SabaR
Sabar,Shukur, repentance & Tawakkul
আমি কুরআনের ৯০ জায়গায় পেয়েছি, আল্লাহ তা'আলা বান্দার রিযিক নির্ধারণ করে রেখেছেন এবং রিযিকের দায়িত্ব নিয়েছেন।
কেবল এক জায়গায় পেয়েছি- 'শয়তান তোমাদেরকে অভাব অনটনের ভয় দেখায়'। (সুরা বাক্বারা, আয়াত: ২৬৮)
আমরা মহান সত্যবাদির ৯০টি ওয়াদার প্রতি আস্থা রাখি না, অথচ মিথ্যুকের একটি কথার ওপর দৃঢ় বিশ্বাস রাখি!
- হাসান আল বাসরী (রাহ.)
[সূত্র: তাফসীরে কুরতুবী]
আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলেন, "যমিনে এমন কোনো প্রাণী নেই, যার জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহ্ নেননি।" [সূরা হুদ: ০৬]
কিছু কারণে বান্দার রিযিক তথা জীবিকা বৃদ্ধি পায়। সেগুলো জনৈক ভাই সংকলন করেছেন--
যে সকল কারণে বান্দার রিজক বৃদ্ধি পায় তা হচ্ছেঃ
০১) একনিষ্ঠভাবে এক আল্লাহর ইবাদাত ও সৎকর্ম করা। [সূরা আন নাহল: ৯৭]
০২) বেশী পরিমাণে সর্বাবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করা ও ইস্তেগফার পড়া। [সূরা নুহ: ১০-১২]
০৩) সর্বাবস্থায় আল্লাহকে ভয় করে চলা। [সূরা আত তালাক: ০২]
০৪) বেশী বেশী পবিত্র বা বৈধ রিযিকের জন্যে দোয়া করা। [সূরা বাকারাহ: ১৮৬ ]
০৫) দৃঢ়তার সাথে আল্লাহর উপর ভরসা করা। [সূরা আত তালাক: ০৩]
০৬) অসহায় দরিদ্রদের সাহায্য করা। [সহিহ বুখারি: ২৮৯৬]
০৭) হজ্জ্ব/ওমরাহ করা। [সুনানে তিরমিযি: ৮১০]
০৮) আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা। [সহিহ বুখারি: ২০৬৭]
০৯) সকাল সকাল ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। [সুনান আবু দাউদ: ২৬০৬]
১০) ফজরের সালাত জামাতের সাথে আদায় করা। [সহিহ মুসলিম: ৬৫৭]
একমাত্র যে কারণে বান্দাকে রিযিক থেকে বঞ্চিত রাখা হয় তা হচ্ছে
গুনাহের কাজে লিপ্ত থাকা। [সুনান ইবনে মাজাহ: ৯০]
উল্লেখ্য হারাম উপার্জন দিয়ে গঠিত শরীরের কোন ইবাদাত আল্লাহ কবুল করেন না এবং ঐ শরীর জান্নাতে প্রবেশ করবে না। [সিলসিলা সহিহাহ: ২১২]
অতএব, আমরা হতাশ না হই। তাকদিরে আমাদের জন্য যতটুকু বরাদ্দ আছে ততটুকু আমরা পাবই। এটাই আল্লাহর ওয়াদা।
Tasbeeh
মাঝেমধ্যে কিছু শাইখদের এমন আলোচনা শুনি, পুরো জীবনটা এলোমেলো মনে হয়। ভাবি, করছিটা কী আসলে?
আজকের শোনা একটি ছোট্ট বয়ান ঠিক তেমনই । শাইখ মা - হমু- দ হাসানাত বলেন -
"জীবন আসলে বয়সের মাপকাঠিতে পরিমাপ করা হয় না, বরং পরিমাপ করা হয় আমাদের আমল বা কর্ম দিয়ে। এই যেমন সাহাবী হযরত সা'দ ইবনে মুয়ায (রা.)। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৩০ বছর বয়সে। আর খন্দকের যুদ্ধে যখন তিনি শহীদ হন, তখন তাঁর বয়স মাত্র ৩৬ বছর। অর্থাৎ, মুসলিম হিসেবে তাঁর জীবনকাল ছিল মাত্র ৬ বছরের!
অথচ এই ৬ বছরের আমল এতই ভারী ছিল যে, তাঁর চিরবিদায়ে আকাশ থেকে ৭০,০০০ ফেরেশতা নেমে এসেছিলেন!
এমনকি জিবরাঈল (আ.) স্বয়ং রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে বলেছিলেন, 'হে মুহাম্মদ, আজ রাতে আপনার এমন এক সাহাবী ইন্তেকাল করেছেন, যাঁর মৃত্যুতে পরম করুণাময়ের আরশ কেঁপে উঠেছে!'
মাত্র ৬ বছরের একটি জীবন... আর তাতেই রহমানের আরশ কেঁপে ওঠে!
আর আমরা যারা ২০, ৩০, ৪০, ৫০ কিংবা ৬০ বছর পার করে দিচ্ছি, আমরা এই দীর্ঘ জীবনে আল্লাহর জন্য আসলে কী করছি? কি আমল পাঠাচ্ছি ওপারে ?"
একটু নিজেকে নিয়ে ভাবা উচিত আমাদের। মহান আল্লাহ আমাদেরকে জীবনের প্রতিটি মুহুর্তকে ঈমান ও আমলের সাথে কাটানোর তাওফিক দিন।
কালেক্টেড
Your nose is the right shape. Your skin is the right shade. Your lips, hands and feet are the right size. Your height is perfect and so is your natural hair colour/texter. Your voice and laugh are just right. Whatever you dislike about your physical self is actually in your mind. Fashion didn't create you. Western standards of beauty didn't create you. Your culture's idea of physical attractiveness didn't create you.
Allah created you and He doesn't make mistakes.
Let that sink in.
আমরা হাত তুলি, কিন্তু মন জুড়ে থাকে 'যদি না হয়' এর সংশয়। অথচ তাওয়াক্কুল হলো মা হাজেরার মতো, যিনি ধু ধু মরুভূমিতে একা দাঁড়িয়ে যখন স্বামীকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, 'আল্লাহ কি আপনাকে এই আদেশ দিয়েছেন?' স্বামী যখন বললেন 'হ্যাঁ', তখন মা হাজেরা নিশ্চিন্তে বলেছিলেন, 'তাহলে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস করবেন না।' কোনো উপায় ছিল না, ছিল শুধু রবের প্রতি খাঁটি ভরসা। আর সেই ভরসার পায়ের ছোঁয়া থেকেই আজ অব্দি বয়ে চলেছে জমজমের ধারা। আপনার দোয়ায় যখন এমন মা হাজেরার মতো নিখাদ তাওয়াক্কুল থাকবে, তখন কোন দোয়াই বিফলে যাবে না। আপনার মরুভূমি সম জীবনেও অলৌকিক রহমতের ধারা বয়ে যাবে।
#হুমায়রা_জান্নাত
মাগরিবের নামাজ চলাকালীন সামনের কারো ফোনে "হিন্দি/তেলেগু"টাইপের কোনো গান বেজে উঠলো।খুবই ডিস্টার্বিং এবং ইমাম সাহেবের তিলাওয়াতে সমস্যা হচ্ছিলো কিন্তু উনার রিং টোন বন্ধ করতেছেন না।কিছুক্ষন যাওয়ার পর হুট করে ফোন বন্ধ হওয়ার শব্দ শুনলাম।
নামাজ শেষে যা এক্সপেক্ট করতেছিলাম তাই...পুরো বৃদ্ধ আঙ্কেল সমাজ একযোগে ঝাপিয়ে পড়লো।উকি মেরে দেখলাম ১৮-২০ বছর বয়সী এক ছেলে।গায়ে গেঞ্জি,প্যান্টা খাচানো,হাতে ব্যাজ টাইপ কিছু একটা।একেবারে কাচুমাচু হয়ে আছে,দুয়া করার ভানে কিছুই শুনতেছে না মনে হচ্ছে।চেহারা দেখে অবশ্য বোঝা যাচ্ছে বেচারা বড্ড লজ্জা পাইছে,উপরের দিকে তাকাইতেও পারতেছে না।
ইমাম সাহেব দোয়া শেষ করলেন মাইকটা নিলেন,
"যদিও আমি নামাজের পর কিছু বলি না তবে এখন কিছু বলা জরুরী মনে করছি।কেউ যদি অনিচ্ছা ও অসতর্ক হয়ে কোনো ভুল করে ফেলে এবং এর দরুন লজ্জিত হয় তাকে কোনোভাবেই ভৎসর্না করা উচিত না।কারন সে লজ্জিত হয়েছে মানে সে ভুল সংশোধনের মেন্টালিটি রাখে।
কিন্তু এরপরও যদি কেউ মেজাজ দেখাতে গিয়ে পাব্লিক শেমিং করে,অপমান করে সমূহ সম্ভাবনা আছে এ ছেলেটা কামব্যাক করার শেষ আগ্রহটুকুও হারিয়ে ফেলবে।এই বয়সী একটা ছেলের লজ্জাবোধ আছে মানে তার শ্রেষ্ঠ সম্ভাবনাটাই জীবিত আছে।আমরা গলা টিপে তাকে হত্যা না করি।
যখন তার বয়সী আর দশটা ছেলেরা নামাজের সময়ে বাইরে ঘুরতেছে সে যে এই বৃদ্ধদের কাতারে নামাজের জন্য এসে দাড়িয়েছে এটা কি প্রমান করে না সে আল্লাহর কাছে অনেক প্রিয়!!!!!! "
ইমাম সাহেব ছেলেটাকে ঈশারায় ডাকলেন।দুইজনের মধ্যে কি জানি কথা হলো।দূর থেকে দেখলাম ছেলেটা ফিক করে হেসে দিয়েছে।
After ages I see a great Imam who remind me the prophetic time.How he had given tarbiyah his sahaba!
আমি যেসব লড়াইয়ের কথা কখনো বলি না, সেগুলো শুধু আল্লাহই জানেন 💔
সূরা আল-কাহফে আল্লাহ বলেন,
গুহার যুবকরা ঘুমিয়ে ছিল, দুনিয়া বদলে যাচ্ছিল বাইরে। তারা জীনতো না সেই ঘুমটাই ছিল হেফাজত। কখনো কখনো আল্লাহ তোমাকে থামিয়ে দেন পিছিয়ে দেন একা করে দেন। সেটা শাস্তি না। সেটা হেফাজত।
দু'আ কবুলে দুরুদে ইব্রাহিম 💚
একটা সময় আমার জীবন ছিল অসংখ্য সমস্যায় ভরপুর। আমি বেকার হয়ে বাড়িতে বসে ছিলাম এবং এই দুঃশ্চিন্তা থেকে মুক্তির কোনো সমাধান খুঁজে পাচ্ছিলাম না। একদিন আমার উস্তাদ আমাকে যত বেশি থেকে বেশি সম্ভব দুরুদ পড়তে পরামর্শ দিলেন।
আলহামদুলিল্লাহ আমি শুরু করলাম, প্রতিদিন পড়তে লাগলাম। সকাল থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অব্দি আমি দুরুদ পড়তাম। আমি সংক্ষিপ্ত ও বড় দরুদ মিলিয়ে পড়তে শুরু করেছিলাম।
আলহামদুলিল্লাহ এক মাস পরে আমি সরকারি চাকরির জন্য ৩ টি কল পেলাম, যা আমাকে হতবাক করেছিল। আমি দিকনির্দেশনার জন্য ইস্তিখারা করলাম এবং সেরা একটি চাকরি বেছে নিলাম। আর এখন আমি দুরুদে ইব্রাহীমের অলৌকিকতার এক জীবন্ত সাক্ষী আলহামদুলিল্লাহ।
:
সংগৃহীত
আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তরে কোনো কল্যাণ দেখেন, তবে তিনি তোমাদের কাছ থেকে যা নেওয়া হয়েছে তার চেয়ে উত্তম কিছু তোমাদেরকে দিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু"।
সূরা আনফাল (আয়াত ৭০ )🤍
03/06/2026
🤲
Click here to claim your Sponsored Listing.