Aish Humaira

Aish Humaira

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Aish Humaira, Motivational Speaker, Sylhet.

23/09/2025

মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি গত মাসে। একমাত্র মেয়ে। ছেলেটা ছোট এখনো কলেজে পড়ে।
আজ মেয়ের বাসায় দাওয়াত পরেছে। ইফতারের দাওয়াত।
কাল রাতেই মেয়েকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করলাম - তোর কি কি খেতে মন চায়? কি আনবো?

মেয়ে আমার এক লম্বা লিস্ট ম্যাসেজ করে পাঠালো। কিন্তু লিস্টের কোথাও মেয়ের পছন্দের কোন কিছু দেখলাম না। আমার মিসেস কে বললাম - মেয়ে তো জীবনেও মিষ্টি খায় নাই। আজ এতগুলা পদের মিষ্টি নিতে বলল কেন?
ফলও তো কোনদিন জোর করে খাওয়াতে পারি নাই। তবুও ৬ পদের ফলের নাম লিখে দিছে। আবার লিখছে ১০ কেজি দেশি দুধ আর ৮ টা দেশি মুরগি নিতে। এগুলাও তো তারে খাওয়াইতে পারতাম না এই বাসায় রেখে। এক মাসেই মেয়ের খাবারের রুচি বদলে গেলো? যাক ভালো অভ্যাস হয়েছে।

সে কোন কথার উত্তর দিলো না। যেন তার এতে কোন মাথা ব্যাথা নেই।

সকাল সকাল উঠে ঠাটারি বাজার গিয়ে দেশি মোরগ নিলাম। আগের রাতে একজনকে গোয়ালের দুধ এনে দিতে বলেছিলাম। সেও নিয়ে হাজির।

যাওয়ার পথে ফল আর মিষ্টি কিনে নিবো।

আমি যখন দুপুর বেলা নামাজে পড় রেডি হচ্ছি তখন আমার স্ত্রী মাত্র কুরআন পড়তে বসলো।
তার মেয়ের বাড়িতে যে তার দাওয়াত সেটা সে পাত্তাই দিচ্ছে না।

জোরে এক ধমক দিয়ে বললাম - মেয়েটার বাসায় তাড়াতাড়ি যাবো। দুটো গল্প করবো তা না উনি দেরি করে যাবে।

সে এখানেও কোন কথা না বলে এক পাতা পড়ে উঠে গেলো রেডি হতে।
ছেলেকেও ধমকিয়ে রেডি করলাম।
আমার বাসা থেকে ওর বাসায় যেতে প্রায় ৪৫ মিনিট লাগে। রাস্তায় জ্যাম থাকলে আরো বেশি সময় লাগে।

এক সিএনজি তে সবার জায়গা হচ্ছে না।
আমি মুরগি দুধ নিয়ে এক সিএনজি তে উঠলাম আর মা ছেলেকে আরেকটায় তুলে দিলাম।
রাস্তা theke ওর লিস্ট করা সব ফল নিলাম।

আমার ভীষণ আনন্দ লাগছে। মেয়েটাকে কত দিন পর দেখবো। কত কথা জমে আছে।
ছেলের চেয়ে মেয়েটাকেই আমার বেশি আপন লাগে। ও জন্মনোর সময় বারবার করে আল্লাহর কাছে বলেছি আল্লাহ একটা জান্নাত দিয়েন আমার ঘরে। মেয়েটার নামও রেখেছি জান্নাত।

ওদের বাসায় গিয়ে দরজায় নক করতেই বেয়াই সাহেব গেট খুলে দিলো। একে একে সবাই আসলো আমাদের স্বাগতম জানাতে। কিন্তু মেয়েটা এলো না।
যা যা এনেছি সব ওদের হাতে তুলে দিচ্ছিলাম কিন্তু কারো মুখে তেমন আনন্দ দেখলাম না।

আমরা বসেছি পরে মেয়েটা দৌড়ে আসলো। আমাকে দেখেই হেসে বললো - তুমি অনেক শুকায় গেছো আব্বা। আমি উঠে দাঁড়িয়ে মেয়েটাকে জড়িয়ে ধরতে হাত বাড়িয়ে দিলাম।

তখন আমার জান্নাত বললো - আব্বা আমার গায়ে অনেক ঘাম। তুমি ফ্যা

22/09/2025

আমার তিন্নি বেগম... সকাল ৬ টা থেকে রাত ২ টা যার নিয়মিত অফিস.. কোন শুক্র শনির ছুটি নাই.. তবে নিয়ম করে ওভারটাইম আছে... মাঝরাতে বাবুর ডাইপার চেঞ্জ মাস্ট...তার উপর সকালে মেয়ের স্কুলের লেট হবে এই ভয়ে ৬ টায় এলার্ম দেয়া থাকলেও ভোর ৫ টার পর থেকেই তার ঘুম নাই...মেয়ের স্কুলের টিফিন বানাতে বানাতেই আমাদের ছোট্ট শায়ান উঠে কান্না শুরু করেছে...এবার ছেলেকে কোলে নিয়েই চলছে মেয়েকে রেডি করার পালা...এভাবেই সকাল থেকে রাত ইনি আমাদের সামলে যাচ্ছে রোজ..... আমরা দুজনেই ইঞ্জিনিয়ার, তবে এতোকিছু একসাথে সামলানোর অভিজ্ঞতাটা সত্যি আমার নেই... ঐ আট ঘন্টার অফিস সামলে এসেই আমি যখন ভয়ানক ভাবে টায়ার্ড তখনও সে টানা ২০ ঘন্টার ডিউটির পর... এই একগুচ্ছ ফুল পেয়েই জগতের সমস্ত ক্লান্তি ভুলে যেতে পারে.... Yea This is my Wife... I m Proud of her ❣️

© RJ UDAY

10/09/2025

দুঃখ কষ্ট, ব্যর্থতা—এসব আসলে আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা।
তুমি যদি ধৈর্য ধরো এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখো, তবে এই পরীক্ষা তোমার জন্য জান্নাতের সিঁড়ি হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

💖 “নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি।” (সূরা আশ-শারহ: ৬)

10/09/2025

ডাকসু নির্বাচন থাইক্কাও ডেঞ্জারাস নির্বাচন হইতো স্কুলে আমাগো ক্লাস ক্যাপ্টেন নির্বাচন। চরম উত্তেজনায় একবার নির্বাচনে খাড়াইছিলাম, সাথে খাড়াইছিলো ক্লাসের ফাস্ট বয় মোবারক। স্যার মোবারকরে জিগাইলো তুমি জিতলে কি করবা? মোবারক কইলো, জিতলে ক্লাসে শান্তি ফিরিয়ে আনবো। মেয়েদের সাথে ছেলেদের যাতে ইটিশ পিটিশ জনিত কিছু না হয় সে ব্যাপারে সদা তৎপর থাকবো।

আমি কইলাম, জিতলে সবাইরে সিঙ্গারা খাওয়াবো। নির্বাচনের দিন বিপুল ভোটে জিতে গেলাম। ক্লাসের সবাইরে কথামত সিঙ্গারা খাওয়াতে হইছে, মোবারক এই হার মেনে নিতে না পেরে বাথরুমে বসে অনেক কান্নাকাটি করলো।

তয় সিঙ্গারার দাম আমি প্রতিদিন একবার কইরা তুলতাম। বোর্ডে নাম লিখতাম, সেই নাম স্যার আসার আগে মুছে দেয়ার চুক্তি ছিলো একটা সিঙ্গারা। পরের বছর আবার সিঙ্গারার সাথে কুক খাওয়াবো ইস্তেহার দিছিলাম সেবারও জিতছি কারণ দেশীয় ন্যাড়া বেল তলায় বার বার যায়।

06/09/2025

গভীর রাতে সবাই যখন ঘুমের দেশে, নোয়াখালীর এক গুণধর দেবর তখন ভাবীর বাসায় 'ওভারটাইম ডিউটি'তে ব্যস্ত। ভেবেছিলেন, ভাই বিদেশে, লাইন তো পুরাই ক্লিয়ার! কিন্তু তিনি ভুলে গিয়েছিলেন, পাড়া-প্রতিবেশী নামক একদল সজাগ 'সিসিটিভি ক্যামেরা' ২৪/৭ চালু থাকে!

ঘটনা আর কিছুই না, দেবর-ভাবীর দীর্ঘদিনের "গোপন মিটিং" চলছিল এলাকাবাসীর নাকের ডগায়। সবাই ভাবতো, আহা! কী সুন্দর সম্পর্ক! দেবর তার ভাবীর কত খেয়াল রাখে! কিন্তু সেই খেয়াল রাখতে গিয়ে যে তারা নিজেরাই 'খেয়ালে' থাকবে না, তা কে জানতো!

যেই না গভীর রাতে কর্ম সম্পাদন করতে গিয়েছেন, অমনি এলাকাবাসী "রেড অ্যালার্ট" জারি করে হাতে-নাতে ধরে ফেললো। তারপর আর কী! সকালের নাস্তার বদলে জুটলো ঘরের খুঁটির সাথে রাজকীয় বাঁধন এবং সাথে মুখরোচক চুনকালির প্রলেপ। হিসেবে ছিল উত্তম-ম*ধ্য*ম নামক গণসংবর্ধনা!

তবে হাসি-ঠাট্টা বাদ দিয়ে সিরিয়াস কথায় আসি:
ব্যাপারটা হাসির হলেও এর পেছনের কারণটা কিন্তু কা*ন্নার। বিদেশে থাকা ভাইটা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে টাকা পাঠায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে, আর সেই পরিবারের সদস্যরাই তার পিঠে ছু*রি চা*লায়। যে দেবরকে ছোট ভাইয়ের স্নেহ দিয়ে আগলে রাখার কথা, সেই দেবরই হয়ে ওঠে ঘরের শ*ত্রু বিভীষণ।

এই প*র*কী*য়া নামক সামাজিক ব্যা*ধি আজ ক্যা*ন্সা*রের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। এর জন্য শুধু একজন দায়ী নয়, আমাদের ঢিলেঢালা পারিবারিক শাসন, সন্তানদের খোঁজখবর না রাখা এবং নৈতিক শিক্ষার অভাবও অনেকাংশে দায়ী। একটা ভুলের কারণে পুরো পরিবারের সম্মান মাটিতে মিশে যায়।

এখন আপনাদের কাছে প্রশ্ন:
এই প*র*কীয়া নামক "ভাইরা*স" সমাজ থেকে দূর করার জন্য আপনার মূল্যবান ‘প্রেসক্রিপশন’ কী? খুঁটির সাথে বেঁধে উত্তম-ম*ধ্য*ম দেওয়া কি সঠিক সমাধান, নাকি এর চেয়ে ভালো কোনো ‘ট্রিটমেন্ট’ আছে?
কমেন্টে আপনার আইডিয়া শেয়ার করুন!

#প্রবাসী #পরকীয়া
#নোয়াখালী #দেবর_ভাবী #পরকীয়ার_ফাইনাল_ম্যাচ #সামাজিক_অবক্ষয় #প্রবাসীর_কষ্ট #ভাইরাল_টপিক
কপি

06/09/2025

আমার বরের পছন্দ সুন্দর ভাজা মাছ। লো হিটে অনেকটা সময় ধরে আস্তে আস্তে ভাজা মাছ, যেটার ভিতরে-বাইরে দুইটাই সুন্দর মচমচ করবে। একদম সিদ্ধ সিদ্ধ ভাব থাকবেনা।
এদিকে তার রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী মাছ ভাজতে গিয়ে আমাদের সবার কম্ম কাবার।

চুলার পাড়ে দাড়িয়ে থেকে থেকে আমরা ভাজা ভাজা হয়ে যাই, কিন্তু মাছ আর ভাজা হয়না।

খেতে বসে বর উদাস গলায় বলেন, নাহ, মাছটা ঠিক মত ভাজা হয়নাই।
তোমরা কেউ ঠিকমত মাছ ভাজতে পারোনা।
নাহ, মাছ টা কেমন সাদা সাদাই থেকে গেছে ইত্যাদি ইত্যাদি!

উনাকে যতই বুঝাই আমরা কত সময় নষ্ট করে এই মাছ ভেজেছি, উনি এর মর্ম আর বোঝেন না!

গতকাল আমি খুব ক্লান্ত ছিলাম।
বর বললেন, তুমি মাছটা মেরিনেট করে দাও, আজ আমি ভাজব নাহয়।

উনি কাটাবাছা, মাজামাজিতে যতটা এক্সপার্ট, রান্নাবান্না, ভাজাভুজিতে অতটা পারদর্শী নন।
ভাজতে গিয়ে তেল ছিটে, আর উনার বুকের ভিতর ধরফর করে।

কিন্তু মায়া করে যে মানা করব, সেটা করলাম না।

এরপর উনি তিনটা মাছ ভাজলেন ৪৫ মিনিট ধরে, লো হিটে, চুলার পাড়ে, দাড়িয়ে দাড়িয়ে।

এরপর আমি রান্নাঘরে আসলাম। উনাকে জিজ্ঞেস করলাম,

আচ্ছা, যখন রেগুলার কাজকর্ম থাকে আমাদের, এভাবে এত সময় ধরে মাছ ভাজা কি কোন ভাবে প্র‍্যাক্টিকাল বল তো?

এইবার উনি একটা সেকেন্ড ও সময় নিলেন না। একবারেই মেনে নিলেন,

না, এটা একদম প্র্যাক্টিকাল না! এত সময় ধরে মাছ ভাজলে অন্য কাজ কখন করব! এইরকম ভাজা মাছ খেতে হলে একমাত্র ছুটির দিনে যখন হাতে সময় থাকবে তখন খেতে হবে!

কথায় বলে বুদ্ধিমানেরা দেখে শিখে।ঠেকে শিখে না।
এই কথা ছোটবেলায় জানার পর থেকে আজীবন বুদ্ধিমান হওয়ার চেষ্টা করে গেছি। কতটুকু পেরেছি জানিনা, কারণ নিজের কাছে আমার নিজেকে বড়ই স্টুপিড বলে মনে হয়। এইকারণে আশে পাশে আমার যা ঘটে সেখান থেকেই শেখার চেষ্টা করি।

এইরকমই বিশাল বড় একটা লাইফ লেসন পেয়েছিলাম আমার আব্বুর একটা কথা শুনে।

সারাজীবন আমার আম্মু সংসারের প্রতিটা কাজ নিজের কন্ট্রোলে নিয়ে করেছেন। সেইখানে আব্বুর, আমার বা ভাইয়ার কোন হাত ছিলনা। আমরা জানতামও না এই বিশাল বড় পাহাড়াসম একটা বাড়ি ফাংশন করে কিভাবে, এটা কিভাবে ম্যানেজ করা হয়। কিভাবে সব পরিষ্কার থাকে, কিভাবে সময়মত টেবিলে দশ রকম পদের খাবার চলে আসে, কিভাবে আমাদের জামা কাপড় সবসময় লন্ড্রি করা একদম রেডি থাকে।

খাবার দিতে সামান্য লেইট হলেই আব্বু বিরক্ত হতেন, এমন কি কাজ থাকে যে খাবারটা সময় মত দেওয়া যায়না!
সংসারের খুটিনাটি এসব ম্যানেজ করার যে কষ্ট টা সেটা উনি আম্মু বেচে থাকতে কখনোই বুঝে উঠতে পারেন নি।

অথচ আম্মু চলে যাওয়ার দেড় বছর পরই একদিন ড্র‍য়িং রুমের সোফায় বসে আমাকে আব্বু বললেন,

এখন তো দেখছি তোমার আম্মু যা যা বলতো সবই ঠিক বলত। এখন বুঝতে পারছি এই কাজের লোক চালানো কিরকম কঠিন। সংসারের এই কাজ গুলো কিভাবে যে তোমার আম্মু ম্যানেজ করতো আমি তো চিন্তাই করতে পারিনা!

অথচ এই ছোট্ট একটা acknowledgment পাওয়ার জন্য আম্মু ৭০ বছর অপেক্ষা করেছেন। আর আক্ষেপ করেছেন, আমি মরে গেলে বুঝবি তোরা সবাই।

আব্বু সত্যি বুঝলেন, কিন্তু সেই বোঝাটা যার জন্য সবচেয়ে দামী ছিল সেই মানুষ টা আর নেই। যে মানুষটা এই কথা গুলো শুনলে মনে করত তার জীবন হয়তো আসলেই গুরুত্বপূর্ণ, তার সারাজীবন ধরে করে যাওয়া কাজগুলোর ভ্যালিডেশন আছে, সম্মান আছে সেই মানুষ টা আর থাকলো না।

কি লাভ হল এই বোঝার?

সেইদিন আমার শিক্ষা হয়ে গেছিল, এই জীবনে আমার কাজের ভ্যালিডেশন আমি বেচে থাকতে থাকতেই যেন আমার পরিবারের, আমার আশে পাশের মানুষগুলো বুঝতে পারে। এসব আক্ষেপ অভিমান নিয়ে আমার সারা জীবন আমি কাটাতে চাইনা।

আমি চাইলে হয়তো আম্মুর মত, বা বাকি মা খালাদের মত সব কাজ করতে পারতাম।
আমি করিনি।
আমি সব কাজ করে দিয়ে আমার পার্টনারকে আরো স্পয়েলড করতে চাইনি। একজন মানুষের সব কাজ করে দেওয়াকে ভালবাসা বলেনা।

আমার পার্টনার যথেষ্ট সেনসিটিভ, রেস্পন্সিবল - কিন্তু উনিও আমার মত জমিদারের নাতির মত বেড়ে উঠেছেন। কাজ করতে চাইলেও উনার অনেক সময় লেগেছে সংসারে পুরোপুরি ইনভলভ হতে।
তবে এটা ঠিক, উনার মন মানসিকতা উদার না হলে হয়তো ইচ্ছাটাই থাকতো না। এইখানে উনাকে আমি ফুল ক্রেডিট দেই।

আমার কাছে মনে হয় সংসার একটা টিম ওয়ার্ক। এখানে ভালবাসার অর্থ হচ্ছে দুজন মিলে সুখ, কষ্ট, কাজ কর্ম, হার্ডশিপ, অ্যাচিভমেন্ট সব মিলে ঝুলে ভাগ বাটোয়ারা করে নেওয়া। নাহলে আমরা একে অন্যের অবস্থান বুঝব কিভাবে? একে অন্যকে রেস্পেক্ট ই বা করব কিভাবে? একে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীলই বা হব কিভাবে?

একটা ছোট্ট মাছ ভাজা থেকে যদি নিজেদের আন্ডারস্ট্যান্ডিং পাকাপোক্ত হয়, তবে একবার মাছ ভাজাই যায়, তাই না?

একটা সময় ছিল বর বলতেন, এটা তো তুমি ঝটপট রান্না করে ফেলতে পারো। খুব সহজ রান্না করা!

এখন আমি রান্না করলে উনি আরো দশটা কাজ করে দিয়ে আমাকে রেস্ট নেওয়ার ব্যবস্থা করে দেন, আর বলেন, তুমি রান্না করেছ, এটাই তো অনেক কষ্টের। বাকি টা আমি করে দিচ্ছি ঠিক আছে?

This is all I ever desired.
Validation and acknowledgement of each other's job!

মানুষের আবেগী পোস্ট দেখে বিভ্রান্ত হবেন না, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, যাকে ভালবাসি তার জাংগিয়াও ধুয়ে দিব।
আপুমনি, একসময় এই করতে করতে দেখবেন ভালবাসাটাই জানালা দিয়ে পালিয়ে গেছে। জীবনে আর কিছুই ভাল লাগেনা। আর দাম হয়তো মরে যাওয়ার পর পেলেও পেতে পারেন, বেচে থাকতে চিন্তাও করবেন না। কারণ নিজেকে টেকেন ফর গ্র‍্যান্টেড তো আপনি নিজেই বানিয়ে দিয়েছেন।
দুজন মানুষের মধ্যে ভালবাসা ধরে রাখা এত সহজ নয়।
দুইজনকেই কাঠখড় পুড়িয়ে ঝড় তুফান সামলে সংসার আগলে রাখতে হয়। কথাটা যত দ্রুত বুঝবেন তত মঙ্গল।

©অনিমা চৌধুরী
♥️

05/09/2025

মানুষের বিয়ে করা উচিত এবং ডিপলি পার্টনারের প্রেমে পড়া উচিত।❤️ এবং এই প্রেম এত বেশি গভীর হওয়া উচিত যে জগতের কোন দুঃ খ ক ষ্ট ই এই প্রেমের চাইতে বড় হবে না। কেন বলছি এই কথা??

Because some people think marriage is scary - Yes Marriage is scary what if your partner

আপনি যা পছন্দ করেন রাতের ৩ টা বাজে তাই রান্না করে আপনার বউ আপানকে খাওয়ালো,
আপনি ফুল পছন্দ করেন বলে আপনার স্বামী প্রতিদিন আপনার জন্য ফুল নিয়ে আসলো ,
আপনি সমুদ্র, পাহাড় পছন্দ করেন বলে আপনাকে মাসে একবার হলেও পাহাড় সমুদ্র দেখতে নিয়ে গেলো,
আপনি কাজ শেষে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরলে আপনার বউয়ের মুখটা দেখার পরে আপনার সব ক্লান্তি শেষ গেলো,
আপনি বই পছন্দ করেন বলে সে প্রতি সপ্তাহে আপনার জন্য দুইটা বই নিয়ে আসলো,
আপনার যখন সাপোর্ট প্রয়োজন তখন ওই মানুষটা আপনার জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে সাপোর্ট দিলো তখন সবচে কঠিনতম সময়েও মনে হবে, আমার পাশে আমার পার্টনার আছে, তার সাপোর্ট আছে। So, I don't care about anything else. সে আপনার সুখদুঃখ ভাগ করে নিবে
আপনাকে সম্মান করবে
আপনাকে অসম্ভব ভালোবাসবে..

"Honestly If someone is really into you,you won’t have to ask for effort. He/she will make time, he/she will call you, text you. Trust me! No one is ever too busy for the person they truly wants." ✨❤️

বিয়ের পরের জীবন যদি এতো ভয়ংকর সুন্দর হয়,
Then yes I agree with this statement that "Marriage is scary"

© জারজিস,হামিদা ইলা।

25/08/2025

🌸✨ আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন ✨🌸

🕌 আল্লাহ্‌ বলেনঃ
"তোমরা যদি কৃতজ্ঞ হও তবে আমি অবশ্যই তোমাদেরকে আরো বেশি দিব, আর যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি কঠিন।"
(সূরা ইবরাহীম: ৭)

🌿 জীবনের প্রতিটি কষ্টই একটি শিক্ষা…
🚪 কোনো দরজা বন্ধ হলে হতাশ হবেন না, কারণ আল্লাহ্‌ অন্য দরজা খুলে দেন—আর সেই দরজাই হয়তো আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো।

💡 মনে রাখবেন:
⏳ দেরি মানেই অস্বীকৃতি নয়, দেরি মানে আল্লাহ্‌ আপনাকে সঠিক সময়ে সঠিক জিনিস দিতে চান।

🤲 ধৈর্য ধরুন, শোকর আদায় করুন, আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।
✨ তিনি সবসময় তার বান্দার জন্য উত্তমটিই নির্ধারণ করেন।

25/08/2025
23/04/2025

এক লিটার মজো বা সফট ড্রিংক খাওয়ার বেশ কিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে, বিশেষত নিয়মিত সেবনে। এখানে প্রধান কিছু ক্ষতিকর দিক উল্লেখ করা হলো:

১. অতিরিক্ত চিনি এবং ক্যালোরি

এক লিটার সফট ড্রিঙ্কে প্রায় 100-120 গ্রাম চিনি থাকতে পারে।

এটি প্রায় 400-500 ক্যালোরি সরবরাহ করে, যা দ্রুত ওজন বৃদ্ধি এবং স্থূলতার কারণ হতে পারে।

২. রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি

চিনি দ্রুত শোষিত হয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়, যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

৩. দাঁতের ক্ষতি

সফট ড্রিঙ্কের উচ্চ চিনি এবং অ্যাসিড দাঁতের এনামেল ক্ষয় করতে পারে, ফলে ক্যাভিটি এবং দাঁতের সমস্যার ঝুঁকি থাকে।

৪. ক্যালসিয়ামের অভাব

সফট ড্রিঙ্কে থাকা ফসফরিক অ্যাসিড হাড় থেকে ক্যালসিয়াম শুষে নেয়, যা হাড় দুর্বল করে এবং অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. ডিহাইড্রেশন

সফট ড্রিঙ্কে ক্যাফেইন থাকলে তা ডিহাইড্রেশন সৃষ্টি করতে পারে।

৬. অতিরিক্ত অ্যাডিটিভ এবং কেমিক্যাল

কৃত্রিম রং, ফ্লেভার এবং সংরক্ষণকারী উপাদানগুলো লিভার এবং কিডনির ক্ষতি করতে পারে।

৭. মেটাবলিজমের উপর প্রভাব

সফট ড্রিঙ্ক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে বিপাকক্রিয়ার (মেটাবলিজম) ক্ষতি করতে পারে।

উপদেশ:
অন্য কোনো স্বাস্থ্যকর বিকল্প, যেমন পানি, লেবুর শরবত, বা তাজা ফলের রস খাওয়া বেশি উপকারী। সফট ড্রিঙ্ক মাঝেমধ্যে সীমিত পরিমাণে খাওয়া ভালো, তবে এটি অভ্যাসে পরিণত হওয়া এড়ানো উচিত।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Culinary Team

Attire

Website

Address

Sylhet