DISHA

DISHA

Share

শখের হাতেখড়ি✍️

10/11/2024

রিমাইন্ডারঃ ⏳⌛
সূরা মুলক যেন বাদ না যায়!
ঘুমানোর আগে প্লেলিস্ট অথবা ইউটিউবে সূরা মুলক চালিয়ে আস্তে আস্তে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন, ইনশাআল্লাহ 🌸🤍

16/10/2024

দুনিয়ার সুখঃ
১. মা-বাবা। ২.নেক স্বামী। ৩. নেক বিবি। ৪. নেক ছেলে মেয়ে।

আখেরাতের সুখঃ
১. ইলম। ২. পরহেজগারী। ৩. সদকা। ৪. নেক আমল।

শরীরের সুখঃ
১. কম খাওয়া। ২. কম ঘুমানো। ৩. কম কথা বলা। ৪. কম হাসা।

মনের সুখঃ
১. সবর। ২. জিকির ও তাসবীহ পাঠ করা। ৩. আল্লাহর শোকর আদায় করা। ৪. ভাবগাম্ভির্য থাকা।

ঈমানের স্বার্থকতাঃ
১. লজ্জা। ২. পাক পবিত্র থাকা। ৩. সত্যের সাথে থাকা। ৪. ইনসাফ করা।

যেসব কথায় আল্লাহ নারাজ হনঃ
১. পারস্পরিক সম্পর্ক ছিন্ন করা।
২. মা বাপের উপর কথা বলা।
৩. স্বামী অবাধ্য হওয়া এবং স্বামীর সাথে সম্পর্ক নষ্ট করা।
৪. কারো সাথে প্র*তার*ণা, ছ*ল*না এবং মোনাফেকি করা।
৫. আজানের সময় কথা বলা আর কাজ করা।
৬. নামাজের পর দোয়া না করা।
৭. দাঁড়িয়ে পানি পান করা।
৮. গা*লা*গা*লি করা।
৯. হিং*সা রাখা।
১০. ঘরে মেহমান দেখে নারাজ হওয়া।
১১. চিরন্তন সত্যকে মিথ্যা প্রচার করা।
১২. ইসলামি শরীয়াহ অস্বীকার করা।
১৩. কারো সাথে তিন দিনের বেশী কথা বলা বন্ধ রাখা।
১৪. ওয়াক্ত মত সালাত আদায় না করা।

উপকারী কয়েকটি কথাঃ
→যদি খুশি পেতে চাও তাহলে সময়ে ইবাদত করো। যদি মুখের ঔজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে চাও তাহলে নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়ো।
→যদি হৃদয়ে প্রশান্তি পেতে চাও তাহলে , কুরআন তেলাওয়াত করো।
→যদি শরীর সুস্থ পেতে চাও তাহলে , রোজা রাখো।
→যদি মুসিবত থেকে বাঁচতে চাও তাহলে , ইস্তেগফার পড়ো।
→যদি ঘরে বরকত চাও তাহলে দুরুদ শরিফ পড়ো।
→যদি সব মুশকিল শেষ করতে চাও তাহলে , লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পড়ো।
→যদি দুঃখ থেকে নাজাত পেতে চাও তাহলে , দোয়া করো।

আল্লাহ পাক আমাদেরকে ভালো থাকার ও ভালো কাজের তওফীক দান করুন, (আমিন)

13/10/2024

তাহাজ্জুদ পড়বো, এই নিয়ত করে ঘুমালে, রাতে উঠতে না পারলেও আমল নামায় তাহাজ্জুদের সৌয়াব লেখা হয় আলহামদুলিল্লাহ।🤍
(আবু দাউদ -১৩১৪)

13/10/2024

সাহাবি আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, একবার নবী করীম (সাঃ) তাকে যাকাতের দায়িত্ব দেন। সে সময় একজন ব্যক্তি যাকাতের সম্পদ চুরি করতে আসে। আবু হুরায়রা (রাঃ) তাকে ধরে ফেলেন, কিন্তু সেই ব্যক্তি কৌশল করে মুক্তি পায়। এ ঘটনা কয়েকবার ঘটে। তৃতীয়বার, সে ব্যক্তি বলেছিল, "যদি তুমি আমাকে ছেড়ে দাও, আমি তোমাকে এমন কিছু শিখাব যা তোমার উপকারে আসবে।" এরপর সে সাহাবীকে শিখিয়েছিল যে, রাতে ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসি (সূরা আল-বাকারাহ, ২:২৫৫) পাঠ করলে আল্লাহ তোমার রক্ষক নিযুক্ত করবেন এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না।

পরবর্তীতে, নবী করীম (সাঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ) কে বলেছিলেন যে সেই ব্যক্তি আসলে শয়তান ছিল, এবং সে সত্যিই তাকে একটি সত্য কথা শিখিয়েছিল।

এই ঘটনা হাদিসের মধ্যে উল্লেখ আছে (সহীহ বুখারী: ২৩১১)...

13/10/2024

কারোর "দোয়ায়" থাকতে পারাটা আমার কাছে অনেক বিশাল ব্যাপার।

কারণ আমি বিশ্বাস করি 'Dua can change destiny'। সবাই বলে 'দোয়া করবো', কিন্তু মোনাজাতে নাম ধরে দোয়াটা খুব কম মানুষই করে। খুব বেশি আপন না হলে কেউ মোনাজাতে নাম ধরে দোয়া করে না। আর আপন তো তারাই, যাদের সাথে মনের মিল বেশি। এই অবিশ্বাসী দুনিয়ায় কারোর আপন হতে পারাটা আমার কাছে একপ্রকার achievement. 🤍

লিখা: সংগ্রহীত।

04/10/2024

জুম্মার দিনের রিমাইন্ডার 📌⏳
সূরা কাহাফ,ইস্তেগফার, বেশি বেশি দরুদ পাঠ এবং মাজলুম উম্মার জন্য আমরা সকলে দোয়া করবো।
ইনশাআল্লাহ 🌸💜

03/10/2024

অনুশোচনা, উপলব্ধি- একটি বিশেষ ধরনের উপহার!🌸
Nouman Ali Khan 💜

03/10/2024

অর্থ ছাড়া কুরআন তিলাওয়াত করলে কি কোন উপকার হয়?
-- উস্তাদ নোমান আলী খান

কুরআন তিলাওয়াত, কুরআন তিলাওয়াত প্রতিদিনের একটা অবশ্য কাজ। আমি আপনাকে গোটা পারা খতম দিতে বলছি না, এখন আর আমি এতটা আশা করিনা । কিন্তু এক পাতা করে পড়ুন, আরবীতে, আপনার তিলাওয়াত যত খারাপই হোক না কেন …আপনার তিলাওয়াত যতই খারাপ হোক না, কিছুই আসে যায় না। যদি আপনি আপনার তিলাওয়াত নিয়ে লজ্জ্বা পান তাহলে একটা রুমে যেয়ে দরজা লাগিয়ে দেন। কিন্তু জোরে জোরে তিলাওয়াত করবেন, মনে মনে না, সজোরে। এবং তিলাওয়াতের আগে, যদি আপনার আরবি পড়তে সমস্যা থাকে তাহলে আল্লাহর কাছে দুয়া করবেন ‘’ইয়া আল্লাহ - আমি তোমার বাণী তিলাওয়াত করছি, শুধু তোমারই জন্যে … এবং একমাত্র তুমিই পার আমার জন্যে একে সহজ করে দিতে । একমাত্র তুমিই পার আমার জন্যে কুরআনের তিলাওয়াতকে সহজ করে দিতে, এটির হিফজ সহজ করে দিতে, এটির বুঝ সহজ করে দিতে .. এর প্রতি আমার ভালবাসাকে বাড়িয়ে দিতে এবং এটি দিয়ে আমার নামাজকে সহজ করে দিতে।

একমাত্র তুমিই পার আমাকে সাহায্য করতে। ইয়া আল্লাহ, আমার এই তিলাওয়াত শুধু তোমারই জন্য। ‘’ এটি হবে আল্লাহর সাথে আপনার একান্ত ব্যক্তিগত সময় (নামাজ ব্যতিত) । মাত্র ১০ মিনিট লাগবে। কিন্তু আপনাকে এই সময়টা বের করে নিতে হবে । আপনার জীবনের মাঝ থেকে এই সময়টা বের করে নিতে হবে। এবং যখন কুরআনের প্রতি আপনার ভালবাসা তৈরী হয়ে যাবে, আমাকে আর আপনাকে এভাবে বলে বোঝাতে হবেনা ১০ মিনিট সময় দেবার জন্যে, আপনি নিজে থেকে ২০, ৩০, ৪০ ৫০ মিনিট, এক ঘন্টা ধরে কুরআন নিয়ে বসে থাকবেন। সময়টা বাড়তেই থাকবে। সময়টা বাড়বে, কিন্তু এটা নিজে থেকে হতে হবে। আপনি যদি নিজেকে একটা রুটিনে নিয়ে আসতে না পারেন, এটা কখনই হবে না। এসব কিছুই আপনার কাজে লাগবে না যতক্ষণ পর্যন্ত এটিকে আপনার দৈনন্দিন রুটিনে আসবেন।

আপনি সত্যিই কুরআনের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান? তিলাওয়াত দিয়ে শুরু করুন, যদি নাও বুঝেন।আমি আবারও বলছি আপনি যদি এক বর্ণও না বুঝেন তাও তিলাওয়াত করে যাবেন। ’’ভাই (নুমান), আমি আরবী বুঝি না, আমি এক বিন্দুও বুঝতে পারিনা। তিলাওয়াত করে তো আমার কোনো লাভ হচ্ছে না।’’ … অবশ্যই হচ্ছে! আল্লাহ তায়ালা যেভাবে নাজিল করেছেন, আপনি ঠিক সেভাবেই আল্লাহ তায়ালার বাণী পাঠ করছেন … আর আপনি মনে করছেন এর মাঝে কোন উপকার নেই? অবশ্যই আছে! আমি যখন অজ্ঞ ছিলাম, আমি আমার উস্তাদকে এই প্রশ্ন করেছিলাম, খুব বেশি দিন আগের কথা না। আমি উস্তাদকে বলেছিলাম- কুরআন তিলাওয়াত করে কি হবে? আমি তো আরবী বুঝিনা, তিলাওয়াত করে কি লাভ হবে আমার?

তিনি বলেছিলেন, আমি একটা ঘটনা বলি, শোন। ইনি আমার উস্তাদ নিউ ইয়র্ক-এর শায়খ আব্দুল ঘানি। উনি আমাদের এই গল্পটা শুনিয়েছিলেন। তিনি একটা বালকের কথা বললেন, সে সমুদ্র সৈকতে গেছে । আসলে, ছেলেটি তার বাবাকে একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিল। আমি কুরআন তিলাওয়াত করি কিন্তু কিছুই বুঝি না, এই তিলাওয়াতের কি কোন দাম আছে? এজন্যে ছেলেটির বাবা তাকে সৈকতে নিয়ে গেছে আর তাকে একটা ময়লা বালতি দিয়েছে। বালতিটার নিচে ফুটা ছিলো। তিনি বললো, যাও বালতিটা ভরে নিয়ে এস। ছেলেটা সমুদ্র থেকে পানি ভরে বাবার কাছে আসে, যখন বাবার কাছে এসে পৌছে ততক্ষণে কি হবে? বালতি খালি হয়ে গেছে - বাবা বলে যাও আবার ভরে নিয়ে এস .. এভাবে ৫ - ৬ বার যাওয়া আসা নিয়ে করার পর ছেলে বলে, বাবা এর কোন মানে হয় না .. বালতি ভরা সম্ভব না। বাবা বলে, হ্যাঁ, ঠিক, কিন্তু তুমি কি কোন পরিবর্তন দেখছ? ছেলে বলে, হ্যাঁ ময়লা বালতিটা এখন পরিষ্কার হয়ে গেছে। হ্যাঁ .. ঠিক .. এর মানে বুঝেছ?

ছেলে বলে … ওওওওওও….!

এখনও আপনাদের মাঝে যদি কেউ না বুঝে থাকেন, তাহলে আপনি খুবই বেশি ফেসবুক ব্যবহার করেন। আপনার মাথায় আর কোনো বুদ্ধি অবশিষ্ট নাই, আপনার ঘিলু গলে পড়ে গেছে… কুরআন তিলাওয়াতের পেছনে সময় দিন।

এর পরের ব্যাপার … আপনাদের কিছু কার্যকর কৌশল শিখিয়ে দেই… যেসব সুরাহ আপনি এখনি জানেন, তাদের বেশির ভাগই আমপারা থেকে, ঠিক বলেছি? আপনাদের মুখস্থ করা সুরাহ গুলো, বেশিরভাগই আমপারার সুরা। পুরো আমপারা ব্যাখ্যা করার পেছনে আমার ব্যক্তিগত প্রেরণা ছিলো এটি.. যে যদিও মুসলিমরা পুরো কুরআন জানেনা, কিন্তু অন্তত আমপারার কিছু অংশ সবাই জানে… আমি এটা নিজে থেকে বলছি না, আমার প্রোগ্রামকে পরিচিত করানোর জন্যে বলছি না .. আপনাদেরকে শুধু উপদেশ দেবার জন্যে বলছি … আপনি যদি আমপারার উপর আমাদের রেকর্ডিং গুলো শুনেন .. গোটাটা শুনতে হবে তা বলছি না, আপনার অত সময় নেই … ঠিক আছে .. কিন্তু যে কয়টি সুরাহ আপনার জানা আছে সেকয়টির ব্যাখ্যা শুনুন। শুধু অনুবাদ না, আপনার জানা সুরাহ গুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখা । যেসব সুরাহ আপনি এমনিতেই নামাজে ব্যবহার করেন.. যাতে করে আপনি যেসব সুরাহ ছোটবেলা থেকে তিলাওয়াত করে আসছেন, অন্তত সেগুলোর ব্যাখা আপনার জানা থাকবে, এবং সেগুলোর সাথে আপনার একটা গভীর সম্পর্ক তৈরী হবে। এরপর থেকে যখনই আপনি সেগুলো তিলাওয়াত করবেন, আপনার সেগুলো মেনে চলার একটা সুযোগ তৈরী হবে। এটা আল্লাহর বাণীর নিকটবর্তী হবার জন্যে আপনার একটি সুযোগ। এটা আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। এটা ছিলো দ্বিতীয় বিষয় ।

এখন শেষ যে কথাটা বলতে চাই … যদি আপনি এসব আপনার দৈনন্দিন রুটিনে ঢুকাতে সফল হন .. তাহলে তাতে আরেকটা জিনিস যোগ করুন .. কুরআন মুখস্ত করা শুরু করে দিন। এক আয়াত হিফজ করেন, অর্ধেক আয়াত করেন .. কোনো ব্যাপার না… গোটা সপ্তাহ ধরে একটা আয়াতই হিফজ করেন। কিন্তু ১০০% মনোযোগ দিয়ে কুরআন মুখস্ত করার জন্যে কিছু সময় ব্যয় করেন। এটা হবে আপনার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। এটি শুধু আপনার এবং আল্লাহর মাঝে গোপন থাকবে। আপনি যত বেশি হিফজ করবেন .. তারা বলবে, ইয়া আল্লাহ আমার হৃদয় আপনার আরো তিনটি আয়াত ধারণ করেছে, ইয়া আল্লাহ… আমার হৃদয় আপনার আরো দুইটা সূরা ধারণ করেছে … এটা আল্লাহর প্রতি আপনার ভালবাসাকে আরো মজবুত করবে এবং এটি কুরআনের প্রতি আপনার ভালবাসা দিন দিন বাড়িয়ে তুলবে । এবং আপনি যত বেশি কুরআন হিফজ করবেন, কুরআন নিয়ে যত বেশি পড়াশোনা করবেন এবং যত বেশি কুরআন নামাজে ব্যবহার করবেন.. এটি ততই আপনার জীবনের একটা অবিচ্ছিন্ন অঙ্গ হয়ে উঠবে। কিন্তু .. এসব শুরু খুব ছোট্ট করে। প্রতিদিন ১০-২০ মিনিট দেবার মাধ্যমে এটা শুরু করতে হবে .. খুব বেশি কিছু না.. যদি সম্ভব হয় ভোরের রুটিনে এ সময়টা ঢুকিয়ে ফেলেন .. ভোর হলো কুরআন হিফজ করার সেরা সময়, সবচেয়ে ভালো সময় । কিন্তু শুরুতেই খুব বেশি করে ফেলবেন না, চাপ নিবেন না। যদি বেশি করে ফেলেন, অমুক জায়গা থেকে একটা ওয়াজ শুনে এসেছি, আজকে রাত থেকে আমি নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়ব.. তারপর ফজর .. তারপর দুই ঘন্টা ধরে কুরআন হিফজ করব … বাস্তবে ওই একদিনই শুধু করবেন আপনি । এজন্যে শুরুতেই অনেক কিছু করতে যাবেন না, ধীরে সুস্থে অগ্রসর হোন, অল্প অল্প করে, এটা ধীরে ধীরে নিজে থেকেই বাড়বে .. তাড়াহুড়ো করবেন না। যারাই কোনো কিছু পাবার জন্যে ধৈর্য ধারণ করবে, তারা তাই পাবে … আপনি ধৈর্য ধরে শুরু করুন।

----------------- * ---------------------

02/10/2024

আমি একদম এই পরগাছার মতো,
যাকে কোনোদিন কেও ভালোবাসে বৃক্ষ বলে ডাকেনি!!🙂
-সারা জীবন বৃক্ষমানবের অপেক্ষায় ছিলাম অথচ নিজেই কোনোদিন কারোর বৃক্ষ-মানবী হওয়ার কোনো যোগ্যতা নিজের মধ্যে অর্জন করতে পারিনি 🙂🙂

02/10/2024

মানুষ হোক বা একটা বাসের জানালা, যেটা আমার তার পুরোটাই আমার!!
হ্যাঁ,এই ব্যাপারে আমি খুবই পসেসিভ,বলতে পারেন আমার আমিতে আমিই স্বৈরাচার!!

অবশ্যই আমি জানি,মনুষের জীবনে অনেকের কর্তৃত্বই থাকতে পারে, যেমনটা একটা বাসের জানালার উপর তার সাময়িক যাত্রীর থাকে!!
তবুওত যখন আমি বাসের ঐ জানালার পাসে বসি,তার থেকে আসা পুরোটা আলো, বাতাস,বৃষ্টি কিংবা রোদ নিঃসন্দেহে আমার জন্য আমার হয়ে আসে, তেমনি করে মানুষের জীবনে অতীতে কেও না কেও থাকবে বরং না থাকাটাই অসাভাবিক,কিন্তু তাই বলে সে আমার এক্সিসটেন্সিকে উপেক্ষা করতে পারবে না,কোনো মতেই না!!

01/10/2024
01/10/2024

'প্রিয়তমা' বই থেকে

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Sunamganj?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Sunamganj