Khalid Saifullah Rakib
I will make reaction videos and content videos on various topics, know and share. Insha Allah.
22/02/2026
প্রি অর্ডার করুন
চূড়ান্ত প্রচ্ছদ। রমাদানের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই আপনাদের হাতে পৌঁছাবে ইনশাআল্লাহ।
24/10/2025
আগে ঘুমান, আগে জাগুন — সুস্থতা ও সওয়াব দুটোই অর্জন করুন!
কুরআনের এরশাদ-
> “আমি রাতকে করেছি তোমাদের বিশ্রামের জন্য।”
(সূরা আন-নাবা 78:9)
রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর আদর্শ:
তিনি ইশার পর অপ্রয়োজনে কথা বলা অপছন্দ করতেন এবং তাড়াতাড়ি ঘুমাতে উৎসাহ দিতেন।
(বুখারি ও মুসলিম)
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে:
রাতে আগে ঘুমালে—
✅ দেহ ও মন উভয়ই বিশ্রাম পায়
✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
✅ মানসিক প্রশান্তি ও ইতিবাচক চিন্তা বৃদ্ধি পায়
✅ ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে
✅ বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর হয়
রাতকে বিশ্রামের জন্য ব্যবহার করুন, পর্দা নামান, মনকে প্রশান্ত করুন—
যাতে সকালে নামাজ, কুরআন ও কর্মজীবনে থাকতে পারেন আরও উদ্যমী ও আল্লাহমুখী।
07/10/2025
Alhamdulillah
এভাবেই শুরু হয় আস-সুন্নাহ গুলজার বাহন ড্রাইভিং কোর্সের শিক্ষার্থীদের প্রতিটি সকাল। শিক্ষার্থীদের ফজর শুরু হয় পবিত্র কোরআন শেখা ও ইসলামিক জ্ঞান ক্লাসের মাধ্যমে।
তারা শেখে কিভাবে সততা ও দায়িত্বশীলতার সাথে ড্রাইভিং করতে হয়, কিভাবে রাস্তার নিয়ম-কানুন মেনে নিরাপদভাবে যানবাহন পরিচালনা করতে হয়, এবং কিভাবে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
এই সব শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধে সমৃদ্ধ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠছে, আলহামদুলিল্লাহ।
ওরা যতো চায় মুসলিমকে বিভক্ত করতে।
মুসলিমরা যেন দিন দিন ততই ঐক্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
আলহামদুলিল্লাহ
06/10/2025
Mashallah
যে দুরু দুরু হাত কিছুদিন আগেও প্রাইভেট কারের স্টিয়ারিং ধরতে ভয় পেত, প্রাইভেট কার জয় করে সেই হাত এখন পিকআপের স্টিয়ারিং ধরেছে।
আস-সুন্নাহ ড্রাইভিং স্কুলের শিক্ষার্থীরা এভাবেই দিনকে দিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
ইতোমধ্যে ড্রাইভিং স্কুলের ৫ ব্যাচের মোট ১২১ জন শিক্ষার্থীর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। এখন ষষ্ঠ ব্যাচের ভর্তি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদেশ থেকে বেকারত্ব দূরীকরণে আমাদের যে প্রচেষ্টা, ড্রাইভিং স্কুল সেই প্রচেষ্টার একটি অংশ।
16/09/2025
১৯৯১ সালের কথা। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হলো মাত্র।
পতনের মুহূর্তেই মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ইঙ্গিতে একটি বই লিখলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ফুকোয়ামা। বইয়ের নাম দিলেন ‘দি এন্ড অব হিস্ট্রি অ্যান্ড দ্য লাস্ট মেন’। বইতে তিনি চ্যালেঞ্জ করলেন, অনাগত কাল পর্যন্ত আমেরিকার সভ্যতা সংস্কৃতি সারা পৃথিবীর অনুসরণীয় একমাত্র আদর্শ হিসেবে টিকে থাকবে। এর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মত শক্তিশালী কোনো আদর্শ বর্তমান পৃথিবীতে অবশিষ্ট নেই! কী সমাজতন্ত্র, কী ইসলাম — কোনো ইজম আর ধর্মই পশ্চিমা সংস্কৃতির বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়ার মতো প্রাণশক্তি ও গতিশীলতা রাখে না।
ফ্রান্সিসের সেই বই স্বভাবতই চরম সাড়া ফেলে বাজারে। পৃথিবীর দেশে দেশে প্রকাশ হতে থাকে এর নানা সংস্করণ, নানা ভাষায়। কিন্তু এর প্রতিবাদ আসে না কোথাও থেকে। পেরিয়ে যায় পুরো একটি বছর।
তারপর ১৯৯২ সালে প্রথম ওই বইয়ের জবাবে বাজারে আসে একটি বই। নাম ‘ইসলাম দি অল্টারনেটিভ’। বইয়ের লেখক আর কেউ নন, খোদ পশ্চিমের দানাপানিতে পুষ্ট হওয়া জার্মান ডিপ্লোমেট ড. মুরাদ উইলফ্রেড হফম্যান। পাশ্চাত্যের শিক্ষা সংস্কৃতিতে বড় হওয়া ড. মুরাদ যেন খোদ পাশ্চাত্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। ওই বইতে তিনি পশ্চিমা সংস্কৃতিকে এমন বুদ্ধিবৃত্তি আর যুক্তির ভাষায় তুলোধুনো করেন, যার নজির পাশ্চাত্য আর কখনো দেখেনি।
বইয়ে গভীর প্রত্যয়ের সঙ্গে ড. মুরাদ বলেছেন, ইতিহাস শেষ হয়ে যাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না এবং চাইলেই কেউ ইতিহাসের গতি থামিয়ে দিতে পারবে না। যদি না স্বয়ং আল্লাহ তাআলা সেটা চান। তার মতে ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় এখন পুঁজিবাদী দর্শনের ভাটার টান শুরু হয়ে গেছে এবং বিশ্বব্যবস্থার মূলে ইসলামের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করার সময় এসেছে। সুতরাং ইতিহাস শেষ হয়ে গেছে বলে যে ঢোল পিটানো হচ্ছে পশ্চিমা জগতে , তা নিছক বাগাড়ম্বর ছাড়া কিচ্ছু নয়।
ড. মুরাদ জার্মানির নাগরিক ছিলেন। এক ক্যাথলিক খ্রিষ্টান পরিবারে জন্ম তার। পড়াশোনা করেছেন মিউনিখ আর নিউইয়র্কের বিভিন্ন ভার্সিটিতে আইনের ওপর। লাভ করেছেন ডক্টরেট ডিগ্রি। কর্মজীবনে বিভিন্ন দেশে জার্মানির রাষ্ট্রদূত হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। দীর্ঘ তিন যুগের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন দেশের সভ্যতা সংস্কৃতিকে পর্যবেক্ষণ করে অবশেষে দীক্ষিত হন ইসলামে। তখন তিনি আলজেরিয়ায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত।
কাছ থেকে পাশ্চাত্যের সভ্যতা সংস্কৃতির মিথ্যা খোলস আর ভণ্ডামিকে অবলোকন করা মুরাদ নিজেই জানিয়েছেন, তার এ জবাবি বই প্রকাশের সাথে সাথেই জার্মান মিডিয়া এর উপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং সেই পুরনো ইউরোপীয় কৌশলে তাকে মৌলবাদী, নারীবিদ্বেষী, মধ্যযুগীয় ব্যবস্থার সমর্থক ইত্যাদি বলে গালি দিতে শুরু করে। এবং এ কারণে তাকে রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে বহিষ্কার করে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এসব গালিগালাজ, তিরস্কার, বহিষ্কার এমনকি হুমকি ধমকি সব উপেক্ষা করে তার এ বই বিগত কয়েক দশক ধরে পাশ্চাত্য জগতে ইসলামের পক্ষে শক্ত ওকালতি করে আসছে।
ফলত: মুরাদ হফম্যানকে পাশ্চাত্যে ইসলামের অন্যতম শক্তিমান উকিল বলা চলে। তার বই বাদ দিলে পাশ্চাত্য কেন্দ্রিক পড়াশোনা অপূর্ণ থেকে যায়। মুরাদ হফম্যান তাই অবশ্যপাঠ্য। বিশেষত সভ্যতা ও ইতিহাসের যারা ছাত্র, তাদের জন্য।
মুরাদ হফম্যানের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বই:
১. রিলিজিয়ন অন দ্য রাইজ
২. ইসলাম অ্যান্ড কুরআন
৩. জার্নি টু মক্কা
৪. জার্নি টু ইসলাম
৫. ইসলাম ২০০০
৬. দার ইসলাম
৭. দার কুরআন
৮. ইসলামিক ফিলোসোফি।
@মোহাম্মদ আলি
"পুরো বাংলাদেশের মানুষ নামাজী হয়ে যাক, হাজী হয়ে যাক, রোজা পালনকারী হয়ে যাক—তবুও এটি পূর্ণাঙ্গ 'ইসলামি রাষ্ট্র' হিসেবে গণ্য হবে না, যতক্ষণ না তার মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে এবং রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও বিধানকে মেনে নেয়া হবে এবং মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে"
#খিলাফাহ #খিলাফত #ইসলাম
01/09/2025
25/08/2025
আলহামদুলিল্লাহ...
একজন ছাত্রের বিয়ের সময় মোহর নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল।
মেয়ের পরিবারের কেউ প্রস্তাব করছিলেন দুই-তিন লাখ টাকা।
কিন্তু বর অত্যন্ত বিনয়ের সাথে বললেন,
"আমি এখনো ছাত্র, আমার কোনো স্থায়ী উপার্জন নেই।
আমি চেষ্টার সর্বোচ্চ করে এক লাখ টাকা দিতে পারি, তাও সময় নিয়ে ধাপে ধাপে।"
এসময় পাত্রী নিজেই বিনয়ের সাথে বললেন,
"আপনার যেটুকু সামর্থ্য, সেটাই যথেষ্ট। আমার জন্য ৫০ হাজার টাকা মোহরই যথেষ্ট।"
পরিবারের অনেকেই এই সহজ-সরল ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তকে সম্মানের সাথে গ্রহণ করলেন। অনেকে দ্বিমত পোষণ করলেন।
এরপর বিয়ে হলো সুন্নাতি পদ্ধতিতে, অত্যন্ত পরিশীলিত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে।
বিয়ের পর বর মাদ্রাসায় ফিরে গেল তার পড়াশোনায়।
আর পাত্রী—যে মোহর হিসেবে পেয়েছিল ৫০ হাজার টাকা—
সেই অর্থ দিয়েই স্বামীর প্রয়োজন বিবেচনায় একটি ল্যাপটপ উপহার দিলো,
যাতে সে দ্বীনি শিক্ষা ও গবেষণায় আরও অগ্রসর হতে পারে।
এই ঘটনা কেবল একটি দাম্পত্য জীবনের সূচনা নয়,
বরং বোঝাপড়া, সম্মান, এবং পারস্পরিক সহযোগিতার এক অনন্য উদাহরণ।
পরিবার গড়ে ওঠে ধনসম্পদ নয়,
ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং মূল্যবোধের ভিত্তিতে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে
এই চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে জীবন গড়ার তাওফিক দান করুন।
উপস্থাপনার ভিন্নতায় মূল্যায়নের বিশাল পার্থক্য!
একই জিনিস — কিন্তু উপস্থাপনার কৌশলে বদলে যায় মূল্য, গ্রহণযোগ্যতা ও মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি।
একবার চিন্তা করুন...
ফুটপাতের একটি পণ্য আপনি কিনছেন মাত্র ১০০ টাকায়।
ঠিক সেই পণ্যই যদি স্থানীয় মার্কেটে যায়, দাম হয়ে যায় ২০০ টাকা।
আর কোনো ব্র্যান্ডেড শোরুমে গেলে? দাম দাঁড়ায় ৫০০ টাকারও বেশি!
এখানে পণ্যের মান বদলায়নি — বদলেছে উপস্থাপনা এবং মার্কেটিং কৌশল।
আবার ধরুন, একটি কোর্স ইউটিউবে ফ্রিতে আছে, কেউ তেমন গুরুত্ব দিচ্ছে না।
সেই কোর্সই কেউ হয়তো সুন্দর কাভার, প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং, নামকরা লেবেল বা প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে সাজিয়ে বিক্রি করছে হাজার টাকায়!
কেউ কেউ আবার একে এক্সক্লুসিভ কোর্স দাবি করে নিচ্ছে বিশাল মূল্য।
বাস্তবতা হলো, মান অনেক সময় নয়, উপস্থাপনাই মানুষকে মূল্য দিতে বাধ্য করে।
তাই জীবনেও, ব্যবসাতেও, শিক্ষাতেও — Content is important, but presentation is powerful.
সঠিক জ্ঞান ও ভালো মানের বিষয়বস্তু থাকলেও যদি আপনি উপস্থাপন করতে না জানেন, তা উপেক্ষিত থেকে যাবে। অন্যদিকে, কেউ যদি সাধারণ কিছুকেও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করে, সেটা হয়ে যেতে পারে “প্রিমিয়াম”।
তাই, উপস্থাপনার কৌশল শিখুন, প্রয়োগ করুন — আপনি এবং আপনার কাজ মূল্যায়িত হবেই ইনশাআল্লাহ।
#উপস্থাপনা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Savar