M R NOMAN

M R NOMAN

Share

মানুষ মানুষের জন্য ♥
অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য কিছু করতে চাই।

https://www.youtube.com/@Noman01bd

23/04/2026

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় এক নিদারুণ মানবিক সংকটের চিত্র ফুটে উঠেছে। নিজের ঘর থেকে উচ্ছেদ হয়ে এক অসহায় নারী তাঁর দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে গত ১৯ দিন ধরে স্বামীর কবরের পাশে অবস্থান করছেন। জীবিত মানুষের সমাজে আশ্রয় না পেয়ে মৃ #ত স্বামীর কবরের পাশেই শেষ আশ্রয় খুঁজে নিয়েছেন এই মা।

ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, স্বামীর মৃ #ত্যুর পর পরই শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। মাথা গোঁজার বিকল্প কোনো জায়গা না থাকায় এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে তিনি বাধ্য হয়ে স্বামীর কবরের পাশে পলিথিন ও কাপড় দিয়ে ছোট একটি অস্থায়ী ছাউনি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন। প্রখর রোদ আর রাতের অন্ধকার—সবকিছুই তিনি মোকাবিলা করছেন তাঁর দুই অবুঝ সন্তানকে সাথে নিয়ে।

কবরের পাশে কাফনের বালিশ আর যৎসামান্য কাপড় নিয়ে এই মানবেতর জীবনযাপনের দৃশ্য স্থানীয়দের মনে গভীর ক্ষোভ ও বেদনার সৃষ্টি করেছে। স্বজনদের এমন অমানবিক আচরণে এলাকাবাসী স্তম্ভিত। প্রশ্ন উঠেছে আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ ও সহমর্মিতা নিয়ে—যেখানে একজন বিধবা নারী ও তাঁর সন্তানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা ছিল, সেখানে তাঁদের এমন চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

এই অসহায় পরিবারটির এখন জরুরি ভিত্তিতে একটি নিরাপদ আশ্রয় এবং আইনি সুরক্ষা প্রয়োজন। স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতি আবেদন জানানো হয়েছে যেন দ্রুত হস্তক্ষেপে এই মা ও তাঁর সন্তানদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হয় এবং তাঁদের একটি সম্মানজনক জীবন ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

​একটি সভ্য সমাজে একজন নারীর তাঁর সন্তানদের নিয়ে এভাবে খোলা আকাশের নিচে কিংবা কবরের পাশে রাত কাটানো অত্যন্ত লজ্জাজনক। এটি কেবল একটি পারিবারিক বিরোধ নয়, বরং আমাদের সামাজিক কাঠামোর দুর্বলতাকেই নির্দেশ করে। নারীর অধিকার ও এতিম শিশুদের সুরক্ষায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা পালন করা উচিত যেন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।

শ্রীপুরে গৃহহীন হয়ে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তানসহ ১৯ দিন ধরে এক মায়ের অবস্থান; আশ্রয়ের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা।
​বিশেষ বার্তা: অসহায় ও এতিমদের প্রতি নিষ্ঠুরতা কোনো ধর্ম বা সমাজ সমর্থন করে না। আপনার চারপাশের এমন বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং তাঁদের আইনি ও মানবিক অধিকার নিশ্চিত করতে সহায়তা করুন। ⚖️ মানবতার জয় হোক।
🛑সামাজিক অবিচার রুখে দিন। 🛑 নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ি। 🛑

23/04/2026

বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল।

ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল।

এমনকি আমাদের কথিত জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ওরফে রঠা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছে, পূর্ব বাংলা যেন উন্নত না হতে পারে তাই ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশ গঠনের তীব্র বিরোধিতা করেছে।

পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন দেখে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশকে আলাদা করার জন্য এই হিন্দু ভারতীয় দালালরা উঠেপড়ে লাগে। তৈরী করে বৈষম্যের মিথ্যা বয়ান।

▶️ পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩)
◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬)
◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০)
◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮)
◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১)

▶️ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল
◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল
◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল
◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল

উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা।

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে

◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯)
◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯)
◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২)
◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ

উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে।

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭)
◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮)
◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)
◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)
◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩)
◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬)
◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮)
◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)

উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮)
◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩)
◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩)
◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)

উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে।

▶️ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)"

▶️ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে....

◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"।
◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল।

★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা!

১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি।

★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি।

▶️শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা

◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়)

◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী

◾ সংসদ ভবন
◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ
◾ বাংলা একাডেমি
◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা
◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়)
◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা
◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)
◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত)
◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়)
◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল
◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প
◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন
◾ ঢাকা স্টেডিয়াম
◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন)
◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প
◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন
◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।

◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC)
◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান
◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি
◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী)
◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী
◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা
◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা
◾খালিশপুর শিল্প এলাকা।

◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১
◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯
◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০
◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮
◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক
◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩
◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক
◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়।

◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২
◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩
◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩
◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩
◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে।

১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে।

তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি।

তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক।

দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে।

তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে।

এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে।

আর ১৯৭১ সালে বিজয়ী বাংলাদেশের যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। ভারতই ঠিক করে বাংলাদেশের ক্ষমতায় কে থাকবে।

ইউরোপের দেশগুলো যেখানে বিচ্ছিন্ন থাকার চেয়ে এক হয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন হয়েছে। যাদের সবার একই মুদ্রা, একই পার্লামেন্টে ও আদালত আছে। একটা দেশের মত তারা সবাই বিনা ভিসায় ইউনিয়নের সব দেশে ভ্রমণ করতে পারে। আমেরিকা ৫০ টি রাজ্য মিলে এক হয়ে যুক্তরাষ্ট্র হয়েছে। ইংল্যান্ড ৪ টি রাজ্য মিলে হয়েছে যুক্তরাজ্য, ভারতে ২৮ টি রাজ্য মিলে একসাথে থাকছে।

অথচ আমরা মাত্র ৫ টি প্রদেশ এক হয়ে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান থাকতে পারলাম না। মিডেল ইস্টে শহরের মত ছোট ছোট এলাকা তুর্কী খেলাফত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার নামে আমেরিকার স্থায়ী গোলামে পরিনত হয়েছে। আর আমরা কথিত স্বাধীনতার নামে ভারতের স্থায়ী গোলামে পরিনত হয়েছি।

আল্লাহর দুশমনেরা সবাই এক হয়ে শক্তিশালী হচ্ছে আর আমাদের কথিত স্বাধীনতার নামে বিচ্ছিন্ন করে ওদের গোলামে পরিনত করেছে।

পাকিস্তান আমলে ৪ জন গভর্নরের মধ্যে ২ জন ছিল বাংলাদেশের। ৮ জন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ৪ জন ছিল বাংলাদেশের এবং তাদের সম্মিলিত মেয়াদকাল পশ্চিম পাকিস্তানের ৪ টি প্রদেশ থেকে হওয়া প্রধানমন্ত্রীদের সম্মিলিত মেয়াদকালের চেয়ে বেশি ছিল। এরপরেও বলা হচ্ছে আমরা নাকি ছিলাম পাকিস্তানের অধীন! পরাধীন!

এই কথিত পরাধীনতার গল্প শুনিয়ে স্থায়ীভাবে যারা ভারতের গোলাম বানালো এদেশকে তারা সবাই স্বাধীনতার শত্রু। দেশবিরোধী দালাল।

লেখা : সংগৃহীত ও পরিমার্জিত

22/04/2026

Everyone is chatting in their own way during break time at the office.

22/04/2026

ব*জ্রপাতে মা*রা যাওয়া,,, ছেলের লা*শ চু*রির ভয়ে রাত জেগে ক*বর পাহারায় বৃদ্ধ বাবা। 😰

22/04/2026

জনপ্রিয় অভিনেত্রী িন্দু_ এবং তার বর্তমান অবস্থা 🫶

একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আফসান আরা বিন্দু। অনেকেরই অজানা, তিনি একজন মেধাবী ডিজাইনার। এমনকি ঢালিউডের অন্দরে এখন এমন কথাও প্রচলিত যে—বিন্দুর ডিজাইন করা পোশাক না পরলে নাকি পূর্ণাঙ্গ ‘তারকা’ হওয়া যায় না! রুপালি পর্দার সেই চিরচেনা বিন্দু এখন আর কেবল অভিনয়ের ফ্রেমে বন্দি নন, বরং ফ্যাশন জগতের এক সফল নেপথ্য কারিগর।

বিয়ের পর শোবিজ থেকে আড়ালে গিয়ে সংসারী হয়েছিলেন বিন্দু। আর এরপর করোনা মহামারির স্তব্ধ সময়ে নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে শুরু করেছিলেন একটি অনলাইন ব্যবসা। সেই ছোট্ট উদ্যোগটিই আজ ‘আফসান বিন্দু ডিজাইনার স্টুডিও’ নামে এক অভিজাত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। এই স্টুডিওর প্রতিটি সুতোর কাজ আর নকশা বিন্দুর নিজের মস্তিষ্কপ্রসূত।

তবে এই সাফল্যের পথটা বিন্দুর জন্য সহজ ছিল না। একদম শুরুতে যখন খুব ছোট একটি দোকান নিয়ে যাত্রা শুরু করেন, তখন চারপাশের মানুষের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। অনেকেই বলেছিলেন—এত বড় তারকা হয়ে এমন সাধারণ দোকান দিলে লোকে কী ভাববে? কিন্তু বিন্দু প্রমাণ করেছেন, অন্যের চিন্তায় নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিতে নেই। কেননা সেই ছোট্ট দোকান থেকেই আজ বনানীতে ডালপালা মেলেছে তার ২৬০০ স্কয়ার ফিটের বিশাল শোরুম।

উদ্যোক্তা হিসেবে বিন্দুর এই লড়াইয়ের শুরুটা ছিল মাত্র একজন কর্মীকে নিয়ে। অথচ আজ তার সেই স্টুডিওতে কাজ করছেন ১৫ জনেরও বেশি দক্ষ কর্মী। বিন্দু বিনয়ের সাথে দাবি করেন, তিনি এখনও বড় কেউ হতে পারেননি। কিন্তু গ্ল্যামার জগতের ঝলকানি ছেড়ে সৃজনশীল ব্যবসায় নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার এই গল্পটি এখন অনেকের জন্যই এক বড় অনুপ্রেরণা।

21/04/2026

রাজপথ থেকে সংসদে।
ডঃ মাহমুদা মিতু

21/04/2026

♦️ ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পরিবহনে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি সংস্থা রোসাটম—এমন তথ্য জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী আলেক্সি লিখাচেভ।

🔹 তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান শান্তি আলোচনায় এই ইউরেনিয়াম মজুদের ভবিষ্যৎ একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে।

🔸 তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি শুধু প্রযুক্তিগত নয়—এর সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও কূটনৈতিক সমঝোতার প্রশ্নও জড়িত।

🟠 লিখাচেভ স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১৫ সালেও তেহরানের অনুরোধে রাশিয়া ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিয়েছিল।

🔹 তিনি আরও বলেন, যেকোনো দীর্ঘমেয়াদী শান্তি চুক্তিকে রাশিয়া স্বাগত জানাবে এবং প্রয়োজন হলে আবারও ইউরেনিয়াম স্থানান্তরে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

⚠️ এই তথ্য স্পুটনিকের সূত্রে প্রকাশিত হয়েছে এবং বিষয়টি এখনো আলোচনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

20/04/2026

Mai yaha hu yaha hu... 🫶

20/04/2026

শহরের ঝলমলে আলো আর অভিজাত এলাকার নিস্তব্ধতার আড়ালে গড়ে উঠছে এক নতুন ধরনের পেশা বা জীবনধারা। গাড়ির কাচ নামিয়ে কোনো এক মধ্যবয়সী নারীর একটি সংকেত আর যুবকের গাড়িতে উঠে পড়া—দৃশ্যটি আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ মনে হলেও এর গভীরে লুকিয়ে আছে 'পার্সোনাল কম্প্যানিয়নশিপ' বা ব্যক্তিগত সহচরত্বের এক অপ্রকাশিত জগত।

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অনেক যুবকই পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের আশায় এই ধরনের সেবার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। এখানে মূল কাজ হলো নির্দিষ্ট সময়ের বিনিময়ে কাউকে সঙ্গ দেওয়া, কথা বলা কিংবা মানসিক সমর্থন জোগানো। এই পথে আসা একজনের মতে, শুরুতে পরিচয়টা হয়তো সাধারণ কোনো কাজের সূত্র ধরে হয়, কিন্তু পরে তা দীর্ঘমেয়াদী পেশাদার সম্পর্কে রূপ নেয়। যান্ত্রিক জীবনের একাকীত্ব ঘোচাতে অনেকেই এমন ‘পেইড কম্প্যানিয়ন’ বা অর্থের বিনিময়ে সহচর খুঁজে নেন।

​তবে এই অদৃশ্য জগতের মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। পেশাদারিত্বের আড়ালে এখানে যেমন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ভয় থাকে, তেমনি রয়েছে প্রতারণা ও শারীরিক নিরাপত্তার ঝুঁকি। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই এই যুবকদের আইনি জটিলতার মুখে পড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
​সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, নৈতিকতা আর ব্যক্তিগত স্বাধীনতার এই দোলাচলে সচেতন হওয়া জরুরি। সাময়িক আর্থিক লাভের চেয়ে নিজের নিরাপত্তা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়টি অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। দিনশেষে, সম্পর্কের এই বাণিজ্যিকীকরণ সমাজের গভীর একাকীত্ব আর নৈতিক সংকটেরই ইঙ্গিত দেয়। 🐍🐍

19/04/2026

একদিকে কোন কারণ ছাড়াই দাম বাড়ায় আবার অন্য দিকে কি সুন্দর ডায়ালগ। সবাই তার ফ্যান হয়ে যাবে খুব তারাতাড়ি।

18/04/2026

কিছু মুহূর্ত থাকে, যেখানে কথা হারিয়ে যায়—শুধু বিস্ময়টাই কথা বলে।

18/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ শুভ সকাল 💚

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Savar?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Savar