NU Roshid
قُلْ لَن يُصِيبَنَآ إِلَّا مَا كَتَبَ ٱللَّهُ لَنَا
16/06/2026
সম্প্রতি পাকিস্তানে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ও মিডিয়া সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ শাহেদী কে যখন 'ইসলামী জমিয়তে তালাবা' বিমানবন্দরে এক রাজকীয় ও আবেগঘন পরিবেশে বরণ করে নিচ্ছিল, তখন দৃশ্যটি দেখে বুকটা গর্বে ভরে উঠেছিল।
সেই মুহূর্তটি দেখে মনে হচ্ছিল, এটি কেবল কোনো ছাত্র সংগঠনের নেতার আগমন নয়, বরং গোটা মুসলিম বিশ্বের তরুণদের নেতৃত্বদানকারী এক দূরদর্শী গ্লোবাল লিডারের রাজকীয় অভ্যর্থনা।
ইসলামী আন্দোলনের এই বৈশ্বিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও সুদৃঢ় বন্ধনই প্রমাণ করে মুসলিম ব্রাদারহুডের ভিত্তি কত গভীরে!
ইনশাআল্লাহ, যোগ্যতা, দক্ষতা আর আদর্শিক দৃঢ়তায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির একদিন বিশ্বমঞ্চে মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবে। শিবিরের প্রতিটি নেতাকর্মীর মাঝে সেই কাঙ্ক্ষিত নেতৃত্বগুণ ও সম্ভাবনা বিদ্যমান।তরুণদের হাত ধরেই আসবে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন।
14/06/2026
হিজাব নিয়ে বিএনপির মনিরুল সংসদে যে ধরনের নোংরা, কুরুচিপূর্ণ এবং সস্তা বক্তব্য দিয়েছেন, আমেরিকা বা জার্মানির সংসদেও কেউ এ ধরনের বক্তব্য দিতে পারবে না দিতে গেলে স্পিকার তার মাইক বন্ধ করে দেবেন।
এই অশ্লীল বক্তব্য শুনে পার্থর মতো ব্যক্তিও হেসে কুটি কুটি। পার্থর ক্লাসটা একেবারে নিচে নেমে গেছে। বিএনপির নারী এমপিরাও হেসে পড়ে যাচ্ছেন।
বিএনপি এ রকম থার্ড-ক্লাস বস্তি হয়ে গেল কবে থেকে?
পাঞ্জাবি, টুপি ও লম্বা সাদা দাড়ি সাধারণত একজন ভদ্র ও সভ্য মানুষের পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু আজ সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক প্রমাণ করলেন, কিছু কিছু লম্বা সাদা দাড়িওয়ালা মানুষও সভ্য নন বরং বিএনপিও তেমনই হতে পারে।
হিজাব মা-বোনদের শালীনতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের এক অনন্য প্রতীক।এটি ফরজ বিধান। সেই হিজাব নিয়ে মনিরুল হকের কটাক্ষ অত্যন্ত নিন্দনীয়।
আরও বিস্ময়ের বিষয় হলো, যেখানে তার বক্তব্যের প্রতিবাদ হওয়ার কথা ছিল, সেখানে তার দলের সদস্যরা আহাম্মকের মতো টেবিল চাপড়ে তা সমর্থন জানিয়েছেন।
যারা মদিনার সনদের আদর্শে দেশ পরিচালনার কথা বলেন, তাদের এমন ইসলামোফোবিক আচরণ কতটা নির্লজ্জতার প্রকাশ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রসঙ্গ যখন মুনাফেকির, তখন বিএনপি যেন নিজেকেই সবার আগে এই চরিত্র তুলে ধরে।
13/06/2026
আগামীকাল অক্সফোর্ড ইউনিয়নের আমন্ত্রণে বক্তব্য প্রদান করবেন ডাকসুর ভিপি ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম।
ইতোমধ্যে তিনি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। বিশ্বের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও মর্যাদাপূর্ণ বিতর্ক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্ল্যাটফর্মে একজন বাংলাদেশি ছাত্রনেতা বিশেষ করে ইসলামি আন্দোলনের নেতার অংশগ্রহণ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে যে ছাত্রনেতারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন, সাদিক কায়েম তাঁদের অন্যতম। আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্ব এবং কৌশলগত ভূমিকা অসাধারণ ছিল। কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেও ছাত্রসমাজকে সংগঠিত রাখার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
অক্সফোর্ড ইউনিয়নে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যে কোনো তরুণ নেতার জন্যই সম্মানের বিষয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন নেতার জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।
শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একজন প্রতিনিধি হিসেবে সাদিক কায়েমের এই অংশগ্রহণ সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের কাছেও গর্বের বিষয় । তিনি সেখানে বাংলাদেশের তরুণ সমাজ, ছাত্র নেতৃত্ব এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবেন।
আল্লাহ তাআলা তাঁর সফরকে কল্যাণময় করুন এবং তাঁকে সত্য ও প্রজ্ঞার সঙ্গে বক্তব্য উপস্থাপনের তাওফিক দান করুন।
ইনশাআল্লাহ।
12/06/2026
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় অনুষ্ঠিত International Muslim Youth Forum 2026-এ অংশগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় মিডিয়া সম্পাদক মু'তাসিম বিল্লাহ শাহেদী।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছাত্র ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই ফোরামে তরুণ নেতৃত্ব, মুসলিম বিশ্বের সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ, শিক্ষা, নেতৃত্ব বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
ফোরামে বক্তব্য প্রদান করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম। তিনি তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা, নেতৃত্ব বিকাশ এবং বৈশ্বিক পরিসরে মুসলিম যুবসমাজের করণীয় বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।
বাংলাদেশের একজন তরুণ ছাত্রনেতার আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশগ্রহণ নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের প্রতিনিধিত্ব এবং বৈশ্বিক সংলাপে সম্পৃক্ততা ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
আল্লাহ তাআলা তাঁদের এই প্রচেষ্টাকে কবুল করুন এবং উম্মাহর কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার তাওফিক দান করুন।
আলহামদুলিল্লাহ।
12/06/2026
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমের নেতৃত্বাধীন শিবিরের সেন্ট্রাল আন্তর্জাতিক বিভাগের সহকারী সম্পাদক জিসান গতকাল রাতে এশার নামাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ।
জিসান শিবিরের কুমিল্লা জেলা পশ্চিমের সাবেক সভাপতি। যারা তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন, তারা জানেন তিনি অত্যন্ত আন্তরিক, দায়িত্বশীল ও সংগঠনমুখী একজন মানুষ।
ঘটনাটি উদ্বেগজনক। একজন প্রাপ্তবয়স্ক, সচেতন ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে পরিবারের সদস্য, সহকর্মী বা পরিচিতজনদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না রাখলে স্বাভাবিকভাবেই উৎকণ্ঠা তৈরি হয়।
আশা করি, তিনি দ্রুত সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায় পরিবারের কাছে ফিরে আসবেন।
সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ থাকবে, বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হোক এবং তাঁর অবস্থান দ্রুত শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
কোনো নাগরিকের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা উদ্বেগের বিষয়। তাই এ বিষয়ে দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
জিসানয়ের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন কামনা করছি।
11/06/2026
ভিপি সাদিক কায়েম লন্ডনে যাচ্ছেন এবং বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম অক্সফোর্ড ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করবেন।
এটি নিঃসন্দেহে তাঁর ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি শিবিরের বর্তমান ও সাবেক কর্মীদের জন্যও আনন্দ ও গর্বের সংবাদ।
বাংলাদেশের একজন তরুণ নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। তিনি সেখানে দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করবেন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন সম্মানের সঙ্গে।
লন্ডনে অবস্থানরত শুভাকাঙ্ক্ষী, সাবেক শিবিরের প্রতি অনুরোধ থাকবে তাঁর জন্য দোয়া করবেন এবং তাকে সর্বোচ্চ সিকিউরিটি দিবেন। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সর্ব জায়গায়।
আল্লাহ তাআলা তাঁর সফরকে কল্যাণময় করুন এবং তাঁকে উত্তমভাবে দায়িত্ব পালনের তাওফিক দান করুন।
ইনশাআল্লাহ।
10/06/2026
জামায়াত চাইলে তার রাজনীতি নিজস্ব ধারাতেই চালিয়ে যেতে পারে। কারণ অতীতের বহু কঠিন সময়ে দলটি একাই রাজপথে ছিল।
মার্চ ফর ডেমোক্রেসি থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের স্মৃতি আজও মনে আছে। তখন বিএনপির অনেকেই নীরব ছিল, বড় বড় বিএনপি নেতা অনেকের ফোন বন্ধ ছিল, অনেকেই নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জামায়াত ও শিবিরের কর্মীরা মাঠে ছিল আহত হয়েছে, কারাবরণ করেছে, কেউ কেউ জীবনও দিয়েছে।
মাঠপর্যায়ে জামায়াত শিবিরের সাংগঠনিক শক্তি কতটা, সেটা দেশের প্রায় সব বড় রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বই কমবেশি জানে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিংবা টকশোতে বড় বড় কথা বলা সহজ, কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে সাংগঠনিক কাঠামো টিকিয়ে রাখা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কর্মীদের সক্রিয় রাখা ভিন্ন বিষয়।
রাজনীতিতে স্থায়ী বন্ধু বা স্থায়ী প্রতিপক্ষ বলে কিছু নেই। আজ যারা জামায়াতকে অপ্রয়োজনীয় মনে করছে, কাল রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলে গেলে তারাই আবার সমর্থন বা সহযোগিতা চাইতে পারে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এমন উদাহরণে ভরপুর।
তাই আবেগ নয়, স্মৃতি নয়, বরং রাজনৈতিক বাস্তবতাই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নিয়ামক।
রাজনীতি অনেকটা সাপলুডুর খেলার মতো কোন চাল কার অবস্থান কোথায় নিয়ে যাবে, তা আগে থেকে নিশ্চিত করে বলা যায় না।
09/06/2026
আজ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সৌজন্য সাক্ষাতে একটি নতুন মুখ নজর কেড়েছে তিনি হলেন আলি আহমাদ মাবরুর।
তিনি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল শহীদ আলি আহসান মুজাহিদের পুত্র। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি লেখক, গবেষক ও অনুবাদক হিসেবে পাঠকমহলে পরিচিত।
আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ব্যারিস্টার আরমান। পররাষ্ট্র ও কূটনৈতিক অঙ্গনে দলটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এখন আলি আহমাদ মাবরুরকেও উপদেষ্টা টিমে যুক্ত করা হয়েছে। এটা আমীরে জামায়াতের গুড ডিসিশন।
এটিকে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখি। কারণ মাবরুর সাহেবের রয়েছে লেখালেখি, গবেষণা, ইতিহাসচর্চা এবং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি নিয়ে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা।
তাঁর অনূদিত ও মৌলিক গ্রন্থগুলোর মধ্যে Lost Islamic History, Destiny Disrupted, উম্মুল মুমিনীন, মুসলিম চরিত্র, কুরআনিক দোয়া এবং হামাস উল্লেখযোগ্য। সহজবোধ্য ভাষায় জটিল বিষয় তুলে ধরার দক্ষতার কারণে তিনি পাঠকমহলে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন।
জামায়াত যদি আগামী দিনের নেতৃত্বে মেধা, জ্ঞান, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগে দক্ষ ব্যক্তিদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করে, তাহলে তা দলটির জন্য চমৎকার সুবিধা দিবে।
সার্বিকভাবে, পররাষ্ট্রবিষয়ক টিমে আলি আহমাদ মাবরুরের অন্তর্ভুক্তি একটি চিন্তাশীল ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলেই।
আশা করি, তিনি তাঁর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞা দিয়ে এ দায়িত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন।
ইনশাআল্লাহ।
08/06/2026
আগামীকাল সংসদে ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত আলোচনা হবে।
বিরোধী দলীয় নেতা আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে বক্তব্য দেওয়ার জন্য সংসদে নোটিশ জমা দিয়েছেন।
ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে সাম্প্রতিক সরকারের অহেতুক নিয়ন্ত্রণ, এস আলমকে মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন, গ্রাহকদের উদ্বেগ এবং দেশের অর্থনীতিতে এর প্রভাব সব মিলিয়ে বিষয়টি এখন জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে।
আগামীকালের অধিবেশনে জামায়াত এই ইস্যু কতটা জোরালোভাবে উপস্থাপন করতে পারে, সরকারের অবস্থানের জবাব কী হয়, এবং সংসদীয় বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয় সেদিকেই এখন নজর।
দেখা যাক, আগামীকাল সংসদে ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে কী বার্তা আসে।
02/06/2026
জামায়াত-শিবির যদি তাদের শহীদদের স্মরণ করে, তাহলে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। শহীদ আব্দুল মালেককে স্মরণ করা স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিত। প্রশ্ন হলো, শিবির যদি তাদের আইকনিক শহীদ আব্দুল মালেককে নিয়ে কথা না বলে, তাহলে কাকে নিয়ে বলবে?
অন্যদিকে, এনসিপি ও বিএনপি মহলে তোফায়েল আহমেদকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, সে বিষয়ে খুব বেশি আলোচনা বা সমালোচনা চোখে পড়ে না। বরং মূল টার্গেট হয়ে ওঠে জামায়াত ও শিবির।
এতে মনে হয়, এনসিপি বিএনপি গোষ্ঠীর রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু কোনো কর্মসূচি "জামায়াত-শিবির বিরোধিতা"কেই প্রধান রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে।
শিবির ও জামায়াত তাদের শহীদ নেতাকর্মীদের স্মরণ করলে সেটাকে "ইস্যু বানানো" বলা হবে, আর অন্য পক্ষ খুনি তোফায়েলদের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মহিমান্বিত করলে সেটি স্বাভাবিক হিসেবে গ্রহণ করা হবে এ ধরনের দ্বৈত মানদণ্ড মানুষ সহজেই বুঝতে পারে।
আসলে এনসিপি বিএনপিসহ সবাই জামায়াত শিবিরের রাজনীতি শেষ করতে চায়। তারা ভুলে লীগসহ বামপন্থীরা সবাই এটা চাইত কিন্তু আল্লাহ ইচ্ছা ও সময়ের পরিক্রমায় তারাই হারিয়ে গেছে কিন্তু জামায়াত শিবির আল্লাহর রহমতে ঠিকই আছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.