Student Life
How to promote our life from proverty and earn to learn from business
৫০০০ টাকার জিনিস ১০০ টাকায় দেখিয়ে ভারতে পাচার হচ্ছে ৮০ হাজার কোটি টাকা! কাস্টমসের চোখের সামনে চলছে এই লুটপাট। 💸🇧🇩
দেশে ডলার নেই, সাধারণ ব্যবসায়ীরা এলসি (LC) খুলতে পারছে না। অথচ গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (GFI) রিপোর্ট বলছে, বাণিজ্য কারসাজির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর গড়ে ৬.৮ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা) পাচার হয়ে যাচ্ছে!
কীভাবে চলছে এই আন্ডার-ইনভয়েসিং বা হুন্ডি বাণিজ্য?
✅ ম্যাজিক ফর্মুলা: ভারত থেকে আসা থ্রি-পিস, কসমেটিকস, সুতা বা মোটর পার্টস—যেগুলোর আসল দাম হয়তো ৫০০০ টাকা, অসাধু আমদানিকারকরা কাস্টমসে বিল জমা দেয় মাত্র ১০০ টাকার! সরকার ট্যাক্স পায় ওই ১০০ টাকার ওপর।
✅ হুন্ডির সংযোগ: বাকি ৪৯০০ টাকা কীভাবে যায়? পুরোটাই হুন্ডির মাধ্যমে ডলার বা রুপি হয়ে অবৈধভাবে পাচার হয়ে যায় ভারতে!
✅ ত্রিপক্ষীয় সিন্ডিকেট: বেনাপোল, হিলি বা সোনামসজিদ বর্ডারে কাস্টমসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা, সিঅ্যান্ডএফ (C&F) এজেন্ট এবং আমদানিকারকদের যোগসাজশ ছাড়া এই জালিয়াতি করা অসম্ভব। অ্যাসাইকুডা (ASYCUDA) সিস্টেমের ডিজিটাল সুযোগকে পাশ কাটিয়ে ডিসক্রিশনারি পাওয়ার-এর অপব্যবহার করছেন কিছু কর্মকর্তা।
গত এক দশকে দেশ থেকে পাচার হয়েছে প্রায় ৬৮ বিলিয়ন ডলার! প্রতিদিন গড়ে ২১০ কোটি টাকা! এই লুটেরা সিন্ডিকেটের কারণেই আজ সৎ ব্যবসায়ীরা টিকতে পারছে না এবং দেশ ডলার সংকটে ধুঁকছে।
আপনার মতে, দেশের অর্থনীতি ধ্বংসকারী এই অসাধু কাস্টমস কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের কি রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইনে বিচার হওয়া উচিত?
Summary:
A massive financial crime is draining Bangladesh's economy! Corrupt syndicates involving Customs officials, C&F agents, and importers are severely 'under-invoicing' goods from India—showing a 5000 BDT product as 100 BDT to evade taxes. The remaining amount is laundered to India via Hundi. According to GFI reports, this illicit trade costs Bangladesh $6.8 Billion (80,000 Crore BDT) annually, directly fueling the ongoing dollar crisis. Experts demand treason charges for those destroying the economy.
#নিউজ
30/04/2026
রংপুরের বদরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র উত্তম কুমার সাহার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, উত্তম কুমার ক্ষমতায় থাকাকালে ভারতীয় নাগরিক দুই সহোদরকে অবৈধভাবে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে জন্মসনদ প্রদান করেছেন। একই সঙ্গে তাদের মায়ের জন্যও মৃত্যুসনদ ইস্যু করেন। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, এ ঘটনায় পৌর বাসিন্দা প্রদীপ কুমার সাহা গত বছরের ১২ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) রংপুর জেলা কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ জুন একই ধরনের আরেকটি অভিযোগ করা হয়। কিন্তু একটি অভিযোগেরও সঠিক তদন্ত হয়নি বলে জানান অভিযোগকারীরা।
18/03/2026
এই দুই ভদ্রলোক দুইরকমভাবে আমাকে অবাক করেছেন। আশরাফ গণি সাহেব, কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রমিনেন্ট স্কলার এবং ব্যর্থ রাষ্ট্র ঠিক করার জন্য বই লিখেছেন, "Fixing Failed States: A Framework for Rebuilding a Fractured World (2008)"। যখন ক্ষমতা পেয়েছেন তখন নিজে এমনভাবে ফেইল করলেন যে পালিয়ে আমেরিকা চলে যেতে হলো।
আলী লারিজানি, পিএইচডি করেছেন তেহরান ইউনিভার্সিটি থেকে। পড়াশোনা শুরু হয়েছিল ইরানের ধর্মীয় শিক্ষার কেন্দ্র কোম থেকে। মজার বিষয় হলো, উনার যাবতীয় গবেষণা ছিল ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি নিয়ে। ইমানুয়েল কান্টের ওপর উনার তিনটি বই আছে।
The Mathematical Method in Kant’s Philosophy,
Metaphysics and the Exact Sciences in Kant’s Philosophy,
Intuition and the Synthetic A Priori Judgments in Kant’s Philosophy
পলিটিক্যাল ফিলোসফি নিয়ে উনার Reason and Tranquility in Governance - বইটিও বিখ্যাত।
তবে ইরানের রাজনীতিতে বিশেষকরে বর্তমান চরম সংকটে উনার দৃঢ় ব্যক্তিত্ব আমাকে অবাক করেছে। একটা মানুষ কতটা স্ট্রং পারসোনালিটির হতে পারে উনাকে দেখলে বুঝা যায়। বোমা হামলার ভিতরে জনগণের সাথে ওপেন ঘুরছেন।
প্রতিটি বক্তব্যে আমেরিকাকে ছিঁড়ে ফেলছেন।
একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড এবং মাঠের রাজনীতি দুই জায়গাতেই এমন উদাহরণ বিরল বলা যায়।
অনেক আরব নেতা আল্লাহর চেয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বেশি ভয় পান: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ।
06/01/2026
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে বিশ্বমোড়ল গ্রেট ব্রিটেন। লন্ডন ছিল টাকার বাজার। বলা হতো বৃটিশ সাম্রাজ্যে সূর্য কখনও ডোবে না। শুরু হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী তখন উইন্সটন চার্চিল। চার্চিল ছিলেন ঝানু রাজনীতিবিদ। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তিনি প্রমাণ রাখলেন তিনি শুধু রাজনীতিবিদই নন একজন সফল কূটনীতিবিদও বটে।
হিটলারের আগ্রাসনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত্তি কেঁপে উঠেছে। হিটলার রেডিওতে ঘোষণা দিয়েছে লন্ডন শহরকে আমি জলে ডুবে মারবো।
ব্রিটেনের সামনে তখন রাস্তা ছিল একটাই। যুদ্ধে যদি নতুন মহাশক্তি আমেরিকা তাঁদের পাশে দাঁড়ায়।
প্রধানমন্ত্রী উইন্সটন চার্চিল যোগাযোগ করলেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ফ্রাংকলিন রুজভেল্ট এর সাথে। রুজভেল্ট ছিলেন ঠিক এই সুযোগের অপেক্ষায়।
প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট মিলিত হলেন চার্চিলের সাথে আটলান্টিক মহাসাগরে। তারা দুজন ভাসছিলেন ব্রিটেনের রণতরী ‘প্রিন্সেস অফ ওয়েলস’ এ।
তিনদিন আলোচনা করলেন তারা। রুজভেল্ট চার্চিলকে জানালেন তার প্রস্তাব। আমেরিকা তার সর্বোচ্চটা দিয়ে ব্রিটেনকে বাঁচাবে। শর্ত একটাই, যুদ্ধ শেষ হলে সারা পৃথিবীতে ব্রিটেনের অধীনে যত ভূখণ্ড আছে, সেখানে স্বাধিকার দিতে হবে। মানে হল, ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোর মানুষ স্বাধিকার পাবে। তাঁরা নিজেরা চাইলে ব্রিটেনের অধীনে থাকবে, না চাইলে স্বাধীন হয়ে যাবে।
চার্চিল কিন্তু নিরুপায়। যদিও ইচ্ছা করলে তিনি এই প্রস্তাব নাও মানতে পারেন। জাহাজের উপর দাঁড়িয়ে তিনি চারদিক তাকালেন। তারপর গভীর ভাবনায় ডুবে গেলেন। তার মনে হল, হিটলার আসছেন লন্ডনের দিকে। রুজভেল্টের কথা না শুনলে তাঁর গোটা সাম্রাজ্যই চলে যাবে জার্মানির হাতে।
অন্যদিকে, রুজভেল্টের কথা শুনলে যুদ্ধ শেষে স্বাধীন হয়ে যাবে ব্রিটিশ উপনিবেশ একে একে। ব্রিটেনের মুকুট থেকে ধীরে ধীরে খসে পড়বে একটি একটি পালক। চার্চিল আবার ভাবলেন, এই প্রস্তাব মানলে ব্রিটেনের মানুষ আমাকে ছাড়বে না। কিন্তু যুদ্ধটা ব্রিটেন জিতে যাবে।
চার্চিল আবার ভাবলেন, আমি আর প্রধানমন্ত্রী হতে পারব না। আর হয়েছেও তাই। পরের নির্বাচনে তিনি হেরেছিলেন।
আটলান্টিকের বুকে দাঁড়িয়ে সেদিন চার্চিলকে মানতে হল রুজভেল্টের কথা। স্বাক্ষর হল চুক্তি, আটলান্টিক চার্টার - That Treaty is known as The Lend Lease Agreement of 1941 - USA and UK;. এটা ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ। নিশ্চিত হয়ে গেল, যুদ্ধ শেষে ব্রিটেন একে একে হারাবে তাঁদের সকল উপনিবেশ।
শুরু হল আলোচনা ১৯৪৪ সালে। এবার আমেরিকার মাটিতে। নিউ হ্যাম্পসায়ারের ব্রেটন উডসে। মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে। ততদিনে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার রূপরেখা অনেকটাই হয়ে গেছে।
টানা বাইশ দিন আলাপ চলল ব্রেটন উডসে। জন্ম হল তিনটি প্রতিষ্ঠানের, বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা। পৃথিবী পেল এক নতুন মহাজনী কারবার।
চুক্তি অনুযায়ী যুদ্ধ শেষেই পৃথিবীজুড়ে স্বাধীন হতে থাকল ব্রিটিশ উপনিবেশগুলো। এই নতুন দেশগুলো ভীষণ গরীব। আবার ইউরোপও বিধ্বস্ত। এই দেশগুলোকে বাঁচাতে আমেরিকার নেতৃত্বে এগিয়ে আসলো আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক।
আইএমএফ আর বিশ্বব্যাংক শুধু ঋণই দেয় না। ঋণের সাথে-সাথে দেয় একটা উন্নয়ণ পরিকল্পনাও। তার প্রতি ছত্রে লেখা দাতাগোষ্ঠীর অলঙ্ঘনীয় পরামর্শ।
এইঅলঙ্ঘনীয় পরামর্শ সকল দেশের জন্য প্রায় একই রকম। তাদের মূল কথা - ‘সরকার হচ্ছে দেশের জন্য বোঝা, তাই সরকারের হাত যতটা পারো ছেঁটে দাও। সবকিছু প্রাইভেট করে দাও। সব উন্মুক্ত করে দাও।’
কিন্তু চাইলেই তো আর প্রাইভেট কোম্পানি পাওয়া যায় না। দেশ হতদরিদ্র। অত প্রাইভেট কোম্পানি কই। দেশে বড় প্রাইভেট কোম্পানি নেই, তো কী হয়েছে? ধনী দেশগুলোতে তো আছে! মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি। তাঁরা যাবে। খালি হাতে যাবে না, বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নিয়ে যাবে।
এই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার কোথায় থেকে আসবে? যদি আমেরিকান ডলার খুঁটিয়ে দেখি, তাহলে দেখবে লেখা আছে, THIS NOTE IS LEGAL TENDER FOR ALL DEBTS, PUBLIC OR PRIVATE. নীচে কোন সিগনেচার নেই।
আমাদের টাকায় কী লেখা আছে?
সবাই দেখেছে।চাহিবা মাত্র বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে ইত্যাদি। নীচে বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক গভর্নরের সই আছে।
তফাৎটা কী?
তফাৎটা হল, কেউ (অর্থাৎ কোন অন্য দেশ) যদি বাংলাদেশী টাকা পছন্দ না করে, তাহলে সে ঐ টাকার বিনিময়ে সমান ভ্যালুর সোনা দাবী করতে পারে। বাংলাদেশী টাকা ছাপাতে সোনার মূল্যমাণ করে রাখা আছে আন্তর্জাতিক বিনিময়ের জন্য।
আর আমেরিকা?
সেই দেশ সত্তর বছর আগেই ডলারের সাথে সোনার সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়েছে। তারা সম্পর্ক করেছে পেট্রোলের সঙ্গে।
তারা আরবকে বুঝিয়েছে, অন্য কোন দেশ যদি পেট্রোল কিনতে আসে তাহলে একমাত্র ডলারে পেমেন্ট নিতে হবে।
এখন বাংলাদেশ যদি আরবে তেল কিনতে যায়, তাহলে আগে তাকে আমেরিকার কাছে গিয়ে ডলার আনতে হবে। আমেরিকা কী করবে? সে, কিছু সাদা কাগজ নিয়ে সেটাতে ডলার প্রিন্ট করে বাংলাদেশকে ধরিয়ে দিয়ে বলবে, যা বেটা, তেল কিনে আন।
সৌদি এটা মানছে কেন?
তার কারণ, সেই দেশের রাজা, রাজার গুষ্টি, তাদের সিকিউরিটি, পরিকাঠামো, উন্নয়ণ, সবকিছুর ঠিকা নিয়েছে আম্রিকা, আরবদেশ তার ঋণ এইভাবে শোধ করছে।
মানে বোঝা গেল? যদি কেউ ডলারে আস্থা না রেখে ফেরত দিতে চাইল, বিনিময়ে সোনা চাইল।
পাবেনা। আমেরিকা তখন বলবে, আমি কি সেটা প্রমিস করেছি? ডলার হচ্ছে একটা ঋণপত্র, এর বিনিময়ে তোমাকে পেট্রলই নিতে হবে।
১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন সৌদি আরবকে তাদের সব পেট্রোলিয়াম পণ্য, অর্থাৎ শোধিত তেল, খনিজ তেল ও গ্যাস একমাত্র মার্কিন ডলারে বিক্রি করার প্রস্তাব দেন। সেদিনের পর থেকে পেট্রো ডলারের যাত্রা শুরু করে।
সেই বিলিয়ন ডলার দিয়ে অনেক বড় বড় অফিস হবে। ব্যবসা আসবে। লক্ষ লক্ষ লোকের চাকুরি হবে। তাঁদের অনেক ভাল বেতন হবে। ভাল বেতন হলে সঞ্চয় বেশি হবে। সরকারের ট্যাক্স বেশি আদায় হবে। সরকারও ধনী হবে। দেশের উন্নয়ন হবে এবং হতেই থাকবে।
তবে এই মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ডলার ঢালবে, তাদের দিকটাও কিন্তু দেখতে হবে। এরা যেন উপকার করতে গিয়ে কোন সমস্যায় না পড়ে।
আর এইজন্য তোমাদের দেশের আইন-কানুন একটু রদবদল করতে হবে। দেশের বাজেট ওদের শর্ত মোতাবেক প্রণয়ন করতে হবে।
এইসব মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি যদি ভুল করেও কোন ভুল করে ফেলে, তাদের বিচার কিন্তু করবে দাতাগোষ্ঠী। এই শর্ত মেনেই এগুতে হবে।
এরপর স্বচ্ছতার জন্য পরামর্শক নিয়োগ হবে। তারা পরামর্শ দিবে, দেখবে সবকিছু ঠিক আছে কিনা। অনেক বড় বড় পণ্ডিত তারা।
এই পরামর্শদাতাদের বেতন-বোনাস একটু বেশিই হবে।
বড় বড় পণ্ডিতরা সব পরামর্শ দেবে। যে যেই কাজ সবচেয়ে ভাল করতে পারে, শুধু সেই সেই কাজটা করতে পারবে। যেমন, গমের দাম যদি বেশি হয় আর অন্য দেশে কম। তারমানে অন্যরা তোমাদের থেকে গম উৎপাদনে ভাল। তাই তোমরা আর গম জন্মাবে না। কম দামে গম কিনবে ওদের থেকে। বাস্তব উদাহরণ হচ্ছে আমাদের পাটশিল্প, আই এম এফ আর বিশ্বব্যাংকের বিশেষ পরামর্শে ধ্বংস হয়েছে।
এভাবে একের পর এক শর্তে এক একটা গরীব দেশকে বেঁধে ফেলে এই দাতাসংস্থা। তাদের এইসব চাতুরী বেশিরভাগ দেশ বোঝে না প্রথমে। যখন বুঝতে পারে, তখন আম-ছালা দুইই গেছে বিদেশী কোম্পানির হাতে। ততদিনে ছোট ছোট শিল্প ধ্বংস হয়ে গেছে। বাজার ভরে গেছে বড় বড় কোম্পানির বিদেশী পণ্যে। ঋণ তো শোধ হয়ইনি, উল্টো বেড়েছে।
গত ৯ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলা সৌদি আরবের দীর্ঘ ৫০ বছরের পেট্রোডলার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। ওয়াশিংটন নতুন করে এ চুক্তি নবায়ন করতে চাইলেও সেই চুক্তি নতুন করে চালু করতে আগ্রহী নয় সৌদি।
এ চুক্তির অবসানের ফলে সৌদি আরব এখন নিজেই অপরিশোধিত তেল বিক্রি করতে পারবে। অর্থাৎ মার্কিন ডলারের বদলে চীনা আরএমবি, ইউরো, ইয়েন, এবং ইউয়ানসহ বিভিন্ন মুদ্রায় তেল বিক্রি করবে পারবে সৌদি আরব।
সঙ্গত কারণে পেট্রো ডলার বাঁচাতে যুক্তরাষ্ট্রেকে নতুন পরিকল্পনা নিতে হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অপরিশোধিত তেলের মজুদ রয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ভেনেজুয়েলার সেই তেল চায় যুক্তরাষ্ট্র।
প্রশ্ন হল যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা কি এবার কাজ করবে?
©রাজিক হাসান
07/12/2025
অসংখ্য ইস্যুর মধ্যে যেই একটা ইস্যুতে শেখ মুজিবের গাদ্দারির প্রমাণকে অস্বীকার করার কোন উপায় নাই, সেটা হচ্ছে জাতীয় রক্ষী বাহিনী বা জেআরবি ইস্যু।
ইণ্ডিয়ার তদানীন্তন স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স (এসএফএফ) এর ডিজি মেজর জেনারেল সুজন সিং উবানের ডিজাইনে ১৯৭১ সালে শুধুমাত্র আ'লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ ক্যাডারদের থেকে বা নিদেনপক্ষে লীগ নেতাদের ব্যক্তিগত সুপারিশকৃত লোকবল দিয়ে ইণ্ডিয়ান সরকার বাংলাদেশ লিবারেশান ফোর্স (বিএলএফ) গঠন করে, পরবর্তীতে যার নাম 'মুজিব বাহিনী' রাখা হয়। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মণি, সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক ও তোফায়েল আহমেদ 'মুজিব বাহিনী'-তে সংগঠকের দায়িত্ম পালন করে।
রেগুলার আর্মড ফোর্সেজ (পাকিস্তান আর্মড ফোর্সেজের বিদ্রোহী বাংলাভাষী সৈনিক) ও এফএফ (ফ্রিডম ফাইটার্স বা বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধা) এর সমন্বয়ে গঠিত 'মুক্তিবাহিনী' যেমন প্রবাসী সরকারের অধীনে পরিচালিত ছিল, পক্ষান্তরে 'মুজিব বাহিনী' ছিল র-য়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রিত একটি মার্সেনারি ফোর্স বা ভাড়াটে বাহিনী।
বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠনের পর ১৯৭২ সালে র-য়ের প্রেসক্রিপশানে মুজিব এই 'মুজিব বাহিনী'-কে একটি নিয়মতান্ত্রিক বাহিনীতে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়। এরই প্রেক্ষাপটে মুজিব মার্চ মাসে (ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে কার্যকরক্রমে) প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার নাম্বার ২১ এর অধীনে 'জাতীয় রক্ষী বাহিনী অর্ডার ১৯৭২' জারি করে জাতীয় রক্ষী বাহিনী (জেআরবি) গঠন করে।
প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার অনুযায়ী জেআরবি-র অফিসার্স কোরকে ট্রেনিংয়ের জন্য ইণ্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমি দেরাদুনে পাঠানো হতে থাকে, আর জেনারেল ট্রেইনিং ও ডকট্রাইনের জন্য সার্ভিং ইণ্ডিয়ান মেজর বালা সিং রেড্ডির নেতৃত্বে একটি ইণ্ডিয়ান জয়েন্ট সার্ভিসেজ ফ্যাকাল্টির অধীনে সাভারে (বর্তমান ক্যান্টনমেন্ট এলাকায়) একটি অ্যাকডেমি খোলা হয়।
রাষ্ট্রের জন্মলগ্ন থেকেই বিশ্বাসঘাতক শেখ মুজিব ও তার আওয়ামী লীগের আয়োজনে দেশে একটি ১০০% ইণ্ডিয়া-নিয়ন্ত্রিত বাহিনীর কার্যক্রম চলতে থাকে, যা ১৫ অগাস্ট ১৯৭৫ শুক্রবার ভোর পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
১৫ অগাস্ট ১৯৭৫ এর ক্যু-র প্রথম প্রহরেই জেআরবি বিনা গো*লা*গু*লিতে কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমানের কাছে আত্মসমর্পণ করে। আত্মসমর্পণের পর 'দ্য জেআরবি অর্ডিন্যান্স (অ্যাবজর্পশান ইন দ্য আর্মি) ১৯৭৫' জারির মাধ্যমে জেআরবি কমান্ড বিলুপ্ত করে জেআরবির জিএইচকিউ স্টাফ ও ১৭টি ব্যাটালিয়নকে আর্মিতে অ্যাবজর্প করা হয়। সাভার থেকে মেজর বালা সিং রেড্ডি সহ মোট ৮ জন (পক্ষান্তরে ১৬ জন) ইণ্ডিয়ান অফিসারকে প্রথমে আর্মি কাস্টোডিতে নেয়া হয়। পরে কোন ধরণের ডিপ্লোম্যাটিক অস্বস্তি এড়ানোর স্বার্থে তাদেরকে একবস্ত্রে ইণ্ডিয়ান হাইকমিশনের কাছে হ্যান্ডওভার করা হয়।
এই জেআরবি-ই হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ মুজিব তথা তার আওয়ামী লীগের জন্মগত বিশ্বাসঘাতকতার অকাট্য দলিল।
মুজিব দেশের আর্মড ফোর্সেজের বিপরীতে জেআরবি-র পক্ষে কি পরিমাণ পক্ষপাতদুষ্ট ছিল তার প্রমাণ ১৯৭৪ সালে মিশর থেকে ট্যাংকের অফার পেয়ে তার প্রতিক্রিয়ায় বোঝা যায়। ১৯৭৩ সালের আরব-ই*জ*রাইল যু*দ্ধে সদ্যজাত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এক বোয়িং ৭০৭ বোঝাই চা উপঢৌকন পেয়ে খুশিতে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত যু*দ্ধ শেষ হওয়ার পর মিশর আর্মির সারপ্লাস থেকে এক রেজিমেন্ট (৩০টা) টি-৫৪ ট্যাংক গিফ্ট হিসেবে অফার করে। এতে ততদিনে জেআরবি-কে আর্মড ফোর্সেজের বিকল্প বানাতে মনস্থির করা মুজিব বিচলিত হয়ে পড়ে কারণ প্রথমত সে এতগুলো ট্যাংক দিয়ে আর্মির হাতে এত ফায়ারপাওয়ার তুলে দিতে চায় না, দ্বিতীয়ত জেআরবি-কে দেয়ারও সুযোগ নাই কারণ জেআরবি আর্মার্ড ওয়ারফেয়ারের জন্য ডিজাইন্ড না। গড়িমসির এক পর্যায়ে মুজিব ট্যাংকগুলা না নেয়ার ইচ্ছাপোষণ করে, কিন্তু ফরেন মিনিস্ট্রি তখন তাকে বোঝায় যে মিশরের প্রেসিডেন্টের গিফট ডিক্লাইন করা বিরাট বড় ব্লান্ডার হবে। ততদিনে এই ঘটনা দেশের মিলিটারি সার্কেলে রটে গেলে অনেকটা নিমরাজি হয়ে মুজিব সেই গিফট গ্রহণ করে।
তক্বদিরের কি লিখন, সেই ট্যাংক নিয়ে আসতে বাংলাদেশ আর্মি থেকে বেঙ্গল ল্যান্সারের যেই অফিসাররা মিশর গিয়েছিল তাদের একজন ছিল কর্নেল ফারুক; অবশেষে কর্নেল ফারুকের ঐ ট্যাংকের হাতেই জেআরবি সমেত মুজিব রেজিমের পতন হয়। ১৫ অগাস্ট ভোরে কর্নেল ফারুক তার ট্যাংকে চড়ে লিটারেলি শের-এ-বাংলা নগরে দেয়াল ভেঙ্গে বিকট শব্দ ও ত্রাস সৃষ্টি করে জেআরবি জিএইচকিউ কম্পাউন্ডে ঢুকে জেআরবি-কে আত্মসমর্পণ করান।
ছবিতে ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময়ের এই ছবিটিতে একজন জেআরবি-কে যে ধরণের জলপাই ফ্যাটিগ ও এফএন এফএএল (FN-FAL) রাই*ফেল হাতে ফুড ট্রাক পাহারা দিতে দেখা যাচ্ছে, বাহিনীর মনোগ্রাম চেক করা ছাড়া বোঝার কোন উপায় নাই এটা কি বাংলাদেশের কোন সৈন্য নাকি ইণ্ডিয়ান আর্মির সৈন্য।
এই জেআরবি এতটাই টক্সিক ও গাদ্দার যে, বিলুপ্তির বহু বহু দশক পরও এই বাংলাদেশকে ইণ্ডিয়ার করায়ত্ত করার পেছনে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখা ৫ জন আর্মি জেনারেলের নামও যদি নেয়া হয়, তাহলে তার অন্তত ২ জন হচ্ছে এমন যারা ১৯৭৫ এর সেই একীভূতকরণের সুযোগে বাংলাদেশ আর্মিতে প্রবেশ করেছিল।
ইণ্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমি দেরাদুন থেকে ট্রেইনিং নিয়ে কমিশন পাওয়া সেই দুইজনের নাম হচ্ছে মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিকী (সম্ভবত ২ জেআরবি) এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দীন চৌধুরী (৬ জেআরবি) যারা জেআরবি হওয়ার দরুণ সিনিয়ার র্যাংকের জন্য বিবেচনাযোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও যথাক্রমে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির আশীর্বাদে জেনারেল নিযুক্ত হয়ে বাংলাদেশকে ইণ্ডিয়ার করদরাজ্যে পরিণত করার ষোলকলা পূর্ণ করেছে।
এর পরও শেখ মুজিবকে বিশ্বাসঘাতক মানে না আবার কোন বিশ্বাসঘাতক?
Mohammed Tawsif
Don’t use alphabet soup to others.....
06/12/2025
Need acute nationalism for destroying like idiots.....
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Tangail
1230