OneSign
আমাদের লক্ষ্য একটাই দাওয়াহ ইলাল্লাহ | Islamic Content Maker | “OneSign” এক উম্মাহ . এক পরিচয়- মুসলিম
08/07/2025
ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু থেকে বর্ণিত যে,
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দো’আ করতেন,
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنَى
’আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা অত্তুক্বা, অলআফা-ফা অলগিনা।’
অর্থাৎ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার নিকট হেদায়েত, পরহেজগারি, অশ্লীলতা হতে পবিত্রতা এবং সচ্ছলতা প্রার্থনা করছি।
মুসলিম ২৭২১
#দোয়ায়_দোজাহান
OneSign "OneSign" ( One Sign) মূলত একটি ইসলামিক কন্টেন্ট (যেমন - ইসলামিক পডকাস্ট, মটিভেশনাল ও ইমোশনাল রিমাইন্ডার, ইসলামিক শর্টফিল্ম,না.....
27/06/2025
প্রবৃত্তির গোলামী আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। ইসলামের আলোকে প্রবৃত্তির বিপক্ষে লড়াই করার গুরুত্ব এবং এই লড়াই না করার ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে। কোরআন ও হাদিসের দৃষ্টিকোণ থেকে আসক্তির প্রভাব এবং মুক্তির পথ সম্পর্কে জানুন। আসুন, প্রবৃত্তির দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে ফিরে যাই।
#তাযকিয়া
#তাযকিয়াতুন_নফস
#নফসের_পরিশুদ্ধি
#আত্মশুদ্ধি
#ইসলামী_আধ্যাত্মিকতা
#আত্মিক_উন্নতি
#নফসের_জিহাদ
#তাসাউফ
#আত্মার_শুদ্ধি
#রুহানিয়াত
#ইসলামে_আত্মশুদ্ধি
#তাযকিয়ার_গুরুত্ব
#নিয়ত_ও_ইখলাস
#ইসলামী_শিক্ষা
#আত্মার_উন্নতি
দুপুরে ঘুমানো কি আসলেই সুন্নাহ? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনের ঠিক কোন অংশটায় বিশ্রাম করতেন?
নবীজির রাতদিন বা নববী লাইফস্টাইল বইটা ছোট কিন্তু হতে পারে প্রতিদিনের জীবনের জন্য চমৎকার একটি সংযুক্তি।
আজকের ভিডিওতে আমরা আলোচনা করবো ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে "দুপুরের ঘুম" বা "কায়লুলা" নিয়ে। কায়লুলার সুন্নাহ এর সঠিক তথ্য জানুন ও সুন্নাহসম্মত আমল করুন।
#দুপুরেরঘুম
#কায়লুলা
#সুন্নাহসম্মতজীবন
#নবীরসুন্নাহ
#ইসলামিকজীবনধারা
#দুপুরেরঘুমকিআসলে_সুন্নাহ
#নবীজীরজীবন
#ইসলামীশিক্ষা
#সুন্নাহআমল
#ইসলামিকলাইফস্টাইল
#রাসুলেরসুন্নাহ
#নবীররাতদিন
#কায়লুলারগুরুত্ব
#ইসলামে_দুপুরেরঘুম
#ইসলামিকভিডিও
#বাংলাইসলামিকভিডিও
বাজারমূল্যের উর্ধ্বগতির এই দিনে পারিবারিক খরচ বহন করাই মুশকিল হয়ে যাচ্ছে বেশিরভাগ মানুষের জন্য। সেখানে দান সাদাকা করা বা আল্লাহর রাস্তায় অন্যন্য খাতে ব্যয় করাটা কঠিন হয়ে পরছে অনেকের জন্যই।
ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও পারিবারিক খরচ বহন করার পরে আর অবশিষ্ট কিছু থাকছে না৷
পরিবারের পিছনে ব্যয় করার মাধ্যমে আপনি আল্লাহর কাছ থেকে তাহলে কী পাচ্ছেন? উত্তম প্রতিদানের সুসংবাদ শুনুন ১ মিনিটের এই ভিডিওতে।
এই একটা ব্যপারে কুরআনে আল্লাহ ভয়ংকর শাস্তির কথা বলেছেন অথচ আমরা এই কাজ সব থেকে বেশি করছি।
আমরা প্রায়ই ভবিষ্যৎ নিয়ে এতটাই চিন্তিত হয়ে যাই যে, বর্তমানের ছোট ছোট আনন্দগুলোকে উপেক্ষা করি। আর অভিযোগ জানাতে থাকি। এই কাজটা ধ্বংসের দিকেই বরং আমাদের ধাবিত করে। কুরআন আমাদের এ ব্যপারে কী বলে চলুন ১ মিনিটে জেনে নেই।
এই কষ্ট যখন চেপে বসে ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ আপনাকে তো দেখার সৌভাগ্য হয় নি। আপনার আশেপাশে আপনার সাথী হিসাবে ছিলাম না, না শুনেছি আপনার সুমিষ্ট কন্ঠস্বর যা মানুষকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখতো।
আমার অপূর্ণতা কীভাবে বুঝাই ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ! যখন মুশরিকদের চাপিয়ে দেয়া শত অপমান অপদস্থতায় দিন কাটাচ্ছিলেন আপনার সাহাবীগণ আমি তো তখনো আমি ছিলাম না। কেমন ছিল সেই দিনগুলা যখন আপনি নামাজে থাকতেন আর মুশরিকরা আপনার ঘাড়ে উটের ভুড়ি চাপিয়ে দিত! ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ না গারে সওর এ আপনার সাথী ছিলাম, না সফরের দীর্ঘ কণ্টকাকীর্ণ পথ পারি দিতে পারার সৌভাগ্য হয়েছিল।
না সারিয়া ও গাযওয়াতে আপনার সাথে ছিলাম, না ওহুদের ময়দানে আপনাকে প্রতিরক্ষায় ছিলাম । আহ কত সৌভাগ্যবান ছিলেন ওহুদের দিনের সা'দ।
যারা আপনার সাথে মসজিদে নববীতে বসতেন তারাও কতই না সৌভাগ্যবান ছিলেন। আমি তো রওজার জিয়ারতেও যাই নি।
না উসমানের মত ধন সম্পদ ব্যয় করেছি, না আবু দুজানার মত শত্রুর মনে কাপন ধরিয়েছি। না জায়েদের মত তায়েফে ছিলাম, না আবু যর গিফরীর এর মত একটা গোত্রকেই বদলে দিয়েছি, নাইবা হতে পেরেছি আবু উবায়দার মত উম্মতের আমিন ।
এই অপূর্ণতা লিখে শেষ করা যাবে না ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ। আমি হাউজে কাউসারের পানি পানে তৃপ্ত হতে চাই, জান্নাতে আপনার দিদার পেতে চাই। কোন যোগ্যতায়ই বলুন এমন আশা করবো ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ। ১৫০০ বছর! চিন্তা করা যায়!! আপনার আর আমার মাঝে ১৫০০ বছরের ব্যবধান। তবু আপনাকে ভালোবাসে এই নগন্য উম্মত। আজ যখন উম্মতের এই অবস্থা শুধু মনে হয় আপনি কেমন বোধ করতেন আমাদের দেখে? তবু মনের কোণে আশা জাগে আপনি তো আমাদের ভাই বলে সম্বোধন করেছেন। আদৌ আপনার ভাই হবার যোগ্যতা আমাদের আছে কি না জানি না। তবু এই আশা ছাড়া আমাদের কোন উপায় নেই।
আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েন সেই ভয়াবহ ময়দানে আল্লাহর কাছে, ❝ইয়া রাব্বি এই আমার উম্মত আপনার রহম চাদরে ঢেকে দিন। আপনার প্রতিশ্রুত জান্নাতের নিয়ামত দিন। ❞
আমিন।
উম্মত। উম্মতে মুহাম্মদী ﷺ । এই কথাটা মুখে বলা অত্যন্ত সহজ। কিন্তু এর অর্থ কী ? আপনি একজন নবীর উম্মত। আপনি বাংলাদেশি উম্মত না ইন্ডিয়ান উম্মাত এটা জরুরি না আপনি উনার উম্মাত এটা জরুরি। এই উম্মাত হওার দাবি হচ্ছে আজ ফিলিস্তিনে যে ম্যাসাকার হচ্ছে তার জন্য আমার মন কাদা লাগবে। আমি কানাডায় থাকি আর মেরিকায় এমন ভাবে কাদা লাগবে যে আমার ঘরেই বুঝিও বোমাটা পড়ল। যেন আমার কেউ বোমার আঘাতে বিদ্ধ হলো । না হলে এক দেহ কেমনে হলো? উম্মত দাবি করছি কিন্তু উম্মত হতে পারছি না। হাউজে কাউসার থেকে পান করতে উন্মুখ কিন্তু যোগ্যতা অর্জনে বেখবর।
যখন সাহাবীদের উপর অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যেত তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম ভীষণ কষ্ট পেতেন। বিলালের উপর অত্যাচারের মাত্রা ছিলো সর্বাধিক। উনাকে যতই নির্যাতন করা হতো তিনি তত জোড়ে আহাদ আহাদ বলতেন। তিনি এর কারণ হিসাবে উল্লেখ করেন আমি আহাদ বললে ওরা আরো তেতে উঠত।
আহ সুমাইয়া ,ইয়াসির আর তাদের সন্তান আম্মার। আম্মার ইবনে ইয়াসীরের সামনেই তার মা বাবাকে আবু জাহেল হত্যা করলো । সেই সব সহ্য করতে হয়েছে আম্মারকে। বাদ যান নি সম্ভ্রান্ত যুবক উসমান ইবনে আফফান। কার্পেটে মুড়িয়ে তাকে পায়ে পিষ্ট করত মুশরিকরা । আবু জাহেল একনিষ্ট ভাবে শত্রুতা করেই যেত। দূর্বলের উপর অত্যাচার , সম্পদশালীদের কোনঠাসা করে রাখা কী করে নি এরা?
উমরের শাষণামলে খাব্বাব যখন মাক্কী জীবনের কাহিনী স্মরণের আসরে বসলেন, কিছু না বলে শুধু নিজের পিঠ দেখালে স্বয়ং উমার আতকে উঠেন। পাথর গরম করে তার পিঠে সেক দিতো মুশরিকরা, তিনি নিজের মাংসপোড়ার গন্ধ পেতেন। খাব্বাব অনুযোগ পেশ করলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম বলেন তাড়াহুড়ো করো না খাব্বাব এমন যুগও গেছে তোমাদের পূর্ব পুরুষদের লোহার চিড়ুনি দিয়ে হাড় থেকে মাংস আলাদা করে দেয়া হয়েছে। আল্লাহ তার দ্বীনকে অবশ্যই বিজয়ী করবেন। সানা থেকে হাদারামাউত পর্যন্ত একাকী মহিলা নির্ভয়ে সফর করবে।
এত কষ্টের পর , এত কুরবানীর পর জমিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজ উম্মাহ তাদের পূর্ব পুরুষদের ভুলে গেছে। আজ বিস্মৃত উম্মাহ এসবের থেকে নিজেদের আদর্শিক ভিত্তি খুজে পায় না। দৃঢ়তার সবক পায় না। কমপ্রমাইজ আর আরামের মধ্যেই দ্বীন প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে। ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম। ইয়া শাফিয়াল মুজনাবীন। আহ নবীর সাহাবীরা ; রাদিয়াল্লাহু আনহুম।
আজ তারা কোথায় ?
কুরআন থেকে আমরা প্রাচীন আরবের কিছু সভ্যতার কথা পাই। ইয়ামনের সাবা , হাদারামাউত এর উত্তরে আদ, হিজর অঞ্চলের সামুদ জাতি। তাদের প্রত্যেকের সম্পর্কে কথার প্যটার্নগুলা যদি দেখেন, তাদের কেউ ছিলো সুমিষ্ট ঝরণার নিয়ামতে আবিষ্ট যেখান থেকে ফল ফসলের প্রাচুর্য ছিলো , কেউ ছিলো সুশোভিত অট্টালিকা ও খেত খামারের নিয়ামতে , কেউ দক্ষ ছিলো পাহাড় কেটে সুশোভিত বাড়িঘর নির্মাণে।
তাদের কাছে আল্লাহ বার্তাবাহক নবী পাঠিয়েছিলেন । সেই নবীরা (আ) তাদের কাছে কোন প্রতিদান চান নি , চেয়েছিলেন শুধুই আল্লাহর আনুগত্য ও আল্লাহকে ভয় করে যেন তার জাতি চলে। এই দাওয়াতের মিশন ছিল তাদের। তাদের বার বার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তোমাদের এই বাগান , এই ফসল, উন্নত বাড়িঘর তোমরা যেন এমন ভাবে তৈরি করছ তা বুঝি চিরস্থায়ী। তোমরা জুলুমে এমনভাবে শামিল হচ্ছ বুঝি মৃত্যুর পাকপড়াও তোমাদের জন্য না।
একটা সময় ঠিকই সেসব জাতির উপর আজাব নেমে এসেছে তাদের ওঊদ্ধত্বপূর্ণ আচরণের জন্য।
আজ সেই ঝরণার কলকল ধ্বনি নেই, নেই ফসল তোলার কোলাহল, তাদের সুশোভিত অট্টালিকাগুলোর ধ্বংসাবশেষ কিছু কিছু আজ দাঁড়িয়ে আছে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হয়ে। আজ আদ সামুদ কিংবা সাবা জাতি নেই। তবে আজো বহাল তবিয়তেই আছে আমাদের অবাধ্যতার নিদর্শন, যেন আমরাই চিরস্থায়ী , যেন আমাদের মৃত্যুর মুখোমুখী হওয়া লাগবে না।
রবিউল আউয়াল মাস চলমান। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মহব্বতের দাবিতে আসুন আমরা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের জন্য যে সতর্কবার্তা ও বিধান নিয়ে এসেছেন তা মেনে চলি। সে সম্পর্কে আরো ভালো করে জানি।
"তোমাদের মধ্যে ওই ব্যাক্তি সর্বোত্তম যে দুনিয়ার স্বার্থে আখিরাতকে ত্যাগ করে না এবং আখিরাতের জন্য দুনিয়াকেও ত্যাগ করে না এবং মানব সমাজের জন্যও বোঝা হয় না ।" - ফাইজুল কাদির ৩/ ৪৯৯।
সুবাহানাল্লাহ কত সুন্দর ব্যাক্তিত্য গঠনের উপদেশ । দিজ ইজ ব্যালান্স। সর্বোত্তম ও যোগ্য ব্যাক্তির বৈশিষ্ঠ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কত সিম্পল করে তুলে ধরেছেন ।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের এমন নির্দেশ দিচ্ছেন না যে তুমি বৈরাগী হয়ে যাও , আখেরাতের পেছনে যখন ছুটতেই হবে সেখানেই যেতে হবে, দুনিয়া ছেড়ে দাও ।
দুনিয়া আখেরাত গড়ার স্থান ; দুনিয়াকে আখেরাতের স্বার্থেই হাসিল করতে হবে । দুনিয়াকে বরবাদ করে দিয়ে অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকা মোটেই উচিৎ নয় । প্রয়োজনমত দুনিয়া কামাই করা তাওয়াক্কুল বিরুদ্ধ নয় । বরং হাত গুটিয়ে বসে না থেকে ফিকির করা তবে দুনিয়ার উপর অত্যধিক নির্ভরশীল না হওয়ার নাম তাওয়াক্কুল।
লুকমান হাকিম এর তার ছেলের প্রতি উপদেশ দিয়ে বলেছিলেন – প্রয়োজন মত দুনিয়া অর্জন করো । অতিরিক্ত সম্পদ আখেরাতের জন্য সঞ্চয় করো । একেবারে দুনিয়া বিমুখ হয়ো না । নিজেকে অন্যের ঘাড়ে বোঝা হিসাবে চাপিও না ।
তবে ফাইনাল কথা একটাই দুনিয়াকে আমাদের মধ্যে প্রবেশ করার সুযোগ দেয়া যাবে না , নিজেকে মনিটরিং এর উপর রাখতে হবে যেন দুনিয়া হাসিল করতে গিয়ে আখেরাত বরবাদ না হয়ে যায় ।
ফেইসবুকে পুরাতন ছবি ঘেটে ঘেটে কমেন্ট করা ও আমাদের চিন্তার দৈন্যদশা
Click here to claim your Sponsored Listing.