Red button
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Red button, Digital creator, Sirajganj.
05/05/2026
একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি!
গত ২৮/০৪/২০২৬ ইং রোজ মঙ্গলবার,সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার টুকরাছোনগাছা হতে শালুয়াভিটা আলিম মাদ্রাসায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে মোছাঃ আতিয়া খাতুন (বয়স-১২) নিখোঁজ হয়।অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও মেয়েটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।এ ঘটনায় মেয়ের বাবা মোঃআতিকুল তালুকদার সিরাজগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।যদি কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি মেয়েটির সন্ধান পান তাহলে নিচের ঠিকানায় যোগাযোগ করুন।
পিতা, মোঃ আতিকুর রহমান তালুকদার।
মাতা,মোছাঃ সীমা বেগম।
গ্রামঃ টুকরা ছোনগাছা ।
পোস্টঃ শাহানগাছা।
থানা ও জেলাঃ সিরাজগঞ্জ
মোবাইলঃ01601272885
লিখাটা একজন পুরুষের অথচ প্রতিটা লাইন প্রতিটা শব্দ মেয়েদের উৎসর্গ করে লেখা। তার অর্ধাঙ্গিনী নিঃসন্দেহে ভাগ্যবতী
একটা ঘর ভর্তি কিছু মার্বেল ছড়িয়ে দিন আর একটা কোনায় রাখুন কয়েকটা ভারী কার্টন।
এবার একজন একজন করে কয়েক জন পুরুষ এনে বলেন তুমি যে কোন একটা কাজ করবা।
হয় একটা একটা করে মার্বেল কুড়াও না হয় পড়ে থাকা তিনটা ভারী কার্টন সরাও।
আমি একজন পুরুষ হিসাবে বলছি। একটা একটা মার্বেল কুড়ানোর চেয়ে ভারী কার্টন সরানো আমার জন্য সহজ কাজ।
না আমরা শুধু সহানুভুতি থেকে মেয়েদের জন্য ঘর ঠিক করে দেইনি l বরং আমরা জানি আমাদের ধৈর্য কম শক্তি বেশি।
আমার না পারা কাজটা যে মেয়েটা করে দেয় তার কাজের গুরুত্ব আমার কাছে কতটুকু?
পুরুষ শাষিত এ সমাজে মেয়েটা নিজেও মাথা নিচু করে বলে সে নাকি কিছুই করে না। রাত ১২টার পরেও মশারি গুজতে গুজতে মেয়েটা ভাবে সে একটা গৃহিনী !
ঘুম থেকে উঠে সাজানো ডাইনিং দেখে চোখ দুটো চক চক করলেও দৃশ্যের আড়ালে থেকে যায় তার গরম চুলার ভাপ !
লবন কম অথবা ঝাল বেশি আমাদের দৃষ্টি না এড়ালেও গরম তেলে ফোস্কাটা পড়াটা ঠিকই থাকে দৃষ্টির আড়ালে !
যে নারী কিছুই করেনা সে নারীর সন্তানের দায়িত্বটা শুধু আপনাকে দেওয়া হোক। আপনি তখন কার্টনও সরাবেন মার্বেলও কুড়াবেন তবু বাচ্চার চিৎকার শুনতে ঘরে বসে থাকবেন না l
আমরা পুরুষ বেছে নিয়েছি আমাদের কাজ। আর দিন ভর যে নারী মার্বেল কুড়ায় সে নারীকে বলি অকর্মা !
যে নারীর স্বামী নাই আমি দেখেছি সে নারীকে মাটি কাটতে কিন্তু যে স্বামীর বউ নাই তাকে দেখি নাই ঘর বাড়ি সামলাতে !
ঘর বাচ্চা সামলানোর চেয়ে আরেকটা বিয়ে করা যে সহজ !
কারো এটো বাসন ধুতে শুধু শক্তি না, মমতাও লাগে। আপনি খাটলে বেতন পান সে খাটলে ভালবাসা পায় তো ?
মানুষ কখনোই পাহাড়ে হোঁচট খায় না। হোঁচট খায় ছোট ছোট নুড়ি পাথরে, হোঁচট খায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইট-পাথরের টুকরোতে। পাহাড়ের মতো বিশাল কিছুর সামনে আমরা সতর্ক থাকি, প্রস্তুত থাকি, কিন্তু সেই সামান্য, অবহেলিত কিছুর জন্যই পড়ে যাই। জীবনের মতোই, সম্পর্কের পথও এমনই।
একটি সম্পর্ক – সেটা প্রেম, বন্ধুত্ব, দাম্পত্য কিংবা পারিবারিক – কখনোই বড় কোনো ইস্যুতে হঠাৎ ভেঙে পড়ে না। সম্পর্ক ভাঙে ছোট ছোট ভুল বোঝাবুঝি, অবহেলা, না বলা কথার ভেতরে জমে থাকা কষ্ট, কিংবা সময়মতো একটুখানি মনোযোগ না দেওয়ার কারণে। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো প্রথমে হয়তো তেমন গুরুত্ব পায় না, কিন্তু দিনে দিনে সেগুলো জমতে জমতে পাহাড়ের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে। এক সময় আসে যখন আর বোঝাপড়ার কোনো রাস্তা খোলা থাকে না – বিচ্ছেদ হয়ে ওঠে একমাত্র সমাধান।
আমরা অনেক সময় ভাবি, “এতো ছোট একটা বিষয়, ও এতোটাই রাগ করলো কেন?” কিন্তু এই ছোট্ট বিষয়টাই হয়তো তার কাছে বড় ছিল। হয়তো সে প্রতিদিন একটু কথা বলা, একটুখানি সময় চেয়েছিল। হয়তো আপনার একটাই বাক্য বা অভিব্যক্তি তার মনে অনেক গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। একটি ক্ষতের জন্য সবসময় বড় অস্ত্র লাগে না, ক্ষত গভীর হয় তখনই যখন অনুভূতির জায়গায় আঘাত লাগে।
তাই একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে বড় কিছু করার প্রয়োজন পড়ে না। প্রয়োজন পড়ে ছোট ছোট যত্নের, সামান্য খেয়ালের, একটুখানি বোঝাপড়ার।
সময়মতো একটি মেসেজ,
ক্লান্ত দিনে এক কাপ চা,
কষ্টে থাকা মানুষটার পাশে নীরব উপস্থিতি,
কিংবা শুধুই মন দিয়ে শোনা তার মনের কথা —
এই ছোট্ট ছোট্ট কাজগুলোই আজীবনের বন্ধন গড়ে তোলে।
সম্পর্ক মানে একে অপরের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করতে পারা। তার অনুভূতিকে তার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উপলব্ধি করার চেষ্টা করা। একটুখানি কেয়ার, একটুখানি সম্মান, কথায় গুরুত্ব দেওয়া, অনুভূতির প্রতি স্পর্শকাতরতা — এগুলিই একটি সম্পর্কের মেরুদণ্ড।
শেষ কথায় বলা যায়, সম্পর্ক একটি সুন্দর বাগানের মতো। প্রতিদিন সেখানে একটু করে পানি দিতে হয়, আগাছা পরিষ্কার করতে হয়, খেয়াল রাখতে হয় সূর্যের আলো পড়ছে কিনা। অবহেলা করলেই তা শুকিয়ে যায়। তাই সম্পর্কের ছোট ছোট বিষয়গুলোকে অবহেলা নয়, বরং যত্নে আলিঙ্গন করা উচিত। কেননা, জীবনের সবথেকে বড় সুখ লুকিয়ে থাকে এই ছোট ছোট খুঁটিনাটিতেই।।😌🥀
25/04/2026
আজ ইরান ধ্বংস হয়ে যাবে—এ কথা ওরা নিজেরাও জানে।জানে বলেই ভয় পায় না।
বড় বড় নেতারা টার্গেটে।মারা পড়বে অনেকেই।
কিন্তু ইরান প্রস্তুত—
দেশের প্রায় সব স্তরে চারজন করে বিকল্প নেতা ঠিক করে রাখা আছে।
একজন পড়লে আরেকজন দায়িত্ব নেবে।
ক্ষমতা থামবে না, প্রতিরোধ থামবে না।
ওরা জানে মরবে।তবুও আমেরিকা-র অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না।এইটাই ওদের অপরাধ।
ছোট একটা দেশ।কিন্তু ইতিহাস বলে—
সারা পৃথিবী এক হয়েও দেশটাকে ভাঙতে পারেনি।
অবরোধ দিয়েছে, হুমকি দিয়েছে,
ব্যবসা বন্ধ করেছে, অর্থনীতি চেপে ধরেছে—
কিন্তু লাভ হয়নি।
ওরা মাথা নোয়ায়নি।
আজও নোয়াবে না।
হয়তো আজ অনেকেই মারা যাবে।কিন্তু দাস হয়ে বাঁচার চেয়ে মাথা উঁচু রেখে মরাকেই বেছে নিয়েছে তারা।
মানুষ আল্লাহর কী অপূর্ব সৃষ্টি—
ইরানের মানুষেরা সেটা বারবার প্রমাণ করে।
রক্ত দিয়ে, ধৈর্য দিয়ে,আর অসম্ভব সাহস দিয়ে।
ওরা হারবে না।মরলেও ভেঙে পড়বে না।
আল্লাহ আপনি ইরানকে আপনার কুদরতি
ক্ষমতায় বিজয়ী করুন। আমিন।
বিচ্ছেদের পর রুদ্র এবং তসলিমা পাল্টাপাল্টি দুটো কবিতা লেখে। তসলিমা শুরু করে দুধরাজ কবিতাটি দিয়ে,
উত্তরে রুদ্র লেখে সামঞ্জস্য। দুটি কবিতাই দেয়া হলো
তসলিমার 'দুধরাজ'
কেউ শখ করে পাখি পোষে/ কেউ-বা কুকুর/ আর আমি এক-পা এগিয়ে গিয়ে/একজন কবিকে স্বগৃহে শখ
করে পালন করেছি/ পাখা নেই, তবু সে উড়াল দেবে/কেশরের কিচ্ছু নেই/তবু সে ঘাড়ের রোঁয়া
ফুলিয়ে দাঁড়াবে/খেতে দিই/বুকের বল্কলে ঢেকে বলি/ঘুম যাও/কবি কি ঘুমায়?/ বিড়াল-নরম হাত
থেকে বের হয় তার ধারালো নখর/আঁচড়ে কামড়ে আমাকেই আহত করে/বাদুড়ের মতো ঝুলে থাকে
আমারই পাঁজরায়/কবি কি ঘুমায়?/ তারচে’ কুকুর পোষা ভাল/ধূর্ত যে শেয়াল, সে-ও পোষ মানে/
দুধকলা দিয়ে আদরে-আহ্লাদে এক কবিকে পুষেছি এতকাল/আমাকে ছোবল মেরে দ্যাখো সেই কবি
আজ কীভাবে পালায়।
এবার রুদ্রের লেখা পাল্টা কবিতা- ‘সামঞ্জস্য’।
তুমি বরং কুকুর পোষো/প্রভুভক্ত খুনশুটিতে কাটবে তোমার নিবিড় সময়/ তোমার জন্য বিড়ালই ঠিক/
বরং তুমি বিড়াল পোষো/ খাঁটি জিনিশ চিনতে তোমার ভুল হয়ে যায়/ খুঁজে এবার পেয়েছো ঠিক দিক
ঠিকানা/ লক্ষী সোনা, এবার তুমি বিড়াল এবং কুকুর পোষো/ শুকোরগুলো তোমার সাথে খাপ খেয়ে
যায়/কাদা ঘাটায় দক্ষতা বেশ সমান সমান/ঘাটাঘাটির ঘটঘটায় তোমাকে খুব তৃপ্ত দেখি/তুমি বরং
ওই পুকুরেই নাইতে নামো/পংক পাবে, জলও পাবে/চুল ভেজারও তেমন কোনো আশংকা নেই/ইচ্ছে মতো
যেমন খুশি নাইতে পারো/ঘোলা পানির আড়াল পেলে/কে আর পাবে তোমার দ্যাখা!/ মাছ
শিকারেও নামতে পারো/তুমি বরং ঘোলা পানির মাছ শিকাওে দ্যাখাও তোমার গভীর মেধা/ তুমি
তোমার স্বভাব গাছে দাঁড়িয়ে পড়ো/নিলিঝিলির স্বপ্ন নিয়ে আর কতো কাল?/শুধু শুধুই মগজে এক
মোহন ব্যাধি/তুমি বরং কুকুর পোষো, বিড়াল পোষো/ কুকুর খুবই প্রভুভক্ত এবং বিড়াল আদর প্রিয়/
তোমার জন্য এমন সামঞ্জস্য তুমি কোথায় পাবে??
Ride with Yasin
Click here to claim your Sponsored Listing.