৃতাহুতি বলা হয়েছে।।
অর্থাৎ এসব মূর্তি পূজার ইশ্বরের নিকট কোনোই মূল্য নেই।।৷
এখানে থেকে এটাই বুঝা যাচ্ছে যে ইশ্বরকে পাওয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ মাধ্যম মূর্তি নয়,বরং নিরাকার ব্রহ্মের উপসনা করা।।। সকাল, সন্ধ্যা সবসময়।।।
✍️✍️আমরা যদি বর্তমান হিন্দু সমাজের দিকে তাকাই, তারা খুবই কম নিরাকার ব্রহ্মের উপাসনা করে,করে না বললেই চলে।। সকল হিন্দুই প্রায় সবচেয়ে মূর্তিকে গুরুত্ব দেই বেশি।। কেউ যদি ইশ্বরকে নিয়ে কটুক্তি করে তাতেও হিন্দুদের তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না, কিন্তু কেউ যদি একটা মূর্তি ভাঙে বা অপমান করে তাহলে তারা সবাই প্রতিবাদ সহ এমন দুঃখ প্রকাশ করে মনে হয় নিজ সন্তানকে কেউ মেরেছে।। অর্থাৎ এইসব ব্যক্তিদের সমন্ধেই বলা হচ্ছে যে,যারা নিরাকার পরম ব্রহ্মের চাইতে অধিক মূর্তিকে বেশি প্রাধান্য দেয় সেটা বিড়ম্বনা মাত্র এবং ভস্মে ঘৃতাহুতি দেওয়া সমান।
এ সমন্ধে আরো বিস্তারিত জানতে নিচের দেওয়া পেজটি ফলো করতে পারেন
হে মানুষ কখনো কি ভেবে দেখেছো তোমাই কে সৃষ্টি করেছে কিসের জন্য সৃষ্টি করেছে আর সে তোমার কাছে কি চাই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Tangail
1910