Bnp24.com
Only bnp news for everyone......
27/05/2026
দেশ-বিদেশের সকল মুসলিম উম্মাহ কে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ 🌙
Tarique Rahman
21/05/2026
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান পল্লবীতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে তিনি আজ এ নির্দেশনা দেন।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. রেজাউল করিম আজ এ তথ্য জানান।
ড. রেজাউল করিম আরো জানিয়েছেন, একইসঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেছেন আইনমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ শেষে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
19/05/2026
দেশে প্রথমবারের মতো সরকারি উদ্যোগে ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক ও হামের টিকা এবং সাপের কামড়ের প্রতিষেধক অ্যান্টিভেনম উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)।
সরকারের এমন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের টিকার চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রফতানির সুযোগও তৈরি হবে।
এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আঃ সামাদ মৃধা জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে কোম্পানিটি জরুরি ভিত্তিতে এ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। দেশের জনস্বাস্থ্যের বর্তমান চাহিদা বিবেচনায় ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক, সাপের কামড় ও হাম বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব রোগ প্রতিরোধে দেশে টিকা উৎপাদন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
দেশের বাজারে এসব টিকার ব্যাপক চাহিদা থাকায় এগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা এক বছরের মধ্যে এই চারটি টিকার উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি আগামী বছরের জুনের মধ্যে সরকারের কাছে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
#সবারআগেবাংলাদেশ #বিএনপির_সরকার #গণমানুষের_সরকার
#তারেকরহমান #বিএনপি
14/05/2026
এক ফ্রেমে এদেশের তিন রাষ্ট্রপ্রধান!
-( বিচিত্রা (১৯৮১)।
Tarique Rahman
Begum Khaleda Zia
14/05/2026
১৯৮৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তি হতে গিয়ে এসএসসি-এইচএসসির কাগজপত্র হারিয়ে ফেলেছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষের আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ওই দিন তার কাগজপত্র কুড়িয়ে পেয়েছিলেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র মো. শাহ ওয়ালী উল্লাহ।
বুধবার (১৩ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই ঘটনার স্মৃতিচারণ করে এসব তথ্য জানিয়েছেন ওয়ালী উল্লাহ। তিনি বর্তমানে নোয়াখালীর হাতিয়া কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান।
‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির দিনে আমার সাথে সংঘটিত ঘটনার স্মৃতিচারণ’ শিরোনামে তিনি লিখেছেন, ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাবিতে অনার্সে ভর্তি হওয়ার জন্য ১৯৮৬ সালের জুনের শেষের দিকে কলা ভবনের নিচে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করা অবস্থায় ডিনের কক্ষের সামনে হঠাৎ কিছু কাগজপত্র পাই। কুড়িয়ে নিয়ে দেখি ভর্তি প্রার্থীর এসএসসি এবং এইচএসসির মূল মার্কশিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি। পড়ে দেখি নাম তারেক রহমান এবং পিতা জিয়াউর রহমান। তখনো আমি কোনভাবেই বুঝতে পারি নাই এগুলো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমানের কাগজপত্র।তিনি লিখেছেন, কিছুক্ষণ পরে দেখলাম একজন হালকা-পাতলা সুন্দর ১৮ বছরের যুবক তার হারানো ফাইল খুঁজতে ব্যস্ত। এমতাবস্থায় আমি ফাইলটি এগিয়ে দিলে স্বানন্দে আমার থেকে গ্রহণ করেন এবং আমাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তখনই তার চেহারার সাথে মিল পেলাম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে।
শাহ ওয়ালী উল্লাহ আরও লিখেছেন, আমাদের ভাইবা বোর্ডে ছিলেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আব্দুল মোমেন চৌধুরী, যিনি ইতিহাস বিভাগের একজন প্রভাবশালী সুযোগ্য প্রফেসর ছিলেন। ডিন হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করতে দেখেছি। এরশাদের শাসনামলে প্রতিনিয়ত মিছিল-মিটিং, আন্দোলন-সংগ্রাম চলত। আমরা ৪ জন ভিসি স্যারকে পেয়েছিলাম— প্রফেসর ড. শামছল হক, প্রফেসর ড. আব্দুল মান্নান, প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান মিয়া ও প্রফেসর ড. এমাজ উদ্দিন স্যার। ডাকসুর ভোট দুইবার পেয়েছিলাম— সুলতান-মোস্তাক পরিষদ ও আমান-খোকন পরিষদ।স্মৃতিচারণ করে তিনি লিখেছেন, মহসিন হলে ছাত্রনেতা বাবলু হত্যা, জিয়া হলের সামনে বেগম খালেদা জিয়ার মিটিং চলাকালীন খবর আসলো পাগলা শহীদ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। তাৎক্ষণিক বেগম খালেদা জিয়া আমাদের সামনে দিয়ে সভার স্থান ত্যাগ করেন। তখন এ রকম ঘটনা ছিল সচরাচর। ফলে তারেক জিয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করা খুবই কঠিন ছিল। আমান উল্লাহ আমান (ভিপি), আজকের অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল কবি জসিম উদ্দিন হলের ৩২৯ নম্বর রুমে থাকতেন। মরহুম ইলিয়াস আলী প্রায় আমার রুমমেট ওসমান গণির (সাব রেজিস্টার) সিটে থাকতেন। এসব আজ স্মৃতি।
তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা নিয়ে অপপ্রচার রয়েছে জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ৫ আগস্টের কয়েক মাস আগে আমার কলেজে গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হাতিয়া আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের সেক্রেটারি এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহোদয় কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে অনেকের সামনে বলেছিলেন তারেক জিয়া ইন্টার শেষ করতে পারেনি। তার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখা হাস্যকর ছাড়া
আর কিছুই নয়। ঐ মুহুর্তে এমন কথার প্রতিবাদ ছিল বড্ড বেমানান ও অপরাধ। তবু নিজকে সংবরণ করতে না পেরে বলেছিলাম তারেক জিয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ইতিহাস। যা পরবর্তীতে ভাইরা ভাই মাওলানা খসরুর ছেলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক কারিমুল হাই নাইমসহ বিশ্বস্ত অনেকের কাছে বিষয়টি বলেছিলাম।
তিনি লিখেছেন, তারেক জিয়া ঢাবিতে ভর্তি হয়েছিল। বাট অনার্স শেষ করেছে কিনা জানা নেই। জনাব তারেক জিয়া আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই ঘটনা ওনার স্মরণে আছে কিনা জানি না। আশা করি আমার এই স্মৃতিচারণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সম্পর্কে পাঠকের কিছু তথ্য পেতে সহায়ক হবে।
Tarique Rahman Bangladesh Nationalist Party-BNP
06/05/2026
স্যালুট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
01/05/2026
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর বাণী
'আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস'। মহান 'মে দিবস'। মে দিবসে এ বছরের প্রতিপাদ্য 'সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত'। এই প্রতিপাদ্যের অন্তর্নিহিত প্রেরণাকে ধারণ করেই বিশ্বের সকল দেশের সাথে বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস।
'মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস ২০২৬' উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষের প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজকের এই দিনে আমি দেশে-বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশের সকল শ্রমজীবী-কর্মজীবী ভাই বোন যারা জীবন-জীবিকার জন্য, সর্বোপরি দেশের উন্নয়নের জন্য, কর্মে নিয়োজিত রয়েছেন তাদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
১৮৮৬ সালের মে মাসে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসসহ শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে গিয়ে আমেরিকার শিকাগো শহরের 'হে মার্কেটে' যারা জীবন দিয়েছেন এবং সেই থেকে আজ পর্যন্ত বিশ্বের দেশে দেশে শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষ যারা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় হতাহত হয়েছেন আমি তাদের প্রত্যেককে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।
শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষই যেকোনো দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি আর অগ্রযাত্রার প্রধান অবলম্বন। শ্রমিকের নিরলস পরিশ্রমেই গড়ে ওঠে শিল্প, কৃষি, অবকাঠামো ও সমৃদ্ধ অর্থনীতি। সুতরাং তাদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানতম অঙ্গীকার। আমি মনে করি, শ্রমবান্ধব নীতি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব।
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন শ্রমিকের দুটো হাত রাষ্ট্র এবং সমাজের সমৃদ্ধি এবং উন্নয়নের চাবিকাঠি। শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষের কল্যাণের কথা ভেবেই শহিদ জিয়া নানা যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর প্রবর্তিত নীতি ও সংস্কার শ্রমিক কল্যাণের ভিতকে শক্তিশালী করেছে। বিদেশে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে, শ্রমবাজার তৈরি করেছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই প্রবাসী শ্রমিকরা বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি।
বিএনপি সরকার যতবার ক্ষমতায় এসেছে, শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষের কল্যাণে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। দেশে শ্রম আইন সংস্কার ও আধুনিকীকরণ, বেতন ও মজুরি কমিশন গঠন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, বাস্তবায়ন ও তাদের বোনাস প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের সন্তানদের চিকিৎসা ও তাদের লেখাপড়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের শ্রমিক সমাজের ভাগ্যোন্নয়নে যথাযথ কর্মসূচি বিএনপি সরকারই গ্রহণ করেছিল। আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক রয়েছে পোশাক শিল্পে। এই শিল্পে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয়। পোশাক শ্রমিকদের কল্যাণে দেশ আজ ক্রমবর্ধমান অগ্রগতির দিকে ধাবিত হচ্ছে।
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের ধারাবাহিকতায় শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার সমুন্নত রাখা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের দায়িত্ব এবং অগ্রাধিকার।
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর মোট ৩৯টি কনভেনশন এবং একটি প্রোটোকল অনুস্বাক্ষর করেছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সঙ্গে নিবিড় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার বদ্ধপরিকর। বর্তমান সরকার শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই লক্ষ্যেই বিগত ঈদুল ফিতরে দেশের সকল শ্রমিকের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধাদি সময়মতো পরিশোধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বর্তমান সরকার। ভবিষ্যতেও একইধারা অব্যাহত রাখতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার সচেষ্ট। নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা করে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিত করতেও সরকার বদ্ধপরিকর। প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাসহ নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার 'প্রবাসী কার্ড' চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।
আমি বিশ্বাস করি শ্রমিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত হলেই সমৃদ্ধ স্বনির্ভর গণতান্ত্রিক মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা কাঙ্খিত বাংলাদেশ গঠনে সক্ষম হবো, ইনশাআল্লাহ।
আমি 'মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস ২০২৬' উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
22/04/2026
সব দেয়ালে লেইখা দে
গুপ্ত দেখলে থুথু দে,,,,
13/04/2026
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেন:-
বাণী
বিদায় ১৪৩২। স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। পহেলা বৈশাখ - বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। এ উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি আমাদের জীবনে প্রতি বছর ফিরে আসে নতুনের আহ্বান নিয়ে। নতুন বছরের আগমনে পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।
পহেলা বৈশাখের সঙ্গে আমাদের এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সম্পর্ক নিবিড়। তথ্যপ্রযুক্তির এই সুবর্ণ সময়েও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কৃষক তাঁর ফসল উৎপাদনের দিনক্ষণ ঠিক করে। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়। বৈশাখী মেলা, বৈশাখী শোভাযাত্রা, হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরে এবং আমাদেরকে ঐক্যবোধে উজ্জীবিত করে। বাংলা নববর্ষ আমাদের সামনে এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির নবজাগরণ আর মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলেমিশে সৃষ্টি করে এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ।
দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে যাত্রা শুরু করে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার। দায়িত্ব নিয়েই এই সরকার রাষ্ট্র এবং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবন মানোন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু, ইমাম-মুয়াজ্জিন-খতিব এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। কৃষক, কৃষি এবং কৃষি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হলো কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি। আগামী দিনগুলোতে এই কৃষক কার্ড বাংলাদেশের কৃষক এবং কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে, বাংলা নববর্ষে এটিই হোক আমাদের প্রত্যয় ও প্রত্যাশা।
আমি আশা করি, বাংলাদেশের জনগণের যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। বিশ্ব আজ নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত। এই প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।
নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি - এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি।
নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। দেশবাসীকে আবারও জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sylhet