Daily Mirror
Live a life of ecstatsy ✌️
07/06/2026
ঝড়ের দিনে
মামার দেশে
আম কুড়াতে সুখ! 😊
কিন্তু আমি আম না কুড়িয়েই এতগুলো আম পেয়ে গেলাম নানুবাড়ি থেকে 😜!
N.B. : Don't judge the outer appearance. All the glitters isn't gold. Those came to a great help of me alhamdulillah..
আমরা কীভাবে আরাফার দিনের (ইয়াওমুল আরাফাহ) সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করব?
আমরা কীভাবে আরাফার দিনের (ইয়াওমুল আরাফাহ) সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করব?
আরাফাতের দিনটি শপিং, কেনাকাটা, ঘুম কিংবা আরাম-আয়েশ করে কাটিয়ে দেওয়ার দিন নয়!
যদি এই কাজগুলো খুব বেশি জরুরি হয়, তবে আরাফাতের দিনের অন্তত দুই দিন আগেই তা শেষ করে ফেলুন।
এটি এমন এক দিন, যাকে আল্লাহ তা'আলা অত্যন্ত সম্মানিত করেছেন। এটি সেই দিন, যার সম্মান করার নির্দেশ আল্লাহ নিজে দিয়েছেন।
এই দিনে আল্লাহ তা'আলা আসমানের ফেরেশতাদের সামনে আরাফাতের ময়দানে সমবেত বান্দাদের নিয়ে গর্ব করেন।
এটি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার দিন, ইবাদত ও আনুগত্যে কঠোর পরিশ্রম করার দিন; আর বছরের সবচেয়ে সেরা দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া।
তাই সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন, যেন আপনার জীবনের এই বিশেষ দিনের একটি নিঃশ্বাসও আল্লাহর আনুগত্য পার না হয়।
আরাফার দিনের ইবাদতের একটি আদর্শ রুটিন (টাইমটেবিল):
১.আরাফাতের আগের রাতে জলদি ঘুমিয়ে পড়ুন, যেন পরদিন আল্লাহর ইবাদত ও আনুগত্য করার জন্য শরীরে পূর্ণ শক্তি পান।
২. ফজর হওয়ার আগেই ঘুম থেকে উঠুন, যেন এই মহামূল্যবান দিনের রোজা রাখার উদ্দেশ্যে শেষ রাতে সাহরি খেতে পারেন।
৩. তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করুন। কম পক্ষে দুই বা চার রাকাত নামাজ পড়ুন। সেজদারত অবস্থায় আপনার রবের কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত কল্যাণ চেয়ে আকুল দোয়া করুন।
আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানান যে, তিনি আপনাকে রহমত ও মাগফিরাতের এই বিশেষ দিনটি পর্যন্ত বাঁচিয়ে রেখেছেন।
৪. ফজরের আগের সময়টুকু ইস্তিগফারে কাটান, যেন আল্লাহর দরবারে আপনার নামটিও শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থনাকারীদের তালিকায় লিখে নেওয়া হয়।
৫. ফজরের আযানের ৫ মিনিট আগেই প্রস্তুত হয়ে যান। ওযু করার সময় মনে মনে এই অনুভূতি রাখুন যে, ওযুর শেষ ফোঁটা পানির সাথে আপনার জীবনের গুনাহগুলোও ধুয়ে মুছে যাচ্ছে।
৬. ফজরের নামাজ পড়ুন এবং জায়নামাজেই বসে থাকুন। সূর্য ওঠার পর আরও ১৫ মিনিট পর্যন্ত নিজের জায়নামাজেই অবস্থান করুন; যেন একটি পূর্ণাঙ্গ হজ ও উমরার সওয়াব লাভ করতে পারেন, যেমনটি প্রিয় নবী ﷺ হাদিসে বর্ণনা করেছেন।
৭. ফজর নামাজের সালাম ফেরানোর পর থেকেই তাকবীর শুরু করে দিন:
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।"
৮. ফজরের নামায শেষে ইশরাকের সময় পর্যন্ত বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন।
তাসবীহ-তাহলীল পড়ুন, আল্লাহর হামদ (প্রশংসা) করুন, নবী করীম ﷺ-এর ওপর দরুদ পড়ুন এবং সকালের মাসনুন দোয়া ও জিকিরগুলো পড়তে ভুলবেন না।
৯. এরপর আপনার ইচ্ছা! যদি আপনার ভেতরে পুরো দিন না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেওয়ার মতো শক্তি থাকে, তবে একটি সেকেন্ডও নষ্ট না করে জিকির ও দোয়ায় মগ্ন থাকুন এবং দোয়া কবুল হওয়ার পূর্ণ বিশ্বাস রাখুন।
আর যদি ক্লান্তি লাগে, তবে এই নিয়তে ১ ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিতে পারেন যে, এই ঘুমের মাধ্যমে ইবাদত করার নতুন শক্তি অর্জিত হবে।
১০. ঘুম থেকে উঠে ওযু করুন এবং কম পক্ষে ৪ রাকাত চাশতের নামাজ আদায় করুন।
ক্লান্তি বা একঘেয়েমি দূর করতে ইবাদতের ধরন বদলে বদলে করুন। যেমন: কিছুক্ষণ তাকবীর, কিছুক্ষণ জিকির, কিছুক্ষণ তিলাওয়াত, তারপর দরুদ শরিফ।
আরাফার দিনে এই দোয়াটি সারাদিন সবচেয়ে বেশি বেশি পড়ুন:
"لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد، وهو على كل شيء قدير"
(লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর)।
১১. যোহরের নামাজ জামাতের সাথে আদায় করুন। নামাজের পর তাকবীর দিন, তাসবীহ পড়ুন এবং পবিত্র কুরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করুন।
১২. আসরের নামাজ জামাতের সাথে আদায় করুন। নামাজের পর তাকবীর দিন এবং সন্ধ্যার মাসনুন আজকার ও দোয়াগুলো পড়ে নিন।
১৩. এবার পরম আকুলতা ও বিনয়ের সাথে দোয়ায় মগ্ন হোন। আল্লাহর দরবারে হাত তুলে দুনিয়া ও আখিরাতের আপনার যত হাজত বা প্রয়োজন আছে, সব চেয়ে নিন।
মনে রাখবেন, এই সময়ে (আসরের পর) দোয়া কবুলিয়তের দুটি বিশেষ মুহূর্ত একসাথে জমা হচ্ছে:
• আরাফাতের দিনের আসরের পরের শেষ মুহূর্ত।
• একজন রোজাদারের ইফতারের ঠিক আগের মুহূর্ত।
দোয়ার এই বরকতময় সময়ে দুনিয়াজুড়ে নির্যাতিত, মজলুম ও অসহায় মুসলিম ভাই-বোনদের জন্য দোয়া করতে একদম ভুলবেন না।
একইসাথে দোয়ার একটি অংশ সেসব মৃত মুসলমানদের জন্যও রাখুন, যারা অন্ধকার কবরে শুয়ে আমাদের থেকে মাগফিরাতের দোয়ার আশা করে আছেন।
১৪. আল্লাহর কাছে রোনাজারি করুন, যেন আরাফাতের দিনের সূর্যটি ডোবার আগেই আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে চিরতরে মুক্তিপ্রাপ্ত ভাগ্যবানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে নেন।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত এবং তাঁর দরবারে কবুল হওয়া নেককার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আমীন।
16/05/2026
Amidst the blur, you'll catch glimpses of my life,,
Exactly as I've envisioned it ❤️
Happy Mother's Day ❤️
09/05/2026
📣সিলেটবাসীদের জন্য সুখবর! 🥳
সিলেটের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো পাকিস্তান থেকে সরাসরি সিলেটে এসে মেলা আয়োজন করেছেন পাকিস্তানি ডিজাইনার ও ফ্যাশন হাউজ মালিকরা!
আমানউল্লাহ কনভেনশন হলে গত শুক্রবার থেকে আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে এই এক্সক্লুসিভ মেলা!!
মেলায় আমি থাকছি! আপনি আসছেন তো??মেলায় আমার সাথে দেখা করতে চাইলে কমেন্ট করে জানান। আপনাদের থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সাড়া পেলে আমার পরবর্তী স্ট্যাটাস /স্টোরিতে আপনাদের জানিয়ে দেয়া হবে আমি কোনদিন কোন সময় মেলায় আসছি।
এই সুযোগ শুধুমাত্র সিলেটিদের জন্য। শুধু কমেন্ট গণনা করা হবে। ইনবক্স এর মেসেজ গণনা/ চেক করা হবে না।
ধন্যবাদ।
৬ মে ঐতিহাসিক বালাকোট দিবস, যা ১৮৩১ সালের এই দিনে বালাকোটের যুদ্ধে শাহ সৈয়দ আহমদ বেরলভি (রহ.) ও শাহ ইসমাঈল শহীদ (রহ.) সহ অনেক মুজাহিদের শাহাদাত বরণকে স্মরণ করে [২, ৬]। এই দিনটি শিখ বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনের একটি গৌরবোজ্জ্বল ও বেদনাবিধুর স্মৃতি এবং ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামী পুনর্জাগরণের চেতনার প্রতীক হিসেবে পালিত হয় [৬, ১১]।বালাকোট দিবসের মূল দিকসমূহ:ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৮৩১ সালের ৬ মে মানশেরা জেলার (বর্তমান পাকিস্তান) বালাকোটে শিখ রাজা রঞ্জিত সিংয়ের বাহিনীর সাথে সাইয়েদ আহমদ বেরলভির নেতৃত্বাধীন মুজাহিদ বাহিনীর যুদ্ধ হয় [১, ৯]।তাৎপর্য: এটি একটি অসম যুদ্ধ ছিল যেখানে শাহ সৈয়দ আহমদ ব্রেরলভি (রহ.) এবং তাঁর সহযোদ্ধারা শহীদ হয়েছিলেন [৪, ৬]।প্রেরণা: ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন ও তৎকালীন অত্যাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং মুসলমান উম্মাহর শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে এই আন্দোলন পরিচালিত হয়েছিল [৬]।পালন: বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন, বিশেষ করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, এই দিনটিকে 'ঐতিহাসিক বালাকোট দিবস' হিসেবে পালন করে থাকে [৪, ১০]।নোট: আধুনিক প্রেক্ষাপটে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা [৭, ৮], তবে "বালাকোট দিবস" বলতে মূলত ১৮৩১ সালের ৬ মে-এর ঐতিহাসিক যুদ্ধের দিনটিকে বোঝানো হয়।আপনি কি এই দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বা মূল যুদ্ধ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে চান?
পহেলা বৈশাখ
আমাদের অনেকের অনেক প্ল্যান! নতুন শাড়ি কেনা, সকালে পান্তা ইলিশ!
এই আনন্দঘন সময়ে আপনাদেরকে একটু মনে করায়ে দিই ১১ বছর আগের ঘটনা। অনেকে জানেন, অনেকে জানেন না, অনেকে জেনেও ভুলে গেছেন।
২০১৫ সালের পহেলা বৈশাখে সন্ধ্যার দিকে টিএসসি এলাকায় প্রায় ১৫-২০ জন নারীর কাপড় চোপড় খুলে নেওয়া হয় এই ভীড়ের মধ্যেই।
প্রায় ৫০-৬০ জনের একটা দল সার্কেল করে নাচগান করতে থাকে আর এই সার্কেলের মধ্যে একে একে নারীদের বিবস্ত্র করা হয়। আক্রান্তদের চিৎকার যেন কেউ না শোনে তাই সবার হাতে ছিলো ভেঁপু বাঁশি। এই নারীদের মধ্যে কেউ স্বামীর সঙ্গে এসেছিলেন ঘুরতে, কেউ বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে, কেউ একা। এর মধ্যে একজন এসেছিলেন তার ৮ বছরের মেয়ে বায়না করেছিলো বলে মেয়ে আর তার ভাইকে সাথে নিয়ে। বোনকে বিবস্ত্র করার সময় ভাইটা আর বাচ্চা মেয়েটা ভদ্রমহিলার গায়ের উপর শুয়ে পড়লে তিনজনকেই এলোপাথাড়ি লাথি মারা হয়। পরে টিএসসিতে থাকা বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের ছেলে মেয়েরা ব্যাপারটা নোটিশ করলে তারা বাঁধা দেয় এবং হামলার শিকার হয়৷ মুহুর্তে ৫০-৬০ জনের দলটি ভেঙে ভিড়ে মিশে যায়।
আমি ঠিক ওই সময় ওই জায়গা দিয়েই বাংলা একাডেমি থেকে হলে ফিরছিলাম। আমি ভেবেছিলাম ওখানে বোধহয় সাপের খেলা বা বায়োস্কোপ জাতীয় কিছু চলছে তাই সবাই সার্কেল করে হৈচৈ করছে।
আমার কপাল হয়ত খুব ভালো ছিলো বলেই কৌতুহল মেটাতে সার্কেলের কাছে যাওয়ার সময় ছিলো না। ঘন্টা খানেক পরে হলে গিয়ে নিউজে যখন এই ঘটনা দেখছি ভিয়ে নার্ভাস ব্রেক ডাউন হয়ে গেছিলো আমার কারণ আমি ঠিক ঐখানে ছিলাম ওই সময়ে ।
পুরো এলাকাটা সিসিটিভি আওতাধীন ছিলো। পাশেই কয়েক শত পুলিশ ছিলো। ঘটনার কয়েক ঘন্টার মধ্যে সিসিটিভি ফুটেজ থেকে আসামীদের ছবি এবং যাবতীয় পরিচয় প্রকাশ পেলেও বিশেষ ক্ষমতাবলে কেউ গ্রেফতার হয় নাই। জাস্ট কিছুদিনের জন্য ক্যাম্পাসে ওই ভেপু, ভুভুজেলা নিষিদ্ধ হইছিলো! এজ ইফ সব দোষ ভুভুজেলার।
এই জিনিসটা আমার একটা পার্মানেন্ট ট্রমা হয়ে গেছে। আমি এখনো কোনো ভীড়ে যেতে পারি না। ইভেন শুক্রবার বা কোনো ওকেশনাল ডে তে বাসা থেকে বের হই না। ঈদের আগ দিয়ে মার্কেটেও যাই না। একা একা কখনোই পাব্লিক বাসে উঠি না৷ দরকার পড়লে ৩/৪ কিলোমিটার হেঁটে যাই তাও বাসে উঠি না।
পহেলা বৈশাখে অনেকেই বের হবেন। টিএসসি যাবেন, রবীন্দ্র সরোবর যাবেন, বি ভেরি কেয়ার ফুল! সবখানে বিপদ আপনার জন্য ওৎ পেতে আছে, এবং এই প্রশাসন আপনাকে নিরাপত্তা বা সুবিচার দুটোই দিতে ব্যর্থ।
সো এগেইন, বি ভেরি কেয়ারফুল।
কিছু মানুষ আছে এমন সারা বছরেও যাদের খবর মিলে না, ফেইসবুকে স্ট্যাটাস /স্টোরি দিলে তারা কমেন্টবক্সে কমেন্ট না করে সরাসরি মেসেঞ্জারে হানা দেয়। 🤐
Missing my sweet birthland 🇸🇦💔
Happy Independence Day 🇧🇩
Click here to claim your Sponsored Listing.