NF Islam
Food blog
13/02/2024
চুমাচামি সেস করে ঘরে ফিরচে যুবতীরা__!!😎
06/02/2024
গল্প: বউয়ের অভিমান😟
Writer_Shaon_Ahmed
🌸(পর্ব- ০২)🌸
নিশাত উঠে জানালার কাছে গিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকে। এদিকে নিশাত বুক থেকে উঠতেই শাওনের ঘুম ভেঙ্গে যায়। শাওন দেখে যে নিশাত_______
পর্ব ০১ এর পর থেকে
------------------------------
নিশাত জানালার কাছে দাঁড়িয়ে কী যেন ভাবছে।
আর এক দৃষ্টিতে বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে।
শাওন উঠে গিয়ে নিশাতকে পেঁছন থেকে জড়িয়ে ধরে।
হঠাৎ করে জড়িয়ে ধরায় নিশাত দ্রুত পিঁছন ফিরে শাওনকে দেখতে পায়।
তখনই আবার ঐদিনের কথা মনে পরে যেতেই মুখটা ঘুরিয়ে বাইরের দিকে তাকায়। এদিকে নিশাত পেঁছনে ফিরতেই শাওন লক্ষ করে নিশাতের চোখে পানি।
নিশাতকে আমার দিকে ফিরিয়ে বললাম,
শাওন- নিশাত এটা আমি কী দেখছি? তুমি এভাবে কাঁদছো কেন?
নিশাত-. . .(নিশ্চুপ)।
শাওন- এই, কী হয়েছে তোমার?
কাল আমাকে না বলে এভাবে চলে আসলে যে। তুমিতো জানো, তুমি আমার বুকে মাথা না রাখলে আমার ঘুম আসে না। (নিশাতের চোখের পানি মুছে দিয়ে)
নিশাত-. . . .(নিশ্চুপ) নিরবে কেঁদেই চলেছে।
নিশাতকে বুকে জড়িয়ে বললাম,
শাওন- চুপ করে আছো কেন? আমার মনে হচ্ছে, আমি তোমাকে কোন কারণে কষ্ট দিয়ে ফেলছি। প্লিজ কিছূ বলো।
নিশাত- তুমি এখানে কেন আসছো? তোমার আশার কাছে যাও। (অভিমানি সুরে)
শাওন- আমার আশা মানে, তুমি কী বলতে চাইছো?
নিশাত- আমি কার কথা বলছি তুমি ভালো করেই জানো। সেদিন ওকে জড়িয়ে ধরার কথা এতো তারাতারি ভুলে গেলে। (রেগে)😡
কথাটা বলার সাথে সাথে ঠাসসস করে নিশাতের গালে একটা থাপ্পর বসিয়ে দিলাম।
মনে হয় থাপ্পরটা একটু জোড়েই মেরেছি। চেয়ে দেখি নিশাতের গালে চার আঙুলের দাগ পরে গেছে।
এই প্রথম আমি নিশাতের গায়ে হাত তুললাম।
বুঝতে পারছি আমার এটা করা একদম উচিৎ হয়নি।
নিশাত আমাকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসে।
যা আমি এই দু'বছরে বেশ ভালোভাবেই বুঝে গেছি।
ও আমাকে ভালোবাসে তাইতো ঐ বিষয়টা নিয়ে আমার উপর অভিমান করেছে।
আর আমি কী না আমার কলিজার গায়ে হাত তুললাম?
এদিকে বউটা আমার অঝোর ধারায় কেঁদে চলেছে।
নিজের রাগটাকে ঝেরে ফেলে নিশাতের দুগালে হাত রেখে বললাম,
শাওন- আই এম স্যরি, নিশাত। আসলে আমার হঠাৎ রাগটা উঠে গেল তাই.. (ওর গালে হাত বুলিয়ে)
নিশাত কোন কথা বলছে না।
শুধু আমার দিকে মায়াভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
ও জানতে চাইছে কেন আমি ওর সাথে প্রতারণা করলাম?
শাওন- নিশাত আমি তোমার সাথে কোনরকম বিশ্বাস ঘাতকতা করিনি।FNFN Media
06/02/2024
গল্প: বউয়ের অভিমান😟
Writer_Shaon_Ahmed
🌸(পর্ব- ০১)🌸
হঠাৎ বাসায় ফিরে শুনি নিশাত ওর বাপের বাড়ি চলে গেছে।
আম্মুর মুখে একথা শুনার পর আমি অবাক না হয়ে পারলাম না।
আমাদের বিয়ে হয়েছে প্রায় দুবছর হবে।
আজ পর্যন্ত নিশাত আমাকে ছাড়া একা কোথাও যায়নি।
আর না বলে যাওয়া তো অসম্ভব।
আজ সেই বউটা আমাকে না বলে কী করে ওর বাপের বাড়ি গেল?🤔
নিশাত আমাকে খুব ভালোবাসে।
হয়তো কোনো কারণে নিজের অজান্তেই ওর মনে কষ্ট দিয়ে ফেলছি।
তাই জানটা আমার উপর অভিমান করে এভাবে চলে গেছে।😥
আম্মু আমাকে বলল,
আম্মু- শাওন তোরা দুজন কী কোন কারণে ঝগড়া করছিস?
শাওন- না আম্মু, আমরা তো কোন বিষয়ে ঝগড়া করিনি।
কিন্তু তুমি হঠাৎ এসব বলছো কেন?
আম্মু- নিশাত তো একা কোথাও যায় না।
আজ হঠাৎ একাই ওর বাপের বাড়িতে গেল।
যাওয়ার সময় দেখে মনে হলো মেয়েটার মন খারাপ।
তাই আমি ভাবলাম, তোরা হয়তো ঝগড়া করছিস।
শাওন- ও কাল রাতে বলল, ওর মায়ের সাথে দেখা করতে ইচ্ছে করছে। তাই আজ ওদের বাড়িতে যাবে।
আমার কাজ ছিল তাই বলছি, আফিস থেকে ফিরে তারপর ওদের ওখানে যাব।
আমি ওর সাথে যাইনি, তাই মনে হয় মন খারাপ করে আছে। (মিথ্যা বললাম)
আম্মু- হতে পারে।
শাওন- আচ্ছা আম্মু আমি এখন যাচ্ছি। আল্লাহ হাফেয।
এই বলে বাইকটা নিয়ে বেড় হলাম। উদ্দেশ্য শ্বশুরবাড়ি।
রাত এখন প্রায় ১১টা বাজে।বাইরে ঠান্ডা বাতাস বইছে।
আমার গায়ে হাফ হাতা শার্ট। খুব শীত লাগছে।
প্রায় ১ঘন্টা পর নিশাতদের বাড়ির গেটের কাছে পৌঁছালাম।
এর মধ্যেই জোড়ে বাতাস বইতে শুরু করল।
মনে হয় ঝর আসবে। তাই তারাতারি শওকত (নিশাতদের বাসার দাড়োয়ান) চাচাকে ডাকলাম।
চাচা- আরে জামাই বাবা, তুমি এতো রাইতে এইহানে?
নিশাত মামুনি বিকালে আইল। আর তুমি এতো রাইতে আসলা যে? (অবাক হয়ে)
শাওন- চাচা আসলে আমার আজ অফিসে জরুরি একটা কাজ ছিল। তাই নিশাতকে আসতে বলছি, আমার কাজ শেষ হলো তাই আসছি।
অনেকদিন শ্বশুরবাড়ি আসা হয়না। তাই ভাবলাম, আজ রাতটা থেকে কাল বিকেলে বাসায় ফিরে যাব।
(ধুর ভাললাগে না, নিশাত আমার উপর অভিমান করে চলে আসল।
এখন আমাকে সবার কাছে মিথ্যে বলতে হচ্ছে।) 😭😭
চাচা- আইচ্ছা ভালোই করছ। তাইলে ভেতরে আহো।
শাওন- হুম চলেন।
শওকত চাচা দড়জায় বেল দিতে যাবে আমি তাকে বাধা দিলাম।
তখন শওকত চাচা বলল. কী হইছে জামাই, বেল দিতে দিলা না ক্যান?
শাওন- সবাই একটু আগে ঘুমিয়েছে। তাদের ঘুম ভাঙ্গানোটা ঠিক হবে না।
FN MediFN Media
06/02/2024
লেখক/ নবাগত লেখকদের উদ্দেশ্যে,
যারা পেইজে গল্প পাঠাতে চান তারা লেখা ইনবক্স করবেন ।গল্পটা অবশ্যই আপনার নিজের লেখা হতে হবে। ফেইক আইডি দিয়ে নক করা যাবে না।
গল্প যেকোনো ধরনের হতে পারে(অতি মাত্রার রোমান্টিকতা বা ১৮+ গল্প গ্ৰহনযোগ্য নয়)। পরকিয়া, ডিভোর্স আর ট্রেন্ডিং থিমের গল্প যথাসম্ভব পোস্ট না করার চেষ্টায় আছে ' শেষ গল্পের - ডায়েরি' তাই এসব থিমের গল্প না দেয়ার পরামর্শ থাকবে।
সর্বোপরি, আপনার গল্পে এমন কিছু থাকতে হবে যাতে পাঠক গল্পটা পড়ে তৃপ্তি পায়।
কারো কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট/ ইনবক্স করবেন।
__________________________________
এক ব্যাক্তির স্ত্রীর পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সে মৃত্যু হল, সবাই যখন দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দিল। তখন তিনি বললেন স্ত্রীর সবচেয়ে বড় উপহার ছেলে আছে ওকে নিয়েই কেটে যাবে।
ছেলে যখন বয়স হল ছেলেকে সব ব্যবসা বুঝিয়ে দিয়ে কখনও নিজের আর কখনও বন্ধুর অফিসে সময় কাটাতে লাগলেন। ছেলের বিয়ের পর উনি আরও
বেশি একাকী হয়ে পড়লেন। তখন পুরো বাড়ি বৌমার অধিকারে দিয়ে দিলেন।
ছেলের বিয়ের কিছুদিন পরে তিনি দুপুরে খাবার খাচ্ছিলেন ছেলেও অফিস থেকে এসে হাত মুখ ধুয়ে খাবার খাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিল।ছেলে শুনতে পেল বাবা খাবার পর দই চাইল আর বৌ জবাব দিল আজকে ঘরে দই নেই!খাবার খেয়ে বাবা বাহিরে হাটতে চলে গেল। কিছু পরে ছেলে তার বৌয়ের সাথে খাবার খেতে বসল। খাবারে পাত্র ভরে দই ছিল ছেলে কোন প্রতিক্রিয়া না জানিয়ে খাবার খেয়ে অফিস চলে গেল।
কিছু দিন পর ছেলে নিজের বাবাকে বললেন --"আজ আপনাকে কোর্টে যেতে হবে আর আজ আপনার বিবাহ হচ্ছে "। পিতা আশ্চর্য হয়ে ছেলের দিকে দেখল আর বললেন "বাবা! আমার আর বিয়ের দরকার নেই, আর আমি তোমাকে এত স্নেহ দিই যে তোমারও মায়ের দরকার নেই, তো আবার বিয়ে কেন?!
ছেলে বলল "বাবা, না আমি নিজের জন্য মা আনছি, না নিজের স্ত্রীর জন্য শ্বাশুড়ি আনছি! আমি তো কেবল আপনার জন্য দই এর ব্যাবস্থা করছি! কাল থেকে আমি ভাড়া বাড়িতে আপনার বৌমার সাথে থাকব আর আপনার অফিসের এক কর্মচারীর মত বেতন নেব, যাতে আপনার বৌমা জানতে পারে দই এর দাম কত।
*মা-বাবা আমাদের জন্যে ATM কার্ড হতে পারেন*
*কিন্তু তারা আমাদের দয়ায় না বরং আমরা তাদের দয়ায় বেঁচে থাকি।
FN Media
মেয়েকে লুকিয়ে কাঁদতে দেখে জ"রিয়ে ধরে বললাম " কাঁদছিস কেনো মা? "
মেয়ে বলতে চাইলো না।আশ্বাস দিয়ে বললাম " কি হয়েছে বল না রে মা।কিসের এতো কষ্ট তোর? "
মেয়েটা হাউমাউ করে কান্না করতে করতে বললো " সৃজিতকে ভিষণ ভালোবাসি মা।ওকে ছাড়া বাঁচবো না "
" ছোট থেকে এতো আদর,যত্ন,স্নেহ,মমতায় বড় করলাম।শত কষ্ট সহ্য করেও তোর মুখে হাসি ফুটিয়েছি।কখনো কাঁদতে দেইনি।আজ প্রেম করে কাঁদছিস! "
" আমি আর পারছি না মা।ভিষণ কষ্ট হচ্ছে।তোমরা ছেলে খোঁজা বন্ধ করো মা প্লিজ "
" ওই ছেলে কি করে? "
মেয়ে চোখের জল মুছে বললো " এখনো পড়াশোনা করছে।আমায় পাওয়ার জন্য চাকরির চেষ্টাও চালাচ্ছে "
মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললাম " ওই ছেলের জন্য এখন অপেক্ষা করবি? "
" তোমরা যদি চাও হাজার কষ্ট হলেও তোমাদের পছন্দ করা ছেলেকে বিয়ে করে নিবো "
" আচ্ছা ঠিক আছে।ছেলেকে বল পড়াশোনা আগে শেষ করতে,তারপর চাকরি।ছেলে যদি পছন্দ করেই রেখেছিস তাহলে আমরা আর ছেলে খুঁজে কি করবো? "
মেয়ের চোখ মুখ আনন্দে ঝলমল করে উঠলো।জ"ড়িয়ে ধরে বললো
" এই দুনিয়ায় তুমিই একমাত্র আমায় বুঝতে পারো।আর কেউ পারে না "
মেয়েকে লজ্জা দেওয়ার জন্য বললাম " আমিই একমাত্র?যে ছেলেকে পছন্দ করিস সে বুঝে না? "
মেয়ের ঠোঁ"টে মিষ্টি হাসি।লজ্জায় কুঁকড়ে গিয়ে বললো " মা, তোমায় আমি কত ভালোবাসি সেটা কি তুমি বুঝো? "
" হু বুঝি।মেয়ের মন মা এর থেকে কে বেশি বুঝবে? "
গল্প : মা_মেয়ে
লেখক : জয়ন্ত_কুমার_জয়
এমন ভালোবাসার,থ্রিলার,হরর গল্প পেতে আমাদের নতুন পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন 👉 #@ফলোয়ারর
29/01/2024
ভালোবাসা'টা শখ বা বিলাসিতা না, ভালোবাসা হলো একটা মানুষের প্রতি নিঃস্বার্থ অনুভূতি!🖤🌸
05/11/2023
Click here to claim your Sponsored Listing.
Telephone
Website
Address
Sylhet