Learning Zone

Learning Zone

Share

it’s very initiative programme for remote teaching

30/07/2025

Good job! – সাবাশ!
✪ So what? – তাতে কি?
✪ Oh, no! - এ হতে পারেনা!
✪ As if - যেন, কি যে হতো
✪ My goodness! - একি!
✪ Carry on - চালিয়ে যাও
✪ Wow - বাহ, দারুন তো
✪ How come - কি ব্যাপার?
✪ What a mess! - কি এক ঝামেলা!
✪ Oh s**t - ধ্যাত্তেরি
✪ Yes, go on - হ্যা, বলতে থাক
✪ Damn it! - চুলায় যাক!
✪ Definitely – অবশ্যই
✪ Let it pass - ছেড়ে দিন।
✪ Oh dear! - বলো কী!
✪ Hi guys - হ্যালো বন্ধুরা
✪ Obviously – স্পষ্টত, সম্ভবত
✪ I’m off - আমি গেলাম।
✪ What a surprise!- হটাৎ যে!
✪ Go to the devil! – গোল্লায় যাক!
✪ What about you? – তোমার খবর কি?
✪ What’s up - কি খবর?
✪ Pay attention! - মনোযোগ দিন!
✪ It’s your turn - এবার তোমার পালা
✪ I'm at a loss - কি বলব ভেবে পাচ্ছিনা!
✪ Heiya! It is you I see - আরে তুমি যে!
✪ Oh! come on - আহ! একটু বুঝতে চেষ্টা করো
✪ so so - মোটামোটি
✪ So be it - তবে তাই হোক
✪ Who cares! – কার কি যায় আসে!
✪ Excuse me - এই যে শুনুন
✪ Not a bit - একটুও না
✪ That’s fantastic - এটা সত্যি চমৎকার
✪ Next to nothing - বলতে গেলে কিছুই না
✪ Mind your language - ভাষা সংযত করো
✪ Come to the point – আসল কথা বল
✪ That's right - ঠিক বলেছেন
✪ To be frank - খোলাখুলি ভাবে বলতে গেলে।
✪ Really pleased - সত্যি আনন্দিত
✪ I am delighted- আমি আনন্দিত ।
✪ So kind of you! - আপনার দয়া।
✪ Anybody home? - বাড়িতে কেউ আছেন?
✪ Keep quiet - চুপ কর
✪ No entrance - প্রবেশ নিষেধ
✪ It’s enough - যথেষ্ট হয়েছ
✪ What happened - কি হয়েছে
✪ What an idea! - কি বুদ্ধি!
✪ Well done - সাবাশ
✪ Indeed! - সত্যি!
✪ How peaceful! - কি শান্ত!
✪ Get lost - বিদায় হোন।
✪ Let me see - আমাকে দেখতে দাও
✪ Oh sure - ও নিশ্চয়ই
✪ Who knows! – কে জানে!
✪ Bulls**t! – বাজে কথা
✪ But who cares! - কে ধারধারে!
✪ No more buts - আর কোন কিন্তু নয়
✪ How so – তা কি করে হয়?
✪ I think so - আমি তাই মনে করি
✪ Calm down - শান্ত হও
✪ Let’s have a look - চল দেখি
✪ Let’s run away - চলো এক্ষুনি পালাই
✪ I am getting wet - আমি ভিজে যাচ্ছি
✪ I don’t care! – আমার কিছু যায় আসেনা!
✪ How else – আর কিভাবে?
✪ Little by little – ক্রমান্বয়ে।
✪ Is it so! - তাই নাকি!
✪ Have a good day - ভাল একটি দিন কাটাও।

পড়া শেষ হলে thanks লিখুন

10/07/2025

What an outstanding performance!!

゚viralシfypシ゚viralシ

04/07/2025

এটাই বাংলাদেশ 🇧🇩🇧🇩 !!

বিসিএস দিয়ে কাস্টমসে চাকরি পাইছিলো এক ভাই। বেতন ৩৮ হাজার টাকা। ভাইরে জিগাইলাম, এত কম বেতনে সংসার চলব ?
ভাই কইছিলো,তিন বছর কষ্ট কইরা এই চাকরি পাইছি। কষ্টের টাকায় বরকত আছে।

এক বছর পর আজকে হঠাৎ ভাইর সাথে দেখা। গল্প শুনাইলো ঢাকায় ফ্ল্যাট কিনছে,গাড়ি কিনছে। আবার নাকি প্লট দেখতাছে। জিগাইলাম ভাই, ৩৮ হাজার টাকা বেতনে এত কিছু কেমনে কি ?
ভাই সিনা টান কইরা বলল, কইছিলাম না কষ্টের টাকা।চাকরিটায় বরকত আছে।বেতনও নাকি তোলা লাগে না। বরকত ভরপুর।।
(c)

31/05/2025

Money is the root of all happiness and unhappiness...

31/05/2025

চুল*কানি বা স্ক্যাবিস থেকে মুক্তি পেতে ভালো ভাবে পোস্টটি পড়ুন।
স্ক্যাবিস এখন মহা*মারি আকার ধারন করেছে, সচেতন হবার অনুরোধ। 🙏
স্ক্যাবিস (Scabies) একটি তীব্র চর্মরোগ, যা Sarcoptes scabiei নামক এক ধরনের ক্ষুদ্র পরজীবী মাইট (mite) দ্বারা হয়। এটি খুবই সংক্রামক এবং চুলকানির মাধ্যমে এর প্রধান উপসর্গ প্রকাশ পায়।

স্ক্যাবিসের ভয়াবহতা:😰

1. চরম চুলকানি: বিশেষ করে রাতে বেশি হয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অনেক বাচ্চারা চুলকাতে চুলকাতে ঘুম ভেঙে যায়, যন্ত্র*নায় কান্নাকাটি করে।

2. চামড়ায় ফুসকুড়ি ও ক্ষত: ঘর্ষণ এবং চুলকানোর ফলে চামড়ায় ঘা ও ইনফেকশন হতে পারে। পুঁ*জ জমে যায়।

3. পরিবারে দ্রুত ছড়ায়: সংস্পর্শে এলে পুরো পরিবার আক্রান্ত হতে পারে। মা*রাত্মক ছোঁয়াচে রোগ এটি।

4. দীর্ঘমেয়াদে হলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন: ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, সেলুলাইটিস, এমনকি কিডনি সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে শিশুদের ক্ষেত্রে। তাই সচেতনতা ভীষন ভাবে প্রয়োজন।

5. মানসিক অস্বস্তি: অতিরিক্ত চুলকানি ও অস্বস্তির কারণে মানসিক চাপ ও অস্থিরতা তৈরি হয়।

স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়:🤷‍♀️

১. চিকিৎসা:💁‍♀️

পারমেথ্রিন (Permethrin) ৫% ক্রিম: এটি সবচেয়ে কার্যকর। শরীরের গলা থেকে পা পর্যন্ত মেখে রাতভর রেখে সকালে (১০-১২ঘন্টা) ধুয়ে ফেলতে হয়। এই নিয়মে একটু ভু*ল হলে কোনেভাবেই এউ স্ক্যাবিস যাবেনা। মাসের পর মাস এই অ*সহ্য যন্ত্র*ণা ভোগ করতে হবে, হাজার হাজার টাকা, ১০-১২টা ডাক্তার যাই করেন, কাজ হবেনা। শরীরের এক ইঞ্চি ও বাদ রাখবেন না, রাতে ওয়াসরুমে গেলে, ওষুধ ধুয়ে গেলে, আবার প্রয়োগ করুন। ভীষণ জরুরি। না কমলে ৭ দিন পরপর একই নিয়মে ব্যবহার করুন। আর অবশ্যই পরদিন সকালে গায়ে থাকা পোষাক, বিছানার চাদর, বালিশের কাভার সব কিছু গরম পানিতে ধুয়ে দেবেন, নিজের ও শিশুর শরীর গরম পানি ও বডি ওয়াস দিয়ে ভালো ভাবে রগরে গোসল করুন ও করান।
✅Elimate plus✅ ব্যাবহার করতে পারেন।

আইভারমেকটিন (Ivermectin) ওষুধ: কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তার খাওয়ার ওষুধ দেন, বিশেষ করে জটিল ও পুনঃসংক্রমণের ক্ষেত্রে।

অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট: চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। শিশুদের ক্ষেত্রে Billi syrup বড়দের ক্ষেত্রে ট্যাবলেট।

২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:

আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।

৩ দিন ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে দূরে রাখতে হবে (মাইট ২–৩ দিন বেঁচে থাকে)।

৩. একসাথে চিকিৎসা:

পরিবারের সব সদস্যকে একসাথে চিকিৎসা করা জরুরি, এমনকি উপসর্গ না থাকলেও। এটা খুবি জরুরি।

৪. নিয়মিত হাত ধোয়া ও শরীর পরিষ্কার রাখা। বাইরে থেকে বাসায় ফিরে সবার আগে ভালো ভাবে হাত ধোঁয়ার অভ্যাস করুন।

বিশেষ সতর্কতা:

শিশু ও গর্ভবতীদের জন্য ওষুধ ব্যবহারে ডাক্তারি পরামর্শ প্রয়োজন।©️

মিথ্যা ধারনা নয়, নিশ্চিতভাবে ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শে চিকিৎসা নিতে হবে।
বিদ্র:
এই স্ক্যাবিসকে সাধারন ভাবে দেখবেন না। এর ভয়াবহতা অনেক। তাই সচেতন হবেন। যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ তারাও প্রতি মাসে একবার করে পরিবারের সবাই একসাথে পারমিথ্রিন ৫% ব্যবহার করুন ও পোষাক, বিছানার চাদর গরম পানিতে ধুয়ে নিন।
নিজে জানুন অন্যকে জানান
ধন্যবাদ।
©

31/05/2025

None is for none under the sun......

31/05/2025

আমাদের শিক্ষাজীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো পরীক্ষায় পাস নম্বর। অধিকাংশ শিক্ষার্থীর কাছে ‘৩৩’ শুধু একটি সংখ্যা নয়, বরং আতঙ্ক, উত্তরণের শেষ সীমানা। পরীক্ষায় ৩৩ এর নিচে নম্বর পেলেই “ফেল” আর তার ওপরে উঠতে পারলেই “পাস”। কিন্তু কখনো কি মনে হয়েছে কেন এই ৩৩ সংখ্যাটিকেই পাস নম্বর হিসেবে নির্ধারণ করা হলো? কেন হলো না ৩২, ৩৪ বা ৩৫?

এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে ফিরে যেতে হবে উপমহাদেশের ইতিহাসে। জানা যায়, এই ৩৩ নম্বরের প্রবর্তন হয়েছিল ব্রিটিশ উপনিবেশ আমলে। ১৮৫৮ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথমবারের মতো ‘মেট্রিকুলেশন’ পরীক্ষা চালু হয়। পাশ নম্বর নির্ধারণ নিয়ে তখনকার শিক্ষা বোর্ড দ্বিধায় পড়ে ব্রিটেনে চিঠি পাঠায় পরামর্শের জন্য।

সে সময় ব্রিটিশ শিক্ষার্থীদের পাস করতে হতো ন্যূনতম ৬৫ শতাংশ নম্বর পেয়ে। তবে ব্রিটিশ শাসকরা ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষদের বুদ্ধি ও দক্ষতায় নিজেদের তুলনায় অর্ধেক মনে করতেন। তাদের ভাষায় – “The people of subcontinent are half as intellectual and efficient as compared to the British.”

এই ধারণার ভিত্তিতেই ৬৫ শতাংশের অর্ধেক, অর্থাৎ ৩২.৫ শতাংশকে পাস নম্বর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। পরে ১৮৬১ সালে গণনার সুবিধার্থে এই দশমিক সংখ্যাটিকে রাউন্ড ফিগারে রূপ দিয়ে ৩৩ করা হয়। সেই থেকেই এই ৩৩ শতাংশের প্রচলন শুরু হয়, যা আজও বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে বহাল রয়েছে।

অন্যদিকে, বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশে পাস নম্বরের মানদণ্ড একদমই আলাদা। উদাহরণস্বরূপ, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব কিংবা আফগানিস্তানে পাস করতে হলে প্রয়োজন হয় ৬০ শতাংশ নম্বর। ইরান, ইরাকসহ বেশিরভাগ মধ্যপ্রাচ্য দেশে পাস নম্বর ৫০ শতাংশ।

চীনের শিক্ষাব্যবস্থা আরও ভিন্ন। সেখানে পাস নম্বর সাধারণত ৬০ শতাংশ হলেও, কেউ পাস নম্বর না পেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাকে ‘মার্ক ব্যাংক’ থেকে নম্বর ধার দেওয়ার সুযোগ দেয়। পরবর্তী পরীক্ষায় ভালো করলে ধার করা নম্বর কেটে রাখা হয়। এমন ব্যতিক্রমধর্মী ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন সুযোগ তৈরি করে, তেমনি বাড়ায় দায়িত্ববোধও।

বর্তমানে শুধু লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমেই নয়, প্রেজেন্টেশন, অ্যাসাইনমেন্ট, মৌখিক পরীক্ষা ও ফিল্ডওয়ার্কের মাধ্যমেও মূল্যায়ন করা হয় একজন শিক্ষার্থীকে। তবে এখনও উপমহাদেশে ৩৩ নম্বর পাস মার্কের প্রচলন সেই ব্রিটিশ আমলের মনস্তত্ত্বেরই ধারাবাহিকতা বহন করে চলেছে, যার উৎস নিহিত এক অবমূল্যায়নমূলক ঐতিহাসিক ব্যাখ্যায়।

এই ১৬০ বছরের পুরনো মানদণ্ড হয়তো সময় এসেছে নতুন আলোচনায় নিয়ে আসার, যেন শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন হয় বাস্তব দক্ষতা ও সামর্থ্যের ভিত্তিতে, কেবল ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার নয়।

ট্যাগস

26/05/2025

সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য
১. প্রতিষ্ঠা এবং ইতিহাস: বিএমডব্লিউ, বায়ারিশে মোটরেন ওয়ার্ক এজি, ১৯১৬ সালে মিউনিখ, জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমে বিমানের ইঞ্জিন উৎপাদন করে। কোম্পানী 1920 এর দশকে মোটর সাইকেল উৎপাদনে রূপান্তরিত হয় এবং অবশেষে 1930 এর দশকে অটোমোবাইলে পরিণত হয়।
২। আইকনিক লোগো: বিএমডব্লিউ লোগো, যাকে প্রায়শই "রাউন্ডেল" বলা হয়, একটি কালো আংটি নিয়ে গঠিত যা নীল এবং সাদা চার চতুর্থাংশ দিয়ে ছেদ করে। এটি বিমানের কোম্পানির উত্সকে প্রতিনিধিত্ব করে, নীল এবং সাদা একটি স্পষ্ট নীল আকাশের বিরুদ্ধে একটি ঘূর্ণন প্রপেলার প্রতীক।
৩। প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন: বিএমডব্লিউ অটোমোটিভ প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনের জন্য বিখ্যাত। এটি ২০১৩ সালে বিশ্বের প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি, বিএমডব্লিউ আই৩ চালু করে, এবং উন্নত ড্রাইভিং সহায়তা সিস্টেম (এডিএএস) এবং হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন উন্নয়নে একজন নেতা হয়েছে।
৪. কর্মক্ষমতা এবং মোটরস্পোর্ট হেরিটেজ: মোটরস্পোর্টে বিএমডব্লিউ এর একটি শক্তিশালী ঐতিহ্য আছে, বিশেষ করে ভ্রমণের গাড়ি এবং ফর্মুলা 1 রেসিং এ। ব্র্যান্ড এর এম বিভাগ তাদের নিয়মিত মডেলগুলির উচ্চ-পারফরম্যান্স সংস্করণ তৈরি করে, যা তাদের নির্ভুলতা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং উত্তেজনাপূর্ণ ড্রাইভিং গতিশীলতার জন্য পরিচিত।
৫। বিশ্বব্যাপী উপস্থিতি: বিএমডব্লিউ একটি বিশ্বব্যাপী অটোমোটিভ কোম্পানি
৬. বিলাসিতা এবং নকশা: বিএমডব্লিউ বিলাসিতা এবং স্বতন্ত্র নকশার সমার্থক, কারুশিল্প যা আধুনিক প্রযুক্তি এবং আরামের সাথে কমনীয়তা মিশ্রিত করে।
৭. টেকসই অনুশীলন: বিএমডব্লিউ স্থায়িত্বের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তার যানবাহনের মধ্যে পরিবেশ বান্ধব উপকরণ এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে, পাশাপাশি বিএমডব্লিউ আই৪ এবং আইএক্স এর মত মডেলের সঙ্গে বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রযুক্তির অগ্রগতি।
৮. গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং: বিএমডব্লিউ বিশ্বব্যাপী অসংখ্য প্রোডাকশন সুবিধা পরিচালনা করে, যার মধ্যে আছে জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং অন্যান্য দেশ আছে, যাতে একটি বিশ্বব্যাপী পৌঁছানোর এবং স্থানীয় উত্পাদনের নিশ্চিত হয়।
৯। ব্র্যান্ড পোর্টফোলিও: এর বিখ্যাত বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ড ছাড়াও, কোম্পানী মিনি এবং রোলস-রয়েস এর মালিক, বিভিন্ন ধরণের অটোমোটিভ স্বাদ এবং বিলাসবহুল সেগমেন্টস সরবরাহ করে।
১০। সাংস্কৃতিক প্রভাব: বিএমডব্লিউ এর গাড়িগুলি প্রায়

26/05/2025

ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বাড়ানোর কৌশল-------

ইংরেজির গৎবাঁধা নিয়ম আর ভোকাবুলারির (শব্দভান্ডার) লম্বা ফর্দের বাংলা অর্থ মুখস্থ করেও আপনি ইংরেজিতে দুর্বল হতেই পারেন। অর্থাৎ আপনি দীর্ঘদিন ধরে ইংরেজি শেখার জন্য যে চেষ্টা করছেন, তা পণ্ডশ্রম ছাড়া কিছু নয়। আমরা ভুলে যাই—ইংরেজি একটা ভাষা। একটি ভাষাকে এর ব্যবহারিক দিক বিবেচনা করে শিখতে হবে কিছু যৌক্তিক পদ্ধতিতে; যা সময়সাপেক্ষ ও পরিশ্রমনির্ভর; কিন্তু নিশ্চিতভাবে কার্যকর।

একটি গান যখন আমরা দিনের পর দিন শুনি, তখন স্বভাবতই এর কয়েকটি লাইন অবচেতনে আমাদের মাথায় গেঁথে যায়। গানটি বিদেশি ভাষার হলেও। ইংরেজি বা যেকোনো ভাষা শিক্ষার ব্যাপারটাও ঠিক তেমন। আপনি যত 'শুনবেন' (লিসেনিং), 'পড়বেন' (রিডিং), 'দেখবেন' (অবসারভেশন বা রিপিটেশন), আর চর্চা করবেন—আপনার দক্ষতা ততই বাড়বে।

দেখি তো----

শিশু কীভাবে ভাষা শেখে?

#ইংরেজি কীভাবে শিখব বোঝার আগে ছেলেবেলায় আমরা নিজের ভাষাটা কীভাবে রপ্ত করেছি, সেটা একটু জেনে নেওয়া যাক।

#১. তাৎক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও পুনরাবৃত্তি:

বড়দের বলা শব্দ নকল করা শিশুদের ভাষা শিক্ষার অন্যতম কৌশল। প্রথমে এক সিলেবলের শব্দ দিয়ে শুরু হয়। যেমন না, দে, খা ইত্যাদি। তারপর দুটি—খাবা, বাবা, যাবা। এরপর শিশুরা ছোট ছোট বাক্য রচনা করে।

ছোটদের ভাষা শেখার কৌশল (ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাকুইজিশন থিওরি) ব্যবহার করেও কিন্তু আমরা ইংরেজি শিখতে পারি। তবে সে ক্ষেত্রে কৌশল একটু বদলাতে হবে।

#২. শ্রবণ: শিশুরা প্রতিনিয়ত অবচেতন মনে অনেক শব্দ শোনে, যেগুলো একটু একটু করে তার মস্তিষ্কে জায়গা করে নেয়। একটা সময় পর সে মনের অজান্তেই কিছু শব্দ ও বাক্য বলতে পারে।

#৩. বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা: ইংরেজি ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই একটি শব্দ ব্যবহার করি—Schemata, অর্থাৎ মস্তিষ্কে সংরক্ষিত আগের অভিজ্ঞতা (এটি ছোট-বড় সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)। বড়দের চলাফেরা বা কোনো কিছুর ব্যবহার নিয়মিত দেখে-শুনে শিশুরা শেখে। যেমন আপনি চেয়ারে বসছেন। বসার জন্য একটি শব্দ ব্যবহার করছেন, আবার যেখানে বসছেন, সেটির জন্য একটি শব্দ ব্যবহার করছেন। শিশু এই বিষয়গুলো খেয়াল করে। পরে তা নিজেও বলতে পারে। যেগুলো সে নিজে থেকে মনে করে বলতে পারে, সেগুলো তার স্কেমাটার অংশ।

ছোটদের ভাষা শেখার কৌশল (ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাকুইজিশন থিওরি) ব্যবহার করেও কিন্তু আমরা ইংরেজি শিখতে পারি। তবে সে ক্ষেত্রে কৌশল একটু বদলাতে হবে।

যে চারটি কৌশল জানা প্রয়োজন -------

#১. প্রথমত, আপনাকে প্রচুর পড়তে ও শুনতে হবে। শুরুতে ইংরেজি গল্পের শিশু সংস্করণ (যদি মনে করেন আপনার দক্ষতা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ের) পড়তে পারেন। ধীরে ধীরে ছোটগল্প, ইংরেজি পত্রিকা ও উপন্যাস পড়া শুরু করুন। কার্টুন, সিনেমা, গান ইত্যাদির মাধ্যমে ইংরেজি শোনার চর্চা করুন। কতটুকু বুঝতে পারছেন, তাতে কিছু যায় আসে না। শুনে যেতে হবে, আর সঙ্গে পড়ার অভ্যাস গড়তে হবে। এতে তাৎক্ষণিক কোনো ফল আসবে না, কিন্তু মাসের পর মাস এটা করতে থাকলে আপনি নিজেই উপলব্ধি করবেন, আপনার ইংরেজি বোঝা ও বলার দক্ষতা বাড়ছে। প্রচুর শুনলে ও বললেই আপনি ভালো লিখতে পারবেন। তবে বলার দক্ষতা অর্জনের জন্য আপনাকে কারও সঙ্গে কথা বলার চর্চা চালিয়ে যেতে হবে।

ইংরেজি বোঝেন না বলে অনেকে ইংরেজি ছবি দেখেন না। কিন্তু ইংরেজি ছবি কিন্তু আপনাকে ভাষাটা শিখতে সাহায্য করবে। একই সিনেমা দুইবার দেখুন। প্রথমে সাবটাইটেলসহ, এরপর সাবটাইটেল ছাড়া। দ্বিতীয়বার দেখার সময় সিনেমার বিষয় ও সংলাপ বুঝতে আপনার প্রথমবারের অভিজ্ঞতা কাজে আসবে।

#২. ইংরেজি ভাষাবিষয়ক ভালো মানের বই পড়তে পারেন। কিন্তু কোনো গতানুগতিক ব্যাকরণের বই নয়। বিজ্ঞাপনের চটকদার ভাষা, যেমন শটগান কোর্স, ম্যাজিক বুক, ২০ দিন-২১ দিনে ইংরেজি শিখুন, এসব থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। তাহলে ভালো বই চেনার উপায় কী? আপনি দেখবেন—বইটি কোন ধরনের শিক্ষার্থীদের জন্য লেখা (যেমন অনেক বইয়ে লেখা থাকে: ল্যাঙ্গুয়েজ লেভেল—বিগিনার বা ইন্টারমিডিয়েট) এতে ইংরেজির কোন বিষয়ের ওপর ধারণা দেওয়া আছে, লেখকের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা কী ইত্যাদি।

একটি চমৎকার বই হচ্ছে এসেনশিয়াল গ্রামার ইন ইউজ বাই রেমন্ড মারফি। ইংরেজি গ্রামারের দুর্বলতা দূর করতে এই বই বেশ কাজের। পুরোটাই ইংরেজিতে লেখা। তাতে ভড়কে না গিয়ে বরং বইয়ে দেওয়া অনুশীলনগুলো করতে থাকুন।

#৩. আপনার হয়তো ইংরেজি ব্যাকরণে দখল আছে, ভালো লিখতেও পারেন। কিন্তু বলতে পারেন না। এর একটাই কারণ—চর্চার অভাবের কারণে আপনি ইংরেজি বলতে সংকোচ বোধ করেন। ইংরেজি বলার জন্য আপনাকে চর্চা করতেই হবে। এই ক্ষেত্রে একজন সঙ্গী জোগাড় করে নিতে হবে, যিনি আপনার মতোই ইংরেজি চর্চায় আগ্রহী। আপনি কথা না বলতে চাইলে কোনো অলৌকিক পদ্ধতি বা কোর্স নেই, যা আপনাকে 'স্পিকিং' শেখাবে।

#৪. . ইংরেজি পত্রিকা ও অন্যান্য বই পড়ার অভ্যাস না করলে কখনোই খুব ভালো ইংরেজি শিখতে পারবেন না। তবে কেবল ইংরেজি পত্রিকা পড়লেও চলবে। আপনার ভাষার দক্ষতা ভালো, মোটামুটি কথা বলতে পারেন, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে শব্দ খুঁজে পান না। এই ক্ষেত্রে একমাত্র পত্রিকা পড়ার অভ্যাসই আপনাকে রক্ষা করতে পারে। সঙ্গে গল্পের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুললে আরও ভালো।

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Islampur
Sylhet