EEE Knowledge Share
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EEE Knowledge Share, College & University, Mirzapur, Tangail, Tangail.
� EEE Knowledge Share – ইঞ্জিনিয়ারিং হোক সহজ ও বাস্তবমুখী!
স্বাগতম!ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ও জব প্রিপারেশনকে সহজ করতে এই প্ল্যাটফর্মে পাবেন প্র্যাক্টিক্যাল গাইডলাইন।
16/07/2026
১. সীমাবদ্ধতার বাইরে ভাবা: আমাদের সমাজে সাধারণত মনে করা হয় যে পড়াশোনা শেষ করে একটি ভালো চাকরি বা নির্দিষ্ট একটি কাজ পাওয়াই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। মানুষের জীবন শুধুমাত্র একটা নির্দিষ্ট রুটিনে বা একটা চাকরিতেই সীমাবদ্ধ থাকার জন্য নয়।
২. বহুমাত্রিক সম্ভাবনা (Potential): মানুষের বুদ্ধিমত্তা এবং মেধা অসীম। কেউ হয়তো বর্তমানে যে চাকরি বা কাজ করছেন, সেটাই তার শেষ সীমানা নয়। চাইলে একজন মানুষ চাকরি করার পাশাপাশি লেখালেখি, ব্যবসা, সামাজিক কাজ বা নতুন কোনো সৃজনশীল দক্ষতা অর্জন করে নিজেকে আরও বড় পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারেন।
৩. আত্মবিশ্বাস জাগানো: অনেকেই নিজের যোগ্যতা নিয়ে সংশয়ে থাকেন এবং যা করছেন তাতেই সন্তুষ্ট থেকে যা।—"আমি এখন যা করছি, তার চেয়েও বড় কিছু করার ক্ষমতা আমার আছে।"
10/07/2026
ইলেক্ট্রিশিয়ান লাইসেন্স পরিক্ষার প্রশ্ন.!
10/07/2026
ইলেক্ট্রিশিয়ান লাইসেন্স পরিক্ষার প্রশ্ন??
29/06/2026
একবার চার্জে ৪১০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে এই বৈদ্যুতিক গাড়ি👇👇👇👇
28/06/2026
ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং (Industrial Training) হলো কোনো শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীর তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার একটি ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ। সাধারণত ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা বা বিএসসি (ইঞ্জিনিয়ারিং) কোর্সের শেষ সেমিস্টারে কোনো প্রতিষ্ঠানে হাতে-কলমে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য এই প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে হয়।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
বাস্তব কর্মপরিবেশের অভিজ্ঞতা: ক্লাসরুমে পড়া তত্ত্বকে বাস্তবে কীভাবে প্রয়োগ করতে হয়, তা শেখা。
দক্ষতা বৃদ্ধি: নিজের বিষয়ভিত্তিক কাজের পাশাপাশি প্রফেশনাল কমিউনিকেশন, দলবদ্ধ হয়ে কাজ করা (Teamwork) এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ে。
নেটওয়ার্কিং: ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সাথে কাজের সুযোগ তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
27/06/2026
আগামী পৃথিবীর ১০টি বিস্ময়কর প্রযুক্তি
27/06/2026
পরমাণু কঠিন, তরল নাকি বায়বীয়?
মোটা দাগে পদার্থের তিনটি অবস্থা—কঠিন, তরল ও বায়বীয়। বস্তু কঠিন, তরল নাকি বায়বীয় হবে, সেটা নির্ভর করে বস্তুর প্রকৃতি এবং পরিবেশের তাপমাত্রা ও চাপের ওপর।
27/06/2026
২০৩০ সালের মধ্যে চাকরি হারাবে ৯৯ ভাগ মানুষ, তবুও টিকে থাকতে পারে যে ৫ চাকরি👇👇
কিছু সময়ের জন্য ধরে নিন, ২০৩০ সাল এসে গেছে। সকালে আপনার অ্যালার্ম বাজছে না। অফিসে যাওয়া নিয়ে নেই টেনশন। এমনকি বাসায় বসেও বসের ঝাড়ি খাওয়ার ভয় নেই। কারণ কী? এত শান্তি আপনার জীবনে এল কীভাবে? কারণ আপনার কোনো চাকরিই নেই!
শুনতে খুব ভয়াবহ লাগলেও সিঙ্গুলারিটি নেটের প্রতিষ্ঠাতা বেন গোয়ের্টজেল ঠিক এমনটাই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। সম্প্রতি বিজনেস ইনসাইডার-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তাঁর এই বিস্ফোরক মন্তব্য। বেন বলছেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই, বিশেষ করে ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে মানুষের ৯৯ ভাগ চাকরিই চলে যাবে এআইয়ের কাছে।
এমন খবর শুনলে সাধারণত আমাদের পিলে চমকে যাওয়ার কথা। কিন্তু বেন গোয়ের্টজেল উল্টো আমাদের আশ্বস্ত করছেন। তাঁর মতে, চাকরি চলে যাওয়াটা মানবজাতির জন্য অভিশাপ নয়, বরং আশীর্বাদ হতে পারে। কেন?
কারণ তিনি মনে করেন, মানুষ আসলে চাকরি করতে পছন্দ করে না। আমরা কাজ করি পেটের দায়ে, বাধ্য হয়ে। বেন বলছেন, এআই যখন সব কাজ করে দেবে, তখন মানুষকে আর জীবিকার জন্য গাধার খাটুনি খাটতে হবে না। প্রশাসনিক কাজ, ট্রান্সপোর্ট, লজিস্টিকসসহ এ ধরনের কাজ করে দেবে এআই। আমরা তখন শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান বা সমাজসেবার মতো সৃজনশীল কাজে মন দিতে পারব। অর্থাৎ, চাকরি হারানোর ভয় আমাদের পুরোনো সমাজ ব্যবস্থার ভয়। কিন্তু প্রযুক্তির এই বিপ্লব আমাদের এমন এক দুনিয়ায় নিয়ে যাবে, যেখানে কাজ করাটা বাধ্যতামূলক নয়, বরং ঐচ্ছিক হবে।
এখন প্রশ্ন হলো, এখনকার চ্যাটজিপিটি বা জেমিনাই কি এখনই আমাদের চাকরি দখল করে নেবে? তা ঠিক নয়। বেন গোয়ের্টজেল আঙুল তুলেছেন আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স বা এজিআইয়ের দিকে। এজিআই হলো এমন এক পর্যায়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, যা মানুষের মতোই বা তার চেয়েও ভালো চিন্তা করতে পারবে, শিখতে পারবে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। বেনের মতে, ২০২৭ সালের মধ্যেই আমরা এমন এআই তৈরি করে ফেলতে পারি। আর একবার সেটা হয়ে গেলে, ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ মানুষের কাজের প্রয়োজন থাকবে না।
৯৯ শতাংশ চাকরি চলে গেলেও ১ শতাংশ কাজ কিন্তু টিকে থাকবে। টাইমস অফ ইন্ডিয়া-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ৫ ধরনের পেশা হয়তো এই সময়েও টিকে থাকবে, অন্তত কিছুদিনের জন্য। সেগুলো কী?
১. জটিল শারীরিক কাজ
প্লাম্বার বা ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ রোবট দিয়ে করানো এখনই সম্ভব নয়। ভাঙা পাইপ ঠিক করা বা সরু জায়গায় তার জোড়া লাগানোর মতো কাজে মানুষের হাতের স্পর্শ লাগবেই।
২. মানবিক সংযোগ
থেরাপিস্ট বা নার্সিং পেশায় যাঁরা আছেন, তাঁরা মানুষের আবেগ বোঝেন। এআই যতই স্মার্ট হোক, মায়ের মমতা বা বন্ধুর সান্ত্বনা সে দিতে পারবে না।
৩. সৃজনশীলতা
সত্যিকারের মৌলিক শিল্প বা সাহিত্যের মতো জায়গায় হয়তো ভবিষ্যতেও মানুষের ছাপ লাগবে।
৪. কৌশলগত নেতৃত্ব
এআইকে নির্দেশনা দেওয়া বা বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার কাজে লাগতে পারে মানুষকে
৫. এআই রক্ষণাবেক্ষণ
যারা রোবট বা এআই সিস্টেমগুলোকে তৈরি করবে বা মেরামত করবে, তাঁদের চাকরি টিকে থাকবে।
তবুও প্রশ্ন জাগে, আমাদের ভবিষ্যৎ কতটা নিরাপদ? বেন গোয়ের্টজেলের এই ভবিষ্যদ্বাণী যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনি ভীতিকর। কাজ না থাকলে মানুষ খাবে কী? এখানেই সমাজবিজ্ঞানীদের বড় চ্যালেঞ্জ। রাষ্ট্র নিশ্চয়ই সবাইকে বিনা শর্তে বেতন দেবে না। বেনের ভাষায়, ‘আমরা হয়তো এমন এক দুনিয়ায় প্রবেশ করছি যেখানে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও একঘেয়ে কাজের দিন শেষ হচ্ছে।’ তবে ৯৯ শতাংশ মানুষ চাকরি হারালে ভবিষ্যতে তারা কে কি করবে, এ ব্যাপারে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যায় না।
তবে ২০৩০ সাল কিন্তু খুব বেশি দূরে নয়। আমরা কি প্রস্তুত সেই অফুরন্ত ছুটির জন্য? নাকি বেকারত্বের লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হবে? সময় সব বলে দেবে!
Category
Address
Tangail
1944