MukiT
ok
কীভাবে স্ত্রীকে নেককার হিসাবে গড়ে তুলবেন⁉️
১. তাকে কিয়ামুল লাইল তথা তাহাজ্জুদের জন্য উৎসাহিত করবে।
২. কুরআন তিলাওয়াতের ব্যাপারে যত্ন নেওয়ার তাগিদ দেবে।
৩. প্রতিটি কাজের মাসনুন দুআ, সকাল-সন্ধ্যা ও নামাযের পরের আযকারগুলো আদায়ের ব্যাপারে যত্ন নেওয়ার তাগিদ দেবে।
৪. তাকে সদাকা করার প্রতি উৎসাহিত করবে।
৫. বিভিন্ন উপকারী দ্বীনি ও ইসলামি বই পড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করবে।
৬. ঈমান ও আমলের প্রতি উৎসাহ প্রদানকারী বিভিন্ন লেকচার ও আলোচনা শোনাবে এবং তা শোনার প্রতি উদ্বুদ্ধ করবে।
৭. তাকে নেককার ও উত্তম সঙ্গী নির্বাচন করে দিতে হবে— যার সাথে সে বসবে, অবসর সময়ে উত্তম উত্তম কথা বলবে এবং একসাথে হাঁটতে বের হবে।
৮. তাকে খারাপ ও অকল্যাণকর বিষয় থেকে ফিরিয়ে রাখবে
এবং এগুলো আসার সকল পথ বন্ধ করে দেবে।
তাকে খারাপ মানুষের সাথে মিশতে দেবে না,
খারাপ জায়গায় যেতে দেবে না।
একজন নেককার স্ত্রী, তার স্বামীর জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
তবে একজন স্ত্রী ততক্ষণ পর্যন্ত নেককার হতে পারবে না,
যতক্ষণ পর্যন্ত ৪টি কাজ সঠিকভাবে করতে না পারবে—
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
রমজান মাসের রোজা
নিজের লজ্জাস্থানের হেফাজত
(অর্থাৎ আল্লাহ্র বিধান অনুযায়ী পরিপূর্ণভাবে পর্দা করা)
স্বীয় স্বামীর আনুগত্য ✨💖
রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ
“সম্পূর্ণ পৃথিবী সম্পদ।
আর পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম সম্পদ হচ্ছে সৎ চরিত্রবান নারী।” 🌸
[বুখারী, মুসলিম, মিশকাত : ৩০৮৩]
রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ
“যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে,
রমজান মাসের রোজা রাখে,
নিজের লজ্জাস্থান হেফাজত করে
এবং স্বীয় স্বামীর আনুগত্য করে—
সে নিজের ইচ্ছানুযায়ী জান্নাতের যে কোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে।” 🌸
[আহমাদ, ১৫৯৩]
যে ব্যক্তি ৯টি জিনিস পরিত্যাগ করবে আল্লাহ তা'য়ালা তাকে ৯টি পুরষ্কার দান করবেন:
(১) যে ব্যক্তি বেগানা দৃষ্টিপাত বন্ধ করবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে খুশু দান করবেন।
(২) যে ব্যক্তি অহংকার পরিত্যাগ করবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে বিনয় ও নম্রতা দান করবেন।
(৩) যে ব্যক্তি অনর্থক কথাবার্তা পরিত্যাগ করবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে হিকমত দান করবেন।
(৪) যে ব্যক্তি প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার পরিত্যাগ করবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে ইবাদতের স্বাদ দান করবেন।
(৫) যে ব্যক্তি ঠাট্টা-বিদ্রুপ পরিত্যাগ করবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে সম্মান দান করবেন।
(৬) যে ব্যক্তি অধিক হাসাহাসি পরিত্যাগ করবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে বুদ্ধিমত্তা দান করবেন।
(৭) যে ব্যক্তি অন্যের সম্পদের লোেভ পরিত্যাগ করবে আল্লাহ তা'আলা তাকে মানুষের ভালোবাসা দান করবেন।
(৮) যে ব্যক্তি মানুষের দোষ ধরা বর্জন করবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে সংশোধনের তৌফিক দান করবেন।
(৯) যে ব্যক্তি আল্লাহর গুণসমূহের সন্দেহ পরিত্যাগ করবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে নিফাক সন্দেহ মুক্ত রাখবেন।
সময় নিয়ে জিকির গুলো করবেন অনেক ফজিলত পাবেন! (ইনশা'আল্লাহ)
১.সুবহানাল্লহ। (سُبْحَانَ اللّٰهِ)
২.আলহামদুলিল্লাহ। (اَلْحَمْدُ لِلَّهِ)
৩.লা ইলাহা ইল্লাল্লহ। (لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ)
৪.আল্লহু আকবার । (اَللّٰهُ أَكْبَرُ)
৫.আস্তাগফিরুল্লাহ । (أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ)
৬.আল্লহুম্মাগফিরলি। (اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي)
৭.ইয়া রব্বিগফিরলি। ( يَا رَبِّ اغْفِرْ لِي)
৮.আল্লহুম্মা আজিরনি মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ)
৯.লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
(لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ)
১০.লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জলিমীন।
(لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ)
১১.লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللّٰهِ ﷺ
১২.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযুবিকা মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ)
১৩.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আ'ফিয়াহ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ)
১৪. রব্বি ইন্নি জলামতু নাফসী ফাগফিরলি।
(رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي)
১৫.আল্লহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীর।
(اَللّٰهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا)
১৬.ইয়া মুক্বল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বলবী আ'লা দীনিক।
(يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ)
১৭.আসতাগফিরুল্ল-হাল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বইয়ুম ওয়াতুবু ইলাইহি।
(أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ)
১৮.আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদা-দ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ)
১৯.হাসবুনাল্লহ ওয়া নি'মাল ওয়াকিল।
(حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ)
২০.আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ সাঃ।
( اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ)
২১.আল্লহুম্মারযুকনি শাহাদাতাং ফি সাবিলিক, ওয়ায'আ'ল মাওতি ফি বালাদি রসুলিকা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।
(اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَاجْعَلْ
مَوْتِي فِي بَلَدِ رَسُولِكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)
২২.রব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিং ফাক্বির
সূরা আল-কাহফ | আয়াত ১–১০
📖 বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ
১
উচ্চারণ:
আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী আনযালা আলা আবদিহিল কিতাবা ওয়া লাম ইয়াজ‘আল লাহু ‘ইওয়াজা।
⸻
২
উচ্চারণ:
ক্বাইয়্যিমান লিইউনযিরা বা’সান শাদীদাম মিল লাদুনহু ওয়া ইউবাশশিরাল মু’মিনীনাল্লাযীনা ইয়ামালূনাস সালিহাতি আন্না লাহুম আজরান হাসানা।
⸻
৩
উচ্চারণ:
মাকিসীনা ফীহি আবাদা।
⸻
৪
উচ্চারণ:
ওয়া ইউণযিরাল্লাযীনা ক্বালুত তাকাযাল্লাহু ওয়ালাদা।
⸻
৫
উচ্চারণ:
মা লাহুম বিহি মিন ‘ইলমিও ওয়ালা লি-আবাইহিম, কাবুরাত কালিমাতান তাখরুজু মিন আফওয়াহিহিম, ইন ইয়াকূলূনা ইল্লা কাজিবা।
⸻
৬
উচ্চারণ:
ফালাআল্লাকা বাখি‘উন নাফসাকা আলা আছারিহিম ইন লাম ইউ’মিনূ বিহাযাল হাদীছি আসাফা।
⸻
৭
উচ্চারণ:
ইন্না জা‘আলনা মা ‘আলাল আরদি জীনাতাল লাহা লিনাবলুওয়াহুম আইয়্যুহুম আহসানু ‘আমালা।
⸻
৮
উচ্চারণ:
ওয়া ইন্না লাজা‘ইলূনা মা ‘আলাইহা সা‘ঈদান জুরুজা।
⸻
৯
উচ্চারণ:
আম হাসিবতা আন্না আসহাবাল কাহফি ওয়ার রাক্বীমি কানূ মিন আয়াতিনা ‘আজাবা।
⸻
১০
উচ্চারণ:
ইয আ-ওয়াল ফিতইয়াতু ইলাল কাহফি ফাক্বালূ রব্বানা আতিনা মিল লাদুনকা রাহমাতাও ওয়া হাইয়্যি লানা মিন আমরিনা রাশাদা।
"রাব্বিগ ফিরলি জুনুবি" (رَبِّ اغْفِرْ لِيْ ذُنُوْبِيْ) দোয়াটি মূলত মহান আল্লাহর কাছে নিজের গুনাহ বা পাপসমূহ থেকে ক্ষমা প্রার্থনার জন্য একটি শক্তিশালী ইসতেগফার।
এই দোয়ার বিশেষ কিছু ফজিলত নিচে তুলে ধরা হলো:
গুনাহ মাফ ও আল্লাহর সন্তুষ্টি: এটি পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা বান্দার ওপর অত্যন্ত খুশি হন এবং তার অতীতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।
রিজিকে বরকত: নিয়মিত এই দোয়া পাঠ করলে রিজিকে বরকত আসে এবং অভাব-অনটন দূর হয় ।
অনুগ্রহের দরজা উন্মোচন: হাদিস অনুযায়ী, এই দোয়া পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর বিশেষ রহমত ও অনুগ্রহের পথ সহজ হয়।
মানসিক প্রশান্তি: ক্ষমা প্রার্থনার এই জিকিরটি নিয়মিত করলে অন্তরে প্রশান্তি লাভ হয় এবং সকল বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
দোয়ার অর্থ: "হে আমার রব! আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন।"
দুরুদ পাঠের বিশেষ ফজিলত
হাদিস অনুযায়ী দুরুদ পাঠের রয়েছে অপার মহিমা:
১০ গুণ রহমত: যে ব্যক্তি একবার দুরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার ওপর ১০টি রহমত নাজিল করবেন এবং তার ১০টি গুনাহ মাফ করবেন।
সুপারিশ ওয়াজিব: বিশেষ কিছু দুরুদ পাঠ করলে কিয়ামতের দিন নবীজির (সা.) সুপারিশ বা শাফায়াত পাওয়া যায়।
দোয়া কবুল: যে কোনো দোয়ার শুরুতে ও শেষে দুরুদ পড়লে সেই দোয়া দ্রুত কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
"Ya Jalali wal Ikram" (یا ذو الجلال والإکرام)
মহান আল্লাহর একটি অত্যন্ত মহিমান্বিত নাম, যার অর্থ "মহিমা ও মহানুভবতার অধিকারী"।
এই দোয়াটি সম্পর্কে কিছু বিশেষ তথ্য:
রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ: নবী করীম (সা.) এই শব্দগুলো দিয়ে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করতে উৎসাহিত করেছেন । তিনি বলেছেন, "তোমরা ‘ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরামে’র মাধ্যমে আল্লাহকে আঁকড়ে ধরো"
১০০ বার-
"সুবহানাল্লাহি অবিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আযীম।’'
অর্থাৎ, , আমরা আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা সহকারে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করেছি, মহান আল্লাহ অতীব পবিত্র।”
18/02/2026
এটি একটি অত্যন্ত চমৎকার এবং শক্তিশালী দোয়া। নিচে এর উচ্চারণ এবং বাংলা অর্থ দেওয়া হলো:
আরবি দোয়া
«بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ»
বাংলা উচ্চারণ
বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামায়ি, ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।
বাংলা অর্থ
"আল্লাহর নামে (আমি এই দিন বা রাত শুরু করছি), যাঁর নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।"
এই দোয়ার গুরুত্ব ও ফজিলত
* বিপদ থেকে মুক্তি: হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার এই দোয়াটি পাঠ করবে, তাকে কোনো বিপদ বা অনিষ্ট স্পর্শ করতে পারবে না। (সুনানে আবু দাউদ ও তিরমিজি)
* নিরাপত্তা: এটি মূলত আল্লাহর কাছে সব ধরণের ক্ষতি ও বালা-মুসিবত থেকে আশ্রয় চাওয়ার একটি দোয়া
স্ত্রী যদি কোরআন তেলয়াত করে,
আল্লাহ তার স্বামীর রুজি রোজগারে বরকত বাড়িয়ে দেয়।
স্ত্রী যদি তসবিহ-তাহলিল, জিকির-আসগার করে,
আল্লাহপাক স্বামীকে ধনী বানিয়ে দেয়।
নবীজি বলেন, “স্ত্রীর কারণে আল্লাহ স্বামীর সম্পদ বাড়িয়ে দেন, স্ত্রীর কারণেই আল্লাহ স্বামীকে ফকির বানিয়ে দেয়।”
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sylhet
3191
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |