Sharaj & Rhrishav
এখানে সঙ্গীত শিক্ষা বিষয়ক নানা রকম তথ্য উপাত্ত পাওয়া যাবে।
12/06/2026
আমিও গাইবো !!
সময়- আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৯.৩০
চলমান এই সাপ্তাহিক গান আড্ডা ইতোমধ্যে একাধিক আসর সফলভাবে অতিক্রম করেছে এবং সংগীতপ্রেমীদের আন্তরিক ভালোবাসা ও মুগ্ধতা অর্জন করেছে। আপনি কি সংগীত পিপাসু? গান ভালোবাসেন? তাহলে এই আয়োজন, এই আড্ডা আপনারই জন্য।
জীবনের ব্যস্ততা, ফেলে আসা দুশ্চিন্তা আর মানসিক চাপের ভিড়ে নিজেকে একটু শান্তি দিতে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে কিছুক্ষণ প্রিয় শিল্পীর গান শোনা বা গলা ছেড়ে নিজে গান গাওয়া মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য হতে পারে একটি সহজ ও কার্যকর উপায়।
আমি মোল্লা মাসুদ রহমান। আপনাদের সঙ্গে নিয়ে গড়ে তুলতে চাই এমন একটি প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল, যেখানে বয়সের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। তাই যে-কোনো বয়সের, যে-কোনো পেশার মানুষ ইচ্ছে করলেই এই সাপ্তাহিক গান আড্ডার একজন সম্মানিত ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হতে পারেন। এখানে থাকবে শুধু গান, স্মৃতিময় গল্প, অনুভূতির আদান-প্রদান এবং কিছু সুন্দর সময় একসঙ্গে কাটানোর সুযোগ।
আপনি যদি আমাদের এই সুরের বন্ধনে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিচের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একটি বার্তা পাঠান। বার্তার শুরুতেই লিখুন “আমিও গাইবো”। এরপর আপনার নাম, বয়স ও পূর্ণ ঠিকানা লিখে পাঠিয়ে দিন।
হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৭৮৯-৩৮৩৮১৯
আসুন, সুরের মূর্ছনায়, গল্পের আবেশে এবং আন্তরিক বন্ধুত্বের উষ্ণতায় খুঁজে নেই মনের শান্তি, আনন্দ ও ভালো থাকার নতুন ঠিকানা।
07/06/2026
দ্বিতীয় মৃত্যু
মোল্লা মাসুদ রহমান
মানবজীবনে মৃত্যু কেবল শারীরিক প্রস্থানেই সীমাবদ্ধ নয়; এর এক গভীরতর ও অধিক করুণ রূপও বিদ্যমান। প্রথম মৃত্যু সংঘটিত হয়, যখন নিয়তির অনিবার্য বিধান ও মহাকালের অদম্য আহ্বানে পার্থিব অস্তিত্বের অবসান ঘটে। এটি প্রকৃতির চিরন্তন নিয়মেরই অংশ। কিন্তু দ্বিতীয় মৃত্যু ঘটে আরও নীরবে, আরও নির্মমভাবে যখন কোনো ব্যক্তি জীবিত অবস্থাতেই মানুষের হৃদয়লোক, স্মৃতিভাণ্ডার ও অনুভূতির পরিসর থেকে বিস্মৃতির অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হয়।
দেহাবসান মানুষকে পৃথিবী থেকে অপসৃত করে, কিন্তু হৃদয়াবসান তার অস্তিত্বের মহিমাকেই নিঃশেষিত করে। বৈধ বা জৈবিক মৃত্যু যতটা না মর্মপীড়ার, তার চেয়েও অধিক বেদনাবহ হলো প্রিয়জনের অনুরাগ, শ্রদ্ধা ও আবেগের কেন্দ্রবিন্দু থেকে চিরতরে নির্বাসিত হয়ে পড়া। কারণ শারীরিক মৃত্যু কেবল জীবনযাত্রার পরিসমাপ্তি নির্দেশ করে, অথচ মানুষের মনন ও স্মৃতি থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া তার সমগ্র সত্তাকেই বিস্মৃতির অন্ধকারে সমাহিত করে। এ এক এমন মৃত্যু, যেখানে প্রাণ অবশিষ্ট থাকে, কিন্তু অস্তিত্বের দীপ্তি নিভে যায়।
© ৭ জুন ২০২৬ মোল্লা মাসুদ রহমান। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। লেখাটি শেয়ার করা যেতে পারে, তবে অনুমতি ছাড়া হুবহু কপি–পেস্ট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
যারা নিয়মিত খেয়াল, ঠুমরী বা গজল পরিবেশন করেন, তাদের পক্ষে রবীন্দ্র সংগীত গাওয়া সহজ নয়। গতকাল “একটুকু ছোঁয়া লাগে” গানটি ষড়জের দিয়ে গাওয়ানোর সময় বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করলাম। আমার মতে, সব ধরনের সংগীত সব শিল্পীর জন্য সমানভাবে উপযোগী নয়। রবীন্দ্র সংগীতে বাণী, সুর ও ভাবের মধ্যে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়, যেখানে ইচ্ছামতো অলংকার বা পরিবর্তনের সুযোগ নেই বললেই চলে।
আমরা যথাসম্ভব যত্ন নিয়ে গানটি পরিবেশন করার চেষ্টা করলেও কিছু ভুল বা সীমাবদ্ধতা থেকে যেতে পারে, যা অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী শ্রোতারা উপলব্ধি করতে পারবেন।
কণ্ঠে- ষড়জ
তবলায়- ঋষভ
17/05/2026
মোল্লা"র জীবনকথা
আমি মোল্লা মাসুদ রহমান। আমি ২০০০ সাল থেকে আমি সংগীত শিক্ষা দানের সঙ্গে যুক্ত। ঢাকার অদূরে সাভারে “সুর রঙ সংগীত একাডেমি” নামে একটি ছোট্ট সংগীত শিক্ষালয় প্রতিষ্ঠা করি ২০০৪ সালে। তারও আগে অন্য একটি সংগীত একাডেমিতে শিক্ষকতা করতাম। একটা সময় অল্প কিছুদিনের জন্য বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, সাভার শাখায় সংগীত শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছি। সংগীতকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার পূর্বে লেখাপড়ার ছাত্র পড়িয়েই আমার জীবনযাত্রার শুরু হয়। ধীরে ধীরে একটা সময়ে সুরের পথই হয়ে ওঠে আমার জীবনচলার প্রধান অবলম্বন।
জীবনে নানা চড়াই-উতরাই গেছে কিন্তু রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কখনো কেউ জানতে চায়নি, আমি আমরা কেমন আছি, কীভাবে চলছি। অবশ্য এ দেশে সরকারি চাকরিজীবীদের বাইরে অসংখ্য মানুষ নানা শ্রেণি-পেশায় জীবিকা নির্বাহ করলেও, রাষ্ট্র পক্ষ থেকে তাদের খোঁজ নেওয়ার সংস্কৃতি এদেশে গড়ে ওঠেনি। এটাই আমাদের বাস্তবতা। তবে আমি বিশ্বাস করি, রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকেরই ন্যূনতম নিরাপত্তা ও সম্মানের অধিকার রাষ্ট্র পক্ষ থেকে থাকা উচিত। যেহেতু সেই চল আমাদের দেশে এখনো গড়ে ওঠেনি, তাই নিজের কর্মের মূল্য ও নিয়ম নিজেকেই নির্ধারণ করে নিতে হয়েছে।
আমি মানুষের বাড়িতে গিয়ে গান শেখাই মানে এটাই আমার পেশা, এটাই আমার চাকরি। একজন সরকারি চাকরিজীবী যেমন নিয়মতান্ত্রিক সুবিধা পান, আমিও তেমনি আমার শ্রম ও সময়ের একটি সুশৃঙ্খল কাঠামো তৈরি করেছি। আমার শিক্ষার্থীরা আমার কাছে বারো মাসের ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় তালিম নেয়। অর্থাৎ, দু’মাস শিখে কয়েক মাস বিরতি দিয়ে আবার শুরু, এভাবে আমি কাউকে শেখাই না। বিশেষ প্রয়োজনে কোনো শিক্ষার্থী ক্লাস বন্ধ রাখতে পারে, তবে মাসিক ফি চালু রেখে। কারণ সংগীত শিক্ষা কেবল শখ নয়, এটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে একটি ধারাবাহিক সাধনার সম্পর্ক।
আমি মুসলিম, আর মুসলিম সমাজে বছরে দুটি বড় আনন্দের উৎসব- ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। এই দুই ঈদ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক ফি’র অর্ধেক পরিমাণ উৎসব ফি গ্রহণ করি আমি। পাশাপাশি বছর শেষে একটি ছোট্ট বাৎসরিক সেশন ফি রয়েছে।
তবে একটি বিষয় আমি সবসময় হৃদয়ে ধারণ করি, অর্থের অভাবে যেন কারও সংগীত শিক্ষা বন্ধ না হয়। যে শিক্ষার্থী নিয়মিত ফি দিয়ে শিখতে অপারগ, তাকে আমি অনলাইনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শেখাই। এ কার্যক্রম অফলাইনেও শুরু করার ইচ্ছে আছে। কিন্তু কম পারিশ্রমিকে আমি শেখাই না। কারণ শিল্প ও শিক্ষার মর্যাদা আমার কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। কেউ অসুবিধার কথা জানালে, কোনো অস্বস্তি তৈরি না করে তাকে সরাসরি ফ্রি ক্লাসে যুক্ত করে নিই আমি। বর্তমানে দেশ-বিদেশ মিলিয়ে অসংখ্য ছেলে-মেয়ে আমার কাছে পেইড ও ফ্রি উভয় ব্যবস্থাতেই তালিম নিচ্ছে।
অনলাইন ও অফলাইনে গ্রুপ এবং একক ক্লাস ফি সমূহের নির্ধারিত একটি কাঠামো রয়েছে। যার সামর্থ্য আছে, সে নিয়ম অনুযায়ী শিখবে; আর যে অপারগ, তার জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা।
ঢাকায় “সুর রঙ সংগীত একাডেমি'র” আমাদের কোনো শাখা নেই। তবে সপ্তাহে একদিন ঢাকায় গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কিছু শিক্ষার্থীকে তালিম দেই আমি।
সম্প্রতি অনলাইনে বয়োজ্যেষ্ঠদের জন্য সাপ্তাহিক ভিত্তিতে গান ও গল্পের একটি আন্তরিক আড্ডার আয়োজন শুরু করেছি। সেখানে অনেক প্রবীণ মানুষ যুক্ত হয়েছেন। সুর, স্মৃতি আর গল্পে ভরা এই আয়োজন আমাকে ভীষণ আনন্দ দিচ্ছে।
এভাবেই সুরের ভেতর দিয়ে মানুষের ভালোবাসায় চলছি। আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদে ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ।
Ghazal-
Aye husn-e-beparwah tujhe
Main artist- Ghulam Ali
Performance by Sharaj & Rhrishav.
07/05/2026
আমিও গাইবো !!
শুভ উদ্বোধন-
আগামীকাল শুক্রবার রাত দশটায়।
আপনি আমন্ত্রিত !!!
জীবনের নানা ব্যস্ততা, ফেলে আসা দুশ্চিন্তা আর মানসিক চাপের ভিড়ে নিজেকে একটু শান্ত করতে, শান্তি দিতে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে কিছুক্ষণ প্রিয় শিল্পীর গান শোনা বা গলা ছেড়ে গান গাওয়া মানসিক সুস্থতা ও প্রশান্তির জন্য হতে পারে একটি সহজ ও কার্যকর উপায়।
আমি মোল্লা মাসুদ রহমান, আপনাদের সাথে আছি, বিশেষ করে যারা বয়সে ৫০/৬০ ঊর্ধ্ব।
আসুন, আগামীকাল থেকে অনলাইনে একসাথে গড়ে তুলি একটি প্রাণবন্ত সংগীত আড্ডা। যেখানে হতে পারে গান আর ফেলে আসা দিনের গল্প।
সাপ্তাহিক আড্ডায় যোগ দিতে নিচের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করুন, আর প্রথমেই লিখুন, “আমিও গাইবো”
এরপর আপনার নাম ও পূর্ণ ঠিকানা পাঠিয়ে দিন।
হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৭৮৯-৩৮৩৮১৯
আসুন, সুরে সুরে খুঁজে নেই মনের শান্তি ও আনন্দের নতুন ঠিকানা।
Amar Valobasar Rajprasade- - -
আমার ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে- - -
Main artist- Manna De
মূল শিল্পী- মান্না দে
কথা- পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়
সুর - নচিকেতা ঘোষ
ষড়জ, ঋষভ এর পরিবেশনা।
26/04/2026
সনদ নয়, কণ্ঠের সাধন
----মোল্লা মাসুদ রহমান
কণ্ঠসংগীতে কাগজের সার্টিফিকেটই শেষ কথা নয়; আসল বিষয় হলো কণ্ঠকে সংগীতের উপযোগী করে গড়ে তোলা। একজন শিল্পীর কণ্ঠে সুরের শুদ্ধতা, লয়বোধ, উচ্চারণের স্বচ্ছতা, আবেগের প্রকাশ এবং পরিবেশনার দক্ষতা এসবই প্রকৃত সংগীত শিক্ষার মূল ভিত্তি। তাত্ত্বিক জ্ঞান অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তা সংগীতের গঠন, রাগ-রাগিণীসহ তাল-লয়ের, ইতিহাস ও নন্দনতত্ত্ব সম্পর্কে গভীর ধারণা দেয়। তবে কেবল তত্ত্ব জানলেই একজন ভালো শিল্পী হওয়া যায় না। বাস্তব অনুশীলন, রেয়াজ এবং গুরুর সান্নিধ্য লাভ, যা দীক্ষা স্বরুপ।
ভারতীয় উপমহাদেশে এমন বহু স্মরণীয় ও বরেণ্য শিল্পী রয়েছেন, যাঁদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সনদ ছিল না। কিন্তু তাঁদের সাধনা, প্রতিভা ও নিষ্ঠা তাঁদের কিংবদন্তিতে পরিণত করেছে। তাঁরা প্রমাণ করে গেছেন, সংগীতের প্রকৃত পরিচয় কাগজে নয়, কণ্ঠে ও সাধনায়। তবে এর অর্থ এই নয় যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অপ্রয়োজনীয়। আবারও বলছি, সংগীত শিক্ষায় দীক্ষা লাভই এর মূল শিক্ষা। যা গুরু-শিষ্য পরম্পরায় নিজেকে গড়ে তোলা এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ অনুশীলনের মধ্য দিয়ে প্রকৃত শিল্পীসত্তার বিকাশ ঘটানো।
বর্তমান সময়ে সংগীতে ২ বা ৪ বছরের কোর্সভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থায় সার্টিফিকেট অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে। এসব কোর্স একজন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক কাঠামো, নিয়মতান্ত্রিক ধারণা ও কিছু প্রযুক্তিগত দক্ষতা দিতে পারে। কিন্তু এত স্বল্প সময়ে প্রকৃত সংগীত শিক্ষা সম্পূর্ণভাবে অর্জন করা কঠিন। কারণ সংগীত কোনো মুখস্থ বিদ্যা নয়; এটি দীর্ঘ মেয়াদি সাধনা, ধৈর্য, অনুশাসন ও আত্মনিবেদনের পথ।
সংগীতের আসল শিক্ষা শুরু হয় নিয়মিত রেয়াজ থেকে। প্রতিদিনের চর্চা, সুরের ওপর নিয়ন্ত্রণ, কণ্ঠের যত্ন, তালিম গ্রহণ, মঞ্চ অভিজ্ঞতা এবং শ্রবণচর্চা এসবের সমন্বয়ে একজন শিল্পী ধীরে ধীরে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠেন। কখনো কখনো সংগীত চর্চার বীজ পারিবারিক পরিবেশে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বিকশিত হয়। অনেক পরিবারে সংগীতের ঐতিহ্য উত্তরাধিকার সূত্রে সন্তানদের মধ্যে প্রস্ফুটিত হতে দেখা যায়।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সংগীতের আদব বা শিষ্টাচার শেখা। গুরু ও গুরুজনকে সম্মান করা, মঞ্চের আচরণ জানা, সহশিল্পীদের মর্যাদা দেওয়া, শ্রোতাকে সম্মান করা, পরিবেশনার নৈতিকতা রক্ষা করা এসবও সংগীত শিক্ষার অপরিহার্য অংশ। অনেক সময় একজন শিক্ষার্থী সুর-তাল শিখলেও এই সাংস্কৃতিক পরিশীলন আয়ত্ত করতে দীর্ঘ সময় লাগে। বলা যায়, সংগীতের আদব-কায়দা ও গভীরতা উপলব্ধি করতেই এক যুগ সময় লেগে যেতে পারে।
তাই বলা যায়, সার্টিফিকেট অর্জন ভালো বিষয়, কিন্তু সেটিই চূড়ান্ত নয়। সংগীতে প্রকৃত সাফল্য আসে অধ্যবসায়, দীর্ঘ সাধনা, শৃঙ্খলা, বিনয় এবং নিরবচ্ছিন্ন চর্চার মাধ্যমে। কাগজের সনদ একজনের যোগ্যতার পরিচয় দিতে পারে, কিন্তু শিল্পীর আসল পরিচয় প্রকাশ পায় তাঁর কণ্ঠে, সাধনায় এবং শ্রোতার হৃদয়ে।
© ২৬ এপ্রিল ২০২৬ মোল্লা মাসুদ রহমান। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। লেখাটি শেয়ার করা যেতে পারে, তবে অনুমতি ছাড়া হুবহু কপি–পেস্ট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
চিত্রঋণ- মাজেদ চৌধুরী।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Savar
1340