Ryhan
Assalamu Alaikum
Neymar Jr. and Mavie Da Cunha - Like Father Like Daughter 😂❤️
Viral Monkey Vlog - 07:50
If you like it, I will make more.
This video is made by "Shiv Kumar Soni" via Google Veo3
15/05/2025
⚠️বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতাল: সেবার নামে ভোগান্তির আর্তনাদ
রোগী নিয়ে যখনই দেশের কোনো সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রবেশ করবেন, তখনই শুরু হবে এক অদৃশ্য অথচ বাধ্যতামূলক খরচের ধারা। টিকেট কাউন্টারে গিয়ে জানতে পারবেন, জরুরি বিভাগের টিকিট ১০ টাকা। রোগীর অবস্থা যদি একটু জটিল হয় এবং ভর্তি করতে হয়, তখন লেখা থাকলেও ১৫ টাকা, দিতে হবে ২০ টাকা।
ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই শুরু হবে দ্বিতীয় ধাপ—রোগীকে ওয়ার্ডে নেওয়া। হুইলচেয়ারে নিলে ১০০ টাকা, আর যদি রোগী ট্রলিতে নিতে হয় তবে ২০০ টাকা।কেউ কিছু লিখে দেবে না,
কেউ রশিদ দেবে না—তবে না দিলে হাসপাতালের ভিতরে একচুলও আগানো যাবে না। ওয়ার্ডে পৌঁছে দেখবেন, বেড ফাঁকা আছে, কিন্তু সেটা পেতে চাইলে গুনতে হবে ৫০০ টাকা। না দিলে রোগীকে ফ্লোরেই থাকতে হবে, পোকামাকড়ের সাথে।
ওয়ার্ডে একাধিক স্বজন ঢুকতে চাইলে, দরজায় বসে থাকা দারোয়ান বলবে, অতিরিক্ত মানুষ প্রতি দিতে হবে ২০ টাকা। রোগী ভর্তি হলো, এবার ডাক্তার দেখবেন। একে একে শুরু হবে নানা টেস্ট, স্যালাইন, ইনজেকশন আর ওষুধের ছড়াছড়ি। রোগী সাড়ে না দিলেও টেস্ট আর নতুন নতুন ওষুধ চলতেই থাকবে।
প্রতিদিন আসবেন নতুন নতুন ডাক্তার, পুরোনো পরামর্শ বাতিল হয়ে যাবে। নতুন করে টেস্ট, নতুন ওষুধ। রোগীকে পরীক্ষা করতে নিয়ে গেলে ওয়ার্ড বয় চাইবে ১০০ টাকা হুইলচেয়ারে, আর ট্রলিতে নিলে ২০০ টাকা। রোগীর অবস্থা যাই হোক, পকেটের টাকা কম হলেই সেবার মান শূন্য।
সব টেস্ট, ইনজেকশন ও ড্রিপ শেষ করে যখন অপারেশনের সিদ্ধান্ত আসবে, তখন ডাক্তার বলবেন কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ কিনে আনতে—মূল্য প্রায় ৬,০০০ থেকে ৭,০০০ টাকা। এই ওষুধ ডাক্তারকে দিতে হবে হাতে হাতে, ফেরতযোগ্য নয়। রোগী মারা গেলেও টাকা আর ফিরবে না। আর যদি অপারেশন সফল হয়, তবে অপারেশন থিয়েটারের কর্মচারী, দারোয়ান, ওয়ার্ড বয়—সবাইকে "খুশি" করতে হবে।
সুস্থ হওয়ার পর শুরু হবে রিলিজ প্রক্রিয়া। এখানে আবার নতুন করে শুরু হবে "খুশি করার" খরচের তালিকা—নার্স, দারোয়ান, ওয়ার্ড বয়—সবাই প্রত্যাশা করে বকশিশ। কেউ খুশি না হলে রিলিজ প্রক্রিয়া আটকে যেতে পারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
সবশেষে হাসপাতাল থেকে যখন বিদায় নেবেন, তখন আপনার হাতে থাকবে ঔষধের খালি প্যাকেট, রিপোর্টের বান্ডিল আর ফাঁকা পকেট।
আর বাহিরে তাকালেই দেখবেন, ঝুলে আছে বিশাল ব্যানার—"আমরা জনগণের সেবক, আমরা সাধু!"
এই চিত্র শুধু একটি হাসপাতালের নয়। ঢাকা মেডিকেল, চট্টগ্রাম মেডিকেল, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রংপুর, কুমিল্লা কিংবা সিলেট—সবখানেই একই চিত্র, একই ব্যথা। স্বাস্থ্যসেবা যেখানে সবার অধিকার, সেখানে এটি হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্নীতি আর লুটপাটের উৎস।
ভাইরাল করা নয়, সচেতনতা ছড়ান। প্রশ্ন তুলুন। প্রতিবাদ করুন। এই চক্র ভাঙতে হবে আমাদেরই।
আমার মতো নিরব দাঁড়িয়ে থাকা ঐ দূর পাল্লার পাহাড়। এই যেনো প্রকৃতির সৌন্দর্যের অপরূপ বাহার।
08/05/2025
উপরে মেঘলা আকাশ, নিচে সবুজ প্রকৃতি। এ যেন এক বিধাতার সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি।
প্রকৃতি শুধু দিতেই পারে আর আমরা শুধু নিতেই পারি।
06/04/2025
4️⃣0️⃣4️⃣⚠️
09/03/2021
ট্রান্সজেন্ডার এবং হিজড়া এক নয়।
ট্রান্সজেন্ডার মানে লিঙ্গ পরিবর্তন। টিভিতে ট্রান্সজেন্ডার সংবাদ পাঠক দেখে খুশী হওয়ার কিছু নাই; এটা বরং অভিশপ্ত সভ্যতা লালনের ইংগিত। ট্রান্সজেন্ডার একটি শয়তানী প্রজেক্ট; স্বয়ং শয়তান এবং তার পরিচালিত সংঘগুলো এর পেছনে কলকাঠি নাড়ছে। এ প্রসঙ্গে কুরআনের আয়াতে শয়তানের বক্তব্যটি উদ্ধৃত করা আছে- ‘আমি অবশ্যই তাদেরকে পথভ্রষ্ট করব, মিথ্যা আশ্বাস দেব, তাদের নির্দেশ দেব, যার ফলে তারা পশুর কর্ণ ছেদ করবে এবং তাদের নির্দেশ দেব ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে বিকৃত করবে।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ১১৯) উল্লেখ্য ইদিনিং জেনেটিক মডিফিকেশনের মাধ্যমে মানবজাতির জেনেটিকস পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রও জোরেসোরে শুরু হয়েছে।
আমেরিকার বাইডেন সরকারের চাপে এবং প্ররোচনায় বিশ্বব্যাপী এসব বদমাশী ব্যাপকভাবে বেড়ে যাবে।
যদিও বলা হয় ট্রান্সজেন্ডার; প্রকৃতপক্ষে জেন্ডারের পরিবর্তন হয়না। অপারেশন এবং হরমোন ইনজেকশন প্রয়োগে যৌনাঙ্গে এবং দেহে কতগুলো অংশে কিছু বিকৃতি ঘটানো হয়। তারপর তথাকথিত ট্রান্সজেন্ডারগণ বিপরীত লিঙ্গের পোষাক পরিধান করে।
পুরুষ হয়ে নারীর আর নারী হয়ে পুরুষের বেশ ধারণকারীর উপর আল্লাহ তা'য়ালার লা'নত"
হাদিস শরীফে বর্ণিত,
ﻋَﻦْ ﺍﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻨْﻬُﻤَﺎ ﻗَﺎﻝَ ﻟَﻌَﻦَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ
ﺻَﻠَّﻰ
ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺍﻟْﻤُﺘَﺸَﺒِّﻬِﻲﻥَ ﻣِﻦْ ﺍﻟﺮِّﺟَﺎﻝِ ﺑِﺎﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ
ﻭَﺍﻟْﻤُﺘَﺸَﺒِّﻪ
َﺍﺕِ ﻣِﻦْ ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ ﺑِﺎﻟﺮِّﺟَﺎﻝِ
অর্থাৎ, প্রসিদ্ধ সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লহু আনহু) বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,- ‘আল্লাহ্ তা’আলা সেই সব মহিলাদের উপর অভিশাপ করেন,যারা পুরুষের বেশ ধারণ করে এবং সে সকল পুরুষদের উপর অভিশাপ, যারা মহিলাদের বেশ ধারণ করে; (বুখারী, মিশকাত হা/৪৪২৯, বাংলা ৮ম খণ্ড হা/৪২৩২)।
অন্য হাদিসে পাকে এসেছে,
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ
ﻟَﻌَﻦَ
ﺍﻟﺮَّﺟُﻞَ ﻳَﻠْﺒَﺲُ ﻟُﺒْﺴَﺔَ ﺍﻟْﻤَﺮْﺃَﺓِ ﻭَﺍﻟْﻤَﺮْﺃَﺓَ ﺗَﻠْﺒَﺲُ ﻟُﺒْﺴَﺔَ ﺍﻟﺮَّﺟُﻞِ
- হযরত আবূ হুরায়রাহ (রাদ্বি.) বলেন, - রাসূল (দ.) সেই পুরুষের ওপর অভিশাপ করেছেন যে, মহিলার পোষাক পরিধান করে এবং সে মহিলার উপর অভিশাপ করেছেন যে পুরুষের পোষাক পরিধান করে (আবূদাঊদ, মিশকাত হা/৪৪৬৯, বাংলা ৮ম খণ্ড, হা/৪২৭০, )।
অপর এক বর্ণনায় এসেছে,
ﻋَﻦْ ﺍﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻟَﻌَﻦَ
ﺍﻟْﻤُﺨَﻨَّﺜِﻴﻦَ ﻣِﻦْ ﺍﻟﺮِّﺟَﺎﻝِ ﻭَﺍﻟْﻤُﺘَﺮَﺟِّﻞﺍَﺕِ ﻣِﻦْ ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ .
- হযরত ইবনে আব্বাস (রাদ্বি.) বলেন, -“নবী (দ.) হিজড়ার বেশ ধারণকারী পুরুষের উপর অভিশাপ করেছেন এবং পুরুষ বেশ ধারণকারী নারীর উপর অভিশাপ করেছেন।” (বুখারী, মিশকাত হা/৪৪২৮)।
সহিহ হাদিসে বর্ণিত,
ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ ﺍﻟﻠﻪِ ﺑْﻦِ ﻳَﺴَﺎﺭٍ ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ ﺍﻟﻠﻪِ ﺑِﻦْ ﻋَﻤْﺮٍﻭﻋﻦِ ﺍﻟﻨَﺒِﻲِّ
ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺛَﻼَﺛَﺔٌ ﻻَ ﻳَﺪْﺧُﻠُﻮْﻥَ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔَ ﺍﻟْﻌَﺎﻕُّ
ﻟِﻮَﺍﻟِﺪَﻳْﻪِ ﻭَﺍﻟﺪَّﻳُّﻮﺙُ ﻭَﺭَّﺟُﻠَﺔَ ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ .
- হযরত আবদুল্লাহ বিন ইয়াসার
(রাদ্বি.)
বর্ণিত, ইবনে ওমর (রাদ্বি.) বলেন- রাসূল (দ.) বলেন,- ‘তিন শ্রেণীর লোক জান্নাতে যাবে না-
(১) পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান
(২) বাড়ীতে বেহায়াপনার সুযোগ প্রদানকারী
(৩) পুরুষের বেশ ধারণকারী নারী’ (নাসাঈ শরীফ)
প্রিয় নবীজির অমীয় বাণী,
ﻋَﻦْ ﺍﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻣُﻠَﻴْﻜَﺔَ ﻗَﺎﻝَ ﻗِﻴﻞَ ﻟِﻌَﺎﺋِﺸَﺔَ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻨْﻬَﺎ
ﺇِﻥَّ
ﺍﻣْﺮَﺃَﺓً ﺗَﻠْﺒَﺲُ ﺍﻟﻨَّﻌْﻞَ ﻓَﻘَﺎﻟَﺖْ ﻟَﻌَﻦَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ
ﻋَﻠَﻴْﻪِ
ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺍﻟﺮَّﺟُﻠَﺔَ ﻣِﻦْ ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ
- হযরত আবূ মুলায়কা (রাদ্বি.) বলেন, একদা আয়েশা (রাদ্বি.)-কে বলা হল, একটি মেয়ে পুরুষের জুতা পরে। তখন আয়েশা (রাদ্বি.) বললেন, “রাসূল (দ.) পুরুষের বেশধারী নারীর প্রতি অভিশাপ করেছেন।” (আবূদাঊদ, মিশকাত হা/৪৪৭০)
Copied
Sadikur rahman azhari
08/03/2021
"সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যালে কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে রুগী নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে টিকেট নিতে হবে। টিকেট ১০টাকা, টিকেট নেওয়ার পর, যদি রোগী ভর্তি করতে হয়। লিখা ১৫টাকা কিন্তু টিকেট ২০টাকা। টিকেট নেওয়ার পর রোগীকে হুইল চেয়ারে করে ওয়ার্ডে নিয়ে গেলে ১০০টাকা, আর রোগীর অবস্থা খারাপ হলে ট্রলি দিয়ে নিতে ২০০টাকা,ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়ার পর রোগীর সাথে ১জনের বেশি প্রবেশ করলে জন প্রতি ২০টাকা, ৫০০টাকা হলে বেড আছে। না হয় মাটিতে। রোগী ভর্তি শেষ। এবার ডাক্তারের পালা। ডাক্তার আসবে রোগী দেখবে।তারপর শুরু হবে পরিক্ষা। প্রথমে কমপক্ষে ৪টি পরিক্ষা সাথে ১বস্তা স্যালাইন ও কিছু ঔষধ। পরিক্ষার রিপোর্ট আসা পর্যন্ত স্যালাইন আর ঔষধ চলবে।
রিপোর্ট আসার পর আরেক ডাক্তার আসবে সে দেখে আবার অন্য পরিক্ষা দিবে।এভাবে প্রতিদিন ডাক্তার পরিবর্তন হবে আর একটার পর একটা পরিক্ষা দিবে।পরিক্ষা করাতে হুইলচেয়ারে নিয়ে গেলে ১০০টাকা আর ট্রলিতে নেওয়া লাগলে ২০০টাকা ওয়ার্ড বয়কে দিতে হবে। আর প্রতিদিন নতুন নতুন ঔষধ যোগ হবে।প্রতিদিন রোগীর সাথে দেখা করতে আসলে দারোয়ানকে খুশি করতে হবে।সব পরিক্ষা শেষ। এবার অপারেশন এর পালা।অপারেশন করতে ৬০০০ থেকে ৭০০০ টাকার ঔষধ কিনে ডাক্তারের হাতে দিতে হবে। যাহা অফেরতযোগ্য।অপারেশনে যদি রোগী মারা যায়। টাকা এবং মানুষ সব শেষ। হাতে ভিক্ষার বাটি।
আর অপারেশন যদি সাক্সেস হয়।অপারেশন থিয়েটারের বয়কে খুশি করতে হবে।দারোয়ানকে খুশি করতে হবে। এবং প্রতিদিন ড্রেসিং করার জন্য ও খাওয়ার ঔষধ কিনতে হবে।রোগী সুস্থ্য। এবার রিলিস দেওয়ার পালা।নার্সকে খুশি করতে হবে। দারোয়ানকে খুশি করতে হবে। ওয়ার্ড বয়কে খুশি করতে হবে। সবাইকে খুশি করে লেংটা হয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তারপর বাহিরে এসে দেখবেন জাতির সেই ব্যানার ঝুলে আছে,আমি ও আমরা সবাই সাধু!!
ভাইরাল করলে এটা করেন কাজে আসবে!!
শেয়ার করবেন কাজে আসবে....
😥😥😥
সংগৃহীত....,,,
30/01/2021
😍কি দেখাইলা রে ভাই 1Million Views 😮
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sylhet
3100