NU Roshid

NU Roshid

Share

قُلْ لَن يُصِيبَنَآ إِلَّا مَا كَتَبَ ٱللَّهُ لَنَا

Photos from NU Roshid's post 07/09/2026

বিরোধী দলীয় জোট তথা জামায়াতে ইসলামীর এখন পর্যন্ত পার্লামেন্টে বেস্ট পারফর্মার হচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর (রহ.) সুযোগ্য সন্তান।

​তিনি একাধারে একজন ইসলামিক স্কলার, ব্যারিস্টার এবং ফক্বীহ। অর্থাৎ, তাঁর মধ্যে ইহলৌকিক বা দ্বীনী জ্ঞান এবং জাগতিক আইন উভয়টিরই চমৎকার সমন্বয় রয়েছে। তিনি অত্যন্ত চমৎকার ভাষায় কথা বলেন। যেভাবে তিনি পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে আইনের নিখুঁত ব্যাখ্যা দেন, ঠিক সেভাবেই গভীর ইসলামিক জ্ঞান থাকার কারণে কুরআন সুন্নাহ ও ফিকহী মাসআলার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। যেমন গতকাল আইনমন্ত্রী যেভাবে ইসলামের এবং হাদিস-কুরআনের আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন, সেগুলো সংশোধন করে ইসলামী শরীয়াহর মূল ব্যাখ্যাগুলো একদম প্রমাণসহ উপস্থাপন করেছেন ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।

​পার্লামেন্ট শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি দলের হয়ে আইনি লড়াই ও ইসলামিক জ্ঞান উভয়টিই চমৎকারভাবে উপস্থাপন করে আসছেন, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

পাশাপাশি প্রত্যাশা হলো, মুফতি আমীর হামজা সাহেব যেহেতু একজন আলেম ও মুফতি এবং তিনিও জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য, তাই ইসলামের বিষয়গুলোতে উনাকে সুযোগ দিলে তিনি হয়তো আরও ইমপ্যাক্টফুল, সুন্দর ও ফ্লুয়েন্টলি কথা বলতে পারবেন।

​দিনশেষে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনের পারফরম্যান্স অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি যেভাবে সাবলীলভাবে কুরআন সুন্নাহ ও আইনের ভুল ব্যাখ্যাগুলোর যথাযথ কাউন্টার করছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

Photos from NU Roshid's post 30/08/2026

শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, জামায়াতে ইসলামীর বাগেরহাট ২ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাগেরহাট জেলা যুব বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর জীবনটা আসলে সরলরেখার মতো সুন্দর ও প্রফুল্ল ছিল না। শেখ হাসিনার দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট জুলুমের আমলে তিনি দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন। তাঁর এই কঠিন সময় এবং মিথ্যা হামলা মামলার শিকার হওয়ার কারণে তাঁর স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে যান।

কান্না আর দুঃখে ভেঙে পড়া হামলার শিকার ব্যক্তিটির সবচেয়ে কাছের মানুষ, যিনি সুখ দুঃখের সঙ্গী হওয়ার পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সেই মানুষটি তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডির দিনে, যখন তিনি কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি, তখন তাঁকে ছেড়ে চলে যান। এভাবে যখন শেখ মন্জুরুল হক রাহাদ কারাগারে দিন কাটাচ্ছিলেন, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে ছাত্র জনতার গণবিপ্লবের মুখে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যায়। তাঁর দীর্ঘ জুলুম নির্যাতনের অবসান ঘটে, শেষ হয় কারাগারের বিধ্বস্ত দিনগুলো।

কিন্তু তাঁর অনুভূতিগুলো কি শেষ হয়েছে? তাঁর সবচেয়ে প্রিয় আপন সহধর্মিণী তাঁকে কঠিন সময়ে ফেলে রেখে চলে গেছেন। সেই মঞ্জুরুল হক রাহাত আজ বাগেরহাট ২ আসনের সংসদ সদস্য ও আইনপ্রণেতা। আজ তিনি সুদর্শন ও সুঠাম দেহের অধিকারী। কিন্তু এই কঠিন সময়ে যখন পুরো পৃথিবী তাঁর বিরুদ্ধে ছিল, তখন পরিবারের আপনজনদের পাশে থাকার কথা থাকলেও শেখ রাহাদের বেলায় তা হয়নি।

তিনি যখন কারাগারে কষ্টের দিন পার করছিলেন, তখন তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার মানুষটি তাঁর হাত ছেড়ে প্রবাসের উচ্চবিলাসী জীবনের দিকে পা বাড়ান। আর শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ সেই কারাগারের প্রকোষ্ঠে বন্দি থেকে জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি পার করেছেন। কতটুকু কষ্ট ও দুঃখ হলে মানুষ এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে পারে! ইসলামী আন্দোলন করার ফলে, দ্বীন বিজয়ের স্বপ্ন দেখার ফলে এবং জামায়াতে ইসলামী করার কারণে শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাতকে এই কঠিন বিচ্ছেদের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

আবার যদি আপনি অন্য পাশটা দেখেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আহমাদ বিন কাসেম আরমান, যিনি শহীদ মীর কাসেম আলীর সুযোগ্য সন্তান। তাঁকে ফ্যাসিস্ট হাসিনা আয়নাঘরে বন্দি করে রেখেছিল দীর্ঘ আট বছর। তাঁর পরিবার জানতো না তিনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন। তাঁর স্ত্রী, মা কিংবা সন্তানরা জানতো না তাঁরা আর কখনো তাঁকে দেখতে পাবেন কিনা। তবুও ব্যারিস্টার আহমাদ বিন কাসেম আরমানের স্ত্রী দীর্ঘ আটটি বছর স্বামীর জন্য অপেক্ষা করেছেন অন্য কাউকে নিজের করে নেননি। এটি কোনো তামিল, বলিউড বা হলিউডের কাল্পনিক সিনেমা নয় এক বাস্তব সত্য। ব্যারিস্টার আরমানের স্ত্রী পরকালের অসীম প্রাপ্তির আশায় স্বামীর জন্য অপেক্ষা করে গেছেন।

অন্যদিকে শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ একজন সুদর্শন পুরুষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর স্ত্রী তাঁর জন্য অপেক্ষা করেননি। হয়তো তাঁর স্ত্রীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের সেই তৃপ্তি ও অনুভূতির অভাব ছিল। অন্য কোনো দ্বীনবোঝা নারী হলে হয়তো যুগ যুগ ধরে অপেক্ষা করতো শুধু এইটুকু পরিচয়ের জন্য যে 'আমি শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদের স্ত্রী'।

জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির এমন অনেক রোমাঞ্চকর গল্পের জন্ম দিয়েছে, যা থেকে শিক্ষা নেওয়া যায় এবং জীবনের পথচলার ঈমানী খোরাক পাওয়া যায়। মঞ্জুরুল হক রাহাত সেই ট্র্যাজেডিতে এতটাই ভেঙে পড়েছেন যে, পুনর্বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কথা তিনি এখনো কল্পনাও করতে পারছেন না। এখন তিনি বাগেরহাট ২ জনপদের মানুষের কথা ভাবছেন।

ব্যারিস্টার আরমানের স্ত্রী যেমন শিক্ষা দিয়েছেন একজন গুণবতী নারী কতটা ভালোবাসতে পারে, ঠিক তেমনি শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদের জীবন থেকে শিক্ষা পাওয়া যায় যে, কঠিন সময়ে প্রিয়জন চলে গেলেও ভেঙে পড়তে নেই বরং ঈমানী শক্তিতে বলীয়ান হয়ে এগিয়ে যেতে হয়। আর এভাবেই মানুষ দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছে যায়।

Photos from NU Roshid's post 26/08/2026

সেকুলাররা বা বামপন্থী, হিন্দুত্ববাদী অথবা পশ্চিমারা সবসময় বলতো, এই জনপদে ইসলামপন্থীরা কখনো রাজনীতি করতে পারবে না। তারা কখনো বাংলাদেশের রাজনীতিতে মেইনস্ট্রিম হতে পারবে না। তারা কখনো বাংলাদেশের মানুষের দল হয়ে উঠতে পারবে না। ইসলামপন্থীরা কখনো গণমানুষের দল হবে না। জামায়াতে ইসলামীকে নানা ট্যাগিং, ফ্রামিং, দমন, জুলুম, নির্যাতন, নিষেধাজ্ঞা, খুন, গুম ও শহীদ করে তারা ভেবেছিল যে ইসলামপন্থীদের অগ্রযাত্রা, হুজুরদের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু আসলে যুগ যুগ ধরে এটা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

​যেভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছিল হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালামকে নমরুদ মনে করেছিল তাকে অগ্নিকুণ্ডে ফেলে দিলে হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম শেষ হয়ে যাবেন। যেভাবে হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম শেষ হননি, নমরুদের যে চিন্তা ছিল সেটা ঘটে নাই। বরঞ্চ আল্লাহ তাআলা তাঁর রহমতের মাধ্যমে বরকতময় করে দিয়েছিলেন সেই অগ্নিকুণ্ডকে। ঠিক এইভাবে যুগ যুগ ধরে হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে নবী-রাসূলগণ, সর্বশেষ মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাহাবায়ে কেরাম, আইম্মায়ে মুজতাহিদীন, সালাফে সালেহীন সকলেই ছিলেন বাতিলের চক্ষুশূল। সকলকেই বাতিলরা মনে করতো যে তাদেরকে ধ্বংস করে দিতে পারবে। তাদেরকে মানবতার মুক্তির এই আন্দোলন করতে দেবে না। মানুষজনকে এই ইসলামী আন্দোলন থেকে বিমুখ রাখবে। নেতৃবৃন্দ ও দায়িত্বশীলদের শেষ করে দিয়ে ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংস করে দেবে। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে।

​ঠিক এর ব্যত্যয় ঘটেনি জামায়াতে ইসলামীর ব্যাপারে। মাওলানা মওদূদী থেকে অধ্যাপক গোলাম আযম, শহীদ মতিউর রহমান নিজামী থেকে আজকের ডা শফিকুর রহমান। আজ জামায়াতে ইসলামীর ৮৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ৮৫ বছর পূর্বে আজকের এই দিনে জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠিত হয়। আর সেই সময় থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী কাজ করে যাচ্ছে দ্বীন বিজয়ের লক্ষ্যে, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে, ইনসাফ, ইনকিলাব ও মুক্তি কায়েমের লক্ষ্যে, সর্বোপরি খেলাফতে আলা মিনহাজিন নবুওয়াত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।

​এই পথে চলতে গিয়ে বাংলাদেশ হওয়ার পর ও পূর্ব থেকে জামায়াতের ওপর নানা নির্যাতন, জুলুম ও নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানো হয়েছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে জুডিশিয়াল কিলিংয়ের মাধ্যমে শহীদ করা হয়েছে। অসংখ্য গুম ও খুন করা হয়েছে। জুলুমের খড়গ নেমে এসেছিল। কিন্তু আল্লাহর ওপর অবিচল থেকে, মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে দ্বীন কায়েমের কাজ করে যাচ্ছে দীপ্ত মনে এই কাফেলা।

​জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে মনে করা হতো তারা কখনো রাজনীতি করতে পারবে না, এমপি হতে পারবে না। যখন তারা এমপি হলো, তখন বলা হলো তারা কখনো বড় দল হয়ে উঠতে পারবে না। যখন জামায়াতে ইসলামী বড় দল হয়ে উঠলো, তখন বলা হলো জামায়াতে ইসলামী কখনো মেইনস্ট্রিম হতে পারবে না। আলহামদুলিল্লাহ, আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে রয়েছে।

​ইনশাআল্লাহ, অতি শীঘ্রই এদেশের মানুষকে ন্যায়বিচার ও ইনসাফ দেওয়ার জন্য এদেশের দায়িত্ব জামায়াতে ইসলামীর হাতে উঠবে। তারা এদেশের মানুষের শাসনভার গ্রহণ করবে। এদেশের মানুষ তাদের মুক্তির জন্য, আজাদির জন্য, ইনসাফের জন্য, ন্যায়বিচারের জন্য, সর্বোপরি শান্তির জন্য জামায়াতে ইসলামীকে নিজেদের নেতৃত্ব হিসেবে গ্রহণ করবে। আর সেদিন বাতিলদের সকল ষড়যন্ত নস্যাৎ হয়ে যাবে। এভাবেই ধীরে ধীরে মঞ্জিলে মাকসুদে প্রিয় সংগঠনটি পৌঁছে যাবে।

​আল্লাহ এই দিনে, এই দীর্ঘ যাত্রায় যেসকল মুজাহিদ, সঙ্গী-সাথী, নেতৃবৃন্দ ও দায়িত্বশীলরা কষ্ট করেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন, শহীদ হয়েছেন, জুলুমের শিকার হয়েছেন সকলের সব আমলগুলোকে কবুল করুন, ভুলত্রুটিগুলোকে মাফ করুন এবং এই প্রিয় কাফেলাকে তার আদর্শের প্রতি, দ্বীন ইসলামের প্রতি অবিচল রেখে তার মঞ্জিলে মাকসুদে পৌঁছে যাওয়ার জন্য তুমি নিজেই পথ তৈরি করে দাও। আমীন।

​নাসরুম মিনাল্লাহি ওয়া ফাতহুন ক্বারী্ব, ওয়া বাশশিরিল মু'মিনীন।

Photos from NU Roshid's post 25/08/2026

জামায়াতে ইসলামী একটি ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। এটি একটি চমৎকার এবং তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। জামায়াতে ইসলামী তাদের ছায়া মন্ত্রিসভার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রেখেছে আমীরে জামায়াত ও বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম রাহবার ডা. শফিকুর রহমানকে। এটি ভালো পছন্দ এবং অনুমেয় ছিল।

​জামায়াতে ইসলামী তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছে ছায়া মন্ত্রিসভায় দলটির সম্মানিত নায়েবে আমীর ও সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে। এটিও ভালো পছন্দ, যা হওয়া উচিত এবং অনুমেয় ছিল। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ডক্টর এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ। এটি খুব ভালো না হলেও খুব খারাপও বলা যাবে না, অর্থাৎ এভারেজ।

​অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী সাইফুল আলম খান মিলনকে। এটি একটি ভালো পছন্দ, তবে সময় বলে দেবে। জামায়াত তাদের ছায়া মন্ত্রিসভার সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছে সম্মানিত নায়েবে আমীর ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে।

​তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, প্রচার বিভাগের প্রধান এবং শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরকে। এটি খুব ভালো বলা যাবে না, আবার খুব খারাপও বলা যাবে না মোটামুটি এভারেজ বা তার চেয়ে কিছুটা নিচের সারির।

​বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জামায়াতের সাবেক আমীর শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর সন্তান ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এমপি কে। এটি ভালো সিদ্ধান্ত। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এবং দলটির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনিরকে। এটি অত্যন্ত চমৎকার ও অনুমেয় ছিল।

​শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাবেক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমপি ইলিয়াস মোল্লাকে, ভালো পছন্দ। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ মাওলানা রাশেদুল ইসলামকে, মোটামুটি ভালো সিদ্ধান্ত।

আর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সালাহউদ্দিন আইয়ুবীকে তবে এটি তুলনামূলক লো এভারেজ পছন্দ বলেই মনে হয়।

​বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, দুর্বলতা চিহ্নিত করা, বিকল্প নীতি প্রস্তাব করা এবং ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ নেতৃত্ব তৈরি করাই এই ছায়া মন্ত্রিসভার মূল লক্ষ্য। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য আলাদা টিম কাজ করবে, যেখানে দলীয় নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালন করবেন। আগামীতে ক্ষমতায় এলে দেশ পরিচালনায় একটি দক্ষ ও প্রস্তুত দল তাদের রয়েছে জাতিকে সেই বার্তা দেওয়াই এর উদ্দেশ্যে।

আশা করা যায়, উন্নত দেশগুলোর মতোই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে গঠিত এই ছায়া মন্ত্রিসভা সফলভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং ইতিহাস সৃষ্টি করবে।

Photos from NU Roshid's post 24/08/2026

এডভোকেট শিশির মনির যেন বাংলার কেডি পাঠক।
কেডি পাঠক তো কাল্পনিক কিন্তু শিশির মনির যেন বাস্তবিক অর্থে জলজ্যান্ত কেডি পাঠক।

তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল। বর্তমানে বাংলাদেশে যে কয়েকজন সবচেয়ে জনপ্রিয়, তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন, মেধাবী ও আলোচিত আইনজীবী রয়েছেন তালিকায় সবার উপরে যাদের নাম থাকবে, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন এডভোকেট শিশির মনির।

​আজকে এডভোকেট শিশির মনির একটি অসামান্য ও চমৎকার কাজ করেছেন। ফেনীর বহুল আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলায় নিম্ন আদালত ১৬ জনকে ফাঁসির রায় দিয়েছিলেন। আজ হাইকোর্ট সেই ১৬ জনের মধ্যে মাত্র ২ জনের ফাঁসির রায় বহাল রেখেছেন। বাকি ১৪ জনের মধ্যে ১০ জনই বেকসুর খালাস পেয়েছেন এবং ৪ জন পেয়েছেন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
​১৬ জন ফাঁসির আসামির এই মামলায় আসামি পক্ষের অন্যতম আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট শিশির মনির। তিনি ৩ জন আসামির পক্ষে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেন, যার মধ্যে ২ জন মামলা থেকে সম্পূর্ণ বেকসুর খালাস পেয়েছেন এবং বাকি ১ জনকে আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। পরবর্তীতে সেই ১ জনের পক্ষেও আপিল করার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি।

​মজলুমানের আইনজীবী এডভোকেট শিশির মনির, আপনি সত্যিই সেরা! মজলুমদের পক্ষে লড়াইয়ে আপনি অনন্য। ওনার অনেক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড থাকলেও, সেগুলোকে ছাপিয়ে উনি আজকে যে কাজগুলো করেছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় ও অসাধারণ।

ইউ আর দ্য বেস্ট, এডভোকেট শিশির মনির! বাংলাদেশের আইন অঙ্গনের ইতিহাসে আপনি অন্যতম সেরা একজন আইনজীবী, যিনি আইনি লড়াইয়ে এক নতুন মাত্রা তৈরি করেছেন।

Photos from NU Roshid's post 23/08/2026

আমীরে জামায়াত ও বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান আজান দিচ্ছেন। কি এক অভূতপূর্ব দৃশ্য!

আমীরে জামায়াতে যত দেখছি মুগ্ধ হচ্ছি। সফেদ সাদা মানুষ মনের মাধুরি মিশিয়ে আজান দিচ্ছেন আহ্ কি মনোমুগ্ধকর সিনারি।

বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ৫ম সর্বোচ্চ ব্যাক্তি। দেশের অন্যতম একজন সাংবিধানিক ব্যাক্তিকে আজান দিতে দেখা নিঃসন্দেহে এক মনোরম ও সুসংবাদময় দৃশ্য।

​ইনশাআল্লাহ, অতি শীঘ্রই এমন এক পরিবেশ দেখব যেখানে দেশের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ইসলামি জ্ঞানসম্পন্ন হবেন এবং নামাজের ইমামতি করবেন। সমাজের প্রতিটি স্তরে তৈরি হবে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক নেতৃত্ব।

​যেভাবে রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর যুগে, যা সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, 'খাইরুল কুরূনি কারনী, ছুম্মাল্লাজীন ইয়ালূনাহুম, ছুম্মাল্লাজীন ইয়ালূনাহুম' (আমার যুগ সর্বশ্রেষ্ঠ, অতঃপর তার পরবর্তী যুগ, অতঃপর তার পরবর্তী যুগ) একটি অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজকে কুরআন ও সুন্নাহর সুশাসনে আলোকিত করা হয়েছিল, ঠিক একইভাবে দ্বীনপ্রিয় মানুষেরা বাংলাদেশেও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে এবং সমাজকে আলোকিত করবে। দ্বীন ইসলামের এই আন্দোলন তার কাঙ্ক্ষিত মঞ্জিলে মাকসুদে পৌঁছাবেই, ইনশাআল্লাহ।

Photos from NU Roshid's post 21/08/2026

ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান হচ্ছেন আমিরে জামায়াত ডক্টর শফিকুর রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক সহযোগী, সংসদ সদস্য, মজলুম জননেতা এবং শহীদ মীর কাসেম আলীর ছেলে, যাকে হাসিনা হত্যা করেছে এবং মীর আরমানকে দীর্ঘ আট বছর গুম করে রেখেছিল। তার পরিবার, তার সংগঠন, তার পরিচিতজন ও তার আপনজনদের উপর অমানবিক অত্যাচার করা হয়েছিল। তার পিতাকে হাসিনা তথা আওয়ামী লীগ হত্যা করেছিল এবং তার সংগঠন ও নেতাকর্মীসহ পরিচিত সবার জীবনে অত্যাচার করে নরক নামিয়ে এনেছিল লীগ।

​সেই লীগের পক্ষে বয়ান উৎপাদনকারী আনিস আলমগীর এবং সেই লীগের লেজিটিমেসি (বৈধতা) যারা গ্রহণ করে, চিত্রনায়িকা বাঁধনসহ যে সমস্ত ব্যক্তিরা তাদের সাথে গলাগলি, হাসি এবং এক সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা নিঃসন্দেহে জামায়াতপন্থী এবং জামায়াত নেতাকর্মীদের জন্য, বিশেষ করে ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেমের জন্য একটি চরম লজ্জার বিষয়।

​ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম আরমান এই বিষয়ে নিজের বক্তব্য পেশ করেছেন। তবে তার এই বক্তব্য নিতান্তই একটি অজুহাত, কারণ স্পষ্টভাবে বোঝা গেছে তিনি যা বলেছেন তা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেছেন তার সাথে ছবি তোলার জন্য তারা আহ্বান জানিয়েছিলেন। দেখা যাচ্ছে ছবিতে তিনি তাদের সাথে হেসে দাঁড়িয়ে ছিলেন এককোণে। ফলে তার এই কথার কোনো ভিত্তি বা যুক্তি নেই, বরং আনিস আলমগীর যা বলেছে সেটার সত্যতা ও যৌক্তিকতা বেশি।

​আর এটি জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরাও পছন্দ করেনি, এটাই একটা বড় বিষয়। কারণ ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম তার পক্ষে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সেটির নিচের মন্তব্যগুলো পড়লেই তা বোঝা যায়। তাছাড়া জামায়াত শিবিরের কর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের প্রতিক্রিয়ার দিকে তাকালেও তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
​তাছাড়া এটি ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম আরমানের জন্য একটি শিক্ষা।

আশা করা যায় আগামী জীবনে তিনি আর কখনো এ ধরনের ভুল করবেন না। শুধু আহমদ বিন কাসেম আরমানই নন, জামায়াতে ইসলামীর সকল সংসদ সদস্য ও নেতাকর্মীদের জন্যও এটি একটি শিক্ষা যে, 'সুশীলগিরি' দেখানোর জন্য এমন কোনো কাজ করা ঠিক নয় যা নিজেদেরই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একটু সহানুভূতি বা ভালো কিছুর আশায় লীগের সাথে আপস করলে বিশাল ক্ষতি হয়ে যাবে।

​আশা করা যায় জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্ব এ বিষয়ে আরও বেশি সতর্ক থাকবে। বিশেষ করে আহমদ বিন কাসেমের কিছু বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন। তিনি ভুল থেকে শিক্ষা নেবেন এবং তাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি একজন মেধাবী মানুষ, সেটা বিশ্বাস করি। আশা করা যায় তিনি তার ভুল শুধরে নেবেন।​ঈমান, আমল ও নীতিতে অটল অবিচল থেকে এই জামায়াতের সাথে তিনি থাকবেন।

কোনো সুশীলগিরি দেখাতে গিয়ে যেন জামায়াত তার আদর্শের পথ থেকে সরে না যায়, সে বিষয়ে জামায়াত নেতৃবৃন্দ ও নেতাকর্মী সকলকে গভীর দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানাই।

Photos from NU Roshid's post 20/08/2026

স্বাধীন বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন দুইবার হয়েছে। প্রথমবার হয়েছে ১৯৯১ সালে এবং দ্বিতীয়বার হয়েছে ২০২৬ সালে।

​৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী গণ অভ্যুত্থানের পর দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তিত হয়। সে সময় প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তৎকালীন বিরোধী দল ছিল আওয়ামী লীগ এবং সরকারি দল ছিল বিএনপি। বিরোধী দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রার্থী করা হয় সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীকে এবং সরকারি দল বিএনপির পক্ষ থেকে প্রার্থী করা হয় তৎকালীন স্পিকার আব্দুর রহমান বিশ্বাসকে। সেই নির্বাচনে জয়ী হয়ে আব্দুর রহমান বিশ্বাস রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনি ১৭২টি ভোট পেয়েছিলেন অন্যদিকে আওয়ামী লীগের বদরুল হায়দার চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২টি ভোট। এটি ছিল একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশে প্রথম কোনো রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা।

​আর দ্বিতীয়টি ঘটেছে ২৪ এর জুলাই গণ অভ্যুত্থানের পর জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম এবং ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মধ্যে। এই নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিজয়ী হয়েছেন।

​বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ইতিহাসের এই দুই মাইলফলকের প্রথমটি ১৯৯১ সালে এবং দ্বিতীয়টি ২০২৬ সালে ঘটলো।

জুলাই চার্টার স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে অর্থবিলসহ নির্দিষ্ট একটি বিষয় ব্যতীত অন্য যেকোনো বিষয়ে সংসদ সদস্যরা দলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করতে পারবেন। কিন্তু ৭০ অনুচ্ছেদের বাধ্যবাধকতার কারণে বিএনপির সংসদ সদস্যরা একপ্রকার বাধ্য হয়েই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন তারা স্বাধীনভাবে অলি আহমদকে ভোট দিতে পারেননি। নব্বইয়ের মতো নির্বাচন হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে সাধুবাদ জানাই। আশা করি, একজন জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি রাষ্ট্রপতির নিরপেক্ষ চেয়ারটি চমৎকারভাবে সামলাবেন কোনো পক্ষপাতিত্ব করবেন না এবং যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে এই আশার কতটুকু পূরণ হবে তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায় কারণ দলটা তো বিএনপি!

Photos from NU Roshid's post 17/08/2026

শিবিরের নেতৃত্বাধীন ডাকসু দিনরাত শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ৪৩০ জন শিক্ষার্থীর জন্য ফ্রিতে লক্ষাধিক টাকা বা তার বেশি বেতনের চাকরির সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। গতকাল ছাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে একটি আধুনিক বাসও দেওয়া হয়েছে। এত কিছুর পরও বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, এনসিপি, ছাত্রশক্তি ও গণঅধিকার পরিষদের একশ্রেণীর লোক শিবিরের নেতৃত্বাধীন ডাকসুকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে। তাদের আচরণ দেখে মনে হয় যেন ডাকসু কিছুই করছে না। ডাকসুকে অকার্যকর প্রমাণ করতে এবং শিবিরের বিরুদ্ধে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে তারা নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ শিবির যে এত সুন্দর শিক্ষার্থীবান্ধব কাজ করে যাচ্ছে, তা তারা দেখেই দেখতে পারছে না।

​আজকে শিবিরের নেতৃত্বাধীন ডাকসুর অসাধারণ সাফল্য দৃশ্যমান হয়েছে। চীন সরকারের আমন্ত্রণে শিবিরের নেতৃত্বাধীন ডাকসুর একটি প্রতিনিধিদল চীন সফরে গিয়েছিল। আজ টিএসসিতে শিবিরের নেতৃত্বাধীন ডাকসুর সেই চীন সফরের সুফল বাস্তবায়িত হতে দেখা গেছে। চীনের বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান টিএসসিতে এসেছে এবং শিক্ষার্থীরা সেখানে চাকরির জন্য সিভি জমা দিচ্ছে। কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই নয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিসসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এসে এখানে সিভি জমা দিচ্ছে।

​শিবিরের নেতৃত্বাধীন ডাকসু সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য একদম বিনামূল্যে লক্ষাধিক বা তার বেশি বেতনের চাকরির ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। এটি সত্যিই অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। এই সফল আয়োজনের জন্য ভিপি সাদেক, ফরহাদ এবং ইসলামী ছাত্রশিবির তথা ডাকসু নেতৃত্বকে সাধুবাদ জানাই। বিশেষ করে খান জসিম কে। সে অনেক অনেক পরিশ্রম করেছে এই অনুষ্ঠানের জন্য। ডাকসু সত্যিই অসাধারণ কাজ করছে। যারা দিনরাত শিবিরের নামে অপপ্রচার কিংবা নেতিবাচক কথা ছড়ায়, তাদের এখন লজ্জিত হওয়া উচিত। এই অনুষ্ঠান বন্ধ করার জন্য বিএনপির দালাল ঢাবি প্রশাসন ও বিএনপিপন্ত্রি শিক্ষকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে কিন্তু তারা ব্যার্থ হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী নূর আসার কথা ছিল কিন্তু আসে নাই। বিএনপি সরকার অনুষ্ঠানটি ব্যার্থ করার চেষ্টা করেছিলো কিন্তু তারা পরাজিত হয়েছে।

শিবিরের পরিচালনা ও নেতৃত্বে ডাকসু আজ চূড়ান্তভাবে সফল, সফল এন্ড সফল।

Photos from NU Roshid's post 16/08/2026

তারেক রহমান দিল্লি সফর বাতিল করেছেন।

আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতকে আগে স্বৈরাচারী খুনি হাসিনাকে বিচারে মুখোমুখি করার জন্য বাংলাদেশের হাতে তুলে দিতে হবে। শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের ফেরত দিতে হবে। ভারতে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ​তবেই ভারতে সফরের কথা ভেবে দেখবে ঢাকা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারতের উদ্দেশ্যে দেয়া এই বিবৃতিটি সত্যিই ভালো হয়েছে। ওয়েল ডান ঢাকা, ওয়েল ডান ফরেন মিনিস্ট্রি অ্যান্ড ওয়েল ডান ফরেন মিনিস্টার ডক্টর খলিলুর রহমান অ্যান্ড ওয়েল ডান তাঁর টিমকে! তাঁরা চমৎকারভাবে মাথা উঁচু করে বিবৃতি দিয়েছেন।

এর ওপর অটল থাকতে পারলেই দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মাথা উঁচু থাকবে। এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত এই অবস্থানের ওপর ঢাকা তথা বিএনপি সরকার অটল থাকতে পারে কি না।

Category

Telephone

Website

Address

Sylhet