Current News 2.0

Current News 2.0

Share

Breaking News Alltimes "You And Me"
What day is it? And in what month? This clock never seemed so
alive.

This clock never seemed so alive
I can't keep up and I can't back down
I've been losing so much time
'Cause it's you and me and all of the people with nothing to do, nothing to lose
And it's you and me and all of the people
And I don't know why I can't keep my eyes off of you
All of the things that I want to say just aren't coming out
right
I'm tripping on words
You got my head spinning
I don't kn

17/06/2025

ইরান যে মিড রেঞ্জ ব্যালেস্টিক মিসাইলগুলো ফায়ার করছে তার একটা বড় অংশ ইস"রায়ে"লে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস করা হচ্ছে।

ইরানী মিসাইলগুলো সর্বপ্রথম থামানোর চেষ্টা করে ইরাকে অবস্থানরত আমেরিকান সেনা বাহিনী। ইরাকে বেশ কয়েকটি বড় বড় মার্কীন সামরিক ঘাটি রয়েছে যেখানে থাড সহ বিভিন্ন ধরনের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন আছে। ইরানী মিসাইলগুলো সর্বপ্রথম এদের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও কুয়েতে থাকা মার্কিন ঘাটিগুলোও সবরকম ইনফরমেশন দিয়ে মিসাইল ঠেকাতে সহায়তা করে।

এদিকে পারস্য উপসাগরে টহল দেওয়া ইউএসএস কার্ল ভিনসন নামক বিমানবাহী রণতরী ও অত্যাধুনিক মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলোও ইরানী মিসাইল ঠেকাতে কাজ করছে।

এরপর আছে জর্ডানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা এবং জর্ডানে অবস্থিত আমেরিকান ঘাঁটি।

এদিকে সাইপ্রাস থেকে ব্রিটিশ এয়ারফোর্স ইসরায়েলকে সহায়তা করছে।

এই সকল প্রতিরক্ষা স্তর পার হবার পর আসে ইসরায়েলের বহুস্তরীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা:

Arrow-3: ২০০০ কিলোমিটার দূরে থেকেই মহাকাশে ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে।

Arrow-2: যদি তা ব্যর্থ হয়, তাহলে এই সিস্টেম ১৫০০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে।

David’s Sling: যেটি ৩০০ কিলোমিটার থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত রেঞ্জে ক্ষেপণাস্ত্রকে ধাওয়া করে।

সর্বশেষ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে আছে Iron Dome,
যেটি ৭০ কিলোমিটার থেকে ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত রেঞ্জে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার চেষ্টা করে।

এখন প্রশ্ন হলো...পৃথিবীর আর কোনো দেশের ক্ষেপণাস্ত্র কি লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে গিয়ে এত বাধার সম্মুখীন হয়?

কিন্তু এত কিছুর পরও ইরানী মিসাইলগুলো ইসরায়েলে এসে ইমপ্যাক্ট করছে। এবং মনে রাখতে হবে, ইরানের এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তারা নিজেরাই তৈরি করেছে। কিন্তু এগুলোকে প্রতিহত করতে যে সব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করে, সেগুলো বিভিন্ন উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর সর্বোচ্চ প্রযুক্তির ফসল।

16/04/2025

নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ জানতে চেয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতারা আজকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে বিএনপি সঙ্গে উপদেষ্টা ও সরকারের সংশ্লিষ্টদের আলোচনার মূল কি পয়েন্টগুলো তুলে ধরছি
বিএনপি: আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর বিগত রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো এখনো প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। হাসিনার আমলে হওয়া রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহারে বিলম্ব হচ্ছে।
সরকারের রেসপন্ড: পাবলিক প্রসিকিউটর অফিস, তারপর সরকারি আইনজীবীদের অফিস নতুন করে পুনর্গঠন করা হয়েছে মাত্র ৩ মাস হলো। এই ৩ মাসেই ৭ হাজারেরও বেশি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এবং প্রায় ১৬ হাজার মামলা লিস্টেড আছে। এগুলো দ্রুতই প্রত্যাহার হবে। কাজ চলছে। এরচে দ্রুতগতিতে মামলা প্রত্যাহার সম্ভব?
রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো দ্রুতই প্রত্যাহারে সরকারের আন্তরিকতা বুঝতে পেরে বিএনপির নেতারা মাথা নেড়ে সায় দেন।
বিএনপি: সরকারের অনেক সিদ্ধান্তই বিএনপির প্রতিকূলে গেছে। তারপরও নীরব থেকে বিএনপি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে সরকারকে। বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়ায়তে বিএনপির লোকদের কম গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সরকারের রেসপন্ড: তাৎক্ষণিক উদাহরণসহ সরকারের সংশ্লিষ্টরা দেখিয়েছেন সরকারের অনেক সিদ্ধান্ত বিএনপির অনুকূলে করা হয়েছে। যেখানে অন্যান্য অংশীজনের আপত্তি সত্ত্বেও। এবং কোথায় কোথায় বিএনপির লোকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তা অবহিত করেন।
রাজনৈতিক পরিচয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়া সংখ্যাগরিষ্ঠই হলো বিএনপি সংশ্লিষ্ট।
(বিএনপি তখন বিগত ১৬ বছরে ধরে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম নিপিড়নেী কথা বলেন। সরকার সংশ্লিষ্টরা তা স্বীকার করে তাদের প্রতি সহমর্মিতা ও কৃতজ্ঞতা জানান।)
বিএনপি: শেখ হাসিনা এবং তার দোসররা, যারা জুলাই গণহত্যা ঘটিয়েছে তাদের বিচার হচ্ছে না কেন?
সরকারের রেসপন্ড: বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত গতিতেই চলছে। আইসিটি আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। সরকার পূর্বে হাসিনার আমলে বিচার হওয়া মামলাগুলো সাথে কম্পেয়ার করে জানান এখন কোনো প্রক্রিয়ায় আছে। তাতে জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার কোনভাবে ডিলেই হচ্ছে না। আরও দ্রুত কার্যসাধন করতে তারা আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা সরকারকে জানিয়ে, সরকার সম্মতি দিয়েছে। শিগগিরই আরেকটা ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। যাতে দ্রুত বিচারকার্য সম্পন্ন করা যায়।
কয়েকটি মামলার চুড়ান্ত তদন্তের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ট্রাইব্যুনালে এগুলো দাখিল করা হলে তখন জনগণের সামনে পরিষ্কার হবে কাজের অগ্রগতি।
বিএনপি: নির্বাচন নিয়ে অনেক উপদেষ্টার কথাবার্তার মধ্যে অস্পষ্টতা রয়েছে। তাদের অনেকের বক্তব্য প্রধান উপদেষ্টার কথার সাথে সাংঘর্ষিক। তারা সামনে আনেন সম্প্রতি একজন উপদেষ্টার বক্তব্য, ‘জনগণ এই সরকারকে ৫ বছর চায়...’
সরকারের রেসপন্ড: প্রধান উপদেষ্টা তাঁর মুখ দিয়ে যে কথা বলছেন, সেটাই মূল কথা। এই কমিটমেন্ট বাস্তবায়ন করা হবে। এর বাইরে কোনো উপদেষ্টা ব্যক্তিগত মত দেন বা বেফাঁস কথাবার্তা বললেও, সেসব কথা আমলে নিয়ে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। নির্বাচন ডিসেম্বর ২৫ থেকে জুন ২৬ এর মধ্যেই হয়ে যাবে। এর বাইরে উপদেষ্টারা ভিন্ন চিন্তা করার সুযোগ নাই। কাজে বিএনপি বিভ্রান্ত হওয়ার প্রয়োজন নাই। আবার আশ্বস্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।
বিএনপি: পরিষ্কার করে নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে আপত্তি কোথায়?
সরকারের রেসপন্ড: ডিসেম্বর থেকে জুন বলা হয়েছে মানে এই নয় যে, আমরা ডিলেই করে জুন পর্যন্ত নিয়ে যাব। জুন পর্যন্ত থেকে যাব কালক্ষেপণ করে, এমন নয়। আমাদের মূল লক্ষ্য ডিসেম্বরে নির্বাচন করা। কোনো কারণে ডিসেম্বর সম্ভব না হলে জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারী যাবে। এভাবে চিন্তা করেই আমরা বলছি ডিসেম্বর থেকে জুন৷ এটার মানে এই নয় যে, আমরা জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করে নির্বাচনের দিকে যাব। আপনারা পরিষ্কার থাকুন আমরা কথার বাইরে যাব না।
(আমাদের দল সংস্কারপন্থি। আমরা আগে থেকেই সংস্কার পরিকল্পনা ঘোষণা করছি জনগণের কাছে। উপদেষ্টা এবং সরকারের সংশ্লিষ্টরা এগ্রি করেন বিএনপির এই বক্তব্যের সঙ্গে।)
বিএনপি: এখন সংস্কারের যে বিষয়গুলোতে অংশীদার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য হচ্ছে, সেগুলো চার্টার করে সংস্কার হোক। বাকিগুলো নির্বাচিত সরকার আসলে, তারা সব অংশীদারের সাথে আলাপ-আলোচনা করে এগোবে। কী প্রয়োজন না-প্রয়োজন!
সরকারের রেসপন্ড: সংস্কার প্রস্তাবনাগুলো দেওয়া হয়েছে সব দলকে। সেখানে কারা কতটা সংস্কারপ্রস্তাবনায় একমত হয়েছে, আংশিক একমত হয়েছে, এবং একমত নয় - সেসব ঐকমত্য-কমিশনের সাথে দলগুলোর সবশেষ মিটিংয়ে চুড়ান্ত হয়ে গেলেই আমরা ‘জুলাই সনদ’ নামে চার্টার করে ফেলব। সেখানে জনগণ পরিষ্কার দেখতে পারবে কোন দল কতটা বিষয়ে সংস্কার চাচ্ছে, কত বিষয়ে চাচ্ছে না এবং কোনো পদ্ধতিতে সংস্কারে পক্ষে মত দিচ্ছে। সবকিছু স্পষ্ট থাকবে, সেখানে সাইন করবে রাজনৈতিক দলগুলো।
(আবারও নির্বাচন প্রসঙ্গে ফিরে বিএনপি)
বিএনপি: প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে ডিসেম্বরে নির্বাচন করা তো অসম্ভব নয়। কেন কালক্ষেপণ করা হচ্ছে!
সরকারের রেসপন্ড: ঐকমত্যের পর জুলাই চার্টার তৈরি হয়ে গেলেও সংস্কারের আইনগত ও নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে কিছু সময়ের প্রয়োজন আছে। কিছু কিছু সংস্কার বাস্তবায়ন করতে মাসেরও প্রয়োজন হবে। আলোচনায় সরকারের সংশ্লিষ্টরা কয়েকটি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন। যেমন: একটি উদাহরণ দিয়েছেন, ডিজিটাল সুরক্ষা আইন করতে ২৩ বার ড্রাফট করা লেগেছে অংশীজনদের মত নিয়ে। বারবার করে বসতে হয়েছে অংশীদারদের সঙ্গে, তাদের মতামত নিতে হয়েছে। কয়েক মাস লেগেছে এটি করতে৷ ফলে, কোনো সংস্কার প্রস্তাবনায় ঐক্যমতে পৌঁছে গেলেই কাজ শেষ তা ত নয়, আইনগত ও নীতিগত দিক থেকে বাস্তবায়ন করতে সময়েরও ব্যাপার আছে।
আর এ সরকারের ওপর বড় দায়িত্ব জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার করা। জনগণের সবচে বড় আকাঙ্খা যেন আমরা (সরকার) জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার করে যাই। কোনো বিচারই যদি আমরা করে না যেতে পারি, আমরা নিজের বিবেকের কাছে কী জবাব দেব! দেশের মানুষের কাছে আমাদের জবাব দিতে হবে না? এত এত ছাত্র-জনতার জীবন কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের রক্তের ওপর দিয়ে আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আমরা এর বিচার নিশ্চিত করে যেতে হবে না?
সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—এসবগুলোই আমাদের জন্য প্রায়োরিটির বিষয়। আমরা কথার বাইরে যাব না। ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে। জোর দিয়ে বলা হয়, আপনাদের আবার পরিষ্কার করছি, জুন পর্যন্ত টাইম দেওয়া মানে এই না যে, আমরা শেষটা ধরে এগোবো। আমরা ডিসেম্বরে নির্বাচন করার লক্ষ্যেই সব কাজ করছি। কোনো কারণে ডিসেম্বরে সম্ভব না হলে জানুয়ারি, বা ফেব্রুয়ারী। সে কারণেই এই টাইমলাইন দেওয়া। ডিসেম্বর ২৫ থেকে জুন ২৬। আপনারা নিশ্চিত থাকেন এরমধ্যে নির্বাচন হবে।

- Farid Uddin Rony

Join Connect 3.0

03/12/2024

ভারত'কে উচিত জবাব দেওয়ার একমাত্র পথ এই মূহুর্তে ভারতীয় ২৬ লাখ নাগরিক'কে চাকুরি থেকে বিদায় করা।

কি বলেন আপনারা ঠিক কি-না??

02/12/2024
28/11/2024

বহুত আগে গেরামে গেছিলাম পর বন্ধু সহ নারকেল চুরি করতে গেছিলাম বেচারা গাছের উপ্রে থেকে কট খেয়ে গেছিলো।

আমি তখন তারে চুনা দিয়ে নিজে বেঁচে যাওয়ার জন্য কইসিলাম।

তারে আমি চিনি না। 🐼

04/10/2024

এই সরকার খুব বেশি সভ্য আর নিয়মতান্ত্রিক সাজতে গিয়ে শহীদদের রক্তের সাথে প্রতারণা করছে। আদানির সাথে শেখ হাসিনার করা দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি নাকি বাতিল করার কোন পদ্ধতি নেই। তাই এখন সেই চুক্তি বাতিল করতে পারছে না। বিদ্যুৎ না কিনেও ২৫ বছর ধরে নাকি ক্যাপাসিটি চার্জ দিয়ে যেতে হবে। সরকারকে বুঝতে হবে এটা কোন স্বাভাবিক বা নিয়মতান্ত্রিক সরকার নয় যে পূর্বের সরকারের রেখে যাওয়া চুক্তি চালিয়ে যেতে হবে, পূর্বের সরকারের রেখে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। বরং নিয়ম ভেঙে, সংবিধান অমান্য করে জুলাইয়ের যে বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে, সেই বিপ্লবের ফলাফল বা Consequence হিসেবেই তো ইন্টারিম সরকার বসেছে। সেখানে শেখ হাসিনার চুক্তির দায় কেন এই সরকার নিবে যেটার সাথে দেশের মানুষের স্বার্থ ছিলো না? যে চুক্তি করেছে তাকে জনগণ দেশছাড়া করেছে, দ্বিতীয়ত এই চুক্তির পক্ষে দেশের মানুষ নেই; চুক্তি বানচাল করার জন্য এই চেয়ে বড় আর কি কারণ লাগবে আপনাদের? নতজানু হয়ে একটা চুক্তি মানতে গিয়ে আরও দশটা চুক্তি মানতে বাধ্য হবেন আপনারা। মেরুদণ্ড সোজা রেখে একটা চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসেন, পরবর্তী দশটা চুক্তি মেরুদণ্ড সোজা রেখেই বাস্তবায়ন করতে পারবেন। পলাতক সরকারের পথে হেটে আবরার ফাহাদদের রক্তের সাথে বেইমানি করিয়েন না।

© Mohammad Miraj Islam

04/10/2024

Celebrating my 11th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

24/08/2024

নদীর আপস্ট্রিমে যদি কোন বাঁধ থাকে তাহলে সেটার কারণে ডাউনস্ট্রিমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং ট্যাকনিক আছে যা নিচে দেয়া হলো :
১. নদীর তলভাগের লাইডার সার্ভে করা প্রথম কাজ। এরপর ওই সার্ভে এর উপর ভিত্তি করে ওয়াটারশেড ডেলিনিয়েট করতে হবে। এর মাধ্যমে সর্বোপরি কান্ট্রিবিউটিং এরিয়ার হাইড্রোলজি স্টাডি করতে হবে। জিওটেকনিকাল ইনভেস্টিগেশন করতে হবে সয়েল প্রপার্টি জানার জন্য।
২. সর্ব্বোচ বৃষ্টিপাত ( ১০০-ইয়ার এন্ড পি এম পি ) এনালাইসিস করে নতুন ড্যাম এর ডিজাইন রেইনফল সিলেক্ট করতে হবে।
৩. সব ডাটা পাওয়ার পর হাইডোলজিক মডেল ডেভেলপ করতে হবে যেখানে নদীর আপস্ট্রিমের ড্যাম ( এক্ষত্রে ফারাক্কা ) এন্ড ডাউনস্ট্রিমের ড্যাম ( এক্ষেত্রে শহীদ আবু সাঈদ ড্যাম ) এবং সব গেট অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
৪. পানির সর্ব্বোচ ফ্লো ডাটা এবং প্রত্যেক গেইটের ক্যাপাসিটি ডাটা সংগ্রহ করতে হবে।
৫. এস বিল্ট ড্রয়িং ( ফারাক্কা বাঁধের ) স্টাডি করে সব ডাইমেনশন কালেকট করতে হবে।
৬. এরপর মডেল রান দিয়ে দেখতে হবে ডাউনস্ট্রিমের ড্যাম কত ফ্লো ম্যানেজ করছে। ফারাক্কার ম্যাক্সিমাম ফ্লাড লেভেল ৮৫.৬ ফিট। সো আমাদের শহীদ আবু সাঈদ ড্যাম ৯০ ফিট ম্যাক্সিমাম ফ্লাড লেভেলে কন্ট্রোল করতে পারলেই হবে।
৭. ব্রিচ মডেলিং এর মাধ্যমে এটাও জানা যাবে যে ড্যাম যদি ওভারটপ করে তাহলে কি পরিমান জায়গা প্লাবিত হতে পারে।
৮. তাছাড়া ফিডার ক্যানেল দিয়ে পানি কে নিকটবর্তী কোন খালে ডাইভার্ট করা যাবে।
৯. শহীদ আবু সাঈদ ড্যাম এর গেইট অটোমেটেড কন্ট্রোলড স্পিলওয়ে হতে পারে।
১০. সবশেষে ড্যাম ক্রেস্ট এর উচ্চতা এবং গেইট ক্যাপাসিটি নির্ধারণের পর স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করতে হবে।

আমাদের সুবিধা কি থাকবে :
১. আমরা পানি রিজার্ভ করে হাইড্রোইলেক্ট্রিক পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণ করতে পারবো যাতে ন্যাশনাল গ্রীডে চাও কম পরবে। ফিডার চ্যানেলের পানি দিয়ে চাষাবাদ করা যাবে ,
২. আরেকটা বাঁধ নির্মাণ হলে দুই বাঁধের মাঝখানে ইন্ডিয়ার যেসব জায়গা আছে সব তলিয়ে যাবে ব্যাকওয়াটার ইফেক্টের কারণে। এর কারণে ইন্ডিয়া পানি ছাড়বে।
৩. নিয়ন্ত্রিত পানি রিলিজের মাধ্যমে পানির রিজার্ভ এন্ড নদীর ফ্লো এর মধ্যে ব্যালান্স থাকবে। সর্বোপরি বাংলাদেশ ইন্ডিয়াকে নিয়ে খেলতে পারবে।
সাথে একটা ড্রাফট স্কিমেটিক দেয়া হলো।

------------------------
মুহাম্মদ চৌধুরী , পি এইচ ডি , প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার , সার্টিফাইড ফ্লাডপ্লেইন ম্যানেজার
যুক্তরাষ্ট্র

21/08/2024

দেশ পুনর্গঠনের জন্য যথাযথ সময় না দিয়ে সচিবালয় ঘেরাও করা এবং রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলনের নামে ১৬ বছরের ব্যর্থতার দায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর চাপানো একটি স্বৈরাচারী ষড়যন্ত্র।

21/08/2024

বিসিবি সভাপতি হয়েই নীতিবানের পরিচয় দিলেন ফারুক আহমেদ, সব প্রশ্ন নিয়ে বিসিবিতে আসতে বললেন

.0

21/08/2024

নাজমুল হাসান পাপনের পদত্যাগের পর বিসিবি সভাপতি হলেন ফারুক আহমেদ।

Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Sylhet