Online Computer
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Online Computer, Entrepreneur, Sirajganj.
19/10/2025
এখানে দুজন বাচ্চা,
এখানে দুইটাই স্বাস্থ্যকর বাচ্চা,
তিন মাস বয়সী,
দুজনকেই শুধুমাত্র বুকের দুধ ফিড করানো হয় এবং বিশ্বাস করেন বাম দিকের মোটা নয়, ডানদিকের শিশুও অপুষ্ট নয়।
এগুলি স্বাভাবিকতার ভিন্নতা!
সম্ভবত, যখন তারা ক্রলিং বা হামাগুড়ি শুরু করবে তখন বাম দিকের বাচ্চাটা কিছুটা শুকিয়ে যাবে এবং ডানদিকের জন একটু মাসল ম্যাস গেইন করবে।
আপনার সন্তানের তুলনা অন্য শিশুদের সাথে করবেন না।
প্রত্যেকেই আলাদা।
ওয়েট বেশি মানেই ভাল হয় আবার শুকনা মানেই পুস্টিহীন নয়।
সোর্স - the motherhood
17/10/2025
যারা ভিঊ বাড়ানোর জন্য অশ্লীল ছবি ছড়াচ্ছেন, তাদের জন্য:
অশ্লীলতা ছড়িয়ে দেওয়ার কঠোর শাস্তি ঘোষণা করে আল্লাহ তাআলা বলেন,
اِنَّ الَّذِیۡنَ یُحِبُّوۡنَ اَنۡ تَشِیۡعَ الۡفَاحِشَۃُ فِی الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَهُمۡ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ ۙ فِی الدُّنۡیَا وَ الۡاٰخِرَۃِ ؕ وَ اللّٰهُ یَعۡلَمُ وَ اَنۡتُمۡ لَا تَعۡلَمُوۡنَ
যারা পছন্দ করে যে, মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ুক তাদের জন্য আছে ভয়াবহ শাস্তি দুনিয়া ও আখেরাতে। আল্লাহ জানেন আর তোমরা জান না। (সুরা নুর: ১৯)
যারা সমাজে অশ্লীলতা ছড়ায়, তারা নিজেদের গুনাহের পাশাপাশি তাদের গুনাহের জন্য দায়ী হয়, যারা তাদের কথা-কাজে প্ররোচিত হয়ে গুনাহে জড়িয়ে পড়ে। আল্লাহ তাআলা বলেন,
لِیَحْمِلُوْۤا اَوْزَارَهُمْ كَامِلَةً یَّوْمَ الْقِیٰمَةِ وَ مِنْ اَوْزَارِ الَّذِیْنَ یُضِلُّوْنَهُمْ بِغَیْرِ عِلْمٍ اَلَا سَآءَ مَا یَزِرُوْنَ.
কেয়ামতের দিন তারা বহন করবে নিজেদের পাপের বোঝা পূর্ণ মাত্রায়, আর তাদেরও পাপের বোঝা যাদেরকে তারা গোমরাহ করেছে নিজেদের অজ্ঞতার কারণে। হায়, তারা যা বহন করবে তা কত নিকৃষ্ট! (সুরা নাহল: ২৫)
🤲🤲
,আল্লাহ 😭আমরা হারাম দেখাতে, হারাম শুনাতে, হারাম মুসলিম উম্মার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আসক্ত হয়ে পড়েছি, কোনটা ভালো কাজ, কোনটা মন্দ কাজ এটা চিন্তা না করে, নিজের প্রতি দিনের পর দিন জুলুম করছি, কতো মুসলিম ভাইয়ে বোনের প্রতি জুলুম করছি এবং আমাদেরই কোনো মুসলিম ভাইয়ের প্রতি জুলুম করছি, আল্লাহ এ হারামের এমন জুলুমের আনন্দ থেকে আমাদের হেফাজত করুন এবং আমাদের উত্তমরুপে হেদায়েত দিন।
(আমিন)
11/10/2025
(নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি)
✅বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫
পদের সংখ্যা: ১,০১৭ জন
আবেদনের শেষ তারিখ: ১০.১১.২০২৫
✅প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২৫
পদের সংখ্যা: ৪৭০ জন
আবেদনের শেষ তারিখ: ১২.১০.২০২৫
✅প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫
পদের সংখ্যা: ১১২২ জন
আবেদনের শেষ তারিখ: ২০.১০.২০২৫
✅ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ২০২৫
পদের সংখ্যা: অনির্ধারিত
আবেদনের শেষ তারিখ: ১৬.১০. ২০২৫
✅বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ২০২৫
পদের সংখ্যা: ৩২+৪৯ জন
আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০.১০.২০২৫
20/09/2025
মনিটাইজেশনের আশায় মানুষ লাইক, কমেন্ট আর ভিউয়ের পেছনে ছুটতে ছুটতে নিজের আসল সত্ত্বাকে আড়াল করছে। যে ব্যক্তি বাস্তবে শান্ত-ভদ্র, সে হয়তো দর্শক বাড়ানোর জন্য কৃত্রিম অভিনয় করছে। কেউ আবার বিনোদনের নামে অশ্লীলতা ছড়াচ্ছে, আবার কেউ মিথ্যে গল্প বানাচ্ছে শুধু অ্যালগরিদমকে খুশি করার জন্য। ধীরে ধীরে এই অভ্যাস মানুষের মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
ফলাফল হচ্ছে— মানুষ আর নিজের মতো থাকছে না, বরং দর্শক ও ফলোয়ারদের চাহিদামাফিক নতুন এক চরিত্রে বেঁচে থাকতে শিখছে। এতে সাময়িক জনপ্রিয়তা আসলেও দীর্ঘমেয়াদে ব্যক্তিত্ব, চরিত্র এবং সামাজিক অবস্থান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আপনার মোবাইলে গোপনে আড়ি পেতেছে কিনা চেক করুন * #21 #
চালু থাকলে বন্ধ করতে # #002 #
19/09/2025
📱 আপনার নামে কয়টা সিম আছে এবং বন্ধ করার উপায়
🔍 কিভাবে জানবেন আপনার নামে কয়টা সিম আছে?
1️⃣ মোবাইল থেকে ডায়াল করুন *16001 #
2️⃣ আসা মেসেজে দিন আপনার NID-এর শেষ ৪ সংখ্যা
3️⃣ সঙ্গে সঙ্গে SMS-এ পাবেন —
✔️ আপনার নামে কয়টা সিম আছে
✔️ কোন কোন নম্বর রেজিস্টার্ড আছে
💡 এটাই সবচেয়ে সহজ ও অফিসিয়াল উপায়।
---
🛑 ব্যবহার না করা বা অচেনা সিম বন্ধ করার উপায়
👉 যদি তালিকায় অচেনা নম্বর দেখেন বা ব্যবহার না করা সিম থাকে—
1️⃣ কাস্টমার কেয়ারে কল দিন ☎️
→ অপারেটরকে বলুন ওই সিম ডি-রেজিস্টার করতে।
2️⃣ সরাসরি সার্ভিস সেন্টারে যান 🏢
→ সাথে নিন আপনার NID + সিম কার্ড।
→ ফরম পূরণ করে বলুন "সিম বন্ধ করতে চাই"।
3️⃣ Transfer of Ownership 🔄
→ চাইলে সিম অন্য কারও নামে হস্তান্তর করতে পারেন।
→ উভয় পক্ষকে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন দিতে হবে।
---
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
এক NID-এ সর্বোচ্চ নির্দিষ্ট সংখ্যক সিম রেজিস্টার করা যায় (BTRC নিয়মে)।
দীর্ঘ সময় ব্যবহার না করলে অপারেটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিম বন্ধ করে দিতে পারে।
নিজের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার না করা বা অচেনা সিম আগে থেকেই বন্ধ করে ফেলুন।
---
✨ সংক্ষেপে চেকলিস্ট:
📞 ডায়াল করুন *16001 #
📩 SMS-এ নাম্বার লিস্ট দেখুন
❌ অচেনা/অপ্রয়োজনীয় সিম বন্ধ করুন
17/09/2025
জি-মেইল কি শুধুই একটি ইমেইল পাঠানোর মাধ্যম? আপনি যদি এমনটা ভেবে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য দারুণ কিছু টিপস আছে! 📧🚀
বিশ্বজুড়ে ১.৮ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ জি-মেইল ব্যবহার করেন, কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র ২% মানুষ এর আসল ক্ষমতাগুলো জানেন। আপনার ইমেইল অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও স্মার্ট করতে এখানে রইল ১০টি অসাধারণ Gmail Tricks: 👇
১. পাঠানো ইমেইল ফিরিয়ে আনুন ⏪
ভুল করে কোনো ইমেইল পাঠিয়ে ফেলেছেন? চিন্তা নেই! সেটিংস-এ গিয়ে **'Undo Send'** অপশনটি চালু করুন এবং ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত সময় সেট করুন। এতে ভুল করে পাঠানো যেকোনো ইমেইল সহজেই ফিরিয়ে আনতে পারবেন।
২. অপ্রয়োজনীয় মেইল ঝেড়ে ফেলুন 🧹
ইনবক্সে জমে থাকা হাজারো প্রমোশনাল মেইলে বিরক্ত? সার্চ বারে শুধু **'unsubscribe'** লিখে সার্চ করুন। সব মেইল একসাথে সিলেক্ট করে ডিলিট করে দিলেই আপনার ইনবক্স এক মিনিটে পরিষ্কার হয়ে যাবে।
৩. গোপন মেইল পাঠান 🔒
আপনার ইমেইলের কনটেন্ট যেন কেউ কপি, প্রিন্ট বা ফরওয়ার্ড করতে না পারে, তার জন্য ব্যবহার করুন **Confidential Email** অপশন। নতুন মেইল লেখার সময় কম্পোজ বক্সে থাকা **প্যাডলক আইকনে** ক্লিক করে এই ফিচারটি ব্যবহার করতে পারেন।
৪. অফলাইনে জি-মেইল ব্যবহার করুন 📲
ইন্টারনেট না থাকলেও আপনি ইমেইল চেক করতে পারবেন! সেটিংস-এ গিয়ে **'Offline'** ট্যাবে অফলাইন অ্যাক্সেস চালু করে রাখুন। এতে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই পুরোনো ইমেইলগুলো দেখতে পারবেন।
৫. ইমেইলগুলোকে 'স্নুজ' করুন 😴
এখন পড়ার সময় নেই এমন ইমেইলগুলো পরে পড়ার জন্য সরিয়ে রাখতে পারেন। ইমেইলের পাশে থাকা **ঘড়ির আইকনে** ক্লিক করে নির্দিষ্ট সময় বা তারিখ সেট করে রাখুন, ইমেইলটি ঠিক সেই সময়ে আবার ইনবক্সে ফিরে আসবে।
৬. ইমেইল আগে থেকেই শিডিউল করুন ⏰
গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল পরে পাঠানোর জন্য আগে থেকেই তৈরি করে রাখতে পারেন। **Send** বাটনের পাশের **অ্যারো আইকনে** ক্লিক করে **'Schedule Send'** অপশনটি ব্যবহার করুন। নির্দিষ্ট তারিখ ও সময় দিয়ে রাখলে ইমেইলটি আপনা-আপনিই চলে যাবে।
৭. মেইলের জন্য টেমপ্লেট তৈরি করুন 📝
একই ধরনের ইমেইল বারবার লেখার ঝামেলা এড়াতে **টেমপ্লেট** ব্যবহার করুন। একবার লিখে ড্রাফটটি টেমপ্লেট হিসেবে সেভ করে রাখুন। এতে সময় বাঁচবে এবং বারবার একই জিনিস লিখতে হবে না।
৮. লেবেল দিয়ে মেইল সাজান 🏷️
আপনার ইনবক্সকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাজাতে **লেবেল** ব্যবহার করতে পারেন। কাজ, ব্যক্তিগত, ভ্রমণ—এ রকম বিভিন্ন লেবেল তৈরি করে মেইলগুলোকে আলাদা করে রাখুন। এতে যেকোনো ইমেইল খুঁজে বের করা সহজ হবে।
৯. কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করুন ⌨️
দ্রুত কাজ করার জন্য কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করুন। জি-মেইল সেটিংস-এ গিয়ে **'Keyboard Shortcuts'** চালু করে নিন। সব শর্টকাট দেখতে জি-মেইলে থাকা অবস্থায় **Shift + ?** চাপুন।
১০. Fixer AI-এর সুবিধা নিন 🤖
জি-মেইলের সঙ্গে Fixer AI-এর মতো একটি এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করে আপনার ইমেইল ও মিটিংগুলো আরও স্মার্টভাবে ম্যানেজ করতে পারেন। এটি আপনার সময় বাঁচাতে এবং কর্মক্ষমতা বাড়াতে দারুণ সাহায্য করবে।
জি-মেইলের এই Tricks-গুলো ব্যবহার করে দেখুন, আপনার ডিজিটাল জীবন আরও সহজ হবে।
15/09/2025
বাংলাদেশে খুব শীঘ্রই চালু হচ্ছে One World eSIM এর সেবা
এটি কি এবং কিভাবে কাজ করে আসুন এই সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক,,
ওয়ান ওয়ার্ল্ড ই-সিম হলো একটি মোবাইল ডেটা সেবা, যা মূলত যারা প্রায়ই আন্তর্জাতিক ভ্রমণ করেন, তাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি এমন একটি সমাধান, যা আপনাকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোনো ফিজিক্যাল সিম কার্ড পরিবর্তন না করেই ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ দেয়।
ওয়ান ওয়ার্ল্ড ই-সিম কীভাবে কাজ করে তা নিচে দেওয়া হলো:
* ডিজিটাল সিম কার্ড: এটি একটি ডিজিটাল সিম কার্ড, যা আপনার ফোনের ভেতরে ইনস্টল করা থাকে। এর জন্য কোনো ফিজিক্যাল সিম কার্ডের স্লট বা কার্ডের প্রয়োজন হয় না।
* অ্যাপের মাধ্যমে ইনস্টলেশন: ওয়ান ওয়ার্ল্ড ই-সিম ব্যবহার করার জন্য আপনাকে প্রথমে তাদের মোবাইল অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। অ্যাপের মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার ই-সিমটি ইনস্টল এবং পরিচালনা করতে পারবেন।
* বিভিন্ন দেশের প্ল্যান: আপনি যখন কোনো নির্দিষ্ট দেশে ভ্রমণ করবেন, তখন অ্যাপের মাধ্যমে সেই দেশের জন্য ডেটা প্ল্যান কিনতে পারবেন। এই প্ল্যানগুলো বিভিন্ন সময়সীমা এবং ডেটা পরিমাণে পাওয়া যায়, যা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন।
* রোমিং খরচ নেই: ওয়ান ওয়ার্ল্ড ই-সিম ব্যবহার করলে আপনাকে সাধারণত আন্তর্জাতিক রোমিংয়ের উচ্চ খরচ নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। কারণ এটি স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে।
সুবিধা
* সুবিধাজনক ও ঝামেলামুক্ত: আপনাকে আর নতুন দেশে গিয়ে স্থানীয় সিম কার্ড কেনার জন্য সময় নষ্ট করতে হবে না।
* রোমিং খরচ বাঁচায়: এটি আন্তর্জাতিক রোমিংয়ের উচ্চ খরচ থেকে আপনাকে রক্ষা করে।
* মাল্টি-কান্ট্রি ব্যবহার: একই ই-সিম ব্যবহার করে আপনি বিশ্বের ২০০-এর বেশি দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
* সহজ ইনস্টলেশন: অ্যাপের মাধ্যমে খুব সহজে এবং দ্রুত ই-সিম ইনস্টল ও অ্যাক্টিভেট করা যায়।
কারো বেডরুম নক না করে এ ঢুকে পড়া, না পারমিশন নিয়ে কারো টাওয়েল ব্যাবহার করা, মোবাইল ধরা, কারো ব্যাগ খোলা-এইগুলা যে অসভ্যতা এইটা বেশীর ভাগ মানুষ বোঝেইনা৷ তারা এইটা কে কোন ব্যাপারই মনে করেনা।
আরেক গ্রুপ আছে দেখা হলেই জিজ্ঞেস করবে এই তুমি কি কালো হয়ে গেসো,শুকায় গেসো, মোটা হয়ে গেস!!!! এইটা বলে আমাকে খুব উদ্ধার করলেন ,আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ,আপনি না বললে আমি জানতাম না,আমার বাসায় আয়না নাই।
আরেক জাতি আছে যারা ,বেতন কত? বাড়ি,গাড়ি করতে পারসি কিনা? বাচ্চা নিবো কিনা!!!
মানুষের এতটুকু পারসোনাল স্পেস থাকা এবং রাখা জরুরী,আমি আমার কাছের লোকজনকেও এইসব কথা বলার আগে দ্বিতীয়বার ভেবে নেই।
এই সমাজ শিক্ষিত হইসে কিন্তু কার্টিসি বা ভদ্রতার এক বিন্দুও শিখে নাই।
14/09/2025
08/09/2025
জন্ম নিবন্ধন করার সঠিক নিয়ম, খরচ ও সময়-
জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে শুরু করে পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্সসহ দেশের অভ্যন্তরে গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপের জন্য একটি অপরিহার্য নথি জন্ম নিবন্ধন সনদ। জন্মসূত্রে একজন ব্যক্তির নাগরিকত্বের পরিচয় ধারণ করে এই জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রটি। তাই শিশু জন্মের পর পরই অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের পাশাপাশি বাবা-মায়ের উচিত সরকারি খাতায় শিশুর নামটি লিপিবদ্ধ করানো। পূর্বে জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অফলাইনে হলেও বর্তমানে সরকারি ডাটাবেসে নাগরিকদের তথ্য সংরক্ষণের স্বার্থে অনলাইনের মাধ্যমে তথ্যগুলো নেয়া হচ্ছে।
📢 চলুন জেনে নিই, জন্ম নিবন্ধন করার সর্বাধুনিক প্রক্রিয়া-
জন্ম নিবন্ধন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:-
জন্ম নিবন্ধনের জন্য প্রথমেই কিছু কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে। এর জন্য বিভিন্ন বয়সের লোকদের জন্য কাগজপত্রেও ভিন্নতা রয়েছে। শিশুদের জন্ম নিবন্ধকরণে জন্মের পর প্রথম ৪৫ দিনের মধ্যে যে কাগজপত্রগুলো প্রয়োজন তা হলো-
১। অনলাইনে আবেদনকৃত ফর্মের প্রিন্ট কপি।
২। শিশুর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৩। শিশুর ইপিআই (এক্সপান্ডেড প্রোগ্রাম অন ইমিউনাইজেশন) টিকা কার্ড কিংবা ইপিআই কর্মীর নিকট থেকে প্রত্যয়নপত্র
৪। শিশুর জন্মস্থান ও জন্ম তারিখের প্রমাণপত্র হিসেবে হাসপাতাল বা ক্লিনিক থেকে শিশুর জন্ম সনদের সত্যায়িত অনুলিপি বা বার্থ এটেনডেন্ট-এর প্রত্যয়ন পত্র বা শিশুর জন্ম সংক্রান্ত অন্য কোনো প্রমাণ পত্র।
৫। বাংলা-ইংরেজি দুই ভাষাতেই বাবা-মার অনলাইনে নিবন্ধিত জন্ম সনদ।
৬। বাবা-মার জাতীয় পরিচয়পত্র।
৭। শিশুর যে কোন একজন অভিভাবকের কর পরিশোধের প্রমাণ।
👉 ৪৬ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে উপরোক্ত ৪ নং বাদে বাকি সব কাগজপত্রই লাগবে। ৫ বছরের বেশি শিশু অথবা যে কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
১। অনলাইনে আবেদনকৃত ফর্মের প্রিন্ট কপি।
২। শিশুর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৩। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল স্বীকৃত এমবিবিএস বা তদূর্ধ্ব ডিগ্রিধারী চিকিৎসক-এর নিকট থেকে প্রত্যয়ন পত্র।
৪। পিএসসি(প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী), জেএসসি (জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট) বা এসএসসি (মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট)।
৫। বাংলা-ইংরেজি দুই ভাষাতেই বাবা-মায়ের অনলাইনে নিবন্ধিত জন্ম সনদ।
৬। বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র।
৭। জন্মস্থান বা স্থায়ী ঠিকানা প্রমাণের সাপেক্ষে বাবা/মা/দাদা/দাদির স্বনামে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখিত জায়গার বিপরীতে নবায়নকৃত কর প্রদানের প্রমাণপত্র
অথবা, নদীভাঙন/কোনো কারণে স্থায়ী ঠিকানা বিলুপ্ত হলে জমি/বাড়ি ক্রয়ের দলিল, খাজনা ও কর প্রদানের রশিদ।
অথবা, বসবাসের স্থান প্রমাণের সাপেক্ষে পৌরসভার চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র
জন্ম নিবন্ধন সনদ-এর জন্য আবেদন পদ্ধতি
বর্তমানে হাতে লিখে ফর্ম পূরণের মাধ্যমে আর জন্ম নিবন্ধনের আবেদন নেয়া হয় না। অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করে অতঃপর সেই পূরণকৃত ফর্ম প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিকটস্থ স্থানীয় সরকারের কার্যালয়ে জমা করতে হয়।
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন-এর জন্য আবেদন করতে প্রথমে যেতে হবে বাংলাদেশ সরকারের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ওয়েবসাইটে।
প্রথম স্ক্রিনে জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহের জন্য স্থানীয় সরকারের অফিস নির্বাচন করতে হবে। প্রার্থী তার নিজের জন্মস্থান, স্থায়ী ঠিকানা অথবা বর্তমান ঠিকানা থেকে সনদ নিতে পারবে।
এরপরের ধাপে আসবে প্রার্থীর নাম-ঠিকানা ও বাবা-মার তথ্য দেয়ার পালা। প্রার্থীর জন্ম ২০০১-এর আগে হলে বাবা-মার শুধুমাত্র নাম দিলেই হবে। অন্যথায় বাবা-মার জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বার দিতে হবে।
সবশেষে প্রার্থীর ফোন নম্বর দিতে হবে যেখানে জন্ম সনদের আবেদন সংক্রান্ত বার্তা আসবে।
অনলাইন আবেদন সম্পন্ন হলে প্রাপ্ত আবেদনপত্রটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করতে হবে। অতঃপর এর সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলো সংযুক্ত করে নিকটস্থ স্থানীয় সরকারের কার্যালয়ে সর্বোচ্চ ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন ফি’সহ জমা দিতে হবে।
জমা দেয়ার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিস কপি রেখে একটি গ্রাহক কপি দিবে। অবশেষে মোবাইলে জন্ম সনদ নিশ্চিতকরণ বার্তা এলে সনদটি নেয়ার দিন এই গ্রাহক কপিটি সাথে নিয়ে যেতে হবে।
অনলাইন আবেদন শেষ করার পর একটি অ্যাপ্লিকেশন আইডি দেয়া হয়। এই আইডিটি ও প্রার্থীর জন্ম তারিখ প্রদান করে অনলাইনেই জন্ম নিবন্ধন আবেদনের চলমান অবস্থা জানা যাবে।
জন্ম নিবন্ধন-এর জন্য প্রয়োজনীয় ফি ও সময়
১। ৪৫ দিন বয়সী শিশুর জন্ম নিবন্ধন বিনামূল্যেই করা যাবে।
২। ৪৬ দিন থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্ম নিবন্ধনের জন্য ২৫ টাকা ফি। দেশের বাইরে থেকে জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ফি ১ মার্কিন ডলার।
৩। জন্ম সনদ সংশোধন ফি ১০০ টাকা। দেশের বাইরের প্রার্থীদের জন্য ২ মার্কিন ডলার।
৪। বাংলা-ইংরেজি দুই ভাষাতেই মূল সনদ পেতে বা তথ্য সংশোধনের পর সনদের কপি পেতে সম্পূর্ণ ফ্রিতেই করা যাবে।
৫। কিন্তু বাংলা-ইংরেজি দুটো ভাষাতেই জন্ম নিবন্ধন সনদের নকল পেতে ৫০ টাকা এবং দেশের বাইরের প্রার্থীদেরকে ১ মার্কিন ডলার ফি দিতে হবে।আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জমা দেয়ার সময় জন্ম নিবন্ধন ফি প্রদান করতে হবে। সাধারণত আবেদনের দিন থেকে ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি হয়ে যায়। কিন্তু প্রায়শই মাস খানেকের মত সময় লেগে যায় জন্ম সনদটি হাতে পেতে।জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধনের শর্তাবলি
বাবা অথবা মায়ের নাম সংশোধন করার ক্ষেত্রে তাদের অনলাইনে নিবন্ধিত জন্ম সনদ নম্বর দিয়ে তথ্য সংশোধনের এর আবেদনপূর্বক তাদের নাম সংশোধন করতে হবে। তারপর প্রার্থীর জন্ম নিবন্ধনে বাবা-মায়ের নাম সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।
বাবা-মায়ের জন্ম সনদ না থাকলে এবং প্রার্থীর জন্ম তারিখ ২০০১-এর আগে হলে, তার জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আবেদনের সময় বাবা-মায়ের নাম ঠিক করা যাবে। সেক্ষেত্রে তাদের কেউ মৃত হলেও মৃত্যুর কোনো প্রমাণ দেখাতে হবে না। সেই সাথে আলাদা করে তাদের জন্ম নিবন্ধন সনদ সংশোধনেরও কোনো ব্যাপার থাকছে না।
কিন্তু প্রার্থী ২০০১ এর পরে জন্মগ্রহণকারী হলে জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদনের সময় পিতা বা মাতার নাম সংশোধনের জন্য তাদের মৃত্যুর প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।
📢 জন্ম নিবন্ধন সংশোধন পদ্ধতি
এখানে প্রথমেই খেয়াল রাখতে হবে যে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য জন্ম সনদটি অবশ্যই অনলাইনে নিবন্ধিত থাকতে হবে। অন্যথায় অনলাইন জন্ম নিবন্ধন করে নিতে হবে।
জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য সংশোধনের জন্য একই ওয়েবসাইটের জন্ম তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন অংশে প্রবেশ করতে হবে। প্রথমেই সংশোধনের নির্দেশনাসহ দুইটি খালি বক্স দেখা যাবে।প্রথমটিতে জন্ম সনদে উল্লেখিত ১৭ সংখ্যার জন্ম নিবন্ধন নম্বর আর দ্বিতীয়টিতে জন্ম তারিখ প্রদান করতে হবে। অতঃপর ক্যাপচা প্রদর্শনের পর তা পূরণ করলেই সার্ভারে লিপিবদ্ধ ব্যক্তির জন্ম সনদ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্যাবলি দেখা যাবে। এখানে তথ্যগুলোর প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।
আবেদন সম্পন্ন হলে পূরণকৃত ফর্মটি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। এখানে ১০ থেকে ১৫ কার্যদিবসের কথা উল্লেখ থাকলেও সাধারণত আরো বেশি সময় লাগতে পারে সংশোধিত জন্ম সনদটি হাতে পেতে।
এখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলোর মধ্যে যেগুলো প্রস্তুত রাখতে হবে তা হলো-
১। প্রার্থীর অনলাইন নিবন্ধিত জন্ম নিবন্ধন সনদ
২। বাবা ও মায়ের অনলাইন নিবন্ধিত জন্ম নিবন্ধন সনদ
৩। শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদপত্র কিংবা টিকা সনদ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তথ্য প্রমাণ স্বরূপ প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে।
06/09/2025
💬“অফিসের কাজে এক্সপার্ট হতে চান? 🚀 MS Word এর এই ৫০টি শর্টকাট জানলেই আপনার কাজ হবে আগের থেকে ৩ গুণ দ্রুত, আর Productivity হবে সর্বোচ্চ! 💼
আজই শিখে নিন 👉 ‘কাজের সেরা শর্টকাট গাইড’। 🖥️”
MS Word হলো আমাদের অফিসের অন্যতম প্রধান টুল। কিন্তু প্রতিদিনের কাজকে দ্রুত ও প্রফেশনালভাবে করতে চাইলে শুধু টাইপ করা নয়, জানতে হবে শর্টকাট কমান্ড। এগুলো জানলে আপনার কাজ হবে সহজ, সময় বাঁচবে অনেকগুণ, আর productivity হবে সর্বোচ্চ! 🚀
✅ MS Word এর ৫০টি দরকারি শর্টকাট কমান্ড
🔹 সাধারণ শর্টকাট
Ctrl + N → নতুন ডকুমেন্ট
Ctrl + O → ডকুমেন্ট ওপেন
Ctrl + S → সেভ
F12 → Save As
Ctrl + P → প্রিন্ট
Ctrl + W → ডকুমেন্ট ক্লোজ
Ctrl + Z → Undo
Ctrl + Y → Redo
Alt + Ctrl + S → উইন্ডো স্প্লিট
🔹 টেক্সট এডিটিং শর্টকাট
Ctrl + C → কপি
Ctrl + X → কাট
Ctrl + V → পেস্ট
Ctrl + A → সব সিলেক্ট
Ctrl + F → খুঁজুন (Find)
Ctrl + H → Replace
Ctrl + Shift + L → Bullet list
Alt + Shift + D → Date insert
Alt + Shift + T → Time insert
🔹 ফন্ট ও ফরম্যাটিং
Ctrl + B → Bold
Ctrl + I → Italic
Ctrl + U → Underline
Ctrl + Shift + D → Double underline
Ctrl + Shift + W → Word underline only
Ctrl + E → Center align
Ctrl + L → Left align
Ctrl + R → Right align
Ctrl + J → Justify
Ctrl + Shift + C → Copy formatting
Ctrl + Shift + V → Paste formatting
Ctrl + [ → Font size ছোট করুন
Ctrl + ] → Font size বড় করুন
Ctrl + Shift + > → Increment font size
Ctrl + Shift + < → Decrement font size
🔹 নেভিগেশন ও সিলেকশন
Ctrl + → → এক শব্দ এগোনো
Ctrl + ← → এক শব্দ পেছানো
Ctrl + ↑ → এক Paragraph উপরে
Ctrl + ↓ → এক Paragraph নিচে
Ctrl + Shift + → → এক শব্দ সিলেক্ট
Ctrl + Shift + ↓ → এক Paragraph সিলেক্ট
Ctrl + Home → ডকুমেন্টের শুরুতে যাওয়া
Ctrl + End → ডকুমেন্টের শেষে যাওয়া
Shift + F5 → সর্বশেষ এডিট স্থানে ফেরা
🔹 স্পেশাল শর্টকাট
Ctrl + K → Hyperlink যোগ করা
Ctrl + Enter → Page break
Ctrl + Shift + N → Normal style
Ctrl + 1 → Single line spacing
Ctrl + 2 → Double line spacing
Ctrl + 5 → 1.5 line spacing
Alt + Shift + = → Equation insert
Ctrl + Shift + L → Quick style list
Click here to claim your Sponsored Listing.