Md. Khalilur Rahman

Md. Khalilur Rahman

Share

মানবাদিকার কর্মী ও সাবেক ইউপি,চেয়ারম্যান
X-UP-Chairman-Gazir khamar.Sherpur Sadar.Human Rights Activist-United Nations Approved International Org.

Basok.GovReg.No-10554/09 Position-DM & President Sherpur Dist-SR-Director Central Commi.VIP ID Card No-4340.

31/05/2026

💝অপেক্ষার ওপারে একদিনঃ—🌺

আবার কোনো একদিন দেখা হবে— হয়তো কোনো ব্যস্ত শহরের ভিড়ে, হয়তো কোনো নির্জন বিকেলের রোদে, হয়তো বহু ঋতুর পাতা ঝরে যাওয়ার পরে, অথবা সময়ের দীর্ঘ নদী পেরিয়ে যখন আমাদের চুলে নেমে আসবে রূপালি সন্ধ্যা।

দশ বছর, বিশ বছর, কিংবা অর্ধশতাব্দী পরে— কিংবা এমন এক শতাব্দীর প্রান্তে, যেখানে আমাদের নামগুলোও পুরোনো স্মৃতির ধুলোয় ঢাকা পড়ে যাবে, সেখানেও হয়তো হঠাৎ একটি পরিচিত দৃষ্টির স্পর্শে জেগে উঠবে বহুদিনের ঘুমিয়ে থাকা হৃদয়।
আমি জানি, জীবনের সব রাস্তা কখনো হারিয়ে যায় না। কিছু পথ থাকে শুধুই ফিরে আসার জন্য, কিছু মানুষ থাকে শুধুই একদিন আবার দেখা হওয়ার জন্য।
সেদিন তুমি আর আজকের মতো অভিমানকে বর্ম করে রাখবে না। তোমার চোখের ভেতর জমে থাকা অপ্রকাশিত কথাগুলো নদীর মতো উথলে উঠবে, আর আমার বুকের ভেতর লুকিয়ে রাখা অগণিত অসমাপ্ত বাক্য খুঁজে পাবে তাদের ঠিকানা।

হয়তো আমরা বসবো কোনো পুরোনো গাছের ছায়ায়, যেখানে বাতাসে ভেসে আসবে হারিয়ে যাওয়া দিনের গন্ধ। তুমি বলবে— “এতদিন কোথায় ছিলে?” আমি হাসবো, কারণ সেই প্রশ্নের উত্তর কোনো ভাষার অভিধানে লেখা থাকে না।

আমি বলবো— আমি ছিলাম তোমার স্মৃতির ভেতর, তোমার নীরবতার আড়ালে, প্রতিটি অপূর্ণ কবিতার ছত্রে, প্রতিটি বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যার দীর্ঘশ্বাসে।
তুমি জানো, ভালোবাসা সবসময় কাছে থাকার নাম নয়। কখনো কখনো ভালোবাসা হলো— দূরে থেকেও কারও জন্য প্রার্থনা করা, তার সুখের খবর শুনে নিঃশব্দে হাসা, আর নিজের সমস্ত কষ্ট লুকিয়ে রেখে তার জীবনকে আলোয় ভরে উঠতে দেখা।
সময়ের কাছে আমরা দু’জনই হার মানব, যৌবন একদিন ফুরিয়ে যাবে, চোখের দীপ্তি ম্লান হবে, হাতের শক্তি কমে আসবে— কিন্তু কিছু অনুভূতি আছে যাদের বয়স বাড়ে না কখনো।

সেদিন যদি দেখা হয়, আমরা হয়তো একে অপরের হাত ধরবো না, কোনো প্রতিশ্রুতিও চাইবো না। শুধু চোখের গভীরে চোখ রেখে বুঝে নেবো— যে ভালোবাসা সত্য ছিল, সে কখনো মরে না; সে শুধু সময়ের ভেতর অপেক্ষা করতে শেখে।

আর যদি সত্যিই দেখা হয়— কোনো এক নক্ষত্রখচিত সন্ধ্যায়, কিংবা জীবনের শেষ প্রহরে, তবে আমি শুধু এতটুকুই বলবো—

“দেখো, সময় আমাদের আলাদা করতে পেরেছিল, কিন্তু ভুলিয়ে দিতে পারেনি। কারণ কিছু হৃদয় জীবনে আসে না শুধু থাকার জন্য, তারা আসে চিরকাল হৃদয়ে থেকে যাওয়ার জন্য।”
তখন হয়তো আকাশ নীরবে হাসবে, বাতাস থমকে দাঁড়াবে, আর আমাদের দু’জনের চোখে জমে উঠবে বহু বছরের অমলিন জলধারা।

হ্যাঁ, দেখা হবে— আবার কোনো একদিন, কোনো এক অজানা ঠিকানায়, যেখানে অপেক্ষার সব হিসাব মিটে যাবে, আর ভালোবাসা তার চিরন্তন নাম ফিরে পাবে। ❤️

29/05/2026
Photos from Md. Khalilur Rahman's post 28/05/2026

❤️ 🕍ঈদের নীরব রূপান্তর— বাবা-মায়ের হৃদয়ে সময়ের গল্পঃ—

🕍🫂 ঈদ কখনো শুধু নতুন পোশাক, সেমাই কিংবা আনন্দের উৎসব নয়; বাবা-মায়ের কাছে ঈদ মূলত সন্তানের মুখে ফুটে ওঠা হাসির আরেক নাম। সন্তানের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে যেমন তার পৃথিবী বদলে যায়, তেমনি বদলে যায় বাবা-মায়ের ঈদ উদযাপনের অনুভূতিও। যে ঈদ একসময় ছোট্ট শিশুর হাত ধরে বাজারে যাওয়ার আনন্দে ভরে থাকত, সেই ঈদই একদিন নিঃশব্দ অপেক্ষায় রূপ নেয়—বিদেশে থাকা সন্তানের ফোনের অপেক্ষা, কিংবা বিবাহিত মেয়ের অতিথি হয়ে বাড়ি ফেরার প্রতীক্ষায়।
সন্তানের প্রথম ঈদ বাবা-মায়ের জীবনে এক নতুন সূর্যোদয়ের মতো। তার ছোট্ট জামা, কচি হাতে মেহেদি, ঈদের সকালে তাকে সাজিয়ে তোলার আনন্দ—এসব মুহূর্ত শুধু উৎসব নয়, বরং জীবনের গভীরতম আবেগের অংশ হয়ে ওঠে। তখন ঈদ মানে নিজের আনন্দ নয়, সন্তানের চোখে আনন্দ খুঁজে পাওয়া। বাবা-মা বুঝতে শেখেন, ভালোবাসার সবচেয়ে নির্মল রূপ হলো নিঃস্বার্থ দায়িত্ববোধ।
কিন্তু সময় কখনো থেমে থাকে না। যে সন্তান একসময় বাবা-মায়ের হাত ছাড়া কোথাও যেতে চাইত না, সেই সন্তানই ধীরে ধীরে নিজের পৃথিবী গড়ে তোলে। বন্ধু, পড়াশোনা, কর্মজীবন কিংবা নতুন সম্পর্ক তাকে পরিবারের সীমানার বাইরে নিয়ে যায়। বাবা-মা তখন গর্ব আর শূন্যতার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকেন। তারা জানেন, এটাই জীবনের স্বাভাবিক নিয়ম; তবুও পুরোনো দিনগুলোর জন্য মন হাহাকার করে ওঠে।
বিদেশে পড়তে যাওয়া সন্তান কিংবা বিয়ের পর অন্য বাড়িতে চলে যাওয়া মেয়ের অনুপস্থিতি বাবা-মায়ের ঈদকে অন্য এক নীরবতায় ভরে দেয়। প্রযুক্তি দূরত্ব কমাতে পারলেও, সন্তানের শারীরিক উপস্থিতির অভাব কখনো পূরণ করতে পারে না। কারণ কিছু সম্পর্ক শুধু কথায় নয়, উপস্থিতির উষ্ণতায় বেঁচে থাকে।
তবুও জীবন থেমে থাকে না। একসময় সেই বাবা-মায়েরাই দাদা-দাদি বা নানা-নানি হন। নাতি-নাতনির হাসিতে তারা আবার নতুন করে ঈদের প্রাণ খুঁজে পান। তখন তারা উপলব্ধি করেন—জীবন আসলে এক চলমান বৃত্ত, যেখানে বিদায়ের মধ্যেও নতুন আগমনের আলো লুকিয়ে থাকে।

🕍ঈদ বদলায় না; বদলে যায় মানুষের অবস্থান, সম্পর্কের রূপ এবং অনুভূতির গভীরতা। আর এই নীরব পরিবর্তনের মধ্যেই লুকিয়ে আছে বাবা-মায়ের ভালোবাসার সবচেয়ে সুন্দর সত্য—সন্তান যত দূরেই যাক, তাদের জন্য বাবা-মায়ের হৃদয়ে ঈদের চাঁদ সবসময়ই পূর্ণ হয়ে জ্বলে থাকে।

❤️🤲 ভালো থাকুন পৃথিবীর সকল বাবা- মা, ভালো থাকুক সকল সন্তানেরা❤️🌹

28/05/2026

🌇 ক্ষমতার মুখোশঃ—

রাজপথ জুড়ে স্লোগান ওঠে—
“মানুষ বাঁচাও, ন্যায় চাই”,
আর অন্ধকার ঘরের ভেতর
মানুষ পোড়ার হিসাব পাই।
আমরাই আগুন জ্বালাই রাতে,
আমরাই আবার পানি ঢালি,
আমরাই কাঁদি টিভির পর্দায়,
আমরাই লুটে খাই ত্রাণের ডালি।
আমরাই বলি— “দেশটা শেষ!”
আমরাই শেষের কারিগর,
আমরাই আবার সভা ডেকে
হই মানবতার বক্তা বড়।
কোথাও ধর্ষণ, কোথাও খুন,
কোথাও গুমের নিঃশব্দ রাত,
সকালে দেখি মিছিল নামে—
হাতে তাদের প্রতিবাদের পাত।
যে মা হারালো সন্তানের মুখ,
তার চোখে শুধু নোনা জল,
আর নেতাদের টেবিল জুড়ে
ক্ষমতারই নতুন সম্বল।
আমরাই ভাঙি গরিবের ঘর,
আমরাই তুলি পুনর্বাসন,
ক্যামেরার সামনে দেই আশ্বাস—
পেছনে চলে টাকার শাসন।
আমরাই বলি “প্রয়োজনে প্রাণ”,
যুবকের হাতে তুলে পতাকা,
তার রক্ত শুকায় রাজপথ জুড়ে,
আমরা ততদিনে বদলাই ফাঁকা।
লাশের উপর দাঁড়িয়ে আবার
নেতৃত্বের মুকুট পরে যাই,
মানুষ ভাবে— “বিচার হবে”,
আমরা শুধু অভিনয় সাজাই।
ধর্ম দিয়ে ভাগ করি মানুষ,
ভাষা দিয়ে তুলি দেয়াল,
জাতির নামে বিষ ছড়িয়ে
নিজেরাই হই ক্ষমতার দালাল।
সভ্যতার বুলি মুখে ঝোলে,
ভেতরে পচা লোভের গন্ধ,
মানবতার নামে যারা চিৎকার করে
তারাই রচনা করে অন্ধ দ্বন্দ্ব।
এ শহরের প্রতিটি দেয়ালে
রক্তমাখা ইতিহাস লেখা,
কেউ শহীদ, কেউ বিশ্বাসঘাতক—
সবই ক্ষমতার নতুন দেখা।
একদল যায়, আরেক দল আসে,
পাল্টায় শুধু পতাকার রং,
কিন্তু বদলায় না শোষণের ছক,
একই থাকে কান্নার ঢং।
গরিব মানুষ ভোটের আগে
হয়ে ওঠে খুব প্রয়োজন,
ভোটের পরে হারিয়ে যায়
তাদের বেঁচে থাকার আয়োজন।
আমরাই শোককে উৎসব বানাই,
আমরাই বেচি মানুষের ভয়,
আমরাই লিখি মিথ্যা ইতিহাস,
আমরাই বলি— “সব ঠিক হয়।”
তবু কোনো এক নির্জন রাতে
একটা প্রশ্ন জেগে রয়—
এই যে এত রক্তের খেলা,
শেষে আসলে জিতে কে কয়?
ক্ষমতার সিংহাসনের নিচে
পড়ে থাকে হাজার প্রাণ,
আর ইতিহাস নীরবে লেখে—
“মানুষ হারায়, জিতে শয়তান।”
কারণ রাজনীতির এই খেলাতে
দল বদলায়, বদলায় মুখ,
কিন্তু লোভ আর ক্ষমতার নেশা
একই রাখে পৃথিবীকে দুখ।

🌹🤲সকলের মঙ্গল কামনা করছি — খলিল🙏❤️

27/05/2026

◼️ দুঃখ, কষ্ট ও পেটে আজন্মের ক্ষিদে নিয়ে একটুকরো নতুন কাপড় ও ভালো খাবারের স্বপ্ন—

🖤 দুঃখ, কস্ট ও ক্ষুধা এই পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মম বাস্তবতা। পৃথিবীতে এমন অসংখ্য মানুষ আছে, যাদের জীবনের সবচেয়ে বড় চাওয়া কোনো বিলাসিতা নয়, কোনো রাজপ্রাসাদ নয়—শুধু একমুঠো ভাত, একটু ভালো খাবার, আর দু’মুঠো শান্তি। কিন্তু ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস, সেই সামান্য স্বপ্নটুকুও তাদের কাছে আকাশের চাঁদের মতো দূর হয়ে থাকে।

🖤 ঈদ আসে আনন্দের বার্তা নিয়ে। শহরের অলিগলিতে নতুন কাপড়ের ঘ্রাণ ছড়ায়, রান্নাঘরে সেমাই আর মাংসের সুবাস ভেসে বেড়ায়, শিশুরা হাসিতে মেতে ওঠে। অথচ সমাজের এক কোণে কিছু মানুষ তখনও ক্ষুধার সঙ্গে লড়াই করে। তাদের ঘরে ঈদের চাঁদ ওঠে না, ওঠে শুধু দীর্ঘশ্বাস। নতুন জামার বদলে তারা পরে পুরোনো ছেঁড়া কাপড়, আর মাংসের স্বাদের গল্প তারা শুধু অন্যের মুখে শুনে। যে শিশুর হাতে ঈদের দিনে খেলনা থাকার কথা, সে হয়তো হোটেলের উচ্ছিষ্ট খাবারের দিকে তাকিয়ে থাকে নিঃশব্দ চোখে।।

🖤 অভাব মানুষকে শুধু দরিদ্র করে না, ধীরে ধীরে তার স্বপ্ন দেখার ক্ষমতাটুকুও কেড়ে নেয়। প্রতিদিনের ক্ষুধা, অপমান আর অনিশ্চয়তার ভারে তারা বেঁচে থাকে এক ধরনের নীরব মৃত্যুর মধ্যে। সমাজ যখন উৎসবের আলোয় ঝলমল করে, তখন তাদের অন্ধকার আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কারণ সুখের সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো—অন্যের সুখকে দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখা।
তবুও এই হতভাগ্য মানুষগুলোর চোখে একফোঁটা আশার আলো বেঁচে থাকে। হয়তো কেউ তাদের হাতে এক প্লেট খাবার তুলে দেবে, হয়তো কোনো শিশু প্রথমবারের মতো ঈদের দিনে নতুন জামা পরবে। মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসাই পারে এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দারিদ্র্যকে কিছুটা কমিয়ে দিতে। কারণ একমুঠো ভাত কখনো শুধু খাবার নয়—কখনো কখনো সেটাই একটি মানুষের বেঁচে থাকার শেষ স্বপ্ন।

🙏 আসুন, যার যার অবস্থান থেকে– যার যতটুকু সাধ্যে সম্ভব সেই সমস্ত মানুষদের জন্য নিরবে নিভৃতে কিছু করি। ❤️
🤲 আল্লাহ আমাদের সকলকে তৌফিক দান করুন। আমিন🌺

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Sherpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Sherpur, Gazir Khamar , Polashia
Sherpur
2100