AroraArt_bd
handcraft resin art gifts that inspire. join our artful journey. #AroraArt
09/09/2025
Life thodi hard he,
Exam session
কেমন ছিলেন প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) 🌸
১. তিনি দীর্ঘ সময় নিরব থাকতেন
২. তিনি কম হাসতেন।
৩. তিনি মুচকি হাসতেন, হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো।
৪. তিনি অট্টহাসি হাসতেন না।
৫. তিনি তাহাজ্জুদ নামায ত্যাগ করতেন না।
৬. তিনি দৈনিক শতবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।
৭. তিনি কখনোই প্রতিশোধ নিতেন না।
৮. তিনি যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া কাউকে আঘাত করেননি।
৯. তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাঁড়িয়ে পড়তেন।
১০. তিনি অসুস্থ হলে বসে নামায পড়তেন।
১১. তিনি শিশুদের সালাম দিতেন।
১২. তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন।
১৩. তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন।
১৪. তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরণ করতেন।
১৫. তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন।
১৬. তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন।
১৭. তিনি মিথ্যাকে সর্বাধিক ঘৃণা করতেন।
১৮. তিনি উপহার গ্রহণ করতেন।
১৯. তিনি সাদকাহ (দান) করতেন।
২০. তিনি সবসময় আল্লাহকে স্মরণ করতেন।
২১. তিনি আল্লাহকে সবসময় ভয় করতেন।
২২. হাতে যা আসতো তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।
২৩. কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা না পর্যন্ত তিনি উঠতেন না।
২৪. বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
২৫. কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে বলতেন যাতে শ্রবণকারী সহজেই বুঝে নিতে পারে।
২৬. কথা, কাজ ও লেনদেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না।
২৭. নম্রতাকে পছন্দ করতেন।
২৮. তার নিকট আগত ব্যক্তিদের অবহেলা করতেন না।
২৯. কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না।
৩০. শরীয়ত বিরোধী কথা হলে তা থেকে বিরত থাকতেন বা সেখান থেকে উঠে যেতেন।
৩১. আল্লাহ তা'য়ালা প্রতিটি নিয়ামতকে কদর করতেন।
৩২. খাদ্যদ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে খেতেন, না হয় বাদ দিতেন।
৩৩. ক্ষমাকে পছন্দ করতেন।
৩৪. সর্বদা ধৈর্য্য ধারণ করতেন।
রাসূল (সাঃ) এর গুণাবলি বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। ইয়া আল্লাহ আপনি আমাদেরকে নবী (সাঃ) এর চরিত্রে চরিত্রবান হওয়ার তৌফিক দান করো।
🤲আমিন🤲
বাসের মধ্যে একটা লোক মহিলা সিটে বসে আছে! এ সময় একজন মহিলা বাসে উঠল। হেল্পার এসে বলল, "ভাই আপনি মহিলা সিটে বসে আছেন কেন?"
লোকটা একটু বিরক্ত হয়ে বলল," আমি নিজেকে মহিলা মনে করি!"
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মোটা একজন লোক মহিলা সিটে বসে থাকা লোকটার পায়ের ওপরে বসে পড়ল!
লোকটা চিৎকার করে উঠল," আরে আপনি আমার ওপরে বসে পড়লেন কেন!"
লোকটা বলল, "আমি নিজেকে বাচ্চা মনে করি!"
©️
Sir, আমার বেতন বাড়ান 😒
Boss : সম্ভব না 😢
- তাহলে আগামীকাল থেকে আমাকে বিকাল ৫ টার পর ছুটি দিতে হবে!😒
Boss : কেন?🤔
- আমি সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাতে, অটো রিকশা চালাবো।🙂
কারণ, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে এই বেতন দিয়ে সংসার চালানো খুবই কষ্টকর।😰
Boss : Okey, তবে অটো চালাতে চালাতে মধ্যরাতে যদি তুমি ক্ষুধার্ত হয়ে যাও,😞
কমলাপুর রেলস্টেশনের
দক্ষিন পাশে আইসো!😊
- কেন?🤔
Boss : মধ্যরাতে আমি ঐখানে পরটা-ভাজি বিক্রি করি.!🙂
©
আমার নাম শরীফ৷
ছোটকাল থেকে আমি জানতাম, আমি দরিদ্র। আমার পাড়া প্রতিবেশী, আশেপাশের মানুষ সবাই জানতো আমি গরীব।
কিছুটা বড় হওয়ার পর আমি বুঝতে পারলাম, আমার শরীরটা গরীব হলে ও মনে মনে আমি আসলে বড়লোক। আমার ও বড়লোকের মতো কোট টাই পড়তে, নামী দামী গাড়িতে চড়তে, নামীদামী হোটেলে খেতে ইচ্ছা করতো। বড়লোকদের মতো বনসন সিগারেটে টান দিয়ে আশেপাশে ধোঁয়া ছাড়তে ভাল লাগতো।
একদিন বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে গুরুমার কাছে আশ্রয় নিলাম। দেখলাম এখানে আমার মতো আরো অনেক "মনে মনে বড়লোক" আশ্রয় নিয়েছে। তারা আমার সাথে খুব ভাল ব্যবহার করলো। তারা ও সবাই দরিদ্র পরিবার থেকে এসেছে। গুরুমা আমাদের হাতে টেবলেটের মতো লাল লাল কি সব জিনিস ধরিয়ে দিয়ে বলেছিল, এগুলো বিক্রি করলেই বড়লোক হয়ে যাবি। এখন আমার নাম #বাবা_শরীফ।
©️~সাদিক চৌধুরী
23/01/2024
নেকাব খোলা লাগবে, এ কারণে সেমিস্টার ফাইনালের ভাইভায় অংশ নেননি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক শিক্ষার্থী
©️
18/01/2024
ঢাকার সবচেয়ে বড় লোক পরিবারের ছেলে মাগফার উদ্দিন চৌধুরী আজাদ। তখনকার দিনে এলভিস প্রিসলির গান শোনার জন্য এক ধাক্কায় ১০০০ টাকার রেকর্ড কিনে আনতো।
তাঁদের বাড়িতে হরিণ ছিল, সরোবরে সাঁতার কাটত ধবল রাজহাঁস, মশলার বাগান থেকে ভেসে আসত দারুচিনির গন্ধ। (ডাকে পাখি খোলো আঁখি, এই গানটার শুটিং হয়েছিল তাদের বাড়িতে)।
আজাদ ক্লাস সিক্সে পড়ে, সেন্ট গ্রেগরি। ১৯৬০ এর দশক। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করবেন। আজাদের মা বললেন, তুমি বিয়ে করবে না, যদি করো, আমি একমাত্র ছেলে আজাদকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাব। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করলে আজাদের মা সাফিয়া তার বালকপুতের হাত ধরে ওই রাজপ্রাসাদ পরিত্যাগ করেন এবং একটা পর্ণকুটীরে আশ্রয় নেন। ছেলেকে লেখাপড়া শেখান।
আজাদ ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাস করে।
তাঁর বন্ধুরা যোগ দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধে, ফিরে এসেছে আগরতলা থেকে, ট্রেনিং নিয়ে। তার ঢাকায় গেরিলা অপারেশন করে। বন্ধুরা আজাদকে বলল, চল, আমাদের সাথে, অপারেশন করবি। তুই তো বন্দুক পিস্তল চালাতে জানিস। তোর আব্বার তো বন্দুক আছে, পিস্তল আছে, তুই সেগুলো দিয়ে অনেকবার শিকার করেছিস।
আজাদ বলল, এই জগতে মা ছাড়া আমার কেউ নেই, আর মায়েরও আমি ছাড়া আর কেউ নেই। মা অনুমতি দিলেই কেবল আমি যুদ্ধে যেতে পারি।
মাকে আজাদ বলল, মা, আমি কি যুদ্ধে যেতে পারি?
মা বললেন, নিশ্চয়ই, তোমাকে আমার প্রয়োজনের জন্য মানুষ করিনি, দেশ ও দশের জন্যই তোমাকে মানুষ করা হয়েছে।
আজাদ যুদ্ধে গেল। দুটো অপারেশনে অংশ নিল। তাদের বাড়িতে অস্ত্র লুকিয়ে রাখা হলো। গেরিলারা আশ্রয় নিল।
১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট। ধরা পড়ে ক্র্যাক প্লাটুনের একদল সাহসী মুক্তিযোদ্ধা। সেসময় আজাদকেও আটক করা হয়। তাকে ধরে নিয়ে রাখা হলো রমনা থানা সংলগ্ন ড্রাম ফ্যাক্টরি সংলগ্ন এম.পি হোস্টেলের মিলিটারি টর্চার সেলে।
গরাদের ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা আজাদকে তাঁর মা চিনতে পারেন না। প্রচণ্ড মারের চোটে চোখমুখ ফুলে গেছে, ঠোঁট কেটে ঝুলছে, ভুরুর কাছটা কেটে গভীর গর্ত হয়ে গেছে।
–“মা, কি করব? এরা তো খুব মারে। স্বীকার করতে বলে সব। সবার নাম বলতে বলে।“
–“বাবা, তুমি কারোর নাম বলোনি তো?
–না মা, বলি নাই। কিন্তু ভয় লাগে, যদি আরও মারে, যদি বলে দেই…!
–বাবারে, যখন মারবে, তুমি শক্ত হয়ে থেকো। সহ্য করো। কারো নাম বলো না।
–আচ্ছা মা। ভাত খেতে ইচ্ছে করে। দুইদিন ভাত খাই না। কালকে ভাত দিয়েছিল, আমি ভাগে পাই নাই।
–আচ্ছা, কালকে যখন আসব, তোমার জন্য ভাত নিয়ে আসব।
সাফিয়া বেগমের ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গায়ে হাত তোলা তো দূরে থাক, ছেলের গায়ে একটা ফুলের টোকা লাগতে দেননি কোনোদিন। সেই ছেলেকে ওরা এভাবে মেরেছে… এভাবে…
মুরগির মাংস, ভাত, আলুভর্তা আর বেগুনভাজি টিফিন ক্যারিয়ারে ভরে পরদিন সারারাত রমনা থানায় দাড়িয়ে থাকেন সাফিয়া বেগম, কিন্তু আজাদকে আর দেখতে পাননি। তেজগাঁও থানা, এমপি হোস্টেল, ক্যান্টনমেন্ট-সব জায়গায় খুজলেন, হাতে তখন টিফিন ক্যারিয়ার ধরা, কিন্তু আজাদকে আর খুঁজে পেলেন না।
ছেলে একবেলা ভাত খেতে চেয়েছিলেন। মা পারেননি ছেলের মুখে ভাত তুলে দিতে। সেই কষ্ট-যাতনা থেকে পুরো ১৪টি বছর ভাত মুখে তুলেন নি মা! তিনি অপেক্ষায় ছিলেন ১৪ টা বছর ছেলেকে ভাত খাওয়াবেন বলে। বিশ্বাস ছিলো তাঁর আজাদ ফিরবে। ছেলের অপেক্ষায় শুধু ভাতই নয়, ১৪বছর তিনি কোন বিছানায় শোন নি।
শনের মেঝেতে শুয়েছেন শীত গ্রীষ্ম কোন কিছুতেই তিনি পাল্টান নি তার এই পাষাণ শয্যা। আর এর মুল কারণ আজাদ রমনা থানায় আটককালে বিছানা পায় নি।
প্রজন্ম কিংবদন্তি আজাদদের চিনেনা, চিনে হলিউডের অ্যাকশন চলচিত্রের হিরো দের। তাইতো আজো শহীদের মাটিতে পাকিস্তানের প্রতি প্রেম উথলে উঠে বারেবারে।
শুভ জন্মদিন শহীদ মাগফার উদ্দিন চৌধুরী আজাদ।
আজ আজাদের জন্মদিন। বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো শহীদ মাগফার উদ্দিন চৌধুরী আজাদের প্রতি। ♥
kfc American brand, i fully agree, but kfc r owner YUM brands isreal er onk startup e invest korese, yum brand er arekta company pizza hut teke free pizza dewa hoyeche Israeli solders ke. not only that, tara fund diyeche Israel army ke, shelter shoho nana kajer jonno.
is not about muslim or hindu, its about humanity,
manobotar kati re amader kfc boycott kora uchit.
kisu public ase, jara boltase sylhet e international restaurants ashle amader e lab and bolse amra updated hote partesi na, bhai malaysiar moton desh e kfc, burger king shoho koto international restaurants ke lokko lokko taka loss kaise. amne amne kai nai malaysiar manush der moddeh humanity ache. they sacrificed yummy food to support Palestine.
Click here to claim your Sponsored Listing.