News Update

News Update

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from News Update, Media/News Company, Tangail.

08/03/2024
খাষকাউলিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এস এসসি পরীক্ষাদের বিদায় সংবর্ধনা - Channel 7 05/02/2024

চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

খাষকাউলিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এস এসসি পরীক্ষাদের বিদায় সংবর্ধনা - Channel 7 মাহমুদুল হাসান চৌহালী থেকে : সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর ২০২৪ ইং সালের এসএসসি ...

31/12/2023

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলর ও সাবেক বিচারপতি জনাব মমতাজউদ্দিন আহমেদ এর কাজ থেকে সাংবাদিকতায় শ্রেষ্ঠ সম্মাননা পদক নিচ্ছেন (মাটির মানুষ ২০১৩) মাহমুদুল হাসান।

27/06/2023
26/06/2023

আমাদের যমুনা নদীর দৃশ্য।

17/05/2023

রাস্তা ও ব্রীজ সচল করুন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অংশ নেন। চৌহালী উপজেলার খাষপুখুরিয়া ইউনিয়নে কোদালিয়া গ্রামে খালের উপর পরে থাকা ব্রীজ, দু পাশে মাটি ধস ও রাস্তা ধস দেখার কেউ নেই।রাস্তা ও ব্রীজ সচল করুন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অংশ নেন।

Photos from News Update's post 23/02/2022

চৌহালীতে কলা গাছের অস্থায়ী শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানালো শিশুরা

মাহমুদুল হাসান,

বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হচ্ছে ভাষা আন্দোলন। সেই ভাষা আন্দোলনের সাফল্য থেকে বাঙালি পেয়েছে মুক্তির সংগ্রামের উজ্জীবনী শক্তি ও সাহস। মুক্তির সংগ্রামে উজ্জ্বল নক্ষত্র ভাষা সৈনিকরা।
ভাষা আন্দোলনের প্রসঙ্গ এলেই সর্বপ্রথম যার মুখটি বাঙালির সামনে ভেসে ওঠে, তিনি হলেন ভাষা সৈনিক ( ছাত্র মতিন)আব্দুল মতিন। ভাষা আন্দোলনের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন এ এলাকার মানুষের কাছে ।
১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন আর ভাষা সৈনিক ও ভাষা শহীদের রক্তে রাঙানোর দিন আজ একুশে ফেব্রুয়ারি। আর এ দিবস সহ সকল জাতীয় দিবস পালন করতে চান নতুন প্রজন্মের শিশুরা। দু-একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকলেও তা অযন্তে অবহেলায় পরে আছে ! শহীদ মিনার আছে শ্রদ্ধা নেই। তাই বলে কী ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবো না? আমরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এভাবে অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে সেখানে ফুল দিলাম ৷ এ প্রতিবেদককের কাছে আবেক কন্ঠে এসব কথাগুলো বলছিলো ঘোরজান ইউনিয়নের শিশু শিক্ষার্থীরা।
১৮ নং শেখ চাঁদ পাড়া সরকারি প্রাথমিক স্কুলের পাশে সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রতিবেদককে ডেকে নেয় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মোঃ আনোয়ার সরকার ৷ আনোয়ার সরকার বলেন, স্যার আমাগো একটা ছবি তুলে দেন ৷
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কলা গাছের অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে দিবসটি পালন করে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা ৷ দুর্গম এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকলেও পরে আছে অযন্তে। আর,আর,কে দাখিল মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্র মোঃ রবিউল ইসলাম, ১৮ নং শেখ চাঁদপাড়া সরকারি প্রাথমিক স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মোঃ তাজিম, ৬৩ নং চরজাজুরিয়া সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ছাত্র মোঃ আসিব বলেন, আমরা গতকাল থেকে কলা গাছের শহীদ মিনার তৈরি করছি ৷ বাংলা ভাষার জন্য যারা জীবন দিয়েছে তাদেরকে শ্রদ্ধা জানাতে ৷
আমাদের স্যাররা বলেছেন, অনেক রক্তের মিনিময়ে আমরা বাংলা ভাষা পেয়েছি ৷ যারা জীবন দিয়েছে তাদেরকে শ্রদ্ধা জানাতে হবে ৷
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশেই অস্থায়ীভাবে শহীদ মিনার বানিয়ে দিবসটি পালন করছি বললেন ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। এমন দৃশ্য এ প্রতিবেদকের ক্যামেরায় বন্ধি হয় সোমবার সকালে উপজেলার ঘোরজান ইউপির চর জাজিরা এলাকায়।

মাহমুদুল হাসান চৌহালী সিরাজগঞ্জ
* ২১-০২-২০২২ ইং

Photos from News Update's post 22/02/2022

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস ও বাংলা বিভাগ চালু,মিষ্টি বিতরণ ও নেচে গেয়ে শিক্ষার্থীদের আনন্দ উল্লাস
নিজস্ব প্রতিবেদক :
করোনাকালীন বন্ধের ১৯ মাস পর সশরীরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু ও বাংলা বিভাগ চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মিষ্টি বিতরণ ও নেচে গেয়ে আনন্দ উল্লাসের মধ্যে দিয়ে ক্লাসে ফিরেছে। মঙ্গলবার সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বিসিক বাসস্ট্যান্ড এলাকার শাহজাদপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে অবস্থিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস-১ এ ক্লাস শুরুর প্রাক্কালে শিক্ষার্থীরা এ মিষ্টি বিতরণ ও নাচ গানের মাধ্যমে আনন্দ উল্লাস করেন।
এ বিষয়ে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু জাফর ও আফসানা মিমি আইভী বলেন,করোনার কারণে দীর্ঘ ১৯ মাস সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকায় সেশন জটের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক ভাবে চাপের মধ্যে ছিল। ফলে তারা হতাশায় ভুগছিল। সশরীরে ক্লাস শুরু হওয়ায় তারা অত্যন্ত খুশি ও আনন্দিত। এ ছাড়া বাংলায় চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এ আনন্দ উল্লাস প্রকাশ করেছে।
এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের সহকারী প্রক্টর ড.ফখরুল ইসলাম বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘ ১৯ মাস বন্ধ থাকার পর সশরীরে ক্লাস শুরু হওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষর্থীরা এ আনন্দ উদযাপনে তারা মিষ্টি বিতরণ ও নেচে গেয়ে উল্লাস প্রকাশ করেছে। এছাড়া বাংলা বিভাগ চালু হওয়ায় তাদের এ আনন্দ উল্লাস আরও নতুন মাত্রা পেয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেল বলেন, বাংলা বিভাগ চালু হওয়ায় আমরা সবাই খুশি। এছাড়া দীর্ঘদিন বন্ধের পর শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরেছে এটা খুবই আনন্দের ব্যাপার। তাই তারা এ আনন্দ উল্লাস করেছে।
এ বিষয়ে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড.শাহ আজম বলেন,প্যান্ডামিক সিচুয়েশন কাটিয়ে সশরীরে ক্লাসে ফেরাটা সভাবতই আনন্দের। আমরা আশাকরছি যথা সময়ে ক্লাস ও সিলেবাস শেষ করে শিক্ষার্থীদের সঠিক সময়ে কোর্সমেষ করতে সক্ষম হবো। এ জন্য আমরা অনলাইনে ভারচ্যুয়ালি ক্লাস নিয়ে শিক্ষর্থীদের সিলেবাস শেষ করেছি। আশাকরছি যথা সময়ে পরীক্ষাও শেষ করা সম্ভব হবে। বাংলা বিভাগ চালুর বিষয়ে তিনি বলেন,এটা রুটিন কাজের অংশ। আমরা আরও নতুন নতুন বিষয় নিয়ে হাজির হতে চাই। তিনি বলেন,রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আরও উচ্চতর গবেষণার জন্য আমরা নতুন গবেষণা বিভাগও চালু করতে যাচ্ছি। যাতে দেশ-বিদেশের শিক্ষার্থীরা এখানে এসে গবেষণার সুযোগ পেয়ে আরও উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

22/02/2022

সিরাজগঞ্জের চৌহালী
উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের মাঝে হ্যান্ড স্পেয়ার মেশিন বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার জেরিন আহমেদ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এসএপিপিও মোঃ ইকবাল হোসেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামিম তালুকদার, মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

Photos from News Update's post 21/02/2022

দেশের ইতিহ্য চৌহালীর গর্ব ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন
মাহমুদুল হাসান,
বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের অনুপ্রেরণা হচ্ছে ভাষা আন্দোলন। সেই ভাষা আন্দোলনের সাফল্য থেকে বাঙালি পেয়েছে মুক্তির সংগ্রামের উজ্জীবনী শক্তি ও সাহস। ভাষা আন্দোলনের প্রসঙ্গ এলেই সর্বপ্রথম যার মুখটি বাঙালির সামনে ভেসে ওঠে, তিনি হলেন ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন। ভাষা আন্দোলনের পর থেকে তিনি ‘ভাষা মতিন’ নামেই বাঙালির কাছে সর্বাধিক পরিচিত। ভাষা আন্দোলনে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় ও অনস্বীকার্য। তিনি ছিলেন অকুতোভয় এক সংগ্রামী নেতা। ছাত্রজীবন থেকে আমৃত্যু সেই সংগ্রামে অবিচল থেকে বলে গেছেন শোষণ-বৈষম্যহীন সমাজের কথা।
ভাষা আন্দোলন থেকে যুক্তফ্রন্ট, ফ্রন্টের নির্বাচনী বিজয়। শৃঙ্খল ভাঙার গানে উজ্জীবিত অনেক ছাত্র-যুবার কাছে তখন প্রথাগত শিক্ষার চেয়ে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নই বড় হয়ে দেখা দেয়; আবদুল মতিন ছিলেন তাঁদেরই একজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় ভাষা আন্দোলনে সম্পৃক্ত হন মতিন। রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হলে তিনি এর আহ্বায়কের দায়িত্ব নেন। ১৯৫২ সালে তুমুল আন্দোলনে তিনি নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন। তাঁদের সেই আন্দোলনের পথ ধরেই বাঙালি পায় মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার। এই ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে কারাগারে নানা বন্ধুর সাহচর্যে নতুন আদর্শে দীক্ষা নেন। সে আদর্শ সমাজ বদলের; বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার। এ স্বপ্ন পূরণের লড়াইয়ে জেল-জুলুম নির্যাতন কোনো কিছুতেই বিচ্যুত হননি ভাষা মতিন।
আবদুল মতিন ১৯২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ধুবালীয়া গ্রামে এক মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম আবদুল জলিল ও মায়ের নাম আমেনা খাতুন। তিনি ছিলেন তাঁদের প্রথম সন্তান। জন্মের পর তাঁর ডাক নাম ছিল ‘গেদু’। ১৯৩০ সালে গ্রামের বাড়ি যমুনা নদীর ভাঙনের শিকার হলে আবদুল জলিল জীবিকার সন্ধানে ভারতের দার্জিলিংয়ে চলে যান। সেখানে জালাপাহারের ক্যান্টনমেন্টে সুপারভাইজ স্টাফ হিসেবে একটি চাকরি পেয়ে যান। ১৯৩২ সালে আবদুল মতিন শিশু শ্রেণিতে দার্জিলিংয়ের বাংলা মিডিয়াম স্কুল মহারানী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেন। এই বিদ্যালয়েই শুরু হয় তাঁর শিক্ষা জীবন। ১৯৩৩ সালে আবদুল মতিনের মাত্র ৮ বছর বয়সে তাঁর মা অ্যাকলেমশিয়া রোগে মারা যান। মহারানী গার্লস স্কুলে ৪র্থ শ্রেণি পাস করলে এখানে প্রাথমিক স্তরের পড়াশোনা শেষ হয়। এরপর ১৯৩৬ সালে দার্জিলিং গভর্নমেন্ট হাই স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হন। তিনি ১৯৪৩ সালে এনট্রান্স (মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা) পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ নিয়ে উত্তীর্ণ হন। আবদুল মতিন ১৯৪৩ সালে রাজশাহী গভর্নমেন্ট কলেজে ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষে ভর্তি হলেন। দুই বছর পর ১৯৪৫ সালে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ নিয়ে উত্তীর্ণ হন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে আবদুল মতিন ব্রিটিশ আর্মির কমিশন র‌্যাঙ্কে ভর্তি পরীক্ষা দেন। দৈহিক আকৃতি, উচ্চতা, আত্মবিশ্বাস ও সাহসিকতার বলে তিনি ফোর্ট উইলিয়াম থেকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কমিশন পান। এরপর তিনি কলকাতা থেকে বেঙ্গালুরু গিয়ে পৌঁছান। কিন্তু তত দিনে যুদ্ধ শেষ। ফলে তিনি একটি সার্টিফিকেট নিয়ে দেশে ফিরে আসেন। প্রত্যাবর্তনের পর তিনি ১৯৪৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলর অব আর্টসে (পাস কোর্স) ভর্তি হলেন। ফজলুল হক হলে তাঁর সিট হয়। ১৯৪৭ সালে গ্র্যাজুয়েশন কোর্স শেষ করেন এবং পরে মাস্টার্স করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে।
মাতৃভাষা মানুষের জন্মগত অধিকার। পৃথিবীর সব ভাষাভাষী মানুষই নিজের ভাষায় কথা বলবে, এটিই স্বাভাবিক। বাংলা ভাষাভাষী মানুষের ক্ষেত্রে একই কথা প্রযোজ্য। কিন্তু ভাষার ওপর আঘাত অর্থাৎ একটি ভাষাভাষীর মানুষের ওপর অন্য একটি কৃত্রিম ভাষা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এমনই একটি বিরল ও ঘৃণ্য ঘটনা ঘটে ১৯৪৮ সালে। অগণতান্ত্রিক ও অযৌক্তিকভাবে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার দুঃসাহস দেখালেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। তিনি ঢাকায় এসে ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সমাবর্তন ভাষণে ঘোষণা দিলেন উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করা হবে। কথাটা উচ্চারণের পরপর আবদুল মতিনের কণ্ঠ থেকেই প্রথম উচ্চকণ্ঠের প্রতিবাদ ‘নো, নো’ ধ্বনিত হয়েছিল। সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে একে শুধু সাহসিকতা বলা চলে না, রীতিমতো বলতে হবে একটা দুঃসাহসিক কাজ।
আবার ১৯৫২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত ১৪৪ ধারা না ভাঙার পক্ষে ১১-৩ সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্ত অমান্য করার পক্ষে অবস্থান গ্রহণকারী ছাত্রদেরও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই আবদুল মতিন। পরদিন ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলার ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্তটিই পাস হয়েছিল তাঁর জ্বালাময়ী ভাষণের প্রভাবে। তার পরের ইতিহাস আমাদের সবার জানা। রাজপথে বুকের রক্ত দিয়ে ছাত্র-জনতা মাতৃভাষা বাংলাকে প্রতিষ্ঠা করে। পৃথিবীর বুকে মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন করে প্রাণের আত্মত্যাগের ঘটনা এটাই প্রথম। বিশ্ববাসীর কাছে এটা বাঙালির জন্য বিরাট এক গৌরব। এমন একটি ইতিহাস রচনায় যাঁর নেতৃত্ব ছিল অগ্রগামী, তিনি নিঃসন্দেহে বাঙালি জাতির এক কীর্তিমান বীরপুরুষ। ভাষা আন্দোলনের পর তিনি ছাত্র ইউনিয়ন গঠনে ভূমিকা রাখেন এবং পরে সংগঠনটির সভাপতি হন।
এরপর কমিউনিস্ট আন্দোলনে সক্রিয় হন। ১৯৫৪ সালে পাবনা জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক হন আবদুল মতিন। মাওলানা ভাসানী ন্যাপ গঠন করলে তিনি ১৯৫৭ সালে তাতে যোগ দেন। ১৯৬৮ সালে তিনি পাবনা জেলাকে ভিত্তি করে পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল) ভেতরে আলাউদ্দিন আহমদকে নিয়ে এক উপদল গড়ে তোলেন। পরে তিনি দেবেন শিকদার, আবুল বাশার, আলাউদ্দিন আহমদ ও নুরুল হক চৌধুরীর সহায়তায় পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি গঠন করেন। টিপু বিশ্বাস, আলাউদ্দিন আহমদ ও তাঁর নেতৃত্বে পাবনা জেলার জনগণ মুক্তিযুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালন করেন। রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি, তারই ধারাবাহিকতায় আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস, সারাদেশের ন্যায় আজ সকাল শহীদের স্মরণে চৌহালী বাসি শ্রদ্ধা জানায়।

Want your business to be the top-listed Media Company in Tangail?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Tangail