Valobasa.com
পেজটি সাজানো হয়েছে ভালোবাসার কিছু স?
Pagol Hasan #
27/03/2025
নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের মতো।
হাত লাগলেই শেষ। সেটা স্বামীর হাত হোক বা অন্য কোন পুরুষের। এই হাত লাগা মানে শুধুই শারীরিক স্পর্শ না, একজন পুরুষের সঙ্গতায় ও নারীর লজ্জা কেটে যায়।
যে মেয়ে যত বেশি পুরুষের সংস্পর্শে যাবে, তার লজ্জা তত কমবে। যেমন চিত্র নায়িকারা, ওরা শুধু ব্রা-পেন্টি পরে অর্ধনগ্ন দেহ নিয়েও পুরুষের সামনে ঘুরতে দ্বিধা করে না। কারন- পুরুষের মাঝ থেকে চক্ষু লজ্জা উঠে গেছে তাদের। অথচ কনজারভেটিভ ফ্যামিলির একটা মেয়েকে ওড়না ছাড়া দাঁড়াতে বললেও সে লজ্জায় মরে যাবে।
আর ইদানীং ফেসবুক এই লজ্জা নিবারণের বড় মূখ্য ভূমিকা পালন করছে।
উদাহরণঃ
ফেসবুকে বন্ধু বেশি। আর অতি আধুনিক মেয়েরা ছেলে বন্ধুদেরর সঙ্গে পিরিয়ড নিয়ে কথা বলে। ফ্ল্যার্ট করতে গিয়ে শরীর নিয়ে নগ্ন কথা বলে।
আর মাইন্ড করলে বলে ''জাস্ট কিডিং, টেক ইট ইজি"।
এই ইজিলি নিতে নিতে সেসব অশালীন বিষয় আর
অশালীন লাগে না। মানে লজ্জা শেষ!
আবার এখন ফেসবুকে প্রেমিক বেশি! কেউ প্রেমে পড়েছে তো প্রেমিক রোমান্সের ছলে অশ্লীল কথা বলে।
একদম স্বামীর মতো। এরপর ব্রেকআপ হয়। আবারও কারও প্রেমে পড়ে। আর আবারও চুম্মা-চাটি আরও কত কী করে! অতঃপর আবারও ব্রেকাপ! তখন লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে মেয়েটা এক সময় নির্লজ্জ হয়ে যায়। অশ্লীল প্রেম নারীর লজ্জাশীলতাকে গ্রাস করে ,
ফলে- নির্দিষ্ট একজন পুরুষের প্রতি আকর্ষণটা বিলীন হয়ে যায়।
জাগে বহু পুরুষের স্বান্নিধ্য পাওয়ার ইচ্ছা।
একজন নারীর কাছে পুরুষের উপস্থিতি হচ্ছে ইয়াবার মত। প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে। পরে ২০-২৫টা খেলেও কাজ হয় না। ব্যাস!
এক সময় পুরুষের প্রতি তার আর ফিলিংস কাজ করে না। প্রেমিকের ভালোবাসা তার কাছে পানসে লাগে। একটার পর একটা পুরুষ বদল করে। কিন্তু স্থির হতে পারে না কোনোটাতেই। জানা-শোনা শেষ হলেই আর ভালো লাগে না কাউকে। বোরিং লাগে। কারণ, ডিফারেন্ট টেস্ট নিতে নিতেই তার ভালোবাসার অনুভূতিই শেষ। তখন বর্তমান হয়ে যায় এক্স। তারপর আবারও খোঁজা শুরু নতুন মুখ, নতুন প্রেমিক।
আগে মুরব্বীরা বলতেন, বিয়ের পরে মেয়েদের লজ্জা
কমে। বাচ্চা হওয়ার পরে আরও কমে যায়। তখন আমি বুঝতাম না। ভাবতাম লজ্জা 'ফোঁড়ার' মতো কিছু।
বিয়ের পরে গলে যায়।
কিন্তু এখন বুঝি। আগে মেয়েদের কাছে স্বামীই ছিল পুরুষ। তাই বিয়ের পরের কথা এসেছে। এখন বিয়ে লাগে না, পুরুষের কাছে আসতে ফেসবুক হলেই চলে। এখন ফেসবুক-ই সেই স্বামীর ভূমিকা পালন করে।
যাইহোক, সবশেষে নারীদের মাথায় রাখা উচিতঃ
এভাবে বাসা বদলের মতো প্রেমিক বদলের খেলাটা
নিজেকে খুবই সহজলভ্য করে দেয়। আর যে জিনিস সহজে পাওয়া যায় তার কদর থাকে না। সৃষ্টি কর্তা কে ভয় করে এই সব অনৈতিক কাজ থেকে বেরিয়ে আসুন
লেখাটি না বুঝলে আরেকবার পড়ুন। তবুও না বুঝলে মাথা খাটিয়ে একটু ভাবুন, তারপর মন্তব্য করুন।
বিঃদ্রঃ কথালগুলো নারীদের উদ্দেশ্য হলেও, নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই শিক্ষণীয়. Post
23/02/2024
বিয়ের পর প্রথম বাবা'র বাড়ি আসলাম।আমার রুমে ঢুকতে গিয়েই হতভম্ব!ঘর ভর্তি ভাইয়ার জিনিসপত্র!
মা'কে গিয়ে বললাম " মা,আমার রুমে ভাইয়া থাকে? "
মা স্বাভাবিক স্বরে বললো " হ্যা "
" কেন? "
" কেন মানে? থাকলে কি সমস্যা? "
" না মানে ভাইয়ার রুম তো ছিলোই,আমার রুমটা কেন নিতে হবে? "
" ধুর পাগলি মেয়ে,বাবার বাড়িতে মেয়েদের নিজস্ব বলতে কিছু থাকে নাকি?স্বামীর সংসারই এখন তোর সংসার।ওটাই তোর বাড়ি "
মনের তীব্র ব্যথা চেপে রেখে বললাম " সে যাই হোক,এখানে যখন আসবো,থাকবো কোথায়? "
" তুই এখন অতিথির মতো।আসবি দুইদিন হেসেখেলে থাকবি তারপর চলে যাবি।গেস্টরুমটা তো আছেই পড়ে।আর নইলে তোর ভাইয়ার রুমে থাকবি,এক যায়গায় থাকলেই হয়।তোর ভাইয়া বাজারে গেছে।ও আসলে গেস্ট রুম খুলে দিবে "
মাকে আর কিছু বললাম না।বিয়ের ৮ দিনের মাথায় আমার রুমটা এখন পুরোপুরি ভাইয়ার রুম হয়ে গেছে।এখন আমি তাহলে এই বাড়ির কেউ না?বাড়ির রাজকন্যা থেকে অতিথি হয়ে গেলাম?এতোদিন যে বাড়িটাকে নিজের বাড়ি বলে দাবি করতাম সে বাড়িতে আসলে এখন আমায় গেস্ট রুমে থাকতে হবে!নীরবে কাঁদছি।এ কান্নার অর্থ শুধু মেয়েরাই বুঝবে,আর কেউ না,কেউ না।
গল্প :--অতিথি
সিলেটের জনপ্রিয় নাট্যকার কাট্টুশআলী এন্ড জেড ইসলাম
Click here to claim your Sponsored Listing.